Monday, December 22, 2014

হেয়ার কালার করার কিছু টিপস

0 comments
হেয়ার কালার করলাম, আর রাতারাতি ঐশ্বর্যা রাই হয়ে গেলাম- এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকলে কিন্তু আপনি পুরোটাই ভুল ভাবছেন৷ কারণ হেয়ার কালার করানোর আগে আপনাকে জানতে হবে, আপনার চুলের টেক্সচারের সঙ্গে ঠিক কোন রঙটা মানানসই হবে৷ এটা জানা তো জরুরিই, তার চেয়েও জরুরি আপনার গায়ের রঙের সঙ্গে ঠিক কোন হেয়ার কালারটা করলে আপনাকে গ্ল্যামারাস লাগবে, তা জানা৷ আজ্ঞে হ্যাঁ হেয়ার কালারের সঙ্গে স্কিন টোন অর্থাৎ আপনার ত্বকের রঙের একটা গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে৷ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে (তা বলে পুরোটাই একরকম নয়) আপনাকে বাছতে হবে হেয়ার কালার৷ না হলে আপনি খরচা করে হেয়ার কালার করাবেন, অথচ পুরোটাই বেমানান ঠেকবে৷
ন্যাচারাল কালার- ভারতীয় মহিলাদের বার্গান্ডি, রেড বা ব্রাউনের মতো হেয়ার কালার ভালো মানায়৷কিন্তু হেয়ার কালার বাছার সময় আপনার গায়ের রঙ ফরসা না কালো না উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ সে বিষয়ে নজর রাখাটা খুব জরুরি৷যেমন ধরুন যদি আপনার গায়ের রঙ একটু হলদেটে হয়, তাহলে গোল্ডেন বা ব্রাউন ভুলেও করাবেন না৷ মনে হবে আপনি জন্ডিসে ভুগছেন! এই স্কিন টোনের সঙ্গে বার্গান্ডি ভালো মানাবে৷
ব্রাউন- অন্যান্য হেয়ার কালারের তুলনায় ব্রাউন অনেকটাই নিরাপদ৷যদি আপনার ত্বকের রঙ হাল্কা হয় তাহলে মেহগনি কালার আর যদি শ্যামবর্ণ হয় তাহলে লাইট ব্রাউন রঙ করাতে পারেন৷
বার্গান্ডি- হেয়ার কালার করানোর সময় ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ বার্গান্ডি৷আপনার ত্বকের রঙ যদি হলদেটে, খুব ফরসা বা হাল্কা শ্যামবর্ণ হয়, তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় এই রঙটি বাছতে পারেন৷ হেয়ার কালার করানোর পর আপনার ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবে আকর্ষক৷
রেড- রেড হেয়ার কালারের নানারকমের শেডস থাকে৷ যদি আপনি খুব ফর্সা হন তাহলে কপার বা লাইট রেড হেয়ার কালারকে বাছুন৷ কিন্তু তা বলে কমলা ঘেঁষা লাল বাছবেন না, আপনাকে ভালো লাগবে না৷কিন্তু আপনি যদি গোলাপি ঘেঁষা ফরসা হন, তাহলে লাল হেয়ার কালার আপনার না বাছাই শ্রেয়৷
গোল্ডেন- এই রংটা কিন্তু ভারতীয় স্কিনটোনের সঙ্গে একেবারেই মানায় না৷ একান্ত করাতেই হলে গ্লোবাল (পুরো চুলে রঙ) না করিয়ে স্ট্রিকস(অল্প কয়েকটা চুলে রঙ) করান৷ খুব একটা বেমানান লাগবে না৷

ব্ল্যাক - কুচকুচে কালো রঙ কাউকেই মানায় না৷সে মহিলা ভারতীয়ই হোক বা বিদেশি৷মনে হবে আপনি পরচুল পরেছেন৷ তাই ব্ল্যাকের বদলে ব্রাউন রঙ করানো অনেক নিরাপদ৷
হাই লাইটস ও লো লাইটস- আপনার হেয়ার কালার আপনার স্কিন টোনের থেকে কিছুটা হাল্কা বা গাঢ় হতে হবে৷ আর সেটা ঠিক করে দেবে অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ানই৷ তাই কখনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া হেয়ার কালার করাবেন না৷

২ সপ্তাহে কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ

0 comments
শরীরের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় সব চাইতে বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং বিশ্রী হলো পেটের মেদ। পেটে মেদ জমলে কোনো ধরণের পোশাকেই ভালো দেখায় না। যেভাবেই ঢাকতে যান না কেন পেটের মেদ ঢাকার কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই ঢাকাঢাকির যন্ত্রণায় পরতে যাবেন না একেবারেই। বরং কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন এই বিচ্ছিরি পেটের মেদ। ভাবছেন কিভাবে? খুব সহজেই। চলুন তবে শিখে নিই কি করে কমিয়ে ফেলবেন পেটের বিশ্রী মেদ মাত্র ২ সপ্তাহে।
উপকরণঃ

– ৩ কোয়া রসুন
– ১ টি লেবু
– ১ কাপ কুসুম গরম পানি
পদ্ধতিঃ

– সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন কুচি করে কেটে খেয়ে নিন।
– এরপর ১ টি গোটা লেবুর রস ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে চিপে মিশিয়ে পান করে নিন।
– এই পানীয় পান করার ১ ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা করবেন।
– প্রতিদিন সকালে একই নিয়ম পালন করতে থাকুন। প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফলাফল দেখতে পাবেন।
ব্যাখ্যাঃ

জানতে চান এই পদ্ধতিতে কেন কমবে পেটের মেদ? চলুন জেনে নিই। আমাদের পেটের মেদ মূলত একধরণের ইষ্ট গাটের কারণে হয়ে থাকে। রসুন এই ইষ্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয় কারণ রসুনের রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান। এবং লেবুর রসের রয়েছে মেদ কাটানোর ক্ষমতা।


সতর্কতাঃ

আপনি যদি প্রতিদিন সকালে এই কাজটি করার পাশাপাশি প্রতিদিন নিয়মিত ভাজাপোড়া এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খেতে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই এর ফলাফল আপনি পাবেন না। এটি তখনই কার্যকর যখন আপনি সব ধরণের খাদ্য উপাদান পরিমিত পরিমাণে খাবেন।

Friday, December 5, 2014

কম্পিউটারের সামনে বসার পদ্ধতি

0 comments
কাজের সুবাদে বা সময় কাটানো, আমাদের দিনের একটা বড় সময় অতিবাহিত হয় কম্পিউটারের সামনে বসে। আর আমাদের এই বসার ভঙ্গীটা যদি সঠিক নিয়মে না হয় তাহলে ঘাড় ব্যথা, পিঠ ব্যথা, হাত ব্যথা থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথা ঘটিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজ আপনাদের কম্পিউটারের সামনে বসার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু পরামর্শ প্রদান করা হবে।
চেয়ারে কোমর থেকে কাঁধ সোজা রেখে বসুন। হেলে বা বেঁকে বসলে সহজেই আপনার পিঠ ও কাঁধে ব্যথা হতে পারে। আপনার কাজের চেয়ারে বসে পা দুইটা সামান্য মুড়ে বা ভেঙ্গে রাখুন, একটু পর পর অবশ্য পায়ের অবস্থান বদলে সামনে প্রসারিত করতে পারেন এতে পায়ের মাংসপেশি রিলাক্স থাকবে।
কম্পিউটারের সামনে বসে আপনার কীবোর্ডটি যতোটা পারেন সোজা ও সামনে রাখতে চেষ্টা করুন। এতে আপনার হাত সহজে কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবে। এটা নিশ্চিত করুন যাতে কাজের সময় আপনার কাঁধ রিলাক্স থাকে, টাইপিং এর সময় হাত আর আপনার কাধের পেশিতে বেশী চাপ সৃষ্টি করবেন না।

