Showing posts with label Beauty Parler(বিউটি পার্লার). Show all posts
Showing posts with label Beauty Parler(বিউটি পার্লার). Show all posts

Tuesday, September 19, 2023

রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায় যেসব খাবার

0 comments

 হিমোগ্লোবিন মূলত রক্তে অবস্থিত প্রোটিন। এটি রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় থাকে ও রক্তের মধ্যে প্রয়োজনীয় ঘনত্ব বজায় রাখে। এই হিমোগ্লোবিনের কারণেই রক্ত লাল হয়।

হিমোগ্লোবিনের মূল কাজ হলো দেহের প্রতিটি অংশে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন রক্তের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে অ্যানিমিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা, খাবারে অরুচি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। একজন পুরুষের দেহে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৩.৫ থেকে ১৭.৫ গ্রাম। নারীদের রক্তে ১২-১৫.৫/১৬ গ্রাম। তবে অনেকেরই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে। চলুন জেনে নিই কী কী খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়বে।



প্রাণিজ খাদ্য

কলিজা, ডিম, দুধ, মাংসের মতো প্রাণিজ খাদ্য থেকে খুব সহজে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় ও তা শরীরে খুব দ্রুত শোষণ হয়। উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে সেই পরিমাণে হিমোগ্লোবিন তৈরি হতে পারে না বলে প্রাণিজ উৎসকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।

ফল

অনেক খাবারেই আয়রন থাকে। কিন্তু শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি না থাকলে সেই আয়রন শরীর ঠিক মতো শোষণ করতে পারে না। আম, লেবু, আপেল ও পেয়ারায় রয়েছে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন সি। এই ভিটামিন শরীরে আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে বেদানাও খেতে পারেন। কারণ বেদানায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন।

শাকসবজি

শাকসবজি খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি অনেক কমে। বিট হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। টমেটো, কুমড়ো, ব্রোকোলি বা পালং শাকেও প্রচুর আয়রন থেকে। নিয়ম করে যদি এই সবজিগুলো খেতে পারেন, তা হলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা কমতে পারে।

ডার্ক চকোলেট

হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি কমানোর প্রধান ওষুধ হতে পারে ডার্ক চকোলেট। মিল্ক চকোলেট ও শর্করার পরিমাণ বেশি, এমন চকোলেট বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ডার্ক চকোলেটে সেই ঝুঁকি নেই। বরং এটা খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমবে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে আয়রন সমৃদ্ধ ডার্ক চকোলেট বেশি করে খান।

ড্রাই ফ্রুটস

হিমোগ্লোবিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে কিশমিশ, কাজু, খেজুরের মতো ড্রাই ফ্রুটস বেশি করে খেতে পারেন। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন। অ্যাপ্রিকটেও প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি কমাতে এগুলো খেলে উপকার পাবেন।

সামুদ্রিক মাছ

সামুদ্রিক মাছে আয়রন বেশি পরিমাণে থাকে। চিংড়ি, পমফ্রেটের মতো কিছু সামুদ্রিক মাছে ভাল মাত্রায় আয়রন থাকে। যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তারা এই মাছগুলো খেতে পারেন।

Sunday, February 24, 2019

উচ্চতা অনুযায়ী স্বাভাবিক ওজন

0 comments
ওজন এবং উচ্চতার একটি পরিমাপের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি আমাদের ওজন স্বাভাবিক, না কম বা বেশি। আর এই পদ্ধতির নাম হচ্ছে বিএমআই (Body Mass Index)।

প্রথমেই আপনার সঠিক উচ্চতা নিন মিটারে এবং ওজন নিন কিলোগ্রামে। এবার হিসেব করে আপনার বিএমআই বা বডি ম্যাস ইনডেক্স জেনে নিন:
বিএমআই= ওজন ÷ উচ্চতা২।

