Sunday, March 27, 2011

ঢাকায় একাত্তরের বধ্যভূমি

0 comments
দেশের স্বাধীনতার জন্য বলি হওয়া অসংখ্য শহীদের স্মৃতি ধারণ করে আছে বধ্যভূমিগুলো। সংরক্ষণের উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেক বধ্যভূমি নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল পরিণত হয়েছিল একটি বধ্যভূমি ও গণকবরে। আরও যেসব বধ্যভূমি ও গণকবরের সন্ধান মিলেছে ঢাকায়_ সেগুলো হলো তেজগাঁও এতিমখানা, সাভারের ভায়াডুবি ব্রিজ, কালীবাবুর গ্যারেজ সংলগ্ন খাল, কামালপুর বাজার কালভার্ট, নবাবগঞ্জের বর্ধনপাড়া গ্রাম, কলাকোপা গ্রাম, আমিরবাগ, বারানিবাগ, সাতগাঁও, চরাইল, পোস্তগোলা, কেরানীগঞ্জের মধ্য কেরানীগঞ্জ, মান্দাইল খালের পাশে, কালীগঞ্জ, শুভাঢ্যা, নগরগঞ্জ, কালিন্দী, জিঞ্জিরা, আদাবর, মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল কলেজ, মহাখালী যক্ষ্মা হাসপাতাল, এমএনএ হোস্টেল, তেজগাঁও পুরনো বিমানবন্দরের পাশে, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, কুর্মিটোলা বিমানবন্দর, আদমজীনগরের শিমুলপাড়া, পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, নারিন্দা খেলার মাঠ, সূত্রাপুর লোহার পুল ও সায়েদাবাদ আউটফল বধ্যভূমি
ছবি: রেজওয়ান
'মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হল বলিদান'_ গানটি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতার জন্য বলি হওয়া অসংখ্য শহীদের স্মৃতি ধারণ করে আছে বধ্যভূমিগুলো। সারাদেশে রয়েছে চিহ্নিত বা অচিহ্নিত অসংখ্য বধ্যভূমি। তবে ঢাকায় বধ্যভূমির সংখ্যা বেশি। সংরক্ষণের উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেক বধ্যভূমি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেগুলো এখনও আছে, সেগুলোর চিহ্নও মুছে যেতে বসেছে। ঢাকায় এ পর্যন্ত ৭০টি বধ্যভূমি ও গণকবরের সন্ধান পেয়েছে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি। এর মধ্যে রাজধানীর মিরপুরেই রয়েছে ২৩টি। ৭০টির মধ্যে কেবল ১০টি বধ্যভূমি ও গণকবর চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। এর সবই প্রায় মিরপুরে। মিরপুরের এ ১০টির মধ্যে মাত্র একটি বধ্যভূমি সংরক্ষণ করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। অবশিষ্টগুলো এখন প্রায় নিশ্চিহ্ন। রায়েরবাজার বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকেই অসংখ্য মানুষের লাশ এনে স্থানটিকে রীতিমতো গণকবরে পরিণত করা হয়েছিল। শহর থেকে দূরে নিরিবিলি এ বধ্যভূমিটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর মানুষ সেখানে লাশ দেখে ভিড় করে। সেদিন রায়েরবাজারের বিভিন্ন গর্ত থেকে প্রচুরসংখ্যক লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে শিক্ষক, অধ্যাপক, ডাক্তার, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকেরই লাশ ছিল বেশি। কিছু মানুষের লাশ এতই বিকৃত ছিল যে, শনাক্ত করার উপায় ছিল না। যাদের শনাক্ত করা গিয়েছিল, তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, সেলিনা পারভীন, ডা. ফজলে রাব্বী প্রমুখ। ২৫ মার্চ থেকে মূলত গণহত্যার কালরাত শুরু হয়। হানাদাররা এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, অধ্যাপকদের বাসভবন ঘেরাও করে। তারা জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. মুনিরুজ্জামান, তার দুই আত্মীয় ও এক প্রতিবেশী যুবককে গুলি করে। জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা বেঁচে থাকলেও বিনা চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়। হানাদাররা কামান, রকেট লঞ্চার, মর্টার নিয়ে ঢাবির ইকবাল হলে (বর্তমান জহুরুল হক হল) আক্রমণ করে। সকালে গোলাগুলি থামে। ইকবাল হলে পড়তে থাকে এক স্তূপ লাশ। জগন্নাথ হলেও চলে গণহত্যা। মূলত তৎকালীন সব আন্দোলনের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হানাদারদের ছিল প্রচণ্ড ক্ষোভ। তাই তারা সব আধুনিক অস্ত্র নিয়ে হলে নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্রদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সারাদেশেই অসংখ্য বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করে গণকবর দেওয়া হয়। ঢাকায় সেসব গণহত্যার স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও বধ্যভূমির বর্তমান অবস্থা যেমন_