কম্পিউটারের সামনে সঠিকভাবে বসতে আপনার মনিটরের অবস্থান সঠিক করুন। আপনার মনিটরটি আপনার কীবোর্ড এর কাছাকাছি বসার চেয়ারের ঠিক সামনে রাখুন। সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি মনিটরটি একদম সামনে মাঝখানে রাখেন, সাথে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতের কাছে রাখুন। মনিটরের সামনে বসে কাজ করার সময় এটা খেয়াল রাখুন যাতে আপনার কাঁধ রিলাক্স থাকে।

আপনার সারাদিনের কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন। প্রতি ২০ থেকে ৩০ মিনিট কাজ করার পর নিজেকে ও শরীরের অন্যান্য অংশগুলোর সঠিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে একটু হাঁটুন বা হাত পাগুলো নড়াচড়া করুন। কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ মিনিট বিশ্রাম নিন। আপনার চোখ একভাবে মনিটরে নিবদ্ধ না রেখে চোখের বিশ্রাম নিশ্চিত করুন। ১০ কি ১৫ সেকেন্ড এর জন্য চোখটা বন্ধ করুন বা মনিটর থেকে চোখ সরিয়ে দূরের কোন কিছুতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন।

যেহেতু কম্পিউটারের সামনে বসলে আপনার হাতদুটি প্রায় সব সময় ব্যস্ত থাকে তাই একটু সময় পর পর হাত সচল রাখতে হাতের ব্যায়াম করুন। হাত দুটিকে উপর নীচে করুন দেখবেন কাজে শান্তি পাবেন।

সঠিক নিয়মে কাজ করলে আপনি কাজে আনন্দ পাবেন আর ক্লান্তিও আপনার ধারে কাছে আসতে পারবেনা। কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হলে সঠিক নিয়মে বসতে জানাটা খুব জরুরী। আপনি যখন ঘরে বসে কাজ করবেন তখন আরামের সাথে বসতে ছোট ছোট কুশন বা বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।

-রুমানা রহমান
লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি।পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

Tuesday, December 2, 2014

ফ্লাইওভার বা উড়ালসড়ক

0 comments
নগর সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন খুবই জরুরি। ব্যস্ততম সড়কে গাড়ির চাপ সামলাতে না পেরে তৈরি হয় তীব্র যানজট। যানজট সামলাতে বিশ্বের বড় বড় শহরে রাস্তার ওপর দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফ্লাইওভার বা উড়ালসড়ক। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের প্রধান সড়কে উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। বাংলাদেশও ফ্লাইওভার নির্মাণে পিছিয়ে নেই।

কুড়িল ফ্লাইওভার, বাংলাদেশ

মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার। আরও কয়েকটি ফ্লাইওভার রয়েছে নির্মাণাধীন। ঢাকার অসহনীয় যানজট এড়াতে এই ফ্লাইওভারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ফ্লাইওভারগুলোর মধ্যে নজর কেড়েছে ঢাকার কুড়িল মোড়ে নির্মিত উড়াল সেতুটি। এয়ারপোর্ট সড়ক ও প্রগতি সরণির সংযোগস্থলে এটি নির্মাণ করা হয়। এই উড়াল সেতুর নান্দনিক ডিজাইন অনেকেরই নজর কেড়েছে। বিশ্বের অসংখ্য উড়াল সেতুর মধ্যে এটির নামও উচ্চারিত হচ্ছে সমান গুরুত্ব নিয়ে। এই উড়াল সেতুর নির্মাণ কাজে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩০৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মূল সেতুটি মানুষের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হলেও এখনো সৌন্দর্যবর্ধন ও ফুট ওভারব্রিজের কিছু কাজ বাকি রয়েছে। দুই বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০১২ সালের এপ্রিলে সম্পন্ন হবে বলে প্রাক্কলিত হয়। পরে ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন সফল প্রকল্প সর্বত্র প্রশংসিত হয়। সেতুটি আরসি গ্রিডার ও পিসি বক্স গ্রিডার দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। পুরো সেতুটির সড়ক দৈর্ঘ্য প্রায় ৩.১ কিলোমিটার। সেতুটির উচ্চতা ১৪.৫ মিটার (৪৭.৫৭ ফুট) এবং প্রস্থ ৯.২ মিটার (৩০.১৮ ফুট)। উড়াল সেতুটির মধ্যে চারটি লুপ বা ঘূর্ণি রয়েছে। এর নির্মাণে পাইলিং হয় ২৯২টি, পায়ার সংখ্যা ৬৭টি। এ প্রকল্পের অধীনে ৩০০ ফুট প্রশস্ত একটি সংযোগ সড়কও নির্মিত হচ্ছে। উড়াল সেতুর উদ্বোধন হওয়ার পর এই এলাকার যানজটের চিত্র পাল্টে যায়। এখন কোনো যানজট ছাড়াই বিশ্বরোড মোড় পার হতে পারে বিভিন্ন দিক থেকে আসা যানবাহনগুলো।

সাংহাই ফ্লাইওভার, চীন

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ও বিস্ময়কর উড়াল সেতুটি নির্মিত হয়েছে চীনের সাংহাই শহরে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম এ শহরে গাড়ির চাপ সামলাতে ধীরে ধীরে নির্মিত হয় এই সুবিশাল স্থাপনা। একই সঙ্গে সর্বাধিক গাড়ির চাপ সামলাতে সেতুটির নান্দনিক স্থাপত্য উড়াল সেতুর গুরুত্ব ও ধারণা পাল্টে দিয়েছে। একসঙ্গে প্রায় অর্ধ লাখ গাড়ি ছুটতে পারে এই ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে। গুরুত্বপূর্ণ সময় বাঁচাতে ব্যস্ততম নগরীতে এই ফ্লাইওভার নির্মাণ ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকগুলো আলাদা উড়াল সড়ক একসঙ্গে যোগ হয় এই বিশাল উড়াল সেতুটিতে। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম উড়াল সড়কও এটি। রাতের বেলায় এই উড়াল সেতুটিতে ছুটে চলা গাড়ির স্রোত ও সৌন্দর্যবর্ধক আলোর খেলা মানুষের মনে বিস্ময় জাগায়। খ্যাতনামা ফটোগ্রাফারদের চোখে এই সেতু রাতের সেরা আকর্ষণ। শহরের ভেতর ডুবে যাওয়া ফ্লাইওভার নামেও অনেকে চেনে এটিকে।

ডালাস ফ্লাইওভার, যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার রয়েছে। এর মধ্যে ফ্লোরিডা ও ডালাসের ফ্লাইওভার দুটি বিশেষভাবে আলোচিত। দুটি ফ্লাইওভারই আধুনিক স্থাপত্যবিদ্যার অনন্য নিদর্শন হয়ে রয়েছে। টেক্সাসের ডালাসে নির্মিত 'পাঁচতলা ফ্লাইওভার' খ্যাত উড়াল সেতুটি যে কোনো মানুষের চোখ ধাঁধিয়ে দেবে। রাস্তার ওপর দিয়ে একে-বেঁকে গেছে একাধিক উড়াল সেতু। ২৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রজেক্ট শেষ হওয়ার পর মানুষ বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে আধুনিক স্থাপত্যবিদ্যার নান্দনিক এক স্থাপনা। অসাধারণ এক ডিজাইন নিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়। পুরো উড়াল সেতুটিকে অনেকে রাস্তার এক শহর বলেও ডেকে থাকেন। ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে এটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়। প্রতিদিন এই ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ গাড়ি যাতায়াত করে। ১২তলা উঁচু এই ফ্লাইওভারে মোট ৩৭টি আলাদা আলাদা সেতু রয়েছে।

হেব্বাল ফ্লাইওভার, ভারত

যানজটের দিকে তাকালে বাংলাদেশের চেয়ে কোনো অংশে কম ভুগছে না ভারত। যানজট মোকাবিলায় ভারতে নির্মিত হয়ে অসংখ্য ফ্লাইওভার। এই ফ্লাইওভারগুলোর মধ্যে বিশ্বজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছে হেব্বাল ফ্লাইওভার। ভারতের ব্যাঙ্গালুর শহরে এই দীর্ঘতম ফ্লাইওভারটি তৈরি করা হয়। ৫.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভারটির জন্য লেগেছে প্রায় ২০ একর জমি। অতিকায় এই ফ্লাইওভারটি বিশ্বের বিস্ময়কর ১০টি ফ্লাইওভারের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ফ্লাইওভারে লুপ বা বাঁক রয়েছে পাঁচটি। দুপাশে ছড়িয়ে আছে ছয়টি লেন। এই ছয় লেনে একই সঙ্গে যানবাহন চলাচল করতে পারে। বিশ্বের চমকপ্রদ ডাবল রোড ফ্লাইওভার হিসেবে এটির সুনাম রয়েছে। এই ফ্লাইওভারটি আউটার রিং রোড এবং বেলারি রোডের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে এই পথে যান চলাচলকে মৃসণ করেছে।

তানভীর আহমেদ

Friday, November 21, 2014

How to Merge Multiple Facebook Pages

1 comments
At some point, you may find yourself with more than one Facebook page for your business. This can happen if a customer trying to check into your location couldn’t find your page and created a Places page instead, or if an employee created a Facebook page without your knowledge. If both pages have amassed a considerable amount of likes and/or check-ins, you can merge them into one page without losing any fans. (Watch a step-by-step video here.)

