Showing posts with label English Cinema. Show all posts
Showing posts with label English Cinema. Show all posts

Thursday, May 4, 2023

Chat GPT Review on movie Baby's Day Out | ai analysis How that kid paly his role

0 comments

 



"Baby's Day Out" is a 1994 American family comedy film directed by Patrick Read Johnson and starring Adam Robert Worton and his twin brother Jacob Joseph Worton as Baby Bink, a wealthy infant who is kidnapped by three bumbling crooks.



In the film, Baby Bink is a curious and adventurous infant who escapes the grasp of his kidnappers and embarks on a series of misadventures around the city. Throughout the film, Baby Bink uses his innocent charm and natural curiosity to outsmart the bumbling kidnappers and navigate his way through dangerous situations.


The Worton twins, who played Baby Bink, were praised for their performances in the film. Despite their young age, they were able to convey a sense of intelligence and resourcefulness that made Baby Bink a believable and endearing character.


Overall, Baby Bink's role in the film was to serve as the catalyst for a series of comedic and thrilling events, and the Worton twins' performances helped make the character a memorable and lovable part of the film.

Thursday, November 11, 2010

রবিন হুড ক্রুসেড ও জাতীয়তাবাদ

0 comments
লোকগাথার আদি নিদর্শনে রবিন হুড অপরাধী কিন্তু ভালো লোক_এ পর্যন্তই পাওয়া যায়। কয়েক শ বছর ধরে লিখিত সাহিত্যে রবিন হুডের এই ক্রমবিবর্তন যেমন লক্ষ করার মতো, তেমনি চলচ্চিত্রে সেই একই চরিত্রের বিভিন্ন ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। রিডলি স্কট পরিচালিত ও রাসেল ক্রো অভিনীত সাম্প্রতিক চলচ্চিত্রে রবিন হুডকে দেখা হয়েছে ব্রিটিশ সিম্বল হিসেবে। ন্যাটো জোটভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যখন ইরাক ও আফগানিস্তানে স্বার্থসিদ্ধির জন্য মুসলমান হত্যা করছে, তখন তাদেরই যৌথ প্রযোজনার ছবিতে রবিন হুড বলছে, সে আর মুসলমান হত্যা করবে না

মাত্র সতের জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে এখতেয়ার উদ্দীন মুহম্মদ ইবনে বখতিয়ার খিলজি যখন বঙ্গদেশ দখল করেন তখন, ১১৯৯ সালে, ইংল্যান্ডের রাজা সিংহ-হূদয় রিচার্ড নর্ম্যান্ডি প্রদেশের লড়াইয়ে তীরবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ দুটি যুদ্ধের মধ্যে যে ঐক্য পাই, তা সন্দেহাতীতভাবে কাকতালীয় এবং আমাদের আলোচ্য বিষয় ইংল্যান্ডের যুদ্ধ। ইংল্যান্ডের ওই যুদ্ধক্ষেত্রেই আমরা দেখি রবিন হুড নামের এক ঝানু তীরন্দাজ রাজার হয়ে লড়াই করছেন। ২০১০ সালে এসে ব্রিটিশ লোকগাথার চরিত্র রবিন হুডকে এভাবেই হাজির করা হয় রিডলি স্কট নির্মিত চলচ্চিত্রে, যে চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন রাসেল ক্রো।

