Thursday, September 29, 2016

সব্যসাচী মানে কি

0 comments
সব্যসাচী শব্দের মূল অর্থ ডান ও বাম উভয় হাতে যিনি অসামান্য দক্ষতায় শর নিক্ষেপ করতে সক্ষম। মহাভারতের তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুন এমন দক্ষতার অধিকারী ছিলেন বলে তাঁকে সব্যসাচী বলা হতো। তবে সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসে ‘সব্যসাচী’ শব্দের অর্থের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে। এখন ‘সব্যসাচী’ বলতে নানাবিধ কর্মসম্পাদনে সক্ষম ব্যক্তিকে বুঝানো হয়। যিনি একধারে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক, ছড়া, প্রবন্ধ প্রভৃতি সৃষ্টিতে সক্ষম তিনি সব্যসাচী লেখক।

Monday, September 26, 2016

দাঁত রোগমুক্ত রাখতে করণীয়

0 comments
সহজ কথায় দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝুন। একটা মধুর হাসি তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন তার সঙ্গে থাকবে হিরের মতো ঝকঝকে দাঁত। মুগ্ধ গোটা বিশ্ব। শরীরের সঙ্গে দাঁতেরও যত্ন নেয়া দরকার। দাঁত ভালো রাখতে আমাদের নিয়মিত চিকিত্সকের পরামর্শসহ আরো কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত-


০১. দিনে ২বার করে দাঁত মাজা উচিত। অবশ্যই সকালে এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে।
০২. খাওয়ার পর সবসময় ভালো করে মুখ ধোওয়া উচিত।
০৩. দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে লিকুইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।
০৪. প্রতি ৩ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলান।
০৫. ডায়েট মেনে খাবার খান। বিশেষ করে ফল এবং শাকসবজি খান।
০৬. যে সমস্ত খাবার খেলে আমাদের শরীরের প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হবে, যেমন, মাছ, মাংস, ডিম, বিন, প্রভৃতি জাতীয় খাবার খান।
০৭. দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে মিষ্টি, অম্ল জাতীয় খাবার কম খান।
০৮. মুখের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে চা খান।
০৯. খাবার পর মিষ্টিহীন টুইংগাম চেবান। এতে আপনার মুখের ময়েশ্চারাইজড ভাব ঠিক থাকবে।
১০. ধূমপান করবেন না। কিংবা ধোঁয়াহীন তামাক খান। এতে আপনার দাঁত ভালো থাকবে।

সুন্দর বগলের জন্য

0 comments
ডার্ক বগলের কারণে অনেকেরই শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। আর এ ডার্ক বগলকে সুন্দর ও গন্ধহীন করতে ব্যবহার করা যায় রান্নাঘরের কিছু উপাদান। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন ছয়টি উপকরণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

বেকিং সোডা : বেকিং সোডা ত্বকের কালো হয়ে যাওয়া সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকর। এ জন্য কিছু বেকিং সোডা নিয়ে তাতে সামান্য গোলাপজল দিন। এরপর তা ভালোভাবে মিশিয়ে বগলের কালো অংশে লাগান। পাঁচ মিনিট পরে তা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আলু : ন্যাচারাল ব্লিচিংয়ের জন্য আলু কার্যকর। এ জন্য আলুকে পাতলা করে কেটে নিয়ে তা কালো হয়ে যাওয়া অংশে ১০ থেকে ১৫ মিনিট মাখিয়ে নিন। এরপর তা এক ঘণ্টা শুকিয়ে নিন। এক ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

ভিটামিন সি : বগলের ত্বকের রং নষ্ট হওয়ার পেছনে ভিটামিন সি'র অভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে আপনার সে স্থানে ভিটামিন সি-যুক্ত উপাদান লাগাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে লেবু কিংবা এ ধরনের ফল, পেঁপে, পেয়ারা, টমেটো ইত্যাদিও লাগাতে পারেন। যাই লাগান না কেন, কিছুক্ষণ রেখে তারপর তা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বিয়ারবেরি : বিয়ারবেরি নামে একটি ছোট ফল রয়েছে। এ ফলের আলফা আরবুটিন দ্রুত ত্বকের এ কালো হয়ে যাওয়া সমস্যা দূর করতে পারে।
আমলকি : আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এ ছাড়া এর উপাদান ত্বকের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করে। এ কারণে বগলের কালো হয়ে যাওয়া ত্বকের চিকিৎসায় আমলকি খুবই কার্যকর। সামান্য আমলকি চূর্ণ করে তা সেখানে লাগালেই কাজ হবে।

ঘৃতকুমারি : অ্যালো ভেরা বা ঘৃতকুমারি ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে কার্যকর। এটি বগলের ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে দিতে খুবই কার্যকর। এ জন্য ঘৃতকুমারির নির্যাস ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

ঠোঁট যেভাবে গোলাপি রাখবেন

0 comments
কারও কারও ঠোট ক্রমশ কালো এবং অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ে। যদিও আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, নিয়মিত ডায়েট মেনে চলছেন, ব্যায়াম করছেন। তবুও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। তাহলে জেনে রাখুন এমন কিছু ঘরোয়া উপায়, যাতে আপনি আপনার ঠোঁটে আবার আগের মতো গোলাপি এবং উজ্জ্বল ভাব ফিরে পাবেন।

