Saturday, July 20, 2019

রিফারবিশড মোবাইল

0 comments
ধরুন, আপনি স্যামসাঙ এর স্মার্টফোন কিনেছেন কয়েক মাস আগে। স্বাভাবিকভাবেই আপনি স্মার্টফোনটির সাথে ১ বছরের সার্ভিস এবং রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি পেয়েছেন। স্মার্টফোনটি ৩/৪ মাস ব্যাবহার করার পরেই আপনার ফোনে একটা সমস্যা দেখা দিল। হয়ত আপনার ব্যাটারি ব্যাকআপ অনেক কমে গেল অথবা আপনার ফোনের স্পিকার বা মাইক্রোফোন কাজ করা বন্ধ করে দিল বা এই ধরনের অন্য কোন সমস্যা দেখা দিল এবং আপনি স্মার্টফোনটি স্যামসাঙ রিপেয়ার সেন্টারে নিয়ে গেলেন এবং স্মার্টফোনটি ঠিক না করে, আপনি স্মার্টফোনটির রিপ্লেসমেন্ট দাবী করলেন। এখন স্যামসাঙ কর্পোরেশন আপনার স্মার্টফোনটি ঠিক করে দিতে পারলেও তারা আপনার স্মার্টফোনটির রিপ্লেসমেন্ট দিতে বাধ্য, যেহেতু তারা আপনাকে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি দিয়েছে। তারা আপনাকে আপনার ফোনটি রিপ্লেস করে দেবে। কিন্তু আপনি যে নষ্ট হয়ে যাওয়া স্মার্টফোনটি ওদের কাছে জমা দিয়েছেন, সেটি ওরা কি করবে?

ওরা যা করতে পারে, তা হচ্ছে, আপনার ওই স্মার্টফোনটিতে যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো রিপেয়ার করে তারা এই স্মার্টফোনটি আবার সেল করতে পারে। এখন এই স্মার্টফোনটিই হচ্ছে রিফারবিশড স্মার্টফোন। অর্থাৎ, এগুলো হচ্ছে ইউজড স্মার্টফোন যেগুলোর প্রবলেম রিপেয়ার করে আবার সেল করা হচ্ছে। কিন্তু আপনি নিশ্চই এই স্মার্টফোনটি একটি নতুন স্মার্টফোনের সমান দাম দিয়ে কিনতে চাইবেন না। ঠিক এই কারনে এসব স্মার্টফোনের দাম একটি নতুন স্মার্টফোনের থেকে অনেক কম হয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ফোনটি নকল বা ক্লোন। ফোনটি অবশ্যই অরিজিনাল, শুধুমাত্র ফোনটি ইউজড এবং রিপেয়ার করা হয়েছে। হয়ত ফোনের ভেতরের কোন পার্টস বা কম্পোনেন্টস রিপ্লেস করা হয়েছে। কিন্তু স্মার্টফোনটি নকল নয়।

লিখেছেন: তারেক আলম (Tareque Alam)

0 comments:

Post a Comment