সাম্প্রতিককালে নির্মিত এ চলচ্চিত্রে পরিচালক রিডলি স্কট আমাদের দেখান, রাজার মৃতু্যর আগের রাতে সৎ সাহস দেখিয়ে বিপদে পড়ে রবিন হুড। সে রাজার সঙ্গে চতুর্থ ক্রুসেডে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ তৃতীয় ধর্মযুদ্ধে (১১৮৭ থেকে ১১৯২) মুসলমানদের কতল করার সময় নারী ও শিশুরা করুণভাবে প্রাণ ভিক্ষা চায় রবিন হুডের কাছে। যা দেখে ক্রুসেডে আর অংশ না নেয়ার অঙ্গীকার করে হুড। ফলে রাজ আক্রোশের শিকার হয় সে। কিন্তু সিংহ-হূদয়ের মৃতু্যর পর সে নটিংহ্যামে ফেরে। রাজাহীন রাজ্যে বাধ্য হয়ে তখন রাজা করা হয় রিচার্ডের দুষ্টু প্রকৃতির ভাই প্রিন্স জনকে। এরই মধ্যে দেখা মেলে ঘরের শত্রু বিভীষণের, তার নাম গডফ্রে। গোপনে সে সাহায্য করে ফরাসি রাজা ফিলিপকে। এই বিশ্বাসঘাতকতায় হুমকির মুখে পড়ে ইংল্যান্ডের স্বাধীনতা। কিন্তু প্রিন্স জনের প্রিয়পাত্র বেঈমান গডফ্রে হওয়ায় সৎ রাজকর্মীরা ছিটকে পড়ে দূরে। ইংল্যান্ডের মাটিতে সুকৌশলে ফরাসি সেনাদের নিয়ে খাজনা আদায়ের নামে লুটতরাজ শুরু করে গডফ্রে। শুধু তাই নয়, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপকেও ডেকে পাঠায় ইংল্যান্ড দখলের জন্য। ঘটনার এক পর্যায়ে রবিন হুডই নেতৃত্ব দেয় ইংল্যান্ডকে পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে। সে এবার যুদ্ধ করে প্রিন্স জনের হয়ে। যদিও শেষ পর্যায়ে প্রিন্স জন অহমের কারণে হুডকে আউট ল বা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে এবং হুলিয়া জারি করে তার নামে। তখন থেকেই হুডের জায়গা হয় গভীর জঙ্গলে, নাম শেরউড বা গ্রিনউড।

এই কাহিনি ২০১০ সালের। আদি লোকগাথা থেকে শুরু করে যতগুলো সিনেমা হয়েছে সবগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যাবে রবিন হুড একেক জায়গায় আবির্ভূত হয়েছে একেক ভূমিকায়। যেমন রবিন হুডকে নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে লোকগাথাটি পাওয়া যায়, ১৪৫০ সালে, নাম 'রবিন হুড এন্ড মঙ্ক' সেখানে হুড একজন অপরাধী মাত্র। নটিংহ্যামের শেরিফ ও তার দলবল হুডের শত্রু। প্রধান বন্ধু লিটিল জন। এরপরের শতাব্দীর নমুনাতেও একই রকম চিত্র পাওয়া যায় রবিন হুডের। তবে ষোড়শ শতাব্দীতে এসে দেখা যায় রবিন হুড বনে গেছে রাজা রিচার্ডের অনুগামী। এই শতাব্দীর লোকগীতিতে উলেস্নখ আছে, দ্বাদশ শতাব্দীতে রিচার্ডের অবর্তমানে প্রিন্স জনের স্বৈরশাসনের ফলে রাজ আইনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে হুড। ফলে আউট ল ঘোষণা করা হয় তাকে। মনে রাখা বাহুল্য নয় তখনো আমরা অধুনা বিনির্মিত রবিন হুডকে পাইনি। অর্থাৎ যে রবিন হুড ধনীর শত্রু, গরীবের বন্ধু। বড়লোককে যে লুট করে, যে দান করে দরিদ্রকে। ভিক্টোরীয় যুগে (১৮৩৭-১৯০১) রবিন হুড এই দাতা চরিত্রে আবির্ভূত হন। ১৮৮৩ সালে লেখা হাওয়ার্ড পাইলের উপন্যাস 'দ্য মেরি অ্যাডভেঞ্চারস অব রবিন হুড'-ই মূলত 'দাতা' সিলমোহরটি লাগায় রবিনের পিঠে। তবে সপ্তদশ শতকের কয়েকটি মঞ্চনাটকে রবিনের ওই রূপ দেখা যায়। কিন্তু তা পাইলের উপন্যাসের মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যা হোক উপন্যাস প্রকাশের পর বিংশ শতাব্দী জুড়ে যতবার রবিন হুডকে নিয়ে লেখা হয়েছে তার বেশির ভাগেই রবিনকে দেখা গেছে গরীবের ত্রাতা হিসেবে। ফলে সাধারণ একজন অপরাধী থেকে ভিক্টোরীয় যুগে রবিন হুড বনে যায় 'দাতা হাতিম তাই'। লোকগাথার আদি নিদর্শনে রবিন হুড অপরাধী কিন্তু ভালো লোক, ঐ পর্যন্তই পাওয়া যায়। কয়েকশ বছর ধরে লিখিত সাহিত্যে রবিন হুডের এই ক্রম বিবর্তন যেমন লক্ষ্য করার মতো তেমনি চলচ্চিত্রে সেই একই চরিত্রের বিভিন্ন ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

