Friday, November 21, 2014

How to Merge Multiple Facebook Pages

1 comments
At some point, you may find yourself with more than one Facebook page for your business. This can happen if a customer trying to check into your location couldn’t find your page and created a Places page instead, or if an employee created a Facebook page without your knowledge. If both pages have amassed a considerable amount of likes and/or check-ins, you can merge them into one page without losing any fans. (Watch a step-by-step video here.)

In order to merge two pages, you must first be an administrator at the “manager” level on both. (If you are merging a Places page, you need to first claim it using these instructions.) Decide which page you’d like to keep. Note: while the likes and check-ins from both pages will be consolidated onto the remaining page, you will lose all content, photos and posts that are on the other page, as well as that page’s username. We suggest you merge the page with the least amount of likes and engagement into your more popular page.

Step 1:
Before you begin the merging process, be sure you’re an admin of both pages and that they have the same address and similar page names, which will indicate to Facebook that these pages represent the same business. If the page names are not similar, edit the name of the page you don’t want to keep. It doesn’t matter what you name it as it will not override the main page’s name after the merge, though we suggest giving it a slightly different page title so that you can differentiate the pages during the process. For example, if your main page is called Store ABC, call the other page that you’re merging into it Store ABC 2.

Step 2:
Go to the settings of the page you want to keep. Under the “general” tab, there will be a menu item on the bottom labeled “Merge Pages.” Expand it and click on the “Merge duplicate Pages.”

Step 3:
The pop-up box should display any other Facebook pages you manage that have similar names to the page you are currently on. Check the box next to the name of the page you’d like to merge into your main page.

Step 4:
Facebook will ask you to confirm your choice before it merges the pages. Be sure the page listed in the pop-up window is the one you don’t want to keep, as it will be permanently removed from Facebook and you won’t be able to unmerge it.



Step 5:
In most cases, the above step completes the merging process and the duplicate page will no longer exist, while the main page will now include the likes and check-ins from the duplicate page. However, in some cases the page you want to merge into your main page does not show up as an option in the pop-up window. If that’s the case, click on the “Don’t See the Pages you want merged?” link. This will take you to a page in Facebook’s Help Centre.

After checking the box next to “I have read and understand the above information,” a dropdown menu will appear that contains all of the pages you manage. Select the page you want to keep.

Scroll down and check the box next to “I understand that the Pages I merge must be about the same thing” to reveal the second dropdown menu, and then select the page (or pages) you want to merge. Once you submit the request, you’ll get an email from Facebook confirming that the process has begun. Allow one week for Facebook to merge the pages. You will receive an email notification when the process is complete.

Wednesday, November 12, 2014

জাহাজ বাড়ি'র ইতিকথা

1 comments
সিটি কলেজের পাশ দিয়ে রাইফেলস স্কয়ার হয়ে সাত মসজিদ রোডে ধানমন্ডি লেকের পাশ ঘেষে খয়েরী রংয়ের ব্যতিক্রম ধরনের একটি ভবন চোখে পড়বে। আমাদের দেশের অন্যসব ভবনের গঠনের চেয়ে এই বাড়িটির গঠন একেবারেই আলাদা। চলতি পথে কারো চোখ এই বাড়িটির দিকে পড়া মাত্রই তার চোখ থমকে দাঁড়ায়। অনেকটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আদলে তৈরি করা বাড়িটিকে দেখে অনেকেই ভাবেন এটি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। স্বয়ং যারা নিয়মিত এই স্থানে যাওয়া আসা করেন তারাও মনে করেন এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। আসলে এটি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি বাসভবন।

কৌতুহলের কারণ:

ধানমন্ডি লেক ঘেষে গড়ে ওঠা এই বাড়িটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কৌতুহলের কোনো শেষ নেই। কারো মতে এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কারো মতে এটি কোনো বিদেশী সংস্থার অফিস, কেউ মনে করে এটি একটি ভৌতিক বাড়ি। এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। এটি এমন একটি বাড়ি যে বাড়ির সদস্যদের খুব একটা বাইরে দেখা যায় না। কোলাহল তো দূরের কথা, সামান্য টু শব্দটিও শোনা যায় না। বাড়ির প্রধান দরজাও সবসময় বন্ধ থাকে। বাইরের কেউ ভিতরে প্রবেশ করারও অনুমতি নেই। তাই বাইরের মানুষ আপন মনে বাড়িটি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ধারণা পোষণ করে আসছে।