১. সপ্তাহে একদিন ন্যাচারাল লিপ স্ক্রাবার ব্যবহার করুন। এর ফলে ঠোঁটের মরা কোষগুলো রিমুভ হয়ে যায়। এই লিপ স্ক্রাবার আপনি ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে একটু চিনি মিশিয়ে ঠোঁটে ঘষুন। এরপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে লিপ ময়েশ্চারাইজার লাগান।

২. ত্বকের কালো দাগ তুলে ফেলতে লেবু খুবই উপকারি একটি উপাদান। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে এক টুকরো লেবুর রস ঠোঁটে ভালো করে লাগান। কয়েক মাস এভাবে লেবুর রস ব্যবহার করলে আপনি নিশ্চিত উপকার পাবেন। লেবুর পাতলা টুকরোর উপর কয়েক দানা চিনি নিয়ে ঠোঁটে ঘষলেও একই উপকার পাওয়া যায়।

চাল ধোয়া পানিতেই হবে বাজিমাত

0 comments
ত্বক থেকে স্বাস্থ্য সব কিছুরই খেয়াল রাখবে চাল ধোয়া পানি। চাল ধোয়া পানি কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে রোজ তা ব্যবহার করুন। এতে লাভের লাভ হবে। কী সেই লাভ? জেনে নিন সেটা।
 
১. ভাল করে শ্যাম্পু করুন। এর পর কন্ডিশনারের মতো চুলে চাল ধোয়া পানি লাগান। কয়েক মিনিট তা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চালের প্রোটিন চুল ভাল করবে।
২. ত্বকে সংক্রমণ থাকলে দিনে অন্তত দু’বার ১৫ মিনিট করে এই পানিতে স্নান করুন।
৩. এই পানিতে আট রকমের অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। যা মানুষের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাই চাল ধোয়া পানি খেতেও পারেন।
৪. ব্রণ-র সমস্যা থাকলে চাল ধোয়া পানি খুবই উপকারী। তুলোয় করে এই পানি দিয়ে ব্রণ-র উপরে লাগিয়ে রাখুন। ব্রণ তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।
৫. ডায়রিয়ারও পথ্য চাল ধোয়া পানি। এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে তা খেয়ে নিন।

৬. বাইরে থেকে ফিরে ফ্রিজে রাখা ঠাণ্ডা চাল ধোয়া পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। তাতে ত্বক তরতাজা হবে।

সুন্দর কোমর পেতে যা খাবেন

0 comments
মেদহীন, সুন্দর কোমরের জন্য কম কসরত করতে হয় না। কেউ কেউ জিমে যায়, কেউ বা আবার নিয়মিত বাড়িতেই ব্যায়াম করে থাকে। তবে ঘাম ঝরানোর পাশাপাশি ডায়েটের দিকেও লক্ষ্য করতে হবে। সবজি, প্রোটিন, চর্বি, তেল, মসলা সবই ডায়েটে রাখুন। যা হজমে সাহায্য করবে, পুষ্টি জোগাবে, আবার মেদও জমতে দেবে না শরীরে। 

সবুজ শাক-সবজি : প্রায় সব রকম জরুরি ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় সবুজ শাক-সবজিতে। আবার চর্বি ঝরাতেও সাহায্য করে সবুজ শাক-সবজি।

ওটস : যারা সুন্দর কোমরের অধিকারী তাদের প্রায় সকলেরই সকালের নাশতায় ওটস থাকে। 

অলিভ অয়েল : অন্যান্য তেলের মতো স্বাস্থ্যকর না হলেও ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই অলিভ অয়েলে। তাই কোমর মেদশূন্য রাখতে যত সম্ভব রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

পুদিনা : যে কোনো রকম হজমের সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে পুদিনা। তাই পেটে ফাঁপা, অ্যাসিডিটি কম হওয়ায় ভূঁড়িও কম হয়।

গ্রিন টি : যদি সত্যিই সুন্দর কোমর পেতে চান তাহলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন দূর করতেই হবে। আর টক্সিন দূর করার সবচেয়ে ভাল উপায় ডায়েটে গ্রিন টি রাখা।

অ্যাপল সিডার ভিনিগার : গ্রিন টির মতোই ডিটক্স করতে সাহায্য করে অ্যাপল সিডার ভিনিগার।

টমেটো : লেপটিন জাতীয় প্রোটিন ও প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় টমেটো মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

রসুন : রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিন রক্তের অনেক ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ফলে হজমের সমস্যা রুখতে পারে রসুন, মেদ জমতে দেয় না।

কাঁচামরিচ : মেটাবলিজম ভাল রাখতে রান্নায় কাঁচামরিচ ব্যবহার করুন। এর মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি শুধু মেদ ঝরাতেই নয়, চুল, নখ, ত্বক ভাল রাখতেও সাহায্য করে।

কলা : যারা শরীরচর্চা করেন তারা সকলেই কলা খান। এতে এনার্জি যেমন পাওয়া যায়, তেমনই কলার জিঙ্ক ত্বক ভাল রাখে।

তরমুজ : কলার মধ্যে যে পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে, তার প্রায় দ্বিগুণ থাকে অর্ধেক তরমুজের মধ্যে। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, লো ক্যালরি শরীরে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমতে দেয় না।

শশা : তরমুজ ও শশা একই পরিবারের সদস্য। উপাদানও এক, কাজও এক।

দারচিনি : এই মশলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, এনার্জি বাড়াতেও সাহায্য করে।