সিরিয়া ও মিশর যখন সুলতান সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে একজোট তখন ১১৮৭ সালে সুলতানের জিহাদে জেরুজালেম পুনর্দখল হয়। জার্মান সম্রাট ফ্রেডরিক বারবারোসা, ফরাসি রাজা ফিলিপ অগাসটাস ও ইংলিশ রাজা রিচার্ড সিংহ-হূদয়ের সমন্বয়হীন প্রতিরোধ প্রকৃত কোনো বাধাই তৈরি করতে পারে নি সুলতানের সামনে। ফলে পবিত্র স্থান হাতছাড়া হয় খ্রিস্টানদের। সেটি ফিরিয়ে নিতে শুরু হয় চতুর্থ ধর্মযুদ্ধের তোড়জোড় দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে এসে। এই সময়টা রবিন হুডকে নিয়ে লেখা সাহিত্য ও নির্মিত চলচ্চিত্রে ধরা পড়েছে বিভিন্ন ভাবে। এসব সৃষ্টিতে রবিন হুডের কর্মকাণ্ড এক রকম নয়। বিভিন্ন সাহিত্যে যেমন ভিন্ন, আমরা চলচ্চিত্রেও দেখি আলাদা আলাদা রবিন হুডকে। হুডকে নিয়ে প্রথম ছবিটি তৈরি হয় ১৯২২ সালে, নাম 'রবিন হুড'। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় ৯০ বছর; কিন্তু এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে কম করে হলেও ১৩টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এগুলোর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য মূলত তিনটি। একটি হলো ১৯৩৮ সালে এরল ফ্লিন ও অলিভিয়া দো হাভিলান্ড অভিনীত 'এ্যাডভেঞ্চার অব রবিন হুড', এর পরিচালক ছিলেন মাইকেল কার্টিজ ও উইলিয়াম কিইলি। দ্বিতীয়টি হলো শ্যন কনেরি ও অড্রে হেপবার্ন অভিনীত 'রবিন এন্ড ম্যারিয়েন' (১৯৭৬)। এর পরিচালক ছিলেন রিচার্ড লেস্টার। তৃতীয়টির কথা শুরুতেই বলেছি, ২০১০ সালে রাসেল ক্রোর রবিন হুড। চলচ্চিত্রে ত্রিশের দশকে আমরা দেখি রবিন হুড স্যাক্সন ও নর্ম্যানদের সমস্যা নিয়ে ভাবিত। সেখানে সে নিজে স্যাক্সন আর প্রিন্স জনসহ ম্যারিয়েন নর্ম্যান। এই দুই জাতিকে ইংলিশ জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে যেন ক্যানভাসার হিসেবেই হাজির হয় রবিন হুড। বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যে অবশ্য দেখা যায় রবিন হুড নিপীড়িত স্যাক্সনদের পক্ষে ও নমর্্যান লর্ডদের বিরুদ্ধে। রবিন যে স্যাক্সন ছিলো তাও হলফ করে বলতে পারবে না কেউ। কিন্তু তারপরও স্যাক্সন ও নর্ম্যান প্রসঙ্গ নিয়ে ছবি বানানো হয়। ১৯৩৮ সালে 'এ্যাডভেঞ্চার অব রবিন হুড' ছবিটি যখন মুক্তি পায় তখন ইউরোপ জুড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা। হিটলারের জাতীয়তাবাদ তখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ওই অবস্থায় রবিন হুড কেন ইংলিশ জাতীয়তাবাদকে উস্কে দিচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়।