নামকরণ:

সবার কাছে এই বাড়িটি ‘জাহাজ বাড়ি’ নামে পরিচিত। প্রকৃতপক্ষে বাড়িটির নাম ‘জাহাজ বাড়ি’ নয়। জাহাজের আদলে তৈরি হওয়ায় মানুষ এটিকে ‘জাহাজ বাড়ি’ নাম দিয়েছে। বাড়িটির হোল্ডিং নাম্বার ৫/এ, ৬০, ধানমন্ডি, ঢাকা। বাড়ির গেটের নেমপ্লেটে বাড়িটির নাম লেখা রয়েছে “Chistia Palace”। উচ্চারণগত কারণে অনেকে এটিকে ‘খ্রিস্টিয়া প্যালেস’ বলেন। আসলে এর উচ্চারণ হবে ‘চিশতিয়া প্যালেস’।

নির্মাণকাল:

খুব বেশিদিন আগে এই বাড়িটি নির্মাণ করা হয় নি। ১৯৯৩ সালের কোনো এক সময় এই বাড়িটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। তার এক বছর পর ১৯৯৪ সালে বাড়িটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তবে প্রথম দিকে বাড়িটির ডিজাইন জাহাজ আকৃতির ছিল না। নির্মাণের পর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাড়িটির কিছু অংশ ভেঙে এর পাশ দিয়ে চলাচলের রাস্তা তৈরি করে। তখন বাড়ির মালিক বাড়িটির সীমানা প্রাচীর বর্তমান জাহাজ আদলে তৈরি করেন।

মালিকানা:

বাড়ির মালিকের নাম ‘শের এ খাজা’। স্থানীয়দের মতে তিনি একজন আধ্যাত্মিক ক্ষমতাবান মানুষ। সারা বিশ্বের বড় বড় সব নেতাদের সাথে তার সখ্য রয়েছে। আর এই সখ্যতার মূলে রয়েছে তার ভবিষ্যৎবাণীর ফলপ্রসূতা। তিনি যা ভবিষ্যৎবাণী করতেন ঠিক তেমনটিই হতো বলে জানা যায়। এজন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রথম সারির নেতাদের সাথে তার ওঠাবসা ছিল। এমনকি বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা নেতার পদচারণ ঘটেছে এই জাহাজ বাড়িতে। তার ভবিষ্যৎ বাণী অনুসারে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য শেরে খাজাকে বলা হতো ‘কিং অব কিং মেকার’। তবে তিনি ‘শের এ খাজা’ নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম একেএম আনোয়ারুল হক চৌধুরী। তার জন্মস্থান ও জন্ম তারিখ সম্পর্কে সঠিক কোনো ধারণা নেই। যতদূর জানা যায় ১৯৫২ সালের কোনো একসময় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে চিশতিয়া প্যালেসে বসবাস করছেন শেরে খাজার মা, বোন ও তার পরিবার এবং শেরে খাজার স্ত্রী রেহানা চৌধুরী। তার ছেলে রুবেল চৌধুরী

শের এ খাজার ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার:

বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পড়ালেখা করেন। আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী হলেও তিনি এটিকে পুঁজি করে কোনো ব্যবসা করেন নি। তার এই আধ্যাত্মিক ক্ষমতার সেবা শুধুমাত্র বিশ্বের প্রথম সারির নেতারাই পেতেন। এসবের বাইরে তিনি গার্মেন্টস ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। চিশতিয়া গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজ নামে তার একটি কোম্পানি রয়েছে। তিনি নিজেই এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। তার স্ত্রীর নাম রেহানা চৌধুরী। তাদের একমাত্র পুত্র রুবেল চৌধুরী ও একমাত্র কন্যা সাদিয়া চৌধুরী। তার ছেলে রুবেল চৌধুরী বিয়ে করেন নেপালের সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুজাদা কৈরালার মেয়েকে। তার স্ত্রী সম্পর্কে নেপালের প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালার নাতনী।

মৃত্যু:

