Friday, June 7, 2013

সাইক্লোন, হ্যারিকেন ও টাইফুনের পার্থক্য

0 comments
ঘূর্ণিঝড়

সাইক্লোন, হ্যারিকেন ও টাইফুনের মধ্যে মূলত: গুণগত কোন পার্থক্য নেই। তিনটিই ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড় হলেও এ প্রাকৃতিক দূর্যোগ একেক অঞ্চলে একেক নামে পরিচিতি। আমাদের যা সাইক্লোন নামে পরিচিত তা ফিলিপাইন, চীন ও জাপানে টাইফুন নামে পরিচিত। এসব ঘূর্ণিঝড় আমেরিকার ফ্লোরিডা উপকূলে হলে তার নাম হ্যারিকেন। ভারত মহাসাগরে উৎপন্ন যে কোন ঘূর্ণিঝড় সাইক্লোন। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় হলেও তা সাইক্লোন নামেই হবে। ১৬০ দ্রাঘিমাংশের পশ্চিমে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট যে কোন প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিবায়ু সাইক্লোন নামে অভিহিত। শূন্য দ্রাঘিমাংশ বা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার পশ্চিমে উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপন্ন হলে তা টাইফুন। গ্রিকশব্দ 'টাইপো' বা টুফন থেকে টাইফুন শব্দের উৎপত্তি। টাইফুন হ্যারিকেনের চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে না, হ্যারিকেন সবচেয়ে ভংকর। মহাসাগরের বিশাল এলাকা জুড়ে এ ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। ভারত মহাসাগরে উৎপন্ন সাইক্লোনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে বলা হয় হ্যারিকেনের তীব্রতা নিয়ে ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে আসছে।




আটলান্টিক মহাসাগর, মেক্সিকো উপসাগর ও ক্যারিবিয় সাগরে ঘূর্ণিঝড় হ্যারিকেন নামে পরিচিত। হ্যারিকেন শব্দটি ক্যারিবিয় ঘূর্ণিদেবতা 'হুরাকানের' নাম থেকে উৎসারিত। 

প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ের একটি পোশাকি নাম দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় পানিতে। অন্য দিকে টর্নেডো ভূমিতে।





গোটা বিশ্বে প্রতিবছর যত ঘূর্ণিঝড় হয়, সেটা হিসেবে রাখার জন্য নামকরণের একটা পদ্ধতি আছে। সেটা হয় ইংরেজি বর্ণনা ক্রমে। অর্থাৎ কোন বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নাম ইংরেজি বর্ণমালার A দিয়ে হবে। পরেরটি D দিয়ে এই রকম। এর মধ্যে আবার আরব সাগর, বঙ্গোপসাগরীয় এলাকার দেশগুলোতে যখন কোন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে তখন নামকরণ করার সুযোগ পাবে সেই এলাকার দেশগুলো। সেই সুযোগও আসবে দেশের ইংরেজি বানানের বর্ণনাক্রমে। যেমন বাংলাদেশ আগে, তারপর ভারত, তারপর মালদ্বীপ, তারপর মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এভাবে। তারাই নামকরণ করেছে। যেমন_ পাকিস্তান করেছিল লায়লা তার আগের বছরের বছরের ঘূর্ণিঝড় 'আইলা' নামকরণ করেছিল মালদ্বীপ।


টর্নেডো

Video Source: Rezowan's Video Blog

0 comments:

Post a Comment