এর পরে নির্মিত ছবি দুটিতে রবিন হুড ক্রুসেডে অংশ নিয়েছে শ্যন কনেরি ও রাসেল ক্রো উভয়েই। শ্যন কনেরি যেখানে সাধারণ নারী ও শিশুকে হত্যা করে একটি মূর্তি আদায় করতে অস্বীকৃতি জানায় সেখানে রাসেল ক্রো আর ক্রুসেডে যাবে না বলে অনড় অবস্থান নেয়। দুটো ঘটনাই রাজ আদেশকে অমান্য করা। শ্যন কনেরির রবিন হুড এরপর নটিংহ্যামের শেরিফ ও ম্যারিয়েনকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বোঝাই যায় মূলত ব্যবসা করার জন্যই দুই তারকাকে আনা হয় এই রবিন হুড ছবিতে। রাসেল ক্রোর ছবিতে কিন্তু ক্রুসেডের প্রসঙ্গ এসেছে খোলামেলা ভাবেই। হোক একটি ছোট দৃশ্যে কয়েকটি লাইন, তার গুরুত্ব কিন্তু ছোট নয়। ন্যাটো জোটভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যখন ইরাক ও আফগানিস্তানে স্বার্থ সিদ্ধির জন্য মুসলমান হত্যা করছে তখন তাদেরই যৌথ প্রযোজনার ছবিতে রবিন হুড বলছে সে আর মুসলমান হত্যা করবে না। সমঝদারদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। ১৯৯১ সালে কেভিন কস্টনার অভিনীত 'রবিন হুড : প্রিন্স অব থিভস' ছবিতেও আমরা দেখি রবিন হুড মুসলমানদের বিপক্ষে নয়। বরং আজিম নামের এক মুসলমান বন্ধু রয়েছে তার। উলেস্নখ করা দরকার, তখন মার্কিন বাহিনী ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। যাহোক রাসেল ক্রো অভিনীত ছবিতে মুসলমানদের নিয়ে ছোট ওই ইঙ্গিত ছাড়া যেটি আছে সেটি হলো আবারো সেই জাতীয়তাবাদ। যে রবিন হুড সত্যি সত্যি ছিলো বলে কেউ বলতে পারেনি, যে রবিন হুড লোকগাথার বিখ্যাত চরিত্র, যে রবিন হুডকে দেখা হয় ব্রিটিশ সিম্বল হিসেবে, সে ২০১০ সালে আবারো অবতীর্ণ হয় জাতীয়তাবাদের ঝাণ্ডা হাতে। যে রবিন হুডকে এর আগে সাহিত্যে ও চলচ্চিত্রে প্রিন্স জনের শত্রু হিসেবেই দেখানো হয়েছে, সেখানে নতুন এই ছবিতে আমরা দেখি ইংরেজ জাতিকে রক্ষায় প্রিন্স জনের সঙ্গে লড়াইয়ের ময়দানে নামে রবিন হুড। প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। ইংলিশ চ্যানেলের এপার আর ওপারের দীর্ঘ রেষারেষির খবর কমবেশি সকলেরই জানা। কিন্তু অত্যাচারী রাজার শত্রু আর শোষিত মানুষের বন্ধু রবিন হুড এখানে কেন ব্রিটিশ জাতীয়তাবাদের কাণ্ডারী? ধনী-গরীবের দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক থেকে মুক্তি দিয়ে জাতীয়তাবাদের ক্যানভাসার কেন বানানো হলো তাকে? কোন জ্ঞান উৎপাদন করতে চায় তারা? উত্তরে বলা যায়, ইংরেজ জাতির শৌর্য-বীর্য জনপ্রিয় চরিত্র রবিন হুডকে দিয়ে শক্তিশালী গণমাধ্যম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপনের মর্মার্থ উদ্ধার করতে রকেট প্রকৌশলী হওয়ার প্রয়োজন নেই।