আপনার বিএমআই যদি ১৮.৫ থেকে ২৫ হয় তবে আপনার ওজন স্বাভাবিক।
বিএমআই যদি হয় ২৫.১ থেকে ৩০ তবে আপনাকে ওভার ওয়েট রাখা হবে।
যদি বিএমআই হয় ৩০.১ থেকে ৩৫ তবে আপনি অবিস এবং যদি তা ৩৫.১ এর ওপরে চলে যায় তাহলে আপনার মরবিড অবিসিটি রয়েছে।

স্থূলতা পরিমাপে কোমরের মাপও নেওয়া যেতে পারে। একজন পুরুষের কোমরের বেড় যদি ৪০ ইঞ্চির ওপরে হয় এবং একজন নারীর কোমর ৩৫ ইঞ্চির ওপরে হয় তবে এদেরকেও অবিস পর্যায়ে ফেলা যেতে পারে। বছরে অন্তত একবার কোমরের মাপ দেখুন।

অবিসিটি থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ, স্লিপ এপনিয়া ও মেরুদণ্ডে ব্যথার মতো মারাত্বক রোগ হতে পারে।

উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত হওয়া উচিত, আসুন জেনে নিন: 

উচ্চতা
পুরুষ(কিলোগ্রাম)    
নারী(কিলোগ্রাম)
৫ ফুট ০ ইঞ্চি    
৪৭-৫৮        
৪৩-৫৫ 
৫ ফুট ১ ইঞ্চি    
৪৮-৬০        
৪৫-৫৭
৫ ফুট ২ ইঞ্চি    
৫০-৬২
৪৬-৫৯
৫ ফুট ৩ ইঞ্চি
৫১-৬৪
৪৮-৬১ 
৫ ফুট ৪ ইঞ্চি
৫৩-৬৬
৪৯-৬৩
৫ ফুট ৫ ইঞ্চি
৫৫-৬৮
৫১-৬৫
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি
৫৬-৭০
৫৩-৬৭
৫ ফুট ৭ ইঞ্চি    
৫৮-৭২    
৫৪-৬৯
৫ ফুট ৮ ইঞ্চি    
৬০-৭৪    
৫৬-৭১
৫ ফুট ৯ ইঞ্চি    
৬২-৭৬     
৫৭-৭১
৫ ফুট ১০ ইঞ্চি  
৬৪-৭৯     
৫৯-৭৫
৫ ফুট ১১ ইঞ্চি   
৬৫-৮১
৬১-৭৭
৬ ফুট ০ ইঞ্চি    
৬৭-৮৩     
৬৩-৮০
 

Friday, October 7, 2016

গোলাপ জল

0 comments
রূপচর্চার পাশাপাশি শরীর ও মনের প্রশান্তি আনতে প্রাচীনকাল থেকেই গোলাপ জলের ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমান যুগেও এটির রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। আসুন জেনে নিই, কি কি কাজে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারবেন।
 
* যাদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ আছে, তারা প্যাক ধুয়ে ফেলে ময়েশ্চারাইজারের বদলে ব্যবহার করুন অ্যাসট্রিনজেন্ট। ঘরোয়া অ্যাসট্রিনজেন্ট হলো গোলাপজল ও শসার রস।
 
* ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্কভাব কাটাতে মুলতানি মাটি, অলিভ অয়েল ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের শুষ্কতা ও খসখসে ভাব কমাতে এই মিশ্রণটির জুড়ি নেই।
 
* ত্বকের হারানো সজীবতা ফিরে পেতে মুলতানি মাটি, অ্যালোভেরার রস ও গোলাপ জল একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন মিশ্রণটি তৈরি করে ব্যবহার করুন। এতে আপনার ত্বকের মলিনতা দূর হয়ে ত্বক হয়ে উঠবে সজীব ও সুন্দর।
 
* প্রচণ্ড গরমের কারণে মুখে ক্লান্তির ছাপ পড়ে। ডাবের পানি, সামান্য গোলাপ জল ও বরফ পানির সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে দেখুন, মুছে যাবে ক্লান্তির ছাপ।
 
*  ধুলো ময়লা দূর করতে ত্বকের ক্লিনজিং হিসেবে বিবেচিত হয় গোলাপ জল। এছাড়াও বলি রেখা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গোলাপ জল জুড়িহীন। এক চামচ দই, অলিভ অয়েল ও গোলাপ জলের মিশ্রণ মুখে লাগান।
 