রায়েরবাজার বধ্যভূমি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বরেণ্য শিক্ষক ড. মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, শিল্পী আলতাফ মাহমুদসহ বহু শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে হত্যা করে আলবদর ও রাজাকাররা স্বাধীনতার মাত্র একদিন আগে। তাদের সবাইকে হত্যার পর রায়েরবাজারের নিচু ডোবায় লাশ ফেলে দেয় ঘাতকরা। ১৬ ডিসেম্বর প্রথম আবিষ্কৃত বধ্যভূমির নাম রায়েরবাজার বধ্যভূমি। এখানে ঢাকার অন্যান্য এলাকা থেকে হত্যা করা মৃতদেহ এনে ফেলত হানাদার বাহিনী। রায়েরবাজারের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে স্মৃতিফলক স্থাপন ও এ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়েছে।
মুসলিম বাজার বধ্যভূমি : ১৯৯৯ সালের ২৭ জুলাই মিরপুর মুসলিম বাজারের পাশে নূরী মসজিদের বর্ধিতাংশ নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় বধ্যভূমিটির সন্ধান পাওয়া যায়। এ বধ্যভূমি থেকে অসংখ্য হাড়গোড়, মাথার খুলি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, এখানে একাত্তরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার লোককে হত্যা করা হয়েছিল।
রাজারবাগ পুলিশ লাইন : রাজারবাগ পুলিশ লাইন ছিল পাকবাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র। এখানে বধ্যভূমিও আছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এখানকার পুলিশ ব্যারাক আক্রমণ করে প্রায় ২ হাজার বাঙালি পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়। এরপর নয় মাসব্যাপী হত্যাযজ্ঞে স্থানটি পরিণত হয় গণকবর আর বধ্যভূমিতে।
জগন্নাথ হল : হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ২৫ মার্চ কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থানরত নিরপরাধ ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নৃশংসভাবে হত্যা করে। সারি বেঁধে দাঁড় করিয়ে জগন্নাথ হলের ৩ শিক্ষক, ৩৪ ছাত্র ও ৪ কর্মচারীকে মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় হানাদার বাহিনী। এছাড়া পাশের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলেও (তৎকালীন ইকবাল হল) বহু ঘুমন্ত ছাত্রকে হত্যা করা হয়।
রমনা কালীবাড়ি : ২৯ মার্চ বাঙালি ইপিআর অফিসার ক্যাপ্টেন আজাদসহ ২০ ইপিআর সদস্যকে এখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২৭ মার্চ কালীমন্দিরের সিংহ দরজার কাছে ৫০-৬০ জনকে হত্যা করা হয়। এখানে মধুদার লাশও পাওয়া যায় ।
সূত্রাপুর লোহার পুল : পাকসেনা ও তাদের দোসররা বহু মানুষকে সূত্রাপুর লোহার পুলের ওপর এনে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ পুলের ওপরই প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ড. হরিনাথ দেকে গুলি করে হত্যা করে হানাদাররা।
জগন্নাথ কলেজ : পাকসেনা ও তাদের দোসররা পুরো ৯ মাস এ কলেজে থেকে পুরনো ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে অগণিত মানুষ হত্যা করে। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি শনিবার কোতোয়ালি থানা পুলিশ স্থানটি খুঁড়ে ৭টি কঙ্কাল উদ্ধার করে।
ছবি: প্রথম আলো
সেনানিবাস ও বিমানবন্দর এলাকা : ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী ট্রাকে করে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন শত শত লাশ নিয়ে আসত। তারপর গর্ত করে বুলডোজার চালিয়ে সেসব লাশ মাটিচাপা দিত।
ইস্কাটন গার্ডেন : এখানে বিভিন্ন গর্ত থেকে মানুষের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। ঢাকা পতনের কিছু দিন আগে সান্ধ্য আইন জারি করে বিভিন্ন স্থান থেকে মহিলাদের ধরে এনে এখানে অত্যাচারের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
রাইনখোলা : স্বাধীনতার পরপরই এ বধ্যভূমিটি চিহ্নিত করা হয়। একটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে রাইনখোলা এলাকায় বধ্যভূমিটির সন্ধান পাওয়া যায়।
মিরপুর বাঙলা কলেজ : একাত্তরে মিরপুরের বাঙলা কলেজের পুরোটাই হয়ে উঠেছিল বধ্যভূমি। শিক্ষক কমনরুমের দক্ষিণে একটি, অধ্যাপকদের বাসভবনের গেটের সামনে একটি এবং ছাত্রাবাসের পশ্চিমে দুটি কুয়া ছিল। এ কুয়াগুলোয় ফেলা হতো শহীদদের লাশ। অনার্স ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর সংলগ্ন এলাকা ও কলেজের পেছনে রয়েছে গণকবর।