সূত্র: ইত্তেফাক

Thursday, October 14, 2010

দ্যা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

0 comments
'সোশ্যাল নেটওয়ার্ক' সিনেমাটি পুরোপুরি ফেসবুককে কেন্দ্র করে তৈরি কিনা এমন প্রশ্নের ঠিকঠাক কোনো উত্তর নিমর্াতাদের কাছে পাওয়া যায়নি। সিনেমাটি বেন মেজরিচের 'দ্যা অ্যাকসিডেন্টাল বিলিয়নিয়ার' বইটি অবলম্বনে নির্মান করেছেন এরন সরকিন। তবে ছবিটি দেখলে আপনারা বুঝতে পারবেন যে সেটা আসলে মার্ক জুকারবার্গ এবং তার দুই বন্ধু ইডুরাডো সেভেরিন ও উইংলিভনস টুইনের জীবনীর আদলে তৈরি করা।
                                    Photo by Merrick Morton – © 2010 Columbia Tristar Marketing Group, Inc. All rights reservedহার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত মার্কের জীবনটা খুব সুখের ছিলো না। শুধুমাত্র প্রোগ্রামিংয়ে ছিলো তার দৰতা। বাকিটা না বললেও চলে। এক অনুষ্ঠানের রাতে মদ্যপানরত অবস্থায় তার বান্ধবী এরিকার সাথে সম্পর্ক ভেঙে যায়। কারণটা এরকম যে তার মতো ছেলের সাথে নাকি কোন মেয়ের পৰে থাকা সম্ভব না। ব্যাপারটা মেনে নেয়া মোটেও সহজ ছিলো না। মার্কের মনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলতে থাকে। সে তার ঘরে ফিরে চিনত্দা করতে থাকে কিভাবে প্রতিশোধ নেবে। একপযর্ায়ে সে বস্নগে এরিকাকে নিয়ে আজেবাজে কথা লেখা শুরম্ন করে। পরবর্তীতে সে জেদের বশে 'ফেসমাস্ক' নামে একটা ওয়েব সাইট খোলে এবং ইউনিভর্াসিটির সার্ভারে ঢুকে হার্ভার্ডের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট মেয়েদের ছবি দিয়ে রেটিংয়ের ব্যবস্থা করে। মজার ব্যাপার হলো, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা এতো জনপ্রিয়তা পায় যে গ্রাহক চাপ সামলাতে না পেরে সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। কমিটি থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সে শাসত্দি থেকে নিজেকে বাঁচাতে সৰম হয়। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে সে টুইন ও ডিভইয়ার নজরে আসে। তারা তাকে অনুরোধ করে একটা ডেটিং সাইট খোলার জন্য। সে তাতে রাজি হয়। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য সহজ উপায় খুঁজতে থাকে। আর সেখান থেকেই মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কের যাত্রা শুরম্ন। এসবের মধ্যে দিয়েই ছবি শুরম্ন হয় এবং কাহিনি ত্রগিয়ে চলে।

ধীরে ধীরে নেটওয়ার্কটির জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে সেই সাথে বাড়তে থাকে তিন বন্ধুর মধ্যকার দূরত্ব। নেটওয়ার্কটির নির্মাণ ধারণা কার ছিলো সেটা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। কারণ সামান্য হলেও তাদের সেটা অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়।

২০০৯-এর আগস্টের শুরূর দিকে 'দ্যা সেশ্যাল নেটওয়ার্ক' ছবির প্রি-প্রোডাকশন কাজ শুরম্ন হয়। ছবির শুটিং হয় কেমব্রিজ ও ম্যসাচুসেটসে। তবে 'ফেইসবুক' উদ্ভাবনের কাহিনীর সেই হার্ভার্ড এর শুটিং করা সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনীয় দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয় জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে।

ডেভিড ফিনচারের পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিটিতে ভারতীয় বান্দ্রা গান রাখা হয়েছে, যার গায়িকা কৃষ্টি।

ছবিতে যারা অভিনয় করেছেন মার্ক জুকারবার্গের ভূমিকায় জেসি ইসেনবার্গ, ইডুরাডো সেভেরিনের ভূমিকায় ত্রন্ড্র- গারফিল্ড, ডাসটিন মসকোভিচের ভূমিকায় জোসেফ মাজেলেস্না, সিয়েন পার্কারের ভূমিকায় জাসটিন টিমবারলেক, ক্যামেরম্নন ও টেইলারের ভূমিকায় আরমি হ্যামার, ডিভইয়ার ভূমিকায় ম্যাক্স, উইংলিভনসের ভূমিকায় জস পেনস ও এরিকার ভূমিকায় রোনি মারা।

প্রথম সপ্তাহে ছবিটি বক্স অফিসে ২৩ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছে।
০০ প্রাঞ্জল সেলিম ০০