In order to merge two pages, you must first be an administrator at the “manager” level on both. (If you are merging a Places page, you need to first claim it using these instructions.) Decide which page you’d like to keep. Note: while the likes and check-ins from both pages will be consolidated onto the remaining page, you will lose all content, photos and posts that are on the other page, as well as that page’s username. We suggest you merge the page with the least amount of likes and engagement into your more popular page.

Step 1:
Before you begin the merging process, be sure you’re an admin of both pages and that they have the same address and similar page names, which will indicate to Facebook that these pages represent the same business. If the page names are not similar, edit the name of the page you don’t want to keep. It doesn’t matter what you name it as it will not override the main page’s name after the merge, though we suggest giving it a slightly different page title so that you can differentiate the pages during the process. For example, if your main page is called Store ABC, call the other page that you’re merging into it Store ABC 2.

Step 2:
Go to the settings of the page you want to keep. Under the “general” tab, there will be a menu item on the bottom labeled “Merge Pages.” Expand it and click on the “Merge duplicate Pages.”

Step 3:
The pop-up box should display any other Facebook pages you manage that have similar names to the page you are currently on. Check the box next to the name of the page you’d like to merge into your main page.

Step 4:
Facebook will ask you to confirm your choice before it merges the pages. Be sure the page listed in the pop-up window is the one you don’t want to keep, as it will be permanently removed from Facebook and you won’t be able to unmerge it.



Step 5:
In most cases, the above step completes the merging process and the duplicate page will no longer exist, while the main page will now include the likes and check-ins from the duplicate page. However, in some cases the page you want to merge into your main page does not show up as an option in the pop-up window. If that’s the case, click on the “Don’t See the Pages you want merged?” link. This will take you to a page in Facebook’s Help Centre.

After checking the box next to “I have read and understand the above information,” a dropdown menu will appear that contains all of the pages you manage. Select the page you want to keep.

Scroll down and check the box next to “I understand that the Pages I merge must be about the same thing” to reveal the second dropdown menu, and then select the page (or pages) you want to merge. Once you submit the request, you’ll get an email from Facebook confirming that the process has begun. Allow one week for Facebook to merge the pages. You will receive an email notification when the process is complete.

Wednesday, November 12, 2014

জাহাজ বাড়ি'র ইতিকথা

1 comments
সিটি কলেজের পাশ দিয়ে রাইফেলস স্কয়ার হয়ে সাত মসজিদ রোডে ধানমন্ডি লেকের পাশ ঘেষে খয়েরী রংয়ের ব্যতিক্রম ধরনের একটি ভবন চোখে পড়বে। আমাদের দেশের অন্যসব ভবনের গঠনের চেয়ে এই বাড়িটির গঠন একেবারেই আলাদা। চলতি পথে কারো চোখ এই বাড়িটির দিকে পড়া মাত্রই তার চোখ থমকে দাঁড়ায়। অনেকটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আদলে তৈরি করা বাড়িটিকে দেখে অনেকেই ভাবেন এটি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। স্বয়ং যারা নিয়মিত এই স্থানে যাওয়া আসা করেন তারাও মনে করেন এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। আসলে এটি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি বাসভবন।

কৌতুহলের কারণ:

ধানমন্ডি লেক ঘেষে গড়ে ওঠা এই বাড়িটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতুহলের কোনো শেষ নেই। কারো মতে এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কারো মতে এটি কোনো বিদেশী সংস্থার অফিস, কেউ মনে করে এটি একটি ভৌতিক বাড়ি। এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। এটি এমন একটি বাড়ি যে বাড়ির সদস্যদের খুব একটা বাইরে দেখা যায় না। কোলাহল তো দূরের কথা, সামান্য টু শব্দটিও শোনা যায় না। বাড়ির প্রধান দরজাও সবসময় বন্ধ থাকে। বাইরের কেউ ভিতরে প্রবেশ করারও অনুমতি নেই। তাই বাইরের মানুষ আপন মনে বাড়িটি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ধারণা পোষণ করে আসছে।

নামকরণ:

সবার কাছে এই বাড়িটি ‘জাহাজ বাড়ি’ নামে পরিচিত। প্রকৃতপক্ষে বাড়িটির নাম ‘জাহাজ বাড়ি’ নয়। জাহাজের আদলে তৈরি হওয়ায় মানুষ এটিকে ‘জাহাজ বাড়ি’ নাম দিয়েছে। বাড়িটির হোল্ডিং নাম্বার ৫/এ, ৬০, ধানমন্ডি, ঢাকা। বাড়ির গেটের নেমপ্লেটে বাড়িটির নাম লেখা রয়েছে “Chistia Palace”। উচ্চারণগত কারণে অনেকে এটিকে ‘খ্রিস্টিয়া প্যালেস’ বলেন। আসলে এর উচ্চারণ হবে ‘চিশতিয়া প্যালেস’।

নির্মাণকাল:

খুব বেশিদিন আগে এই বাড়িটি নির্মাণ করা হয় নি। ১৯৯৩ সালের কোনো এক সময় এই বাড়িটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। তার এক বছর পর ১৯৯৪ সালে বাড়িটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তবে প্রথম দিকে বাড়িটির ডিজাইন জাহাজ আকৃতির ছিল না। নির্মাণের পর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাড়িটির কিছু অংশ ভেঙে এর পাশ দিয়ে চলাচলের রাস্তা তৈরি করে। তখন বাড়ির মালিক বাড়িটির সীমানা প্রাচীর বর্তমান জাহাজ আদলে তৈরি করেন।

মালিকানা:

বাড়ির মালিকের নাম ‘শের এ খাজা’। স্থানীয়দের মতে তিনি একজন আধ্যাত্মিক ক্ষমতাবান মানুষ। সারা বিশ্বের বড় বড় সব নেতাদের সাথে তার সখ্য রয়েছে। আর এই সখ্যতার মূলে রয়েছে তার ভবিষ্যৎবাণীর ফলপ্রসূতা। তিনি যা ভবিষ্যৎবাণী করতেন ঠিক তেমনটিই হতো বলে জানা যায়। এজন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রথম সারির নেতাদের সাথে তার ওঠাবসা ছিল। এমনকি বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা নেতার পদচারণ ঘটেছে এই জাহাজ বাড়িতে। তার ভবিষ্যৎ বাণী অনুসারে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য শেরে খাজাকে বলা হতো ‘কিং অব কিং মেকার’। তবে তিনি ‘শের এ খাজা’ নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম একেএম আনোয়ারুল হক চৌধুরী। তার জন্মস্থান ও জন্ম তারিখ সম্পর্কে সঠিক কোনো ধারণা নেই। যতদূর জানা যায় ১৯৫২ সালের কোনো একসময় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে চিশতিয়া প্যালেসে বসবাস করছেন শেরে খাজার মা, বোন ও তার পরিবার এবং শেরে খাজার স্ত্রী রেহানা চৌধুরী। তার ছেলে রুবেল চৌধুরী

শের এ খাজার ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার:

বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পড়ালেখা করেন। আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী হলেও তিনি এটিকে পুঁজি করে কোনো ব্যবসা করেন নি। তার এই আধ্যাত্মিক ক্ষমতার সেবা শুধুমাত্র বিশ্বের প্রথম সারির নেতারাই পেতেন। এসবের বাইরে তিনি গার্মেন্টস ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। চিশতিয়া গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজ নামে তার একটি কোম্পানি রয়েছে। তিনি নিজেই এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। তার স্ত্রীর নাম রেহানা চৌধুরী। তাদের একমাত্র পুত্র রুবেল চৌধুরী ও একমাত্র কন্যা সাদিয়া চৌধুরী। তার ছেলে রুবেল চৌধুরী বিয়ে করেন নেপালের সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুজাদা কৈরালার মেয়েকে। তার স্ত্রী সম্পর্কে নেপালের প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালার নাতনী।

মৃত্যু:

২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে এই ‘আধ্যাত্মিক’ পুরুষ ইন্তেকাল করেন। তখন তার বয়স ছিলো ৫৯ বছর।

Tuesday, November 11, 2014

মুখে অতিরিক্ত ঘামের সহজ সমাধান

0 comments
মুখ ও কপাল অতিরিক্ত ঘামা বেশ সাধারণ সমস্যা। অনেকের ক্ষেত্রেই এটা দেখা যায়। অতিরিক্ত ঘাম অনেক সমস্যায় ফেলতে পারে আপনাকে। ছেলেদের বা মেয়েদের কারো জন্যই বেশি ঘামা সুখকর নয়। আবহাওয়া খুব গরম হলেও ঘাম বেশি হতে পারে আবার জিনগত কারণেও ঘাম বেশি হতে পারে। অনেকের ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলেও ঘাম হতে পারে। এক্ষেত্রে মুখে ও কপালে বেশি ঘাম দেখা যায়। এখন প্রশ্ন হল এ ঘাম থেকে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা ঠিক ভাবে ব্যবহার করলে আপনার মুখে ঘামের প্রবণতা অনেক কমে যাবে তবে আপনার জিনগত সমস্যা হলে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হতে পারে। জেনে নিন অতিরিক্ত ঘাম থেকে রেহাই পাবেন কিভাবে-

প্রথম সমাধানটি খুব সহজ। বেশি করে টমেটো খান! টমেটোর মধ্যে এমন উপাদান আছে যা ঘাম কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১ টি বা দুইটি করে টমেটো খান বা টমেটোর জ্যুস পান করুন।
২ চা চামচ কাচা মধু ও ২ চা চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে তিনবার খালি পেটে খান নিয়মিত। খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন।
সবুজ মুগ ডাল ভেজে নিন এবং পাউডারের মত গুড়া করে নিন। ১ চা চামচ পাউডারের সাথে একটু কাচা দুধ মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন। ৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত লাগান দ্রুত উপকার পাবেন।
১ টুকরা বরফ পাতলা সুতি বা মসলিন কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন কিছুক্ষণ। দিনে ২/৩ বার এভাবে বরফ দিয়ে ম্যাসাজ করলে ঘাম কম হবে। বিশেষ করে মেকআপ করার আগে এটি খুব কাজে দেয়।
অ্যালো ভেরা বা শসা ঘাম প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। প্রতিদিন ফ্রেশ অ্যালো ভেরার জ্যুস বা শসার জ্যুস পান করুন। সুপার শপ গুলো তে বেশ ভালো মানের অ্যালো ভেরা জ্যুস পাওয়া যায়। এগুলোও খেয়ে দেখতে পারেন। এর সাথে সাথে মুখে যদি অ্যালো ভেরা জেল বা শসার রস লাগান তাহলে আরো বেশি উপকার পাবেন।
এর মধ্যে একটি আপনার ক্ষেত্রে কাজ না করলে অন্য একটি চেষ্টা করুন। সময়ের সাথে এগুলো অনুসরণ করলে ঘামের হাত থেকে মুক্তি পাবেনই।

কিছু টিপসঃ

লবণ কম খাবেন। বেশি লবণ ঘাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে কাজ করে।
ভারি ক্রিম বা অপ্রয়োজনে মুখে ক্রিম লাগানো বন্ধ করুন। যত বেশি ক্রিম বা ময়শ্চারাইজার লাগাবেন আপনার মুখ তৈলাক্ত হবে এবং মুখ ঘামবে বেশি। ভালো মানের ওয়াটার বেস এর ময়শ্চারাইজার লাগাবেন তবে যত কম পারেন তত ভালো।
তাৎক্ষণিক ঘাম দূর করার জন্য ফেসিয়াল ওয়াইপ ব্যবহার করতে পারেন।

Wednesday, November 5, 2014

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে যা করণীয়

0 comments
শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সম্পদ সার্টিফিকেট হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে পারেন না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

প্রথমে যা করবেনঃ


সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে। এরপর যেকোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ


আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।

পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

কত টাকা লাগবেঃ


সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।

গুগলের ১৬টি অসাধারণ সেবা

0 comments
বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের অনেক সেবা আছে, যা আমাদের জানা নেই। এ লেখায় থাকছে সে ধরনের ১৬টি সেবা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
1998: The Google website is originally hosted on Stanford University servers

১. নোট ও রিমাইন্ডার রাখার জন্য গুগলের একটি অ্যাপ রয়েছে, যার নাম ‘গুগল কিপ।’ এটি ডেস্কটপ ও স্মার্টফোনে কাজ করে।

২. গুগলে আপনি টাইমার তৈরি করতে পারবেন। এজন্য সময় ও তার পর টাইমার কথাটি লিখলেই হবে। সময় শেষ হলে তা আপনাকে শব্দ করেও জানিয়ে দেবে।

৩. হাবল টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া মহাকাশের ছবিগুলো পাওয়া যাবে গুগলে। ব্রাউজারেGoogle.com/sky টাইপ করে বিস্তারিত জেনে নিন।

৪. গুগল এনগ্রামস ব্যবহার করে ৫.২ মিলিয়ন বই থেকে ১৫০০ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময়ে কোনো শব্দের ব্যবহার জানা যাবে।

৫. বড় একটি সংখ্যা নিয়ে বিপর্যস্ত? সংখ্যাটি কথায় লিখতে চান? গুগলে সংখ্যাটি লিখে =ইংলিশ টাইপ করুন।

৬. গুগল ট্রান্সলেটের ম্যানুয়াল নামে একটি ফিচার ব্যবহার করে চীনা ভাষার মতো কঠিন শব্দগুলোর অনুবাদ পাওয়া সম্ভব।

৭. গুগল ইনপুট টুলস ব্যবহার করে ৮০টিরও বেশি ভাষায় টাইপ করা সম্ভব।

৮. মনের মতো ফন্ট খুঁজে বের করারও ব্যবস্থা রয়েছে গুগলে। এজন্য টাইপ করুন Google.com/fonts.

৯. গুগল স্কলার ব্যবহার করে জার্নাল ও গবেষণাপত্র বের করা এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।

১০. গুগল আর্ট প্রজেক্ট ব্যবহার করে বিশ্বের বড় সব জাদুঘরের বিখ্যাত ছবিগুলোর হাই রেজুলিশন ভার্সন পাওয়া সম্ভব।

১১. বিয়ে করতে গেলেও গুগলের সাহায্য নেওয়া যায়। আর এজন্য রয়েছে গুগলের নানা ব্যবস্থা।

১২. গুগলের ‘থিংক ইনসাইটস’ হলো কোনো একটি ইন্ডাস্ট্রির বিস্তারিত জানার টুল।

১৩. কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের আগ্রহের বিষয়বস্তু জানতে চান? গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে সার্চকৃত বিষয়গুলো জেনে নিন।

১৪. বিভিন্ন সময়ে সার্চের টার্মগুলোর পরিবর্তন জানতে পারবেন গুগলে।

১৫. গুগল এক্সপ্রেস নামে একটি সার্ভিসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বাড়িতেই পৌঁছানো হচ্ছে খাবার, ইলেক্ট্রনিক্স, বই ও অন্যান্য সামগ্রী। তবে তা এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, বোস্টন, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক শহর ও ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু অংশে চালু হয়েছে।