কালাপানি : মিরপুর-১২ নম্বর সেকশনের শহীদবাগে অবস্থিত কালাপানি বধ্যভূমি। এখানে মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বিহারি এবং পাকবাহিনীর দোসররা হত্যা করে বহু মুক্তিকামী মানুষকে। এখান থেকে ১৯৭২ সালে উদ্ধার করা হয়েছিল ৮১ বস্তা দেহাবশেষ ও অসংখ্য লাশ।
শিরনিরটেক ও কাউয়িন্দা : মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের উত্তরদিকে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন স্থানটিই শিরনিরটেক। তার পাশে কাউয়িন্দা গ্রামেও ৫০০ থেকে ৫৫০টি লাশ দেখেছেন স্থানীয়রা।
গোলারটেক : মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের পেছনের এলাকাটির নাম গোলারটেক। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এটি ছিল মূলত হিন্দুপাড়া। একাত্তরে গোলারটেক গ্রামটিই হয়ে ওঠে বাঙালি নিধনযজ্ঞের চারণভূমি। সৌধের ঠিক উত্তরে অবস্থিত গণকবরে রয়েছে ১৮ শহীদের লাশ। এখন যেখানে নির্মিত হয়েছে স্মৃতিসৌধ।
আলোকদি : মিরপুরের প্রায় শেষ প্রান্তের গ্রাম আলোকদি। একাত্তরের ২৪ এপ্রিল মধ্যরাতে এ গ্রামের নিরীহ জনসাধারণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনা এবং তাদের এ দেশীয় দালাল, রাজাকার ও বিহারিরা। তারা এ গ্রামের ২-৩ হাজার মানুষকে হত্যা করে।
শিয়ালবাড়ি : মিরপুরের সনি সিনেমা হলের মোড় থেকে উত্তরে হাজি রোডের শিয়ালবাড়ি গ্রাম। তখন প্রায় আড়াই হাজার মানুষের বাস ছিল এ গ্রামে। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর সেই গ্রামটি হয়ে পড়েছিল বিরানভূমি। এখানে একটি গণকবর রয়েছে।
সারেংবাড়ি : মিরপুর শাহ্আলী মাজারের উত্তরে রয়েছে সারেং মনির উদ্দিন শাহের একটি মাজার। সারেংবাড়ি গ্রাম নামে পরিচিত এ এলাকায় ১৯৯১ সালে সিটি করপোরেশন স্যুয়ারেজ ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গেলে বেরিয়ে আসে মানুষের হাড়, মাথার খুলি, চশমা, জুতা, গুলির খোসা, বন্দুকের অংশ, হাতের চুড়ি ইত্যাদি।
জল্লাদখানা : মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে পাওয়ার হাউসসংলগ্ন জল্লাদখানা বধ্যভূমি। ১৯৯৯ সালে কূপটি খননের পর উদ্ধার করা হয় ৭০টি মাথার খুলি, ৫ হাজার ৩৯২টি হাড় ও ব্যবহৃত দ্রব্যসামগ্রী। পরে সেসব তিনটি ট্রাকবোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
তেজগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ ইনস্টিটিউট : এখানকার ২৮, ৩৩ ও ৩৭ নম্বর স্টাফ কোয়ার্টার প্রাঙ্গণে মাটি খুঁড়ে বেশ ক'জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ডিসেম্বরের ১০ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে এসব হতভাগ্য বাঙালিকে হত্যা করা হয়।
ধানমণ্ডি বালিকা বিদ্যালয় : মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস ধানমণ্ডি বালিকা বিদ্যালয়কে বাঙালি নির্যাতন ও হত্যাকেন্দ্রে পরিণত করা হয়।
ধলপুর ডিপো : ধলপুর ময়লা ডিপো নামে পরিচিত স্থানটির বড় বড় গর্তে হাজার হাজার মানুষকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

দেশব্যাপী ১৭৬টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ১৭৬টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার স্থান তথা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশের ৩৫টি স্থানে বধ্যভূমি চিহ্নিত করে তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে পাওয়া তালিকা এবং অন্যান্য সুপারিশের মাধ্যমে এ ১৭৬টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯টির জন্য সরকারি জমি পাওয়া গেছে। বাকি ১৪৭টির জন্য জমি কিনতে হবে, যার অর্থায়ন হবে প্রকল্প ব্যয় থেকে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭১ কোটি টাকা। গড়ে প্রতিটি বধ্যভূমির জন্য ১০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে ২০১৩ সালের মধ্যে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই আমরা বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছি। পরিকল্পনা কমিশন থেকে মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে, একসঙ্গে এত বধ্যভূমির কাজ হাতে না নিয়ে দুই-তিন ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

- রিবেল মনোয়ার

0 comments:

Post a Comment