২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে এই ‘আধ্যাত্মিক’ পুরুষ ইন্তেকাল করেন। তখন তার বয়স ছিলো ৫৯ বছর।

Tuesday, November 11, 2014

মুখে অতিরিক্ত ঘামের সহজ সমাধান

0 comments
মুখ ও কপাল অতিরিক্ত ঘামা বেশ সাধারণ সমস্যা। অনেকের ক্ষেত্রেই এটা দেখা যায়। অতিরিক্ত ঘাম অনেক সমস্যায় ফেলতে পারে আপনাকে। ছেলেদের বা মেয়েদের কারো জন্যই বেশি ঘামা সুখকর নয়। আবহাওয়া খুব গরম হলেও ঘাম বেশি হতে পারে আবার জিনগত কারণেও ঘাম বেশি হতে পারে। অনেকের ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলেও ঘাম হতে পারে। এক্ষেত্রে মুখে ও কপালে বেশি ঘাম দেখা যায়। এখন প্রশ্ন হল এ ঘাম থেকে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা ঠিক ভাবে ব্যবহার করলে আপনার মুখে ঘামের প্রবণতা অনেক কমে যাবে তবে আপনার জিনগত সমস্যা হলে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হতে পারে। জেনে নিন অতিরিক্ত ঘাম থেকে রেহাই পাবেন কিভাবে-

প্রথম সমাধানটি খুব সহজ। বেশি করে টমেটো খান! টমেটোর মধ্যে এমন উপাদান আছে যা ঘাম কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১ টি বা দুইটি করে টমেটো খান বা টমেটোর জ্যুস পান করুন।
২ চা চামচ কাচা মধু ও ২ চা চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে তিনবার খালি পেটে খান নিয়মিত। খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন।
সবুজ মুগ ডাল ভেজে নিন এবং পাউডারের মত গুড়া করে নিন। ১ চা চামচ পাউডারের সাথে একটু কাচা দুধ মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন। ৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত লাগান দ্রুত উপকার পাবেন।
১ টুকরা বরফ পাতলা সুতি বা মসলিন কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন কিছুক্ষণ। দিনে ২/৩ বার এভাবে বরফ দিয়ে ম্যাসাজ করলে ঘাম কম হবে। বিশেষ করে মেকআপ করার আগে এটি খুব কাজে দেয়।
অ্যালো ভেরা বা শসা ঘাম প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। প্রতিদিন ফ্রেশ অ্যালো ভেরার জ্যুস বা শসার জ্যুস পান করুন। সুপার শপ গুলো তে বেশ ভালো মানের অ্যালো ভেরা জ্যুস পাওয়া যায়। এগুলোও খেয়ে দেখতে পারেন। এর সাথে সাথে মুখে যদি অ্যালো ভেরা জেল বা শসার রস লাগান তাহলে আরো বেশি উপকার পাবেন।
এর মধ্যে একটি আপনার ক্ষেত্রে কাজ না করলে অন্য একটি চেষ্টা করুন। সময়ের সাথে এগুলো অনুসরণ করলে ঘামের হাত থেকে মুক্তি পাবেনই।

কিছু টিপসঃ

লবণ কম খাবেন। বেশি লবণ ঘাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে কাজ করে।
ভারি ক্রিম বা অপ্রয়োজনে মুখে ক্রিম লাগানো বন্ধ করুন। যত বেশি ক্রিম বা ময়শ্চারাইজার লাগাবেন আপনার মুখ তৈলাক্ত হবে এবং মুখ ঘামবে বেশি। ভালো মানের ওয়াটার বেস এর ময়শ্চারাইজার লাগাবেন তবে যত কম পারেন তত ভালো।
তাৎক্ষণিক ঘাম দূর করার জন্য ফেসিয়াল ওয়াইপ ব্যবহার করতে পারেন।

Wednesday, November 5, 2014

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে যা করণীয়

0 comments
শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সম্পদ সার্টিফিকেট হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে পারেন না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

প্রথমে যা করবেনঃ


সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে। এরপর যেকোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ


আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।

পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

কত টাকা লাগবেঃ


সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।

গুগলের ১৬টি অসাধারণ সেবা

0 comments
বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের অনেক সেবা আছে, যা আমাদের জানা নেই। এ লেখায় থাকছে সে ধরনের ১৬টি সেবা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
1998: The Google website is originally hosted on Stanford University servers