১৬. গুগল ম্যাপের নির্দিষ্ট স্থানে আপনার তোলা ছবি যোগ করা সম্ভব, যা অন্যরা ক্লিক করে দেখতে পাবে।

এ ধরনের যে কোনো সার্ভিস বিষয়ে বিস্তারিত পাওয়া যাবে গুগলে সার্চ করলেই।

ঠোঁটের রঙ গোলাপি করার ঘরোয়া উপায়

0 comments
সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবাই-ই চান। বলাই বাহুল্য যে মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটের আকর্ষণ অনেক বেশি সৌন্দর্যের বিচারে। কিন্তু প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিও আমাদের ঠোঁট কালো করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নানান রকমের অসুখ, ধূমপান, বাজে প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। চলুন, আজ জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।

কাঁচা দুধ প্রতিদিন

প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।

মধু

প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।

আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস

এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।

লেবুর রস ও চিনি

লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।

Friday, October 31, 2014

টুথপেস্টের অসাধারণ কিছু ব্যবহার

0 comments
টুথপেস্ট শুধু দাঁত পরিষ্কার করেনা এর রয়েছে বহুবিধ ব্যবহার। কিন্তু না জানার কারণে আমরা টুথপেস্ট থেকে সর্বোচ্চ উপকার পেতে সক্ষম হই না । লেটেস্ট বিডি নিউজ পাঠকদের জানার সুবিধার্তে ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে টুথপেস্টের এ ব্যবহারগুলো তুলে ধরা হলো।
# অনেক শখের চামড়ার জুতাতে কোনো দাগ পড়লে, মন খারাপ না করে অল্প একটু টুথপেস্ট দাগ পড়া জায়গাতে লাগিয়ে দিন। এরপর একটি ভেজা নরম কাপড় দিয়ে সেই জায়গাটি পরিষ্কার করে নিন। দেখবেন আপনার জুতার দাগ উঠে চকচক করছে।

# বাচ্চাদের দুধ খাওয়ার বোতলে মানে ফিডারে টক গন্ধ হওয়া খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। কিন্তু টুথপেস্ট থাকলে এ দুর্গন্ধ দূর করা এক নিমিষের ব্যাপার। ফিডারের ভেতরটা টুথপেস্ট দিয়ে খুব ভালভাবে ধুয়ে নিন। তবে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন যাতে ফিডারের ভেতরে টুথপেস্ট জমা না থাকে।

# আপনি যদি ব্রণের সমস্যায় ভুগেন,তাহলে আক্রান্ত স্থানে নন-জেল এবং নন হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট লাগিয়ে রাতে ঘুমাতে যান। টুথপেস্ট ব্রণের জলীয় অংশ শুষে নেয় এবং তেল টেনে নেয়। তবে একটা ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন ত্বক টুথপেস্টের ব্যাপারে সংবেদনশীল হতে পারে। তাই প্রথমে ত্বকের ক্ষুদ্র অংশে প্রয়োগ করেন।

# এছাড়াও আপনার বাদ্যযন্ত্রের কিবোর্ডের উজ্জ্বলতা বাড়াতে টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।

# দাঁত ব্রাশ করা ছাড়া টুথপেস্ট আর যে কাজের জন্য সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয়, তা হচ্ছে পুড়ে যাওয়া জায়গায় ব্যবহার করা। এটি ফোস্কা পড়া প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপুর্ণ।

# পেঁয়াজ বা এই ধরণের গন্ধযুক্ত কিছু কাটার পরে হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে হাতে টুথপেস্ট মাখুন।

# যদি আপনি কোনো বিষাক্ত পোকার কামড়ের শিকার হলে আক্রান্ত জায়গায় টুথপেস্ট ব্যবহারে সুফল পেতে পারেন।

# আপনার কাপড়ে যদি কালি কিংবা লিপিস্টিক লাগে, তবে সেখানে একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন এবং কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাগও দূর হয়।

# আপনি যদি কাঠের কাজ, স্কুবাডাইভিং বা স্কিং করেন তবে চশমার অস্বচ্ছ গ্লাস আপনার জন্য বিরক্তির সেই সাথে বিপদজনকও হয়ে উঠতে পারে। এ ধরণের সমস্যা এড়াতে গলসের গ্লাসটি টুথপেস্ট দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।

# হীরের গয়না পরিষ্কার করতে টুথব্রাশে একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন এবং তারপর হাল্কাভাবে ঘষে ধুয়ে নিন। দেখবেন সব নোংরা পরিষ্কার হয়েছে এবং আগের তুলনায় বেশী ঝলমল করছে গয়না। একইভাবে আপনার ঘরের সিলভারের তৈজসপত্রের ঔজ্জল্য বাড়ায় এটি।

# ছোট বাচ্চারা ঘরের দেওয়ালকে প্রায় সময় নিজের আঁকার ক্যানভাস মনে করে আঁকাআকি শুরু করে দেয়।
সেক্ষেত্রে আপনি একটুকরো আর্দ্র কাপড়ে টুথপেস্ট লাগিয়ে মুছে দেখতে পারেন।

# মিষ্টি পানীয় অর্থাৎ কোক কিংবা সফট ড্রিঙ্কস কাচের উপর শুকিয়ে দাগের সৃষ্টি করে। ভেজা ন্যাকড়ায় টুথপেস্ট লাগিয়ে সেখানে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে গেছে।

# আপনার নখের কোনা পরিষ্কার করতে টুথপেস্টের চাইতে ভাল কিছু খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন।

Thursday, October 23, 2014

সান ম্যারিনো

0 comments
দেশের অধিবাসীদের চেয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেশি। এটা কি কখনো ভাবা যায়? আমরা কি কখনো চিন্তা করতে পারি ১৪ কোটি মানুষের বাংলাদেশে ১৫ কোটি ট্যুরিস্ট আসবে? ২৩ বর্গমাইলের কিছু বেশি আয়তনের দেশ সান ম্যারিনোতে প্রায়ই দেশের জনসংখ্যার চেয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেশি থাকে।
আমাদের দেশের একটি থানার সমান এর আয়তন। দেশটির চার দিকেই উত্তর-দক্ষিণ সাপের মতো পেঁচানো দেশ ইতালি। ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ দেশটি তার পেটের ভেতরে আগলে রেখেছে ক্ষুদ্র সান ম্যারিনোকে। ভূমি এবড়োখেবড়ো আর খুব একটা উর্বর নয়।
কিন্তু ছোট্ট দেশটির প্রকৃতি নয়নাভিরাম । পাহাড়ের সারির সাথে তাল মেলানো সবুজের সমারোহ অপরূপ সাজে সাজিয়েছে দেশটিকে। মাউন্ট টিটানোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ থেকে পুরো দেশটিকেই দেখা যায়। আদালতের রায়ে শাস্তি পাওয়া মারিনাস জনহীন প্রান্তরে এসে আবাস গড়ে তোলেন। সে ৩০১ সালের কথা। এখনো দেশটি জনসংখ্যা অর্ধ লাখও হয়নি। শুমারি অনুযায়ী ৩১ হাজার জনসংখ্যার দেশ সান ম্যারিনো। বছরে গড়ে পর্যটক আসে ৩৩ লাখ।
একজন মানুষের বিপরীতে পর্যটকের হার ১০ জনেরও বেশি। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে কল্পনাও করা যায় না। একটি ল্যান্ডলক দেশে বিপুল পরিমাণ পর্যটক আকর্ষণের বিশেষ কিছু কারণও রয়েছে।
অদ্ভুত রহস্যেভরা ছোট্ট সান ম্যারিনো। সবুজের সমারোহের সাথে তাল মেলানো পাহাড়ের সারি। এরই মধ্যে দিয়ে চলে গেছে তীরের মতো সোজা রাস্তা। ঈষৎ উষ্ণ গ্রীষ্ম আর ভালোলাগা হালকা শীতের শীতকাল এ দেশে। ইউরোপীয়দের প্রিয় নানা ব্রান্ডের মদ পানীয় তীব্রভাবে টানে ইতালি, ফ্রান্স আর ব্রিটিশদের। রাস্তার দুই ধারে সব সময় ট্যুরিস্টদের মিছিল। সর্বোচ্চ পাহাড় মাউন্ট টিটানো রহস্যে ভরা। এর সর্বোচ্চ তিনটি শৃঙ্গে ম্যারিনোরা তৈরি করেছে আকর্ষণীয় তিনটি স্থাপনা।
নাম
রিপাবলিক অব সান ম্যারিনো
জনসংখ্যা
৩১ হাজার
রাজধানী
সান ম্যারিনো
আয়তন
৬১ বর্গকিলোমিটার
প্রধান ভাষা
ইতালিয়ান
মুদ্রা
লিরা
মাথাপছিু আয়
৩০ হাজার ডলার
ধর্ম
খ্রিষ্টান
গড় আয়ু
৭৭ বছর (পুরুষ), ৮৪ বছর (মহিলা)
প্রধান রফতানি
ওয়াইন, সিরামিক, আসবাবপত্র ও খোদাই করা শিল্প