আদা : পেট ভাল রাখতে, রোগে ভোগা কমাতে, শরীর ডিটক্স করতে দারুণ কাজ করে আদা।

চিনে বাদাম : দু’টো মিলের মাঝে একমুঠো চিনে বাদাম খিদে কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও ফাইবার মেদ জমতে দেয় না।

পেস্তা : যদি সত্যিই মেদহীন কোমর পেতে চান তাহলে পেস্তা অবশ্যই খান।

ঘরে পাতা দই : পেটের যে কোনও রকম অস্বস্তি, হজমের গন্ডগোলে আরাম দিতে পারে ঘরে পাতা দই।

সামুদ্রিক মাছ : সুন্দর কোমর পেতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অ্যানিমাল প্রোটিন সামুদ্রিক মাছ। এতে অন্যান্য প্রোটিনের মতো মেদও জমে না, পুষ্টি জোগায়।

পেঁপে : প্যাপেইন উত্সেচক থাকার কারণে পেঁপে হজমে সাহায্য করে।

আনারস : হজমে সাহায্যকারী উত্সেচর ক্ষরণে সহায়তা করে আনারস।

ক্যাপসিকাম : এর মধ্যে ভিটামিন সি যেমন রয়েছে, তেমনই লঙ্কার মতোই হজমে সাহায্য করে ক্যাপসিকামও।

নাসপাতি : এর মধ্যে থাকা পেকটিন শরীরে অতিরিক্ত জল জমতে বাধা দেয়।


সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

পুদিনা পাতায় দূর হবে পোকামাকড় ও ইঁদুর

0 comments
স্কুলে বাস্তুতন্ত্র বা ইকো সিস্টেমের প্রাথমিক পাঠ সকলেই পেয়েছেন। তা থেকে জানা গিয়েছে, পৃথিবীতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে কীটপতঙ্গের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, নিজের বাড়িতে পোকামাকড়ের উতপাৎ মুখ বুজে সহ্য করতে হবে। বাড়িতে আরশোলা, মাকড়সা, টিকটিকি বা ইঁদুরের উতপাতে বিরক্ত হন না এমন গৃহস্থ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

তাছাড়া শুধু বিরক্তি তো নয়, পোকামাকড় বিভিন্ন রোগের জীবাণুও বহন করে আনে বাড়িতে। এদের হাত থেকে মুক্তি পেতে এবং এদের ঘরে ঢোকা বন্ধ করতে আপনি হয়তো ব্যবহার করেন বিভিন্ন পোকা মারার স্প্রে কিংবা সাহায্য নেন পেস্ট কন্ট্রোলের। কিন্তু পোকামাকড় মারার জন্য ব্যবহৃত এইসব স্প্রে যে আপনার শরীরেরও ক্ষতি করছে তা-ও সম্ভবত আপনার অজানা নয়। তাহলে উপায়? উপায় একটাই, পোকামাকড় তাড়ানোর কোন প্রাকৃতিক উপায় বেছে নেয়া।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক, কী করতে হবে। একমুঠো কচি পুদিনা পাতা কয়েক কাপ পানিতে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। এবার পানিটা ঠান্ডা হতে দিন। তারপর পাতাগুলো ফেলে দিয়ে পানিটা একটা স্প্রে বটলে ভরে নিন। তারপর ঘরের দরজা-জানলায় ভাল করে স্প্রে করে দিন সেই পানি। ব্যস্, আপনার কাজ শেষ। সপ্তাহে বার দু’য়েক এই কাজ করাই যথেষ্ট। বাড়িতে স্প্রে বটল না থাকলে হাতে করে পানি ছিটিয়ে দিলেও চলবে।

আসলে পুদিনা পাতায় থাকে একটি বিশেষ সুবাস, যা কীটপতঙ্গ বা ইঁদুরের মতো প্রাণী সহ্য করতে পারে না। ফলে ঘরের দরজা-জানলায় পুদিনা পাতা সিদ্ধ করা জল ছিটিয়ে দিলে তারা আর ঘরে ঢোকার সাহস করে না। কাজেই আপনার বাড়ি থাকে কীটপতঙ্গ মুক্ত। আর পুদিনার মিষ্টি গন্ধ আমোদিত করে রাখে আপনার ঘরের পরিবেশকে।


সূত্র : এবেলা

মুখের তেল তেলে ভাব কমানোর ঘরোয়া টোটকা

0 comments
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেছেন অনেক কিন্তু ডেবিটের চেয়ে ক্রেডিট বেশি? ত্বকের যত সমস্যা সব কিছুর মূলেই ‘তেল’। কীভাবে ত্বকের তেল তেলে ভাব থেকে ঘরোয়া উপায়ে মুক্তি পাবেন জানুন-
১. ডিমের সাদা অংশ ত্বকের তেলাভাব কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ উপযোগী। ডিম থেকে সাদা অংশ আলাদা করে অল্প করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। সপ্তাহে ২ দিন নিয়ম করে এটি মুখে লাগালে উপকার পাবেন। এর সঙ্গে অর্ধেক লেবু মিশিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বকের অতিরিক্ত তেলাভাব কমবে।
২. টক দইতে ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে, যা ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে এবং তেলতেলে ভাব কমায়। নিয়ম করে দিনে একবার এক টেবিল চামচ টক দই মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
৩. লেবুর রস শুধু ত্বকের তেলাভাব কমায় না, বরং ত্বককে ডি-ট্যান করে এবং ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় রাখে। লেবুর রস সামান্য পানিতে মিশিয়ে তা তুলো দিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
এছাড়া এক টেবিল চামচ লেবুর রস, আধ টেবিল চামচ মধু এবং এক টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। নিয়ম করে করলে এক সপ্তাহেই উপকার বুঝতে পারবেন।
৪. টমেটো কোয়া করে কেটে মুখে ১৫ মিনিট ঘষে নিন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে মাইল্ড ও অয়েল ফ্রি ময়শ্চারাইজার লাগান। উপকার পাবেন।
৫. আপেল কেটে নিয়ে তার মধ্যে টক দই ও লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। ১০ মিনিটের মত রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া শুধু আপেল মুখে মাখলেও তেলতেলে ভাব কমবে।
৬. রাতে শুতে যাওয়ার আগে শসা কেটে ভালো করে মুখে ঘষে নিন। সকালে পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
৭) প্রতিদিন রাতে দুই টেবিল চামচ দুধে অল্প স্যান্ডালউড বা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে তুলা দিয়ে তা মুখে লাগিয়ে নিন। এবার মুখে ম্যাসাজ করুন ভালো করে যাতে ব্লাড সারকুলেশন ভালো হয়। পরদিন সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