১. নোট ও রিমাইন্ডার রাখার জন্য গুগলের একটি অ্যাপ রয়েছে, যার নাম ‘গুগল কিপ।’ এটি ডেস্কটপ ও স্মার্টফোনে কাজ করে।

২. গুগলে আপনি টাইমার তৈরি করতে পারবেন। এজন্য সময় ও তার পর টাইমার কথাটি লিখলেই হবে। সময় শেষ হলে তা আপনাকে শব্দ করেও জানিয়ে দেবে।

৩. হাবল টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া মহাকাশের ছবিগুলো পাওয়া যাবে গুগলে। ব্রাউজারেGoogle.com/sky টাইপ করে বিস্তারিত জেনে নিন।

৪. গুগল এনগ্রামস ব্যবহার করে ৫.২ মিলিয়ন বই থেকে ১৫০০ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময়ে কোনো শব্দের ব্যবহার জানা যাবে।

৫. বড় একটি সংখ্যা নিয়ে বিপর্যস্ত? সংখ্যাটি কথায় লিখতে চান? গুগলে সংখ্যাটি লিখে =ইংলিশ টাইপ করুন।

৬. গুগল ট্রান্সলেটের ম্যানুয়াল নামে একটি ফিচার ব্যবহার করে চীনা ভাষার মতো কঠিন শব্দগুলোর অনুবাদ পাওয়া সম্ভব।

৭. গুগল ইনপুট টুলস ব্যবহার করে ৮০টিরও বেশি ভাষায় টাইপ করা সম্ভব।

৮. মনের মতো ফন্ট খুঁজে বের করারও ব্যবস্থা রয়েছে গুগলে। এজন্য টাইপ করুন Google.com/fonts.

৯. গুগল স্কলার ব্যবহার করে জার্নাল ও গবেষণাপত্র বের করা এখন অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।

১০. গুগল আর্ট প্রজেক্ট ব্যবহার করে বিশ্বের বড় সব জাদুঘরের বিখ্যাত ছবিগুলোর হাই রেজুলিশন ভার্সন পাওয়া সম্ভব।

১১. বিয়ে করতে গেলেও গুগলের সাহায্য নেওয়া যায়। আর এজন্য রয়েছে গুগলের নানা ব্যবস্থা।

১২. গুগলের ‘থিংক ইনসাইটস’ হলো কোনো একটি ইন্ডাস্ট্রির বিস্তারিত জানার টুল।

১৩. কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের আগ্রহের বিষয়বস্তু জানতে চান? গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে সার্চকৃত বিষয়গুলো জেনে নিন।

১৪. বিভিন্ন সময়ে সার্চের টার্মগুলোর পরিবর্তন জানতে পারবেন গুগলে।

১৫. গুগল এক্সপ্রেস নামে একটি সার্ভিসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বাড়িতেই পৌঁছানো হচ্ছে খাবার, ইলেক্ট্রনিক্স, বই ও অন্যান্য সামগ্রী। তবে তা এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, বোস্টন, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক শহর ও ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু অংশে চালু হয়েছে।

১৬. গুগল ম্যাপের নির্দিষ্ট স্থানে আপনার তোলা ছবি যোগ করা সম্ভব, যা অন্যরা ক্লিক করে দেখতে পাবে।

এ ধরনের যে কোনো সার্ভিস বিষয়ে বিস্তারিত পাওয়া যাবে গুগলে সার্চ করলেই।

ঠোঁটের রঙ গোলাপি করার ঘরোয়া উপায়

0 comments
সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবাই-ই চান। বলাই বাহুল্য যে মিষ্টি গোলাপি ঠোঁটের আকর্ষণ অনেক বেশি সৌন্দর্যের বিচারে। কিন্তু প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ধীরে ধীরে কালো হতে থাকে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মিও আমাদের ঠোঁট কালো করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া নানান রকমের অসুখ, ধূমপান, বাজে প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। চলুন, আজ জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।

কাঁচা দুধ প্রতিদিন

প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।

মধু

প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ

হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।

আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস

এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।

লেবুর রস ও চিনি

লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।