এগুলো থেকে এক পলকে পুরো সান ম্যারিনোকে তো দেখা যায়ই, তার ওপর ইতালির বিস্তৃত অঞ্চলের সৌন্দর্যও অবলোকন করা যায়। তবে এর একটি স্থাপনা ব্যবহৃত হচ্ছে কারাগার হিসেবে। দাগি আসামিরা এখানে থাকে। দ্বিতীয়টিতে তৈরি করা হয়েছে একটি জাদুঘর। আকর্ষণীয় এ জাদুঘরই মূলত পর্যটকদের বেশি টানে। তৃতীয় শৃঙ্গে নির্মিত স্থপনাটি সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত নয়। পুরো দেশটিকে একটি পর্যটক অঞ্চল বলা যায়। পর্যটক আকর্ষণীয় আরো কয়েকটি স্থান রয়েছে। পালাজ্জো দ্যাই ক্যাপিটানি। এখানে একটি টাওয়ার রয়েছে এর নাম বেল টাওয়ার। পালাজ্জো পাবলিকো সরকারের প্রধান অফিসের নাম। রয়েছে মনাসটারি অব সান্তাক্লারা একটি অদ্ভুত সুন্দর পর্যটক স্পট।আশির দশকের আগে দেশটি ইউরোপের রুগ্ণ অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত ছিল। পর্যটনকে ঘিরে সান ম্যারিনোতে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। এখন এর মাথাপিছু আয় ইতালির মাথাপিছু আয়ের সমান। মানুষের জীবনমানও ইতালির সমপর্যায়ের।
মারিনাস ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার অধিবাসী। তিনি তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু লিওকে নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন। তারা রিমিনি নামক একটি শহরে মিস্ত্রির কাজ নেন। এক পর্যায়ে তিনি রিমিনির বিশপ নিযুক্ত হন। এক উন্মাদ মহিলা মারিনাসের বিরুদ্ধে স্বামী বিচ্ছেদ ঘটানোর ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ তোলেন। সেখানকার বিচারক তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিলে তিনি পালিয়ে জনহীন মন্ট টিটানোতে আশ্রয় নেন। এখানে তিনি মূলত নির্জনবাসী হন। ফকির-সন্ন্যাসীর জীবনযাপন শুরু করেন। গড়ে তোলেন একটি ছোট গির্জা। এটিকে কেন্দ্র করে সান ম্যারিনো সিটির গোড়াপত্তন। তারা ৩ সেপ্টেম্বর ৩০১ সালকে দেশের যাত্রা শুরু হিসেবে বিবেচনা করে। ওই দিনটিই ম্যারিনোবাসীর জাতীয় দিবস। ৩৬৬ সালে তিনি মারা যান। মূলত পঞ্চম শতকের মাঝামাঝিতে এখানে একটি সম্প্রদায় গড়ে ওঠে। একটি সুসংগঠিত সামাজিক সম্প্রদায় হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা ছিল খাদ্য উৎপাদন স্বল্পতাহেতু ব্যাপক দরিদ্রতা।
ইউরোপের তৃতীয় ও বিশ্বের পঞ্চম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র এটি। দেশটির আবহাওয়া ভূমধ্যসাগরীয়। গ্রীষ্মকালে বেশি গরম নয়। অন্য দিকে শীতেও কনকনে শীত থাকে না। রাজধানী সান ম্যারিনোতে মাত্র ৪ হাজার ৫০০ মানুষ বাস করে। ছোট হওয়ায় বোরগো মাগোরেই নামক পাশেই অবস্থিত শহর ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। আশির দশকের শুরুতে দরিদ্র জনপদ সান ম্যারিনোর সরকার পর্যটন উন্নত করার কর্মসূচি হাতে নেয়। অভূতপূর্ব সাড়া পায় তারা। পর্যটকদের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় দেশের মোট জনসংখ্যাকে। ৩০ হাজার জনসংখ্যার দেশে প্রতিদিন এর চেয়ে বেশিসংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে স্থানীয় কিছু শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাম্প, হস্তশিল্প ও মৃৎশিল্পের চাহিদা বেড়ে গেছে বহু গুণে। দেশটির প্রধান আকর্ষণ হলো মাউন্ট টিটানো। পাহাড় চূড়া থেকে আড্রিয়াটিক সাগরের বিস্তৃত নীল জলরাশি উপভোগ করা যায়। আমোদ-প্রমোদের জন্য নানান ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন খেলা। হোটেল-মোটেল আর প্রমোদ বিহারের জন্য সহজলভ্য সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
সান ম্যারিনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। তবে ইইউ দেশটিকে ইউরো মুদ্রা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। জাতীয় আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি আসে পর্যটন থেকে। আয়ের বাকি অংশও পর্যটন সম্পর্কিত। দেশটিকে খাদ্য ও নিত্যপণ্যের জন্য পুরোপুরি ইতালির ওপর নির্ভর করতে হয়।

সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশ সান ম্যারিনো। বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা রয়েছে এখানে। ৬০ সদস্যের গ্রান্ড অ্যান্ড ন্যাশনাল কাউন্সিলই সংসদ। এই কাউন্সিল আবার একজোড়া রিজেন্ট ক্যাপটেইন নির্বাচন করেন। সংসদ আর দু’জন রিজেন্ট ক্যাপটেইন মিলে সরকার পরিচালনা করেন। পঞ্চম শতক থেকে আরগেনো নামক একটি পরিষদ দেশ শাসন করত। এরা মূলত পরিবারকেন্দ্রিক একটি পরিষদ। প্রত্যেক পরিবারের প্রধান এ পরিষদের সদস্য হতো। গ্রান্ড অ্যান্ড ন্যাশনাল কাউন্সিল পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। নয়টি নির্বাচনী জেলা থেকে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে তারা নির্বাচিত হয়। গ্রিক নগর রাষ্ট্রগুলোর আদলেই এর সরকার পরিচালনা হয়ে আসছে প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে। রিজেন্ট ক্যাপটেইনরা প্রতি ছয় মাসের জন্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন বিচার বিভাগ সান ম্যারিনোর।


এদের ক্ষুদ্র একটি সামরিক বাহিনী রয়েছে। এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ইতালির কাছে। সরকারি স্থাপনা পাহারা দেয়া, সীমান্ত রক্ষা শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কাজ করে থাকে। অপরাধ ও খুনখারাবি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে তারা। বিশেষ করে পর্যটকদের নিরাপত্তায় তাদের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৩০০।


দেশের ভেতর ২২০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। প্রধান সড়কের নাম সান ম্যারিনো সুপার হাইওয়ে। রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি থেকে সহজে চিহ্ণিত করা যায় কোনটি কোন দেশের গাড়ি। রঙ ও নম্বর দেখে সহজে তা অনুমান করা যায়। তাদের সব সড়ক গিয়ে মিশেছে ইতালির সাথে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানরা রেললইন স্থাপন করে। এগুলোর চিহ্ণও নেই এখন।

অন্য ইউরোপীয় দেশের মতোই তাদের সংস্কৃতি। তবে একটা বিষয় লক্ষণীয়, তাদের জীবনাচরণে সবচেয়ে বড় প্রভাবক মাউন্ট টিটানো। এর তিনটি শৃঙ্গকে তারা রীতিমতো পূজা করে।