অতিরিক্ত টিপস
* বার বার মুখ ধোবেন না। কারণ তেল আপনার ত্বককে সুরক্ষাও দেয়। সবসময় তেলাভাব খারাপ নয়।
* সকালে ও রাতে ভালো করে মুখ ধুয়ে নেবেন।
* শিয়া বাটার বা পেট্রোলিয়াম যুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করবেন না।
* সব সময় সাথে টিস্যু রাখুন। মুখ খুব তেলতেলে হয়ে গেলে ব্যবহার করতে পারবেন।

সূত্র : এই সময়

মচকে গেলে কি করবেন

0 comments
নতুন নতুন হাঁটতে গিয়ে বা ব্যায়াম শুরু করলে অনেকেই প্রথম প্রথম পেশি বা লিগামেন্টে আঘাতের মুখোমুখি হয়। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে হাঁটতে গিয়ে, সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে বা বাস-ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এ রকম আঘাত লাগে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই আঘাত হলো স্প্রেইন ও স্ট্রেইন। অর্থাৎ পেশি বা পেশিসংলগ্ন লিগামেন্ট বা রগে টান পড়া, ছিঁড়ে যাওয়া বা আঘাত পাওয়া। শুধু খেলোয়াড়েরা নয়, যে কেউ এই আকস্মিক আঘাত পেতে পারে। শরীরের ওজন ভুলবশত পায়ের গোড়ালির কিনারার দিকে বা গোড়ালির লিগামেন্টের বাইরের দিকে পড়লে এ রকম ইনজুরি হতে পারে। যাঁরা নতুন নতুন ব্যায়াম করছেন বা খেলাধুলা করছেন, তাঁদের এই ঝুঁকি বেশি। গোড়ালি মচকে যাওয়ার ঘটনাই বেশি ঘটে, এ ছাড়া হাঁটু বা কনুইতেও আঘাত লাগতে পারে।
পেশি বা লিগামেন্টের আঘাত বা মচকে যাওয়া এড়াতে কিছু বিষয়ে সাবধানতা দরকার।
—সবারই নিয়মিত স্ট্রেচিং ও পেশিশক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম ঘরে বা বাইরে করা উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম সন্ধি ও সংলগ্ন কলাগুলোকে সুস্থ রাখবে। ব্যায়ামের অভাবে সন্ধি ও পেশির নমনীয়তা ধীরে কমে যায়, এর ফলে বয়স হলে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
—ব্যায়াম করা বা হাঁটতে যাওয়ার সময় অবশ্যই সঠিক জুতা পরবেন। অনেকে আঘাত এড়াতে হাঁটুতে বা গোড়ালিতে ব্যান্ড পরেন। এটা সাময়িক ও খানিকটা প্রতিরোধ দেবে।
—ব্যায়াম বা হাঁটার আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট ওয়ার্মআপ করে নেবেন। যেমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে হাত-পা নড়াচড়া করে বা জগিং করে পেশি ও সন্ধিকে ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত করবেন। এতে ইনজুরির আশঙ্কা কমে।
—হঠাৎ মচকে গেলে বা আঘাত পেলে ব্যায়াম বন্ধ করুন। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ওই সন্ধিকে বিশ্রাম দিন। এই সময়টুকু প্রতি ২০-৩০ মিনিট অন্তর বরফ তোয়ালেতে পেঁচিয়ে সেঁক দিন। সাপোর্ট ব্যবহার করুন। কমপ্রেশন বা ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ দিয়ে শক্ত করে বাঁধা যায়। ব্যথা ও ফোলা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খেতে পারেন।

ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ

Wednesday, September 21, 2016

খড়ম

0 comments

আশির দশকেও ময়মনসিংহে অনেকেই ব্যবহার করতেন খড়ম। বাংলাদেশে খড়মের ব্যবহার অনেক প্রাচীন। ১৩০৩ সালে বিখ্যাত সুফি দরবেশ ও পীর হজরত শাহজালাল (রহ.) সুদূর তুরস্ক থেকে সিলেটে এসেছিলেন খড়ম পায়ে দিয়ে। তার ব্যবহৃত খড়ম এখনো তার সমাধিস্থল সংলগ্ন স্থাপনায় রক্ষিত আছে। কিছুকাল আগেও খড়মের শব্দে গৃহস্থরা বুঝতে পারতের তাদের বাড়িতে কেউ আসছেন।
আধুনিকতার ছোঁয়ায় কাঠের তৈরি পাদুকা খড়ম এখন শুধুই স্মৃতি। কালের আবর্তে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাষ্ঠ পাদুকা খড়ম। এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
জানা যায়, চামড়া , রেকসিন, প্লাস্টিক, কাপড় ইত্যাদি দিয়ে তৈরি জুতা এখন মানুষের পায়ে শোভা বর্ধন করে।
বিগত কয়েক বছর ধরে বার্মিস জুতায় ছেঁয়ে গেছে বাংলাদেশের নগর-মহানগর, শহর- এমনকি গ্রাম বাংলার মানুষের পায়ে পায়ে।
সূত্র জানায়, কাঠ দিয়ে তৈরি খড়ম পরিবেশবান্ধব। তারপরও মানুষ এটিকে পরিহার করেছে।
অপরদিকে বার্মিস জুতা মানুষের মাথা গরম করা, পায়ের নিচের স্তর চামড়া মোটা করে বয়রা নামক রোগের সৃষ্টি করে। বয়রায় আক্রান্ত হয়ে অনেকেই চিকিৎসকদের কাছে যাচ্ছেন।


একজন প্রবীণ জানান, ৭০ এর দশক পর্যন্তও জনপ্রিয় ছিল পাদুকা ছিল খড়ম। তবে, সে সময় পশুর চামড়ায় তৈরি জুতাও কম-বেশি ছিল। পরে যানবাহনের চাকায় ব্যবহৃত টায়ার ও টিউব কেটে তৈরি হয় এক ধরনের জুতা। যার নামকরণ করা হয় টায়ার জুতা। কালের আবর্তে ওই টায়ার জুতাটিও বিলুপ্ত হয়ে যায়।
আসে সেন্ডেল। বর্তমানে বাহারি মডেলের সেন্ডেলে বাজার সয়লাব। একটি কাষ্ঠ পাদুকা খড়ম তৈরি করতে (মজুরি ও কাঠের দাম বাবদ) বর্তমান বাজারে খরচ পড়ে দেড় থেকে ২শ টাকা। পক্ষান্তরে বার্মিসের একটি পাদুকা পাওয়া যায় মাত্র ৮০ থেকে ১শ টাকায়।
দামসাশ্রয়ী হওয়ায় সবাই বার্মিসের জুতাই ব্যবহার করেন।
একজন জানান, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদেরও বর্মিস জুতা ব্যবহার করতে হয়। খড়ম পায়ে দিয়ে চলাফেরা করলে বেমানান মনে হবে, বিধায় ইচ্ছা থাকলেও খড়ম ব্যবহার করি না। তবে, এখনও খড়ম পায়ে দিয়ে চলাফেরা করেন এমন মানুষও কম-বেশি আছেন। মূলত তারাই ধরে রেখেছেন প্রাচীন জুতা খড়ম।
ব্যবহারকারী কমে যাওয়ায় পরিবেশবান্ধব কাষ্ঠ পাদুকা বিলুপ্তপ্রায় খড়ম শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররাও কমে যাচ্ছেন।


ঢাকাটাইমস

Tuesday, September 20, 2016

প্রাক-মুঘল মসজিদ, বাড্ডা

0 comments

বালু নদের পাড়ঘেঁষা বেরাইদ ইউনিয়ন ঢাকার বাড্ডা থানায়। এলাকার আশপাশের প্রায় সব ফসলি জমি বালু দিয়ে ভরাট করে চলছে প্লট বিক্রি। ইউনিয়নের কাঁচা-পাকা পথ ধরে ভূঁইয়াপাড়া জামে মসজিদের সামনে গেলে অবাক না হয়ে পারবেন না। মসজিদটি প্রমাণ করে কোনো এককালে এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এলাকাবাসী জানান, এখানে আরও বেশ কিছু প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ছিল; প্রধানত মসজিদ। তাই ইউনিয়নের আরেক নাম ‘মসজিদের গ্রাম’। কিন্তু মূল রূপে অবশিষ্ট আছে এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটি। ১৪ বছর আগে মসজিদটিকে পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতাউর রহমানের মতে, এটি প্রাক্‌-মুঘল আমলের মসজিদ। স্থানীয় অনেকের ধারণা, মসজিদটি সুলতানি আমলের। মসজিদটির কোনো নামফলক বা শিলালিপি পাওয়া যায়নি। নারায়ণগঞ্জ বন্দরের বাবা সালেহ কর্তৃক নির্মিত বন্দর শাহি মসজিদের নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এ মসজিদের নির্মাণশৈলীর অনেক মিল রয়েছে। বর্গাকার পরিকল্পনায় নির্মিত মসজিদের বাইরে ২১ বর্গফুট এবং ভিত্তিভূমি থেকে বেষ্টনী পর্যন্ত উচ্চতা ১৭ ফুট ৬ ইঞ্চি। মূল স্থাপনার পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দিকে মসজিদ সম্প্রসারিত হওয়ায় আদি অংশটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মেহরাব অটুট রয়েছে। মূল স্থাপনার ভেতরের আয়তন ১৬ বাই ১৬ ফুট। স্থাপনাটির আশপাশে যত্রতত্র গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। ছবিগুলো সম্প্রতি তোলা।