Thursday, September 16, 2010

দ্য ডা ভিঞ্চি কোড

0 comments
আকাশ সংস্কৃতির জোয়ার আর মারদাঙ্গা মুভি ও মিউজিকের ভিড়ে আমাদের বই পড়ার অভ্যাসটি যতোই কমুক না কেন; একটি ভালো বইয়ের কদর সবসময়ই আলাদা। আর তাই নানা সময়ে সাহিত্য আর কল্পনার মিশেলে বহু গল্প-উপন্যাস যেমন ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, তেমনি এইসব সৃষ্টি উৎসাহিত করেছে সংস্কৃতির অপরাপর ধারাকেও। ২০০৩-এ প্রকাশিত আলোচিত উপন্যাস ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ সম্পর্কেও এ কথাটি প্রযোজ্য। ড্যান ব্রাউনের লেখা এই উপন্যাসটি অবলম্বনে ইতিমধ্যেই নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রÑযা বিশ্বের নানা দেশের চলচ্চিত্রমোদীদের যেমন মুগ্ধ করেছে, তেমনি যুগিয়েছে আলোচনার খোরাকও। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাস অবলম্বনে ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০৬ সালে। আর এটি পরিচালনা করেন রন হাওয়ার্ড। চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে দেখা মেলেÑটম হ্যাংকস্, অড্রে টোটু, ইয়ান ম্যাককেলেন, আলফ্রেড মোলিনার মতো তারকাদের। রন হওয়ার্ড তার চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে দু-একটি জায়গায় ব্যাখ্যামূলক প্লট যোগ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনুসরণ করেছেন মূল উপন্যাসের গল্পকে। এ কারণে ধর্মীয় পটভূমিকে মাথায় রেখে ড্যান ব্রাউন তার উপন্যাসে যে রহস্য, রোমাঞ্চ, কল্পনা আর অপরাধচিত্রের মিশেল ঘটিয়েছিলেন তার দেখা মেলে রন হাওয়ার্ডেও চলচ্চিত্রায়নেও। মূলত প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে চলে আসা রোমান ক্যাথলিক চার্চের একটি বিতর্কের পটভূমি থেকেই এগিয়ে যায় ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’-এর কাহিনী। হলি গ্রেইল লিজেন্ড এবং ক্রিশ্চিয়ানিটির ইতিহাসে ম্যারি ম্যাগডালেন-এর ভূমিকা খুঁজতে গিয়েই এই চলচ্চিত্রে দর্শকদেও পরিচয় ঘটে ভিন্ন এক ঘটনা প্রবাহের সাথে। তবে উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের এই প্রচেষ্টা পাঠক-দর্শকদের কাছে সমাদৃত হলেও ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়, বিশেষত ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ, ইউরোপিয়ান আর্ট ক্রিটিক্স এবং ঐতিহাসিকদের কাছে।

Wednesday, September 15, 2010

দ্য টাওন

0 comments
চেহারা দেখে অনেক কিছুই বোঝা যায় না। কেউ দেখতে খুব সহজ-সরল, কিন্তু সত্যিই কি সে সহজ-সরল? আমাদের চারপাশে মুখোশ পরা হাজারো মানুষের বসবাস। সুযোগ পেলেই সর্বনাশ করে ছাড়বে। ছবির মেয়েটি তেমনই একজন। দেখতে সাদাসিধে; কিন্তু আসলে সে তা নয়। একটি অপরাধ চক্রের সঙ্গে মেয়েটি জড়িত। ভালো মানুষ রূপ নিয়ে সে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এভাবেই একসময় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই'র ভিতরও সে ঢুকে পড়ে। নীরব ঘাতক হয়ে কাজ করে। তারপর? জানা যাবে 'দ্য টাওন' চলচ্চিত্রটিতে। এতে নীরব ঘাতক চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেবেকা হল। আরো আছেন বেন অ্যাফ্লেক, জন হ্যাম, জেরেমি রেনার, ব্ল্যাক লাইভলি প্রমুখ। রোমান্স, রহস্য এবং নাটকীয় স্বাদের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বেন অ্যাফ্লেক।