* ১০-১৫টি তুলসী পাতার সাথে ২০০ মিলি গোলাপ জল যোগ করুন। একটি স্প্রে বোতলে এই তরল সঞ্চয় করে ফ্রিজে রাখুন।  দিন শেষে এটি স্প্রে করুন পুরো শরীরে।দেখবেন শরীর অনেক ঠাণ্ডা হবে।এই তরল রোদে পোড়ার প্রভাব রোধ করে এবং ত্বকে লাল ফুসকুড়ি থাকলে তা নিরাময় সহায়তা।
 
* ত্বকের ডেড সেল অর্থাৎ মৃত কোষ পরিষ্কারের জন্যও গোলাপ জল আদর্শ প্রাকৃতিক উপাদান। মৃত কোষ পরিষ্কার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে মুলতানি মাটি, গোলাপ জল, কলা এবং মধু নিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগান।
 
* টোনার হিসেবেও গোলাপ জলের তুলনা নেই। আধা কাপ গোলাপ জল, একটি পাতি লেবুর রস এবং এক ফোঁটা মধুর মিশ্রণ লাগান দেখবেন টোনার হিসেবে চমৎকার কাজ দিচ্ছে।
 
* গোলাপ জলের কয়েক ফোঁটা আপনার ত্বক নরম ও নমনীয় হতে সাহায্য করবে।
 
* চালের গুঁড়া দিয়ে স্ক্রাবিং সব ধরনের ত্বকের জন্যই ভালো। চালের গুঁড়ার সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখ এবং সারা শরীরে লাগান। এরপর ভালোভাবে ত্বক মাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
 
* ব্ল্যাকহেডস প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে গোলাপজল। শসা, তুলসী, গোলাপ জল ও নিম পাতার মিশ্রণ ব্যবহার করলে ব্ল্যাক হেডসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন।
 
* ত্বক শুষ্ক ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে ত্বকে পুষ্টির যোগান দিয়ে, শুষ্কতা ও ফেটে যাওয়ার হাত থেকে আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে গোলাপ জল। এক্ষেত্রে তিন চামচ গাজর বাটা, দু’চা চামচ বেসন, দু’চা চামচ মধু ও এক চামচ গোলাপ জলের মিশ্রণটি মুখে লাগান।

Monday, September 26, 2016

সুন্দর বগলের জন্য

0 comments
ডার্ক বগলের কারণে অনেকেরই শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। আর এ ডার্ক বগলকে সুন্দর ও গন্ধহীন করতে ব্যবহার করা যায় রান্নাঘরের কিছু উপাদান। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন ছয়টি উপকরণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

বেকিং সোডা : বেকিং সোডা ত্বকের কালো হয়ে যাওয়া সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকর। এ জন্য কিছু বেকিং সোডা নিয়ে তাতে সামান্য গোলাপজল দিন। এরপর তা ভালোভাবে মিশিয়ে বগলের কালো অংশে লাগান। পাঁচ মিনিট পরে তা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আলু : ন্যাচারাল ব্লিচিংয়ের জন্য আলু কার্যকর। এ জন্য আলুকে পাতলা করে কেটে নিয়ে তা কালো হয়ে যাওয়া অংশে ১০ থেকে ১৫ মিনিট মাখিয়ে নিন। এরপর তা এক ঘণ্টা শুকিয়ে নিন। এক ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

ভিটামিন সি : বগলের ত্বকের রং নষ্ট হওয়ার পেছনে ভিটামিন সি'র অভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে আপনার সে স্থানে ভিটামিন সি-যুক্ত উপাদান লাগাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে লেবু কিংবা এ ধরনের ফল, পেঁপে, পেয়ারা, টমেটো ইত্যাদিও লাগাতে পারেন। যাই লাগান না কেন, কিছুক্ষণ রেখে তারপর তা ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বিয়ারবেরি : বিয়ারবেরি নামে একটি ছোট ফল রয়েছে। এ ফলের আলফা আরবুটিন দ্রুত ত্বকের এ কালো হয়ে যাওয়া সমস্যা দূর করতে পারে।
আমলকি : আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এ ছাড়া এর উপাদান ত্বকের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করে। এ কারণে বগলের কালো হয়ে যাওয়া ত্বকের চিকিৎসায় আমলকি খুবই কার্যকর। সামান্য আমলকি চূর্ণ করে তা সেখানে লাগালেই কাজ হবে।