ঘরেই তৈরি করে নিন হারবাল শ্যাম্পু

0 comments
চুল পরিষ্কার করতে শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয়। শ্যাম্পু চুল পরিষ্কার করার পাশাপাশি চুলকে করে তোলে নরম, কোমল, স্বাস্থ্যোজ্বল।  বাজার ঘুরলে নানা ব্র্যান্ডের নানা রকম শ্যাম্পু দেখতে পাওয়া যায়।  কোনটি চুলের খুশকি দূর করে দেয়, আবার কোনটি চুলকে করে তোলে সিল্কি। সাধারণত সবাই বাজার থেকে পছন্দের শ্যাম্পুটি বেছে নেন। কিন্তু শ্যাম্পুর রাসায়নিক উপাদান আপনার চুলের ক্ষতি করে থাকে। অনেক সময় ভুল শ্যাম্পু ব্যবহারের কারণে চুল পড়া, খুশকি দেখা দেয়।
বাজারের শ্যাম্পু  ব্যবহার করার পরিবর্তে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন হারবাল শ্যাম্পু। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আসুন তাহলে জেনে নিই হারবাল শ্যাম্পু তৈরি করার উপায়।

১। মেথির শ্যাম্পু
সারারাত মেথি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পেস্ট তৈরি করে নিন। এরসাথে এক অংশ শিকাকাই এবং আধা অংশ সবুজ বেসন(green gram flour) মিশিয়ে নিন। এটি শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করুন।  
২। রিঠার শ্যাম্পু
৫০০ মিলিলিটার পানিতে ৬-৭টি রিঠা, ৫-৬টি শিকাকাই এবং কয়েকটি আমলকি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন মিশ্রণটি চুলায় জ্বাল দিন। তারপর ঠান্ডা হলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটি থেকে ফেনা উঠে আসলে ব্লেন্ড করা বন্ধ করুন। এবার এটি শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করুন।
৩। শিকাকাই এবং আমলকির শ্যাম্পু
আমলকি, রিঠা এবং শিকাকাই আলাদা আলাদা পাত্রে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ছেঁকে মিশ্রণ থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন। এই পানি শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি চুল পরিষ্কার করে, খুশকি দূর করে।
৪। জবা ফুলের শ্যাম্পু
১৫টি জবা ফুলের পাতা এবং ৫-৬টি জবা ফুল এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। পানি ঠান্ডা হলে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরসাথে ১/৪ কাপ বেসন মেশাতে পারেন। এবার এটি চুলে ব্যবহার করুন। এটি ড্রাই শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৫। রিঠা এবং শিকাকাই শ্যাম্পু
সমপরিমাণে রিঠা, শিকাকাই এবং শুকনো ব্রাহ্মী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এটি চুলে শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি চুলের ময়লা দূর করার পাশাপাশি চুল সিল্কি ঝলমলে করে তুলবে।

লিখেছেন
নিগার আলম
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ

প্রিয়.কম 

আলু ক্যাপসিকামের মজাদার ভাজি

0 comments
সালাদে শসা, গাজরের সাথে আরেকটি সবজি দেখা যায়, তা হল ক্যাপসিকাম। চাইনিজ রান্নাতেই মূলত ক্যাপসিকাম ব্যবহার করা হয়। আপনি কি জানেন শুধু ক্যাপসিকাম দিয়েই মজাদার সবজি রান্না করা সম্ভব? ক্যাপসিকাম আর আলু দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন দারুন মজাদার সবজি।

উপকরণ:

তেল
১ চা চামচ সরিষা
১ চা চামচ জিরা
১ টেবিল চামচ আদা রসুনের পেস্ট
৩/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো
১ কাপ আলু টুকরো করা
২.৫ কাপ ক্যাপসিকাম টুকরো করা
লবণ
১/২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
২ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
১ চা চামচ আমচূড় গুঁড়ো
১/৪ কাপ ভাজা বাদাম গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুচি

প্রণালী:

১। মাঝারি আঁচে চুলায় তেল গরম করতে দিন।
২। তেলে সরিষা, জিরা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নাড়ুন।
৩। এর মধ্যে আদা রসুনের পেস্ট দিয়ে মেশান। এরপর এতে হলুদ গুঁড়ো এবং আলুর টুকরো দিয়ে দিন।
৪। সবগুলো উপাদান ভাল করে মেশান তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
৫। আলু নরম হয়ে আসলে এতে ক্যাপসিকাম এবং লবণ দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
৬। কয়েক মিনিট পর এতে মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, গরম মশলা এবং আমচূর গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মেশান। কিছুক্ষণ রান্না করুন।
৭। নামানোর আগে বাদাম গুঁড়ো এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে দিন।

৮। ভাতের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার ক্যাপসিকাম সবজি।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করবে এই ৫টি জুস

0 comments
উচ্চ রক্তচাপ খুব মারাত্নক একটি রোগ। এর কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক থেকে শুরু করে কিডনি ড্যামেজের মত ঘটনাও ঘটতে পারে।  

রক্তকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছানোর জন্য হৃৎপিণ্ড প্রতিনিয়ত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। সংকোচন ও প্রসারণের সময় রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত যাওয়ার সময় শিরার ভেতরে এক প্রকার চাপ প্রয়োগ করে, যাকে আমরা রক্তচাপ বলি। যখন এই রক্তচাপ ১৪০/৯০ হয় তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ গ্রহণ করা হয়। ওষুধের পাশাপাশি কিছু জুস আছে যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এমন কিছু জুস নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। বিটের রস

তিনটি গাজর, একটি বিট, পাঁচ টুকরো শসা, পেয়ারা এবং এক টুকরো আদা একসাথে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এই জুস প্রতিদিন পান করুন।