Monday, January 25, 2010

এ্যাভাটার

0 comments
ছবির কাহিনীর প্রতিটা অঙ্গে অঙ্গে জড়িয়ে আছে রূপকথা। এ্যাভাটারে প্রয়োগ করা হয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের এনিমেশন বিভাগের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি।

মুভিটিতে সাইন্স ফিকশনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এক ভিন্ন মাত্রায়। মানুষও যে এলিয়ন হতে পারে তা দেখানো হয়েছে এই মুভিটিতে।

তৎকালীন বৃটিশরা যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল, সেখানকার অধিবাসীদের উপর অত্যাচার করেছিল, সেভাবেই এবার প্যান্ডোরায় উপনিবেশ করতে যায় মানুষ। প্যান্ডোরা হচ্ছে পৃথিবী থেকে ৪.৩ আলোকবর্ষ দূরে, পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তি নক্ষত্র আলফা সেন্টুরাইয়ের কক্ষপথে অবস্থান করা পলিফেমাস গ্রহের জঙ্গলে পরিপূর্ণ তিনটা উপগ্রহের একটা। প্যান্ডোরাতে এমন একটা মৌল আছে যা পৃথিবীতে এনে বিক্রি করতে পারলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে। আর সে লালসার কারনেই মানুষ সেখানে যায় অত্যাধুনিক সামরিক বহর নিয়ে যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ তীর ধনুক হাতে স্থানীয় না'ভি জাতি।
যে মৌলের লোভে মানুষ সেখানে গিয়েছিল সে মৌল ছিল না'ভিদের গ্রামের ঠিক নিচে। ফলে তাদের উচ্ছেদ করাটা জরুরী ছিল। আর উচ্ছেদ করতে গিয়ে মানুষ একটা সমাধান বের করে। মানুষ এবং না'ভি জাতির জিনের সমন্বয়ে এক ধরনের এ্যাভাটার তৈরি করে যা একেকজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ইয়াহুতে যে এ্যাভাটার ব্যবহার হয় তার এর ধারনাটা একই যেখানে পিছন থেকে একজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ধীরে ধীরে যখন একটা সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয় তখন মারা যায় একজন বিজ্ঞানী যারা এ্যাভাটার তৈরি হচ্ছিল প্যান্ডোরাতে। মূলত জেনিটিক কোডিং এ মিল থাকার কারনে তার জায়গায় পাঠানো হয় তার পঙ্গু জমজ ভাই মেরিন অফিসারকে।
তার যখন এ্যাভাটার তৈরি হয় তখন তাকে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য নেওয়া হয় প্যান্ডোরাতে একপর্যায়ে সেখানে সে হারিয়ে যায়। শুরু হয় তার নতুন যুদ্ধ একসময় তার দেখা সেখানকার রাজকন্যার সাথে। রাজকন্যার সাহায্যেই সে না'ভিদের দলে স্থান পায়। গল্পটা এখানেই শুরু। জ্যাককে দিয়ে মানুষ জয় করতে চায় প্যান্ডোরা কিন্তু সেই জ্যাকই শুরু করে মানুষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। শুরু হয় দুই অসম প্রতিপক্ষের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে কে জয়ী হবে।
মূলত এ্যাভাটার মুভিতে জেমস্ ক্যামেরুন মানবতাকে জয় করেছেন। কল্পবিজ্ঞান দিয়ে ভালোবাসা এবং সর্বশেষে মানবতা। এই মুভিতে প্রতিটি মূহুর্ত ছিল থ্রিল যেন এক মহাকাব্য। অসম্ভব ভালোলাগার একটি মুভি দেখলাম অনেকদিন পর। মুক্তি পাওয়ার গত ৩৮ দিনের মধ্যে মুভিটা ইউ.এস.এ তে আয়ের পরিমান ৫৫,২৭,৯৭,৪১৮ ডলার আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড আয়ের পরিমান ১,৬৬৭,৭৯৭,৪১৮ ডলার। এই কয়েকদিনেই এটা সর্বকালীন মুনাফা অর্জনকারী মুভি টাইটানিককে ছাড়িয়ে নতুনভাবে নাম লিখিয়েছে। তাতেই বুঝা যায় মুভিটার সাফল্য। জয় হউক মানবতার।