দেশটির ৩১ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে ১ হাজার বিদেশী। এরা মূলত ইতালির নাগরিক। অন্য দিকে ৫ হাজার সান ম্যারিনোর নাগরিক ইতালিতে বসবাস করে। তাদের ভাষা ইতালীয়। ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত অন্য ভাষাটি হলো ইমিলিয়ানো-রোমাগনোলো।

--জসিম উদ্দিন

Saturday, October 18, 2014

টেলিফোন সংযোগ নিতে চাইলে

0 comments
মোবাইল ফোনের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে ল্যান্ডফোনের প্রয়োজনীয়তা কমলেও অফিস এবং বাসাবাড়িতে এখানো এর চাহিদা আছে। কম খরচ এবং ভালো নেটওয়ার্কের কারণে ল্যান্ডফোনে আগ্রহী হয় অনেকেই। তা ছাড়া খুব সহজেই পেতে পারেন ল্যান্ডফোন সংযোগ। আবেদন ফরম পূরণ করে টাকা জমা দিলেই এক থেকে সাত দিনের মধ্যেই ঘরে চলে আসে বিটিসিএল টেলিফোন সংযোগ।
ফরম সংগ্রহ

ল্যান্ডফোনের সংযোগ পেতে প্রথমেই বিটিসিএলের আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। বিভাগীয় প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে পাওয়া যায় এই আবেদনপত্র। এ ছাড়া বিটিসিএলের ওয়েবসাইট (www.btcl.gov.bd) থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যায়। এটি পূরণ করে জমা দিতে হবে বিটিসিএল সংশ্লিষ্ট বিভাগের 'বিভাগীয় প্রকৌশলী' বরাবর।

দরকারি কাগজপত্র

আবেদন ফরমের সঙ্গে আবেদনকারীর চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র/ পাসপোর্ট/ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ কর্মস্থলের পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।

সংযোগ ফি

নির্ভুলভাবে পূরণ করা ফরম বিভাগীয় প্রকৌশলী বরাবর জমা দিলে আবেদনকারীকে ডিমান্ড নোটের তিনটি কপি দেওয়া হয়। এই তিনটি কপির তথ্যাদি পূরণ করে ২০০০ টাকাসহ জমা দিতে হয় বেসিক ব্যাংকে। এই ২০০০ টাকার ১০০০ টাকা সংযোগ ফি ও ১০০০ টাকা জামানত হিসেবে জমা রাখা হয়। ব্যাংক একটি ডিমান্ড নোট রেখে বাকি দুটি ডিমান্ড নোট ফেরত দেয়। চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা সংযোগ ফি এবং ৫০০ টাকা জামানত, সর্বমোট ১০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। এ ছাড়া অন্যান্য জেলা ও উপজেলায় ৩০০ টাকা সংযোগ ফি এবং ৩০০ টাকা জামানত দিতে হয়।

সংযোগ প্রাপ্তি

দুটি ডিমান্ড নোটের একটি আবেদনকারীকে নিজের কাছে রেখে অন্যটি বিভাগীয় প্রকৌশলীর দপ্তরে জমা দিতে হয়। জমা দেওয়ার এক থেকে সাত দিনের মধ্যে বাসায় টেলিফোনের সংযোগ দেওয়া হবে।

সার্বিক যোগাযোগ বিটিসিএল : তেজগাঁও ভবন, ৩৭/ই, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-১০০০।

ফোন : ৮৩১৪১৫৫ ওয়েব-www.btcl.gov.bd

Saturday, September 20, 2014

বাংলাদেশে হেলিকপ্টার ভাড়া

1 comments
সবার হেলিকপ্টারে জদিও চড়া হয়না তবে অনেক সময় হেলিকল্পটারের ভাড়া এবং আনুষঙ্গিক বিসয় সমুহ জানা থাকলে নিজেকেই আপডেট রাখা যায়। তাই আপনাদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন দেশে হেলিকপ্টার সেবা দেয়া কোম্পানি সমূহের ভাড়ার তালিকা সহ বিস্তারিত।

বাংলাদেশে এখন অনেক কারণেই হেলিকপ্টারে করে জরুরী যাত্রার প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে হেলিকপ্টারে ভ্রমন কিংবা যাতায়াত করতে আপনাকে কেমন ভাড়া গুনতে হবে কিংবা কোথায় থেকে কোথায় কত ভাড়া দিতে হবে তা নিশ্চয় আপনার অজানা! চলুন জেনে নিন-

সাধারণত বাংলাদেশে কয়েকটি হেলিকপ্টার কোম্পানি যাত্রী সেবা সহ আরও কিছু সেবা দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনাকে আগে থেকে বুকিং দিতে হবে এবং নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। এসব কোম্পানির বিসয়ে নিচে বিস্তারিত দেয়া হল।

স্কয়ার এয়ার লিমিটেড

স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের যে হেলিকপ্টার আছে তাতে এক সাথে ৬ জন যাত্রী বহন করা সম্ভব। এই হেলিকপ্টারের নাম বেল-৪০৭, এতে আপনি ভ্রমণ করতে চাইলে আপনাকে প্রতি ঘন্টায় গুনতে হবে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছারা স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ৪ জন বহনে সক্ষম রবিনসন আর-৬৬ এর ভাড়া কিছুটা কম এটা ৭৫ হাজার প্রতি ঘন্টা। এছারা আপনাকে আরো কিছু বাড়তি খরচ দিতে হবে তা হচ্ছে প্রতি ঘন্টায় ভুমিতে অপেক্ষার জন্য আপনাকে দিতে হবে ৬ হাজার টাকা আর ভুমি থেকে উড্ডয়নের পর প্রতি ঘন্টায় আপনাকে দিতে হবে ২ হাজার টাকা ইনস্যুরেন্স ফি।
যোগাযোগ ঠিকানা- স্কয়ার এয়ার লিমিটেড, স্কয়ার সেন্টার, ৪৮ মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৩১৮৫৩৫২

সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্


সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ দুই ভাগে সেবা দিয়ে থাকে। সাধারন এবং শুটিং/লিফলেট। সাধারণ কাজের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া প্রতি ঘণ্টা ৫৫ হাজার টাকা। আর সিনেমার শুটিং, লিফলেট বিতরণসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজের জন্য ভাড়া ৩০ শতাংশ বেশি দিতে হয়। এই কম্পানি থেকে ন্যূনতম ৩০ মিনিটের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া নেওয়া যায়। জ্বালানি খরচ, ইনস্যুরেন্সসহ বাকি সব কিছু কম্পানিই বহন করে থাকে তবে ভুমিতে অপেক্ষার জন্য আপনাকে প্রতি ঘন্টায় দিতে হবে ৫ হাজার টাকা আর মট টাকার উপর ১৫৫ ভ্যাট।

যোগাযোগ ঠিকানা- সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ লিমিটেড, টাওয়ার হেমলেট, ১৬ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন : ০২ ৯৮৮০৪৯৬

ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড


প্রতি ঘণ্টার জন্য গুনতে হবে এক লাখ টাকা দিয়ে আপনি ৬ আসনের ইসি ১৩০বি-৪ হেলিকপ্টার ভাড়া পাবেন ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড থেকে। ভুমিতে অপেক্ষার জন্য প্রতি ঘন্টায় আপনাকে দিতে হবে ৫ হাজার টাকা এবং মোট ভাড়ার উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট।

যোগাযোগ ঠিকানা-ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড, ৪০ শহীদ তাজউদ্দীন সরণি, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন: ০১৭২৯২৫৪৯৯৬

সিকদার গ্রুপ


এদের রয়েছে ৩ টি হেলিকপ্টার, রয়েছে ৭ এবং ৩ সিটের ভাড়া নেয়ার সুবিধা। ভাড়া সাত সিটের ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। তিন সিটের ঘণ্টায় ৭২ হাজার টাকা। ভুমিতে অপেক্ষা করাতে হলে প্রতি ঘন্টায় ৭ হাজার টাকা এবং সাথে ভ্যাট।