ঘৃতকুমারি : অ্যালো ভেরা বা ঘৃতকুমারি ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে কার্যকর। এটি বগলের ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে দিতে খুবই কার্যকর। এ জন্য ঘৃতকুমারির নির্যাস ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

ঠোঁট যেভাবে গোলাপি রাখবেন

0 comments
কারও কারও ঠোট ক্রমশ কালো এবং অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ে। যদিও আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন, নিয়মিত ডায়েট মেনে চলছেন, ব্যায়াম করছেন। তবুও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। তাহলে জেনে রাখুন এমন কিছু ঘরোয়া উপায়, যাতে আপনি আপনার ঠোঁটে আবার আগের মতো গোলাপি এবং উজ্জ্বল ভাব ফিরে পাবেন।

১. সপ্তাহে একদিন ন্যাচারাল লিপ স্ক্রাবার ব্যবহার করুন। এর ফলে ঠোঁটের মরা কোষগুলো রিমুভ হয়ে যায়। এই লিপ স্ক্রাবার আপনি ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে একটু চিনি মিশিয়ে ঠোঁটে ঘষুন। এরপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে লিপ ময়েশ্চারাইজার লাগান।

২. ত্বকের কালো দাগ তুলে ফেলতে লেবু খুবই উপকারি একটি উপাদান। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে এক টুকরো লেবুর রস ঠোঁটে ভালো করে লাগান। কয়েক মাস এভাবে লেবুর রস ব্যবহার করলে আপনি নিশ্চিত উপকার পাবেন। লেবুর পাতলা টুকরোর উপর কয়েক দানা চিনি নিয়ে ঠোঁটে ঘষলেও একই উপকার পাওয়া যায়।

চাল ধোয়া পানিতেই হবে বাজিমাত

0 comments
ত্বক থেকে স্বাস্থ্য সব কিছুরই খেয়াল রাখবে চাল ধোয়া পানি। চাল ধোয়া পানি কাচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে রোজ তা ব্যবহার করুন। এতে লাভের লাভ হবে। কী সেই লাভ? জেনে নিন সেটা।
 
১. ভাল করে শ্যাম্পু করুন। এর পর কন্ডিশনারের মতো চুলে চাল ধোয়া পানি লাগান। কয়েক মিনিট তা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চালের প্রোটিন চুল ভাল করবে।
২. ত্বকে সংক্রমণ থাকলে দিনে অন্তত দু’বার ১৫ মিনিট করে এই পানিতে স্নান করুন।
৩. এই পানিতে আট রকমের অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। যা মানুষের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাই চাল ধোয়া পানি খেতেও পারেন।
৪. ব্রণ-র সমস্যা থাকলে চাল ধোয়া পানি খুবই উপকারী। তুলোয় করে এই পানি দিয়ে ব্রণ-র উপরে লাগিয়ে রাখুন। ব্রণ তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।
৫. ডায়রিয়ারও পথ্য চাল ধোয়া পানি। এক গ্লাস পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে তা খেয়ে নিন।

৬. বাইরে থেকে ফিরে ফ্রিজে রাখা ঠাণ্ডা চাল ধোয়া পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। তাতে ত্বক তরতাজা হবে।

সুন্দর কোমর পেতে যা খাবেন

0 comments
মেদহীন, সুন্দর কোমরের জন্য কম কসরত করতে হয় না। কেউ কেউ জিমে যায়, কেউ বা আবার নিয়মিত বাড়িতেই ব্যায়াম করে থাকে। তবে ঘাম ঝরানোর পাশাপাশি ডায়েটের দিকেও লক্ষ্য করতে হবে। সবজি, প্রোটিন, চর্বি, তেল, মসলা সবই ডায়েটে রাখুন। যা হজমে সাহায্য করবে, পুষ্টি জোগাবে, আবার মেদও জমতে দেবে না শরীরে। 