২। পেঁয়াজের রস

প্রতিদিনের খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ রাখুন। এছাড়া আধা চা চামচ পেঁয়াজের রসের সাথে মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করুন। এটি দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন দ্রুত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

৩। শসার রস

একটি শসার সাথে তিনটি টমেটো, একটি পেঁয়াজ এবং কিছু পার্সলি এবং লেবুর রস মিশিয়ে জুস তৈরি করে নিন। এই জুসটি প্রতিদিন পান করুন।

৪। ধনেপাতার রস

শুনতে অবাক লাগলে, এটি সত্যি ধনেপাতার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বেশ কার্যকর। দুটি শসা, একটি আপেল, একটি কাঁচা মরচি (বীচি ছাড়া)এবং কিছু ধনেপাতা দিয়ে জুস তৈরি করে নিন।

৫। আপেল গাজরের জুস

দুটি মাঝারি আকৃতির আপেল, তিনটি গাজর, আদার, লেবুর রস, পেয়ারা এবং হলুদ একসাথে ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করে নিন। এই জুসটি প্রতদিন পান করুন।


লিখেছেন
নিগার আলম
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ

অ্যালোভেরা জুসের ৭ উপকারিতা

0 comments
ত্বক বা চুল পরিচর্যায় অ্যালোভেরা অতি পরিচিত একটি নাম। বহুগুণে গুণান্বিত  এই  উদ্ভিদের  ভেষজ  গুণের  শেষ  নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনোঅ্যাসিড, ভিটামিন ইত্যাদি। রুপচর্চা ছাড়াও অ্যালোভেরা জুসের রয়েছে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা। আপনি জানেন কি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জুস পান করার স্বাস্থ্য উপকারিতা?

১। কোলেস্টরল হ্রাস করতে

অ্যালোভেরা জুস খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। যা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে। হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।

২। দাঁতের যত্নে

অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়।নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৩। হজমশক্তি বৃদ্ধিতে 

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।

৪। জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ

অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে।এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৫। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে

অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্তসঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন।

৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি দেহ ক্রারকুলেটরি সিস্টেম সচল রাখে। যা সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৭। রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে

অ্যালোভেরা জেল শরীরে রক্ত চলাচল সচল রাখতে সাহায্য করে। এটি শুধু হার্টে রক্ত চলাচল বজায় রাখে না, শরীরের প্রতিটি অঙ্গে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহ বজায় রাখে। প্রতিদিন এক গ্লাস অ্যালোভেরা জেলের জুস পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেইড রাখার পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখবে।

লিখেছেন
নিগার আলম
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ

Monday, September 19, 2016

ঘরোয়া চিকিৎসা : ঠাণ্ডা সমস্যায় মধু ও আদা

0 comments
সর্দিকাশি কিংবা ঠাণ্ডা সমস্যায় আদা ও মধু খুবই কার্যকর। আদা পানিতে সিদ্ধ করে তাতে সামান্য মধু দিয়ে সেবন করা যেতে পারে। এটি গলার ঠাণ্ডা সমস্যা দূর করে। এ ছাড়া এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও বটে। আদা ও মধু গলা ব্যথা ও ফুলে যাওয়া উপশম করে। 

শিশুর জন্য সরিষার তেল

0 comments
শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং সুস্থ হাড় গঠনে সরিষার তেল কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরিষার তেলকে উষ্ণ তেল বলা হয়। শিশুর ঠাণ্ডা সমস্যায় এটি আরাম দেয়। এটি শিশুর দেহের ঘর্মগ্রন্থিগুলো খুলে দেয় এবং ত্বককে নমনীয় ও কোমল করে। শিশুকে সরিষার তেল ব্যবহার করে মালিশ করলে তা রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। এর কড়া গন্ধ শিশুকে পোকামাকড় ও মশা থেকে কিছুটা হলেও দূরে রাখে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারে ছোট শিশুকে সরিষার তেল মালিশ করা যাবে না। তার এক বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ঘরোয়া চিকিৎসা : সুস্থ থাকতে হলুদ-দুধ

0 comments
দুধের মাঝে সামান্য হলুদ মিশিয়ে পান করা যায়। এটি নানাভাবে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। দুধের সঙ্গে হলুদ খুব ভালোভাবে মিশে যায়। দুধে প্রোটিন ও নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। অন্যদিকে হলুদের রয়েছে আরোগ্য ক্ষমতা। বিশেষত মাংসপেশি, ত্বক ও হজমের সমস্যা দূর করতে হলুদ কার্যকর। নানা ধরনের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়তে সহায়তা করে হলুদ। এ ছাড়া এটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হলুদ-দুধ পান করলে তা নানা রোগ থেকে মুক্ত থাকতে সহায়তা করবে। 

ঘরোয়া চিকিৎসা : হজমের জন্য খনিজ লবণ

0 comments
পেট ব্যথা সারাতে রক সল্ট বা খনিজ লবণ কার্যকর। এতে প্রচুর প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান রয়েছে, যা হজমে সহায়ক। আর এটি যদি লেবুর রসের সঙ্গে সেবন করা হয় তাহলে হজমশক্তি বাড়াতে পারে। এটি ক্ষেত্রবিশেষে পেট ব্যথাও দূর করতে পারে। 

ঘরোয়া চিকিৎসা: সর্দিজ্বরে মুরগির স্যুপ

0 comments
সর্দিজ্বরে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা মুরগির স্যুপ শুধু আরামই দেয় না, এটি আরোগ্য লাভেও সহায়ক হতে পারে। মুরগির স্যুপ গলা ব্যথা ও জ্বরের অন্যান্য যন্ত্রণা উপশম করতে পারে। এটি অসুস্থ দেহে পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়ক। জ্বরের পর দ্রুত দেহের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে খুবই কার্যকর এই স্যুপ। এ ছাড়া এটি দেহের রোগ প্রতিরোধের জন্য কাজ করা শ্বেত রক্তকণাকেও সহায়তা করে। 

Saturday, September 17, 2016

হঠাৎ খিঁচুনিতে আতঙ্ক নয়

0 comments
মৃগীরোগ একটি স্নায়বিক রোগ। এর জন্য মস্তিষ্কের অতি সংবেদনশীলতা দায়ী। কারও মধ্যে বারবার খিঁচুনির উপসর্গ দেখা দিলে তাঁর মৃগীরোগ হয়েছে বলা যায়। এ ছাড়া মস্তিষ্কের টিউমার, রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), মাথায় আঘাত ও রক্তপাত, রক্তনালিতে সমস্যা, সংক্রমণ, মাত্রাতিরিক্ত জ্বর, মানসিক সমস্যা, স্মৃতিভ্রম বা আলঝেইমার, নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন, শরীরের লবণ, ভিটামিন বা খনিজ পদার্থ হ্রাস এবং ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের শর্করার অতি আধিক্য বা স্বল্পতার কারণেও খিঁচুনি হতে পারে।

একজন মৃগীরোগীর হঠাৎ মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন শরীর শক্ত বা টান টান হয়ে হঠাৎ অচেতন অবস্থা, শিথিল হয়ে ঢলে পড়া, শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি ও পর্যায়ক্রমে সারা শরীরে তা ছড়িয়ে পড়া, হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া ইত্যাদি। সাধারণত খিঁচুনি থামার পর দীর্ঘ সময় রোগীর চেতনা থাকে না। খিঁচুনির সময় দাঁতে জিব কাটা বা প্রস্রাব বা মলত্যাগের মতো ঘটনাও হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে যাওয়া উচিত। একইভাবে মৃগীরোগীর স্বজন বা বন্ধুদেরও জানা উচিত আক্রান্ত হলে কী করতে হবে।
১. শান্ত থাকুন, অস্থির বা আতঙ্কিত হবেন না। অধিকাংশ খিঁচুনি অল্প সময় পরই থেমে যায়। তাই অপেক্ষা করুন।
২. রোগীর শরীর থেকে বেল্ট, টাই, চশমা ইত্যাদি খুলে দিন, পোশাক ঢিলে করে দিন।
৩. রোগী যাতে শক্ত মেঝেতে পড়ে গিয়ে আঘাত না পায়, সেদিকে লক্ষ রাখুন। মাথার নিচে কুশন বা বালিশ দিন। কিছু না পাওয়া গেলে ভাঁজ করা কাপড়চোপড় বা সাহায্যকারীর হাত ব্যবহার করা যায়।

৪. রোগীকে আগুন, পানি, যন্ত্র, তীক্ষ্ণ ধারালো বা শক্ত বস্তু থেকে দূরে রাখুন।
৫. খিঁচুনি বন্ধ হওয়ার পর রোগীকে কাত করে দিন, মুখের ফেনা পরিষ্কার করে দিন।
৬. রোগীর মুখে চামচ বা অন্য কিছু দেওয়া যাবে না। নাকে চামড়ার জিনিস, জুতা ইত্যাদি ধরলে তাড়াতাড়ি জ্ঞান ফেরে—এটা ভুল ধারণা। রোগীর মাথায় বা চোখে-মুখে পানি দেওয়া বা হাত-পা চেপে ধরারও দরকার নেই। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত পানি বা অন্য কিছু জোর করে খাওয়াতে যাবেন না।
মনে রাখবেন, মৃগীরোগের সুচিকিত্সা আছে। এতে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।
ডা. এম এস জহিরুল হক চৌধুরী
সহকারী অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল

Thursday, September 15, 2016

তালের কেক

0 comments
ভাদ্র মাসে অনেক বাড়িতেই তালের পিঠা তৈরি হয়। ভাদ্রমাস শেষ, তালও কিন্তু কয়েকদিন পরে আর পাওয়া যাবে না। হবে নাকি আরেকবার তালের রসে তৈরি একটি মজার কেক?
ঈদে অনেক ধরনের মিষ্টি আইটেম তো আমরা তৈরি করেছি। যা প্রায় সব বাড়িতেই একই ধরনের। অতিথিদের জন্য তৈরি করতে পারেন একটু ভিন্ন স্বাদের তালের কেক।
উপকরণ : ময়দা ১ কাপ, ডিম ৪টা, মাখন আধা কাপ, তালের রস ২ আধা কাপ, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ, কেক ইম্প্রভার আধা চা চামচ, চিনি আধা কাপ।

প্রণালী: ময়দা ও বেকিং পাউডার চেলে নিন, একটা পাত্রে বাটার ও চিনি বিট করে এতে ডিম দিয়ে বিট করুন। এবার তালের গোলা ও ময়দা দিয়ে আলতো করে মিশিয়ে ডায়াসে ঢেলে প্রিহিট ওভেনে ১৬০০ তাপে ২০ মিনিট বেক করে নিন।

তৈরি হয়ে গেল আমাদের মজার ভিন্ন স্বাদের তালের কেক।