যোগাযোগ ঠিকানা- সিকদার গ্রুপ, রাজ ভবন, দ্বিতীয় তলা, ২৯ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ৯৫৫০২৭১

এসব কোম্পানির বাইরেও আরো কিছু কোম্পানি বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার ভাড়া দিচ্ছে এরা হচ্ছে-

পিএইচপি গ্রুপ, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, বিআরবি কেব্ল্, মেঘনা গ্রুপ, ইয়াং ইয়াং (আরিয়ান) গ্রুপ, এমএস বাংলাদেশ প্রভৃতি।
তবে আপনি হেলিকপ্টার ভাড়া নিতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম মানতেই হবে আর এসব নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই। নিচে নিয়ম দেয়া হল-

বুকিং দেয়ার সময় হেলিকপ্টার চার্জের ৫০ ভাগ পরিশোধ করতে হয়। বাকি টাকা দিয়ে দিতে হবে হেলিকপ্টার উড্ডয়নের আগে। হেলিকপ্টার উড্ডয়নের ৪৮ ঘণ্টা আগে আপনি কোথায় কেনো যাচ্ছেন তা সিভিল এভিয়েশনকে জানাতে হয়। কারণ হেলিকপ্টারের নির্দিষ্ট কোনো রুট নেই। এ কারণে কোনো হেলিকপ্টার আকাশে উড্ডয়ন করলে টাওয়ারকে প্রস্তুত রাখতে হয়, যাতে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। এক্ষেত্রে অবসস কারো জরুরি হলে ৫, ১০, ১৫ মিনিট এমনকি এক ঘণ্টার মধ্যেও সিভিল এভিয়েশান অমুমতি দিয়ে থাকে।

সোর্স: দি ঢাকা টাইমস

Monday, September 15, 2014

বিমসটেক, বাংলাদেশ

0 comments
১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয় বাংলাদেশ-ভারত-শ্রীলঙ্কা-থাইল্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান যোগ দিলে এ জোটের নাম হয় বিমসটেক।

উন্নয়ন এবং অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ১৪টি খাতের ওপর জোর দিচ্ছে বিমসটেক।

এই খাতগুলো হচ্ছে- বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, পরিবহন ও যোগাযোগ, পর্যটন, মৎস্য, কৃষি, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, দারিদ্র দূরীকরণ, সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক অপরাধ দমন, এবং জলবায়ু পরিবর্তন।

২০১৪ এর ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত জোটের সবশেষ সম্মেলনে ঢাকায় স্থায়ী এই সচিবালয় স্থাপনের বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সাক্ষর হয়।
শ্রীলঙ্কাও এ সচিবালয় স্থাপনে আগ্রহী ছিল। কিন্তু জোটের প্রথম মহাসচিব শ্রীলঙ্কা থেকে করার ব্যাপারে সদস্য দেশগুলো একমত হয়। আর ঢাকায় বিমসটেকের স্থায়ী কার্যালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশে বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় গড়তে বড় ধরনের সহযোগিতা দেয় ভারত। মিয়ানমারও ব্যয়ের ৩২ শতাংশ বহন করে।

২০১৪এর ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে (গুলশান-২ এর ৫৩ নম্বর রোডের ৬ নম্বর বাড়ি) এটি যাত্রা শুরু করে।

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Saturday, September 13, 2014

হাজিয়া সোফিয়া, তুরস্ক

0 comments
আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক ১৯৩৪ সালে হাজিয়া সোফিয়াকে জাদুঘরে পরিবর্তিত করেন৷১৯৮৫ সালে হাজিয়া সোফিয়া ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনার তালিকায় স্থান পায়৷
৫৩২ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট জাস্টিনিয়ান কনস্ট্যান্টিনোপলের অধিবাসীদের জন্য এমন একটি গির্জা নির্মাণের নির্দেশ দেন, যেটি আগে কখনো নির্মাণ হয়নি, এমনকি ভবিষ্যতেও হবে না৷ গির্জাটি নির্মাণে কাজ করেছিল ১০ হাজার কর্মী৷ অন্তত এক হাজার বছর ধরে বসফরাস ব্যাসিলিকাই ছিল খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় চার্চ৷
হাজিয়া সোফিয়ার নিমার্ণে জাস্টিনিয়ান প্রায় ১৫০ টন স্বর্ণ বিনিয়োগ করেছিলেন৷ এরপরও ভবনটির কিছু সংস্কার প্রয়োজন ছিল৷ কেননা গম্বুজটা ছিল একেবারে সমতল এবং ভূমিকম্পের কারণে যা কিছুটা বেঁকে গিয়েছিল৷ নির্মাণের পর থেকে হাজিয়া সোফিয়া রোমান সাম্রাজ্যের প্রধান গির্জা হিসেবে ব্যবহৃত হত৷ সপ্তম শতক থেকে সব বাইজেন্টাইন সম্রাটদের অভিষেক হত এখানে৷
১৪৫৩ খ্রিষ্টাব্দে কনস্ট্যান্টিনোপলে বাইজেন্টাইনদের রাজত্ব শেষ হয়৷ এর দখল নেন অটোমান সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সুলতান মোহাম্মদ এবং তখন হাজিয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন৷ প্রথমে একটি মিনার নির্মাণের মাধ্যমে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়৷ এরপর ক্রস, ঘণ্টা এবং চিত্রকর্মের পরিবর্তন করা হয়৷
আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক ১৯৩৪ সালে হাজিয়া সোফিয়াকে জাদুঘরে পরিবর্তিত করেন৷ সংস্কারের সময় পুরোনো বাইজেন্টাইন স্থাপত্য মোজাইক খুঁড়ে বের করা হয়৷ তবে খুব সতর্কতার সাথে এটা করা হয়েছে, যাতে পরবর্তীতে ইসলামিক যে নিদর্শনগুলো তৈরি হয়েছে সেগুলো যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়৷
হাজিয়া সোফিয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো যেন এর মধ্য দিয়েই প্রতিফলিত হয়েছে৷ একপাশে মোহাম্মদ, অন্যদিকে আল্লাহ লেখা আবার মাদার মেরীর কোলে যীশু খ্রিষ্ট সবই আছে এখানে৷ সেই সাথে গম্বুজে ৪০টি জানালা দিয়ে আলো এসে এটিকে যেন অতিপ্রাকৃত করে তোলে৷
হাজিয়া সোফিয়ার সবচেয়ে সুন্দর শিল্পকর্মের একটি এটি৷ হাজিয়া সোফিয়া খুঁড়ে ১৪ শতকের এই নিদর্শন পাওয়া গেছে, যা গ্যালারিতে রাখা আছে৷
হাজিয়া সোফিয়াতে বর্তমানে প্রার্থনা করা নিষিদ্ধ৷ ২০০৬ সালে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট যখন হাজিয়া সোফিয়াতে গিয়েছিলেন, তখন এই ব্যবস্থাপনাকে সম্মান জানিয়েছিলেন৷ তবে তুরস্কের মানুষ এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল৷
হাজিয়া সোফিয়ার পাশেই অবস্থিত সুলতান আহমেদ মসজিদ যা ব্লু মস্ক বা নীল মসজিদ হিসেবে বেশি পরিচিত৷ তুরস্কবাসী চান যাতে হাজিয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করা হয় এবং সেখানে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়৷
কনস্ট্যান্টিনোপলে সনাতন খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান যাজক প্রথম বার্থোলোমায়সও হাজিয়া সোফিয়া তাঁদের বলে দাবি করেছেন৷ বহু বছর ধরে তিনি এর পক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন৷ এটাকে গির্জা হিসেবে ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছেন তিনি৷

হাজিয়া সোফিয়ার ভবিষ্যত এখনো অনিশ্চিত৷ বিরোধী দল এমএইচটি এটিকে মসজিদে রূপান্তরের জন্য এখনও দাবি জানাচ্ছে৷ এখন পর্যন্ত পার্লামেন্টে দুটি আবেদন করেছে তারা, যা নাকচ হয়েছে৷ ১৯৮৫ সালে হাজিয়া সোফিয়া ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনার তালিকায় স্থান পায়৷ 
উৎস: ডয়েচে ভেলে