সবুজ শাক-সবজি : প্রায় সব রকম জরুরি ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় সবুজ শাক-সবজিতে। আবার চর্বি ঝরাতেও সাহায্য করে সবুজ শাক-সবজি।

ওটস : যারা সুন্দর কোমরের অধিকারী তাদের প্রায় সকলেরই সকালের নাশতায় ওটস থাকে। 

অলিভ অয়েল : অন্যান্য তেলের মতো স্বাস্থ্যকর না হলেও ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই অলিভ অয়েলে। তাই কোমর মেদশূন্য রাখতে যত সম্ভব রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

পুদিনা : যে কোনো রকম হজমের সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে পুদিনা। তাই পেটে ফাঁপা, অ্যাসিডিটি কম হওয়ায় ভূঁড়িও কম হয়।

গ্রিন টি : যদি সত্যিই সুন্দর কোমর পেতে চান তাহলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন দূর করতেই হবে। আর টক্সিন দূর করার সবচেয়ে ভাল উপায় ডায়েটে গ্রিন টি রাখা।

অ্যাপল সিডার ভিনিগার : গ্রিন টির মতোই ডিটক্স করতে সাহায্য করে অ্যাপল সিডার ভিনিগার।

টমেটো : লেপটিন জাতীয় প্রোটিন ও প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় টমেটো মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

রসুন : রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিন রক্তের অনেক ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ফলে হজমের সমস্যা রুখতে পারে রসুন, মেদ জমতে দেয় না।

কাঁচামরিচ : মেটাবলিজম ভাল রাখতে রান্নায় কাঁচামরিচ ব্যবহার করুন। এর মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি শুধু মেদ ঝরাতেই নয়, চুল, নখ, ত্বক ভাল রাখতেও সাহায্য করে।

কলা : যারা শরীরচর্চা করেন তারা সকলেই কলা খান। এতে এনার্জি যেমন পাওয়া যায়, তেমনই কলার জিঙ্ক ত্বক ভাল রাখে।

তরমুজ : কলার মধ্যে যে পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে, তার প্রায় দ্বিগুণ থাকে অর্ধেক তরমুজের মধ্যে। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, লো ক্যালরি শরীরে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমতে দেয় না।

শশা : তরমুজ ও শশা একই পরিবারের সদস্য। উপাদানও এক, কাজও এক।

দারচিনি : এই মশলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, এনার্জি বাড়াতেও সাহায্য করে।

আদা : পেট ভাল রাখতে, রোগে ভোগা কমাতে, শরীর ডিটক্স করতে দারুণ কাজ করে আদা।

চিনে বাদাম : দু’টো মিলের মাঝে একমুঠো চিনে বাদাম খিদে কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও ফাইবার মেদ জমতে দেয় না।

পেস্তা : যদি সত্যিই মেদহীন কোমর পেতে চান তাহলে পেস্তা অবশ্যই খান।

ঘরে পাতা দই : পেটের যে কোনও রকম অস্বস্তি, হজমের গন্ডগোলে আরাম দিতে পারে ঘরে পাতা দই।

সামুদ্রিক মাছ : সুন্দর কোমর পেতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অ্যানিমাল প্রোটিন সামুদ্রিক মাছ। এতে অন্যান্য প্রোটিনের মতো মেদও জমে না, পুষ্টি জোগায়।

পেঁপে : প্যাপেইন উত্সেচক থাকার কারণে পেঁপে হজমে সাহায্য করে।

আনারস : হজমে সাহায্যকারী উত্সেচর ক্ষরণে সহায়তা করে আনারস।

ক্যাপসিকাম : এর মধ্যে ভিটামিন সি যেমন রয়েছে, তেমনই লঙ্কার মতোই হজমে সাহায্য করে ক্যাপসিকামও।

নাসপাতি : এর মধ্যে থাকা পেকটিন শরীরে অতিরিক্ত জল জমতে বাধা দেয়।


সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা