Friday, July 24, 2015

কুয়েত টাওয়ার

1 comments
পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য ও আধুনিক স্থাপত্য কারুকাজ এই কুয়েত টাওয়ার, অসাধারণ মনোরম এক সৌন্দর্যের প্রতীক এই কুয়েত টাওযার। এটি পারস্য উপসাগরের একেবারে তীর ঘেঁষে কুয়েত সিটি অঞ্চলের শার্ক নামক স্থানে অবস্থিত, এই কুয়েত টাওয়ারটি তিনটি আলাদা টাওয়ারের সন্নিবেশ ও সম্ন্বয় গঠিত।


১) ১ম ও মুল টাওয়ারটির উচ্চতা ১৮৭ মিটার, এই মুল টাওয়াটির উপর দুইটি বল আকৃতি গোলক স্থাপন করা হযেছে। এটি সর্বোচ্চ লম্বা আর উচু।

২) ২য় টাওয়াটি প্রথম টাওয়ারটির টিক পার্শ্বে অবস্থিত, এটির উচ্চতা ১৪৭ মিটার, এই ২য় টাওয়ারটি উপরেও বল আকৃতি একটি গোলক স্থাপন করা হয়েছে।

৩) ৩য় টাওয়াটি, ১ম ও ২য় টাওয়ারের পার্শ্বে অবস্থিত, এটি সরু ও লম্বা, এটি নিচের দিকে মোটা ও উপরের দিকে সুচের মত সুচালো ও চিকন।

এই কুয়েত টাওয়ারটির নিমার্ণ কাজ ১৯৭১ সালে শুরু হয়, এবং ১৯৭৬ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়, ১৯৭৭ সালের ২৬ শে ফেব্র“য়ারী কুয়েত স্বাধীনতা দিবসের দিন এই কুয়েত টাওয়ারটি আনুষ্টানিক ভাবে উদ্ধোধন করা হয়, এটি নির্মাণে সেই সময় মোট ব্যায় হয় ৪৭০০০০০ কুয়েতি দিনার বা ১৬৪৫০০০০ ইউ,এস ডলার, যা বর্তমানে বাংলাদেশী টাকায় হিসাব করলে দাড়ায় প্রায একশত পচিশ কোটি টাকা।

প্রথম ও মুল টাওয়াটি উপরে যে দুটি বল আকৃতির গোলক রযেছে, তার মধ্যে বড় গোলকটির ভিতরে পর্যটকের প্রবেশের জন্য লিপ্ট ব্যাবস্থা আছে, ঐ গোলকের ভিতরে একটি রেষ্টুরেন্ট ও অভ্যর্থনা হল রয়েছে, ঐ গোরকের ভিতরে এক সাথে ৯০ জন মানুষ এক সাথে অবস্থান করতে পারেন, ঐ গোলকটির মানুষের অবস্থানটি একটি ঢালার ন্যায় সারাক্ষণ ঘুর্ন অবস্থায় থাকে, প্রতি ৩০ টিনিটে ঐ গোলক ঢালাটি একবার ঘুর্ণপাক খায়।

২য় মিনার বা টওয়াটি প্রথম টাওয়ারের বিদ্যুত ও লাইটিং কন্ট্রোল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ২য় টাওয়াটি হতে প্রথম টাওয়ারের দিকে আলোক রশ্মি বিচ্ছুরণ করা হয়, এক এক সময় এক এক রংয়ের টাইটিং রশ্মি বিচ্ছুর করা হয় প্রথম টাওয়ারের গায়ের দিকে, তায় রাতের বেলায় এক এক সময় এক এক ভিন্ন রং ধারণ করে এই কুয়েত টাওয়াটি।

৩য় টাওয়াটি বিদ্যুত কন্ট্রোল টাওয়ার হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ইউপিএস, জেনারেটর, পানির পাম্প,সহ যাবতীয় ইকুইপমেন্ট যন্ত্রপাতি ইথ্যাদি ষ্টোরেজ হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ২য় ও ৩য় টাওয়ারের ভিতরে মানুষের প্রবেশ সুবিধা নেই।

এই কুয়েত টাওয়াটি ১৯৯১ সালে ইরাক আক্রমণের শিকার হয়, ১৯৯১ সালের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ টাওয়াটি গত ২০১২ সালে পুর্ণ নির্মাণ ও মেরামতের কাজ সম্পর্ণ হয়,এই কুয়েত টাওয়াটি নাকশা ডিজাইন করেন সুইডিশ আর্কিটেকচার, তার নাম - (মালিনী বেজরণ) এই টাওয়াটির নির্মাণ কাজ , নির্মাণ কৌশল ও যাবতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের দায়িত্বে ছিলেন একটি সুইডিশ নির্মান কোম্মানি। এই টাওয়ারের ডিজাইন নকশা পচন্দ করেন কুয়েতের তৎকালীন কুয়েত কিং-৩ (জাবের আল আহম্মদ আল জাবের আল সাবাহ)








Saturday, July 11, 2015

টেলিভিশন সাংবাদিকতা

0 comments
শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক শব্দ ‘Tele’ অর্থাৎ দূর এবং ‘Videre’ অর্থাৎ দর্শন থেকে। শব্দ ও দৃশ্যের মাধ্যম (Audio-Visual Medium) এটি।যার আবিস্কারক যুক্তরাজ্যের জন লগি বেয়ার্ড (Jhon Logie Baird). গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিশেষজ্ঞদের মতে, টেলিভিশন একটি ইডিয়ট/শয়তানের বাক্স। যদিও বর্তমানে টেলিভিশনই হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয়, শক্তিশালী এবং ব্যক্তি মর্যাদার মাধ্যম। যাকে বলা হয় (Broadcast) সম্প্রচার Broadcast/Electronic Journalism.
People who think writing TV news is easy have probably never done it well. What’s easy (unfortunately) is finding examples of BAD news writing–”simplistic, truism and shallow,” says Jessica Grillanda, who teaches at Cambrian College in Ontario, Canada. Getting it right takes a lot of skill, she says, because you have to synchronize the elements of sound and video into a solid story “that appeals to both the eyes and ears.”
WHAT IS NEWS? News is something New Interesting.
সংবাদ/নিউজ কি?
সংবাদ: সংবাদ হচ্ছে কোন ঘটনা বা বিষয়ে পক্ষপাতহীন, সঠিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সময়োচিত বিবরণ যা পাঠক/দর্শককে আকৃষ্ট করে। যে সংবাদ গণমাধ্যম ‘প্রিন্ট/ইলকেট্রনিক মিডিয়ায়’ প্রকাশ কিংবা সম্প্রচার করে আর্থিকভাবে লাভবান হয় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান।
সংবাধ মাধ্যম বর্তমানে তিন ধরনের:
১. টিভি নিউজ/টেলিভিশন সংবাদ
২. নিউজ পেপার/প্রিন্ট মিডিয়া:
৩. অনলাইন নিউজ/ব্লগিং সাইট/অনলাইন মিডিয়া
• টিভি নিউজ/টেলিভিশন সংবাদ: যা সব শ্রেনীর মানুষের কাছে সহজ শব্দের ব্যবহার ও কথ্য ভাষায় শুদ্ধ উচ্চারণে উপস্থাপন করা হয়।
• নিউজ পেপার/প্রিন্ট মিডিয়া: শুধুমাত্র যে সব পাঠকদের অক্ষরজ্ঞান আছে। যারা মনের ভাব প্রকাশ পূর্বক পড়তে পারেন। যা নিরক্ষরদের জন্য নয়।
• অনলাইন নিউজ/ব্লগিং সাইট/অনলাইন মিডিয়া: পাঠকদের শুধুমাত্র অক্ষরজ্ঞান থাকলে হবে না। আইটি ও কম্পিউটারে দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।
Script কি? (টিভি নিউজ রিপোর্টিং-এর ক্ষেত্রে)?: যে কোন অনুষ্ঠান কিংবা ঘটনাকে সন্দুরভাবে সাজিয়ে তোলা এবং গণমাধ্যমে প্রকাশের জন্য পরিপূর্ণরুপে সাজানো লেখাই হচ্ছে (Script) নিউজ স্টোরি।
(Script) নিউজ লেখার ধরন:
• IV-(In vision: Presenter)দিয়ে থাকেন।উপস্থাপকের ভয়েস থাকবে এবং তাকে স্ক্রীনে দেখা যাবে।
• IV/OOV/Sync(Sot): In vision/Out of Vision/Interview (Comment): কোন অনুষ্ঠানের চিত্র/ছবি/ফুটেজ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য।
• IV/GFX:গ্রাফিক্সের মাধ্যমে/স্থির চিত্র দেখানো, যেমন বাজারের দর/পরীক্ষার ফল প্রকাশ/কোন অনুষ্ঠান/ব্যক্তির ভিডিও ফুটেজের সংকটে স্থির চিত্র দেখানো।
• IV/Phono:স্টুডিও থেকে উপস্থাপক/প্রেজেন্টার ও রিপোর্টারের সরাসরি কথোপকথন, টিভি স্ক্রীনের একপাশে রিপোর্টারের নাম ও গ্রাফিক্সকার্ড/ফটো ফ্রেম/ছবি থাকবে।
• IV/Live:উপস্থাপক/প্রেজেন্টার ও রিপোর্টারের মধ্যে সরাসরি কথোপকথন’সহ টিভি স্ক্রীনে ভিডিও ফুটেজ ও রিপোর্টারের অবস্থান পরিস্কার/স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা।
• Live Telecast/Broadcast:দু’ধরণের মাধ্যমে হয়ে থাকে: ১. SNG-Satellite News Gathering:নিউজ স্পট থেকে উপগ্রহে নিক্ষেপ করে তারপর নিউজ স্টুডিওতে নামানো।২.Fiber Optical Cable:ডিস লাইনের মত/তারের মাধ্যমে।
ভালো স্টোরি কিংবা রিপোর্ট তৈরীতে যা প্রয়োজন:
রিপোর্টের সূচনায় (Link/Intro/Top line)থাকবে ষড় ‘ক’ ব্যবহার হবে (5 W & 1 H). যেমন:-
WHO- কে
WHAT- কি
WHEN- কখন
WHERE- কোথায়
WHY- কেন
And
HOW- কিভাবে
• একটা বিষয়ে খেয়াল রাখত হবে। সাধারণ মাণুষের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং বস্তুনষ্ঠি সংবাদ পরিবেশন/উপস্থাপনে ‘Research’ এর বিকল্প নেই।
• রিপোর্ট লেখার ক্ষেত্র্রে ষড় ‘ক’ (5 W & 1 H) ব্যবহার থাকতে হবে।
• রিপোর্টে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য/বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি অনুমান কিংবা কল্পনার আশ্রয় নেয়া যাবে না।
• তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে। একাধিক সূত্রের সাথে কথা বলে নিশ্চত হতে হবে।উদ্দেশ্যমূলক কথা না বলা।
• সব পক্ষের মতামত তুলে ধরতে হবে। রিপোর্টারকে পক্ষপাতমুক্ত এবং আবেগের উর্ধ্বে থাকতে হবে।
• শুদ্ধ উচ্চারণ তথা শব্দ ও ভাষার সঠিক ব্যবহার করতে হবে।
• জাতির কাছে পুরো ঘটনা সুন্দর ও সাবলিল করে তুলে ধরতে রিপোর্টারের একটি লক্ষ্য থাকতে হবে।
• চাঞ্চল্য বা আতংক সৃষ্টি করা যাবে না।প্রশ্ন কর্তাকে এক প্রশ্ন দু’বার না করা।
(টিভি নিউজ রিপোর্টিং)
• IV/ Link/Intro/Top line: যে কোন অনুষ্ঠান/ঘটনার প্রথম লাইনকে বলা IV হয়। নাটিকীয় ভাবে কোন ঘটনাকে একথায় প্রকাশ করাটাই হলো Top line. যেমন: নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগে বাদ জুম’আ বায়তুল মোকাররম থেকে হেফাজতে ইসলামের দশ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
• Voice Over:উপস্থাপক/প্রেজেন্টার IV/ Link/পড়ার পর পুরো স্টোরিতে রিপোর্টারের ভয়েস/কন্ঠ/পাঠ।
• Vox-Poop:(ভয়েস অব দ্য পিপল)অনুষ্ঠান/ঘটনা থেকে প্রত্যক্ষদর্শী/সাধারন জনগণের মন্তব্য/বক্তব্য তুলে ধরা।
• Ambient/Sound/Sot/Sound Byte:অনুষ্ঠান/ঘটনার শব্দ/তর্ক-বিতর্ক/গোলাগুলি’র ভিডিও ফুটেজ দেখানো।
• Sync/Interview:গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য।
• Story/PKG:আর ধারাবাহিক ভাবে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (পরিপূর্ণ নিউজ/প্যাকজে/স্টোরি)। ভয়েস ওভারের সাথে মিল রেখে ফুটেজের ব্যবহার করতে হবে।
• PTC/Payoff:(PTC-Piece to the Camera) রিপোর্টার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলবে। যদি রিপোর্টার ক্যামেরার সামনে কথা বলার সুযোগ না পায় কিংবা প্রয়োজন না হয়; সে ক্ষেত্রে Payoffদেয়া তথা TV Screen রিপোর্টারের নাম’সহ ঘটনার স্থানের নাম বলা।
• PTCতিন ধরনের: Starting PTC নিউজের শুরুতে, Mid PTCমাঝখানে এবং End PTCশেষে।(নোট: মানসম্পন্ন একটি নিউজের ডিউরেশন দেড়-দু মিনিটের উপরে নয়)।
TV News Story তিন ধরনের:
• Specific:মূলত ঘটনার বিবরণ সুনির্দিষ্ট আকারে তুলে ধরা।নিউজের ক্ষেত্রে উল্টো পিরামিডের মত বড় থেকে ছোট আকারে।
• Generic: পরোক্ষভাবে নাটকিয়তা এনে ঘটনার Top line তুলে ধরা।
• Chronological : পুরো ঘটনা গল্প আকারে বর্ণনা করা।
যেমন, ধারাবাহিকতায় বজায় রেখে পরিপূর্ণ নিউজ তৈরীর পদ্ধতি:
IV/Top line + Voice-Over + Box-Poop + Sound Byte/Ambient + Sync + PTC/Pay Off.
সব কিছুই নির্ভর করবে নিউজে গুরুত্ব বুঝে। মনে রাখতে হবে ( News Man Think A Line)
DESK Bureau Report:
• Local: একটা বিভাগ/সারা দেশ থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো সবগুলো রিপোর্টের তথ্য এবং ছবি নিয়ে একটি কোম্পাইল স্টোরি তৈরী করা। বিশেষ ক্ষেত্রে নিউজের গুরুত্ব বুঝে একটি জেলার পাঠানো তথ্য এবং ছবিতে একটি ভালো স্টোরি হতে পারে। যা নির্ভর করবে বার্তাকক্ষের ‘ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জে’র পরামর্শে।
• International:সারা বিশ্বের খবরা-খবর বিভিন্ন মাধ্যম/নিউজ এজেন্সি হতে সংগ্রহকৃত তথ্য এবং ছবির উপর নির্ভর করে আন্তর্জাতিক নিউজ তৈরী করতে হয়।
•
International News Network/Media List:
• BSS: Bangladesh Songbad Songstha
• Reuters: American-Indian News Agency
• APTN: Associated Press Television Network
• Chinua: China News Agency
• AFP: Associated France Press
• PTI: Press Trust of India
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার তথা প্রসার এখন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। একসময়ে মানুষের তথ্য নির্ভরতা একমাত্র বাহন ছিলো প্রিন্ট মিডিয়া। কালের বিবর্তনে প্রিন্ট মিডিয়ার গ্রহণযোগ্যতা না কমলেও; বেড়েছে অনলাইন’সহ টেলিভিশনের ব্যবহার। ইন্টারনেট ‘থ্রীজি’র প্রসারে সারা বিশ্বের খবরের কাগজ, টেলিভিশন সংবাদ, মোবাইল কিংবা নানা মাধ্যম থেকে তথ্যের আদান-প্রদান বেড়েছে অনেক বেশী। টেলিভিশন সংবাদ মানে হচ্ছে ‘ইনফোটইনমেন্ট’ তথ্য বিনোদনের মাধ্যম ও বলা চলে। একমাত্র বাংলাদেশ টেলিভিশন তথা বিটিভি পর; এ দেশের প্রথম বেসরকারিটিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। বর্তমানে প্রায় ২৫টির ও বেশী বেসরকারি টিভি চ্যানেল হওয়া এ মাধ্যমে কর্মের পরিধিও বেড়েছে। ফলে যে সমস্ত সাংবাদিক খবর বা সংবাদনিয়ে কাজ করেন, এ কথা নিশ্চিতভাবেই বলাযায় যে; বই পড়ে সাংবাদিকতা শেখা কিংবা সাংবাদিক হওয়া খুব কঠিন। আর তা যদি হয় টেলিভিশন সাংবাদিকতা, তাহলে প্রায় অসম্ভব। কেননা টেলিভিশন সাংবাদিকতাঅনেকখানিই প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে প্রযুক্তিনির্ভর একটি গণমাধ্যমে কাজ করতেহলে পেশাগত প্রশিক্ষণ জরুরি।
যেমন একটি ঘটনাকে মাঠ পর্যায়ের একজন রিপোর্টার বিশ্লেষন করে সহজ উপায়ে সাজিয়ে পাঠানোর পর (পত্রিকার ক্ষেত্রে) যিনি সম্পাদনায় থাকেন/বার্তা সম্পাদক তাঁর হাত ঘুরে ফাইনাল প্রকাশ পায় সংবাদটি। এক্ষত্রে টেলিভিশন সাংবাদিকতা একটু ভিন্ন আঙ্গিকে সম্প্রচার হয়। যেমন: টেলিভিশনসাংবাদিকতার রীতিনীতি, সংবাদ নির্বাচন ও সম্পাদনা পদ্ধতি, বার্তাকক্ষের কর্মকাণ্ড, প্রতিবেদন তৈরির নিয়মাবলি, সংবাদে ছবির ব্যবহার (ভিডিও ফুটেজ/স্থির চিত্র), বিভিন্নমুহূর্তে সাক্ষাৎকার গ্রহণের নিয়মাবলি হচ্ছে টিভি সাংবাদিকতার প্রধান দিক। আর এগুলো নির্ভর করে প্রযুক্তির উপর।
চিন্তার গভীরতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা একজন রিপোর্টারের প্রধান নিয়ামক শক্তি। সে প্রিন্ট মিডিয়া কিংবা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ারই হোক। ঘটনারপেছনের ঘটনা বের করতে রিপোর্টারকে আগে নিজের চিন্তা চেতনায় ঘটনারগভীরে যেতে হয়। তাহলেই তো নানা প্রশ্নের সাথে মূল প্রশ্নটা মাথায় সংরক্ষিতহয়। তারপর তো শুরু হবে তার উত্তর খোঁজার পালা।কেউবাতাঁর টিভি কর্তৃপক্ষের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে দৃষ্টি মিলিয়ে প্রশ্নকরতে বাধ্য হন। যদিও বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণী রিপোর্টারদের বেশিরভাগই পেশাগত ও সামাজিকদায়বোধের তুলনায় চাকুরীজীবী হিসেবে প্রকট আত্ম মানসিকতায় নিজেদের গড়েতুলেছেন।কারণআগামীর সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মিডিয়াই রাখবে প্রধান ভূমিকা।

শিবলী চৌধুরী কায়েস::স্টাফ রিপোর্টার::দিগন্ত টেলিভিশন

Monday, May 11, 2015

ঘরে তৈরি ক্রিমে ঝরবে অতিরিক্তি মেদ

0 comments
বাজারে মেদ কমানোর জন্য নানান রকমের ক্রিম কিনতে পাওয়া যায়। যদিও চিকিৎসকেরা বলেন এগুলো ব্যবহার করা খুবই ক্ষতিকর। তাহলে উপায়? উপায় আছে৷ আপনি চাইলে মাত্র ৩টি উপাদান দিয়ে নিজের ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন একটি জাদুকরী ক্রিম আর পেতে পারেন নিজের পছন্দের ফিগার! মাত্র ৭ দিন ব্যবহারেই ফলাফল পেতে শুরু করবেন এবং প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি বলে এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।
আপনার জন্য সেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন  ক্রিম তৈরীর টিপস রইল৷
 যা যা লাগবে
১০০ এম এল বেবি ক্রিম (সদ্য জন্মানো শিশুদের ব্যবহারের জন্য যে ক্রিম। ভালো নামকরা ব্রান্ডের নেবেন।)
২০ ফোঁটা অরেঞ্জ বা লেমন এসেনশিয়াল অয়েল
২-৫ ফোঁটা দারুচিনির এসেনশিয়াল অয়েল

প্রণালি

একটি কাঁচের কৌটায় ক্রিম নিন। এর সাথে বাকি দুটি এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন। মিশিয়ে নিন।
এরপর ৭ থেকে ১২ ঘণ্টা ক্রিমটি এভাবেই রেখে দিন। নির্দিষ্ট সময় পর আরও একবার ভালো করে মেশান। ব্যাস, তৈরি আপনার ক্রিম।
এই ক্রিম এক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। এরপর নতুন করে তৈরি করতে হবে। তবে এক মাসের আগে শেষ করে ফেলাই ভালো।
সূর্যের আলো থেকে দূরে মুখ বন্ধ কাঁচের জারে সংরক্ষণ করুন।

ব্যবহার প্রণালি

ক্রিমটি নিয়ম করে প্রতিদিন স্নানের পর ব্যবহার করুন।
যেসব স্থানে মেদ কমাতে চান, সেসব অঞ্চলে ক্রিমটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। দেহে ময়েশ্চারাইজারের কাজও করবে এই ক্রিম।
ক্রিম ব্যবহারের পর সেইদিন আর স্নান করবেন না। এতে উপকারিতা কমে যাবে।
মনে রাখবেন, এই ক্রিমটি যেসব স্থানের মেদ কমানোর জন্য কার্যকর, যেসব স্থানে ত্বকের নিচে জমা মেদ কমানো খুবই কষ্টকর। যেমন থাই, হিপ, বাহু, পেট ইত্যাদি এলাকায়। মেদ কমিয়ে এই ক্রিমটি ত্বককেও সুন্দর করে তোলে। তবে বুকে বা স্তনে এই ক্রিম ব্যবহার করবেন না। বা শরীরের কোন অভ্যন্তরীণ অঙ্গে ব্যবহার করবেন না।


Wednesday, April 15, 2015

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন

0 comments
অনলাইনে আয়ের হাজার হাজার পদ্ধতির মধ্যে ইউটিউব থেকে আয় একটি জনপ্রিয় উপায়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন কইয়েকটি বিশেষ উপায়ে। ভিডিও তৈরি করে অনেকেই ইউটিউব থেকে আয় করছেন। তবে আপনি কেন পারবেন না। এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের দেখাতে চেষ্টা করব কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়।

নিচে কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হলো- আপনি ভিডিও তৈরীর জন্য দুইটি পথ অবলম্বন করতে পারেন। প্রথমটা হলো- ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করুন। আর আপনার যদি কোনও ভিডিও ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি এক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। একটা বিষয়কে মাথায় রাখবেন, তা হলো- আপনাকে অবশ্যই মজাদার/ শিক্ষনীয় ভালো মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে। যদি আপনি আপনার চ্যানেলটিকে টিউটোরিয়ালের নির্ভর করতে চান তবে আপনি এখানে ভিডিও টিউটোরিয়ালই আপলোড করেন অন্য কিছু নয়। কিংবা যদি ভিডিও গান বা নাটক এর চ্যানেল বানাতে চান তবে তাও বেশ জনপ্রিয় হতে পারে। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে আপনি যখন আপনার ভিডিও গুলি আপলোড দেবেন, তখন অবশ্যই আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো দিয়ে দেবেন এবং সাথে সাথে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটাও দিয়ে দেবেন। এবার আপনার আপলোডকৃত ভিডিও বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন। কারণ শুধু আপলোড করে দিলেই হবে না জনপ্রিয় হতে হলে আপনার ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, গুগোল+ ইত্যাদি সমূহে শেয়ার করুন।
আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করুন। একটা কথা ভাল করে মনে রাখবেন, YouTube ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই, আপনাকে ইউটউব, গুগোল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন। আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মত কাজ করছেন এরকম লোকদের অনুসরণ করুন। আপনি যদি সফল হতে চান, তাহলে আপনার প্রতিযোগীদেরকে অনুসরণ করুন। দেখুন তারা কিভাবে সফল হচ্ছেন। তাদের সফলতার ইতিহাসটা পড়ুন।

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন : আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন, বা আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হয় তাহলে আপনি ইউটিউবের এ্যাডসেন্স পার্টনারশিপ থেকেই একটা অফার পেতে পারেন। ওরা আপনাকে পার্টনার করলে প্রতি মাসে একটা ভাল এমাউন্টের টাকা দেবে। এই লিংকে ক্লিক করে YouTube Partnership (এখানে ক্লিক করুন https://www.youtube.com/yt/creators/creator-benefits.html) পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা আপনাকে রিজেক্ট করে তাহলে ‍পুনরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে তাহলে তো গেল। কারণ, তারা আপনাকে প্রতি মাসে $200 দেবে।

এছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের ভিডিও রিভিউ দিয়ে বা বিভিন্ন এ্যাডভারটাইজিং ভিডিওয়ের মাঝে দিয়ে আয় করা যায়। এছাড়া ভিডিওয়ের ডিসক্রিপশনে বিভিন্ন পণ্যের এফিলিয়েট লিংক দিয়ে দি্তে পারেন। কোনও পণ্য বিক্রয় হলেই আপনি টাকা পাবেন। তাছাড়া আপনি যদি সুন্দর একটা নামের বা ভালো কী-ওয়ার্ডের চ্যানেলের মালিক হন তবে সেটা পরে বিক্রি করে দিতে পারেন। অনেকেই আছে যারা টার্গেটেড কিওয়ার্ডের বা সুন্দর নামের চ্যানেল ক্রয় করে থাকেন। যদিও ইউটিউব অফিসিয়ালি এটা সাপোর্ট করে না কিন্তু তার পরেও হয়। তবে এটা সময় সাপেক্ষ। মোট কথা আপনি যদি কোয়ালিটি সম্পন্ন জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনিও ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন বেশ কয়েক হাজার হাজার টাকা।

Monday, December 22, 2014

হেয়ার কালার করার কিছু টিপস

0 comments
হেয়ার কালার করলাম, আর রাতারাতি ঐশ্বর্যা রাই হয়ে গেলাম- এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকলে কিন্তু আপনি পুরোটাই ভুল ভাবছেন৷ কারণ হেয়ার কালার করানোর আগে আপনাকে জানতে হবে, আপনার চুলের টেক্সচারের সঙ্গে ঠিক কোন রঙটা মানানসই হবে৷ এটা জানা তো জরুরিই, তার চেয়েও জরুরি আপনার গায়ের রঙের সঙ্গে ঠিক কোন হেয়ার কালারটা করলে আপনাকে গ্ল্যামারাস লাগবে, তা জানা৷ আজ্ঞে হ্যাঁ হেয়ার কালারের সঙ্গে স্কিন টোন অর্থাৎ আপনার ত্বকের রঙের একটা গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে৷ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে (তা বলে পুরোটাই একরকম নয়) আপনাকে বাছতে হবে হেয়ার কালার৷ না হলে আপনি খরচা করে হেয়ার কালার করাবেন, অথচ পুরোটাই বেমানান ঠেকবে৷
ন্যাচারাল কালার- ভারতীয় মহিলাদের বার্গান্ডি, রেড বা ব্রাউনের মতো হেয়ার কালার ভালো মানায়৷কিন্তু হেয়ার কালার বাছার সময় আপনার গায়ের রঙ ফরসা না কালো না উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ সে বিষয়ে নজর রাখাটা খুব জরুরি৷যেমন ধরুন যদি আপনার গায়ের রঙ একটু হলদেটে হয়, তাহলে গোল্ডেন বা ব্রাউন ভুলেও করাবেন না৷ মনে হবে আপনি জন্ডিসে ভুগছেন! এই স্কিন টোনের সঙ্গে বার্গান্ডি ভালো মানাবে৷
ব্রাউন- অন্যান্য হেয়ার কালারের তুলনায় ব্রাউন অনেকটাই নিরাপদ৷যদি আপনার ত্বকের রঙ হাল্কা হয় তাহলে মেহগনি কালার আর যদি শ্যামবর্ণ হয় তাহলে লাইট ব্রাউন রঙ করাতে পারেন৷
বার্গান্ডি- হেয়ার কালার করানোর সময় ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ বার্গান্ডি৷আপনার ত্বকের রঙ যদি হলদেটে, খুব ফরসা বা হাল্কা শ্যামবর্ণ হয়, তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় এই রঙটি বাছতে পারেন৷ হেয়ার কালার করানোর পর আপনার ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবে আকর্ষক৷
রেড- রেড হেয়ার কালারের নানারকমের শেডস থাকে৷ যদি আপনি খুব ফর্সা হন তাহলে কপার বা লাইট রেড হেয়ার কালারকে বাছুন৷ কিন্তু তা বলে কমলা ঘেঁষা লাল বাছবেন না, আপনাকে ভালো লাগবে না৷কিন্তু আপনি যদি গোলাপি ঘেঁষা ফরসা হন, তাহলে লাল হেয়ার কালার আপনার না বাছাই শ্রেয়৷
গোল্ডেন- এই রংটা কিন্তু ভারতীয় স্কিনটোনের সঙ্গে একেবারেই মানায় না৷ একান্ত করাতেই হলে গ্লোবাল (পুরো চুলে রঙ) না করিয়ে স্ট্রিকস(অল্প কয়েকটা চুলে রঙ) করান৷ খুব একটা বেমানান লাগবে না৷

ব্ল্যাক - কুচকুচে কালো রঙ কাউকেই মানায় না৷সে মহিলা ভারতীয়ই হোক বা বিদেশি৷মনে হবে আপনি পরচুল পরেছেন৷ তাই ব্ল্যাকের বদলে ব্রাউন রঙ করানো অনেক নিরাপদ৷
হাই লাইটস ও লো লাইটস- আপনার হেয়ার কালার আপনার স্কিন টোনের থেকে কিছুটা হাল্কা বা গাঢ় হতে হবে৷ আর সেটা ঠিক করে দেবে অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ানই৷ তাই কখনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া হেয়ার কালার করাবেন না৷

২ সপ্তাহে কমিয়ে ফেলুন পেটের মেদ

0 comments
শরীরের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় সব চাইতে বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং বিশ্রী হলো পেটের মেদ। পেটে মেদ জমলে কোনো ধরণের পোশাকেই ভালো দেখায় না। যেভাবেই ঢাকতে যান না কেন পেটের মেদ ঢাকার কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই ঢাকাঢাকির যন্ত্রণায় পরতে যাবেন না একেবারেই। বরং কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন এই বিচ্ছিরি পেটের মেদ। ভাবছেন কিভাবে? খুব সহজেই। চলুন তবে শিখে নিই কি করে কমিয়ে ফেলবেন পেটের বিশ্রী মেদ মাত্র ২ সপ্তাহে।
উপকরণঃ

– ৩ কোয়া রসুন
– ১ টি লেবু
– ১ কাপ কুসুম গরম পানি
পদ্ধতিঃ

– সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন কুচি করে কেটে খেয়ে নিন।
– এরপর ১ টি গোটা লেবুর রস ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে চিপে মিশিয়ে পান করে নিন।
– এই পানীয় পান করার ১ ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা করবেন।
– প্রতিদিন সকালে একই নিয়ম পালন করতে থাকুন। প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফলাফল দেখতে পাবেন।
ব্যাখ্যাঃ

জানতে চান এই পদ্ধতিতে কেন কমবে পেটের মেদ? চলুন জেনে নিই। আমাদের পেটের মেদ মূলত একধরণের ইষ্ট গাটের কারণে হয়ে থাকে। রসুন এই ইষ্টের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয় কারণ রসুনের রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান। এবং লেবুর রসের রয়েছে মেদ কাটানোর ক্ষমতা।


সতর্কতাঃ

আপনি যদি প্রতিদিন সকালে এই কাজটি করার পাশাপাশি প্রতিদিন নিয়মিত ভাজাপোড়া এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খেতে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই এর ফলাফল আপনি পাবেন না। এটি তখনই কার্যকর যখন আপনি সব ধরণের খাদ্য উপাদান পরিমিত পরিমাণে খাবেন।

Friday, December 5, 2014

কম্পিউটারের সামনে বসার পদ্ধতি

0 comments
কাজের সুবাদে বা সময় কাটানো, আমাদের দিনের একটা বড় সময় অতিবাহিত হয় কম্পিউটারের সামনে বসে। আর আমাদের এই বসার ভঙ্গীটা যদি সঠিক নিয়মে না হয় তাহলে ঘাড় ব্যথা, পিঠ ব্যথা, হাত ব্যথা থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথা ঘটিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজ আপনাদের কম্পিউটারের সামনে বসার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু পরামর্শ প্রদান করা হবে।
চেয়ারে কোমর থেকে কাঁধ সোজা রেখে বসুন। হেলে বা বেঁকে বসলে সহজেই আপনার পিঠ ও কাঁধে ব্যথা হতে পারে। আপনার কাজের চেয়ারে বসে পা দুইটা সামান্য মুড়ে বা ভেঙ্গে রাখুন, একটু পর পর অবশ্য পায়ের অবস্থান বদলে সামনে প্রসারিত করতে পারেন এতে পায়ের মাংসপেশি রিলাক্স থাকবে।
কম্পিউটারের সামনে বসে আপনার কীবোর্ডটি যতোটা পারেন সোজা ও সামনে রাখতে চেষ্টা করুন। এতে আপনার হাত সহজে কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবে। এটা নিশ্চিত করুন যাতে কাজের সময় আপনার কাঁধ রিলাক্স থাকে, টাইপিং এর সময় হাত আর আপনার কাধের পেশিতে বেশী চাপ সৃষ্টি করবেন না।

কম্পিউটারের সামনে সঠিকভাবে বসতে আপনার মনিটরের অবস্থান সঠিক করুন। আপনার মনিটরটি আপনার কীবোর্ড এর কাছাকাছি বসার চেয়ারের ঠিক সামনে রাখুন। সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি মনিটরটি একদম সামনে মাঝখানে রাখেন, সাথে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতের কাছে রাখুন। মনিটরের সামনে বসে কাজ করার সময় এটা খেয়াল রাখুন যাতে আপনার কাঁধ রিলাক্স থাকে।

আপনার সারাদিনের কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন। প্রতি ২০ থেকে ৩০ মিনিট কাজ করার পর নিজেকে ও শরীরের অন্যান্য অংশগুলোর সঠিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে একটু হাঁটুন বা হাত পাগুলো নড়াচড়া করুন। কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ মিনিট বিশ্রাম নিন। আপনার চোখ একভাবে মনিটরে নিবদ্ধ না রেখে চোখের বিশ্রাম নিশ্চিত করুন। ১০ কি ১৫ সেকেন্ড এর জন্য চোখটা বন্ধ করুন বা মনিটর থেকে চোখ সরিয়ে দূরের কোন কিছুতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন।

যেহেতু কম্পিউটারের সামনে বসলে আপনার হাতদুটি প্রায় সব সময় ব্যস্ত থাকে তাই একটু সময় পর পর হাত সচল রাখতে হাতের ব্যায়াম করুন। হাত দুটিকে উপর নীচে করুন দেখবেন কাজে শান্তি পাবেন।

সঠিক নিয়মে কাজ করলে আপনি কাজে আনন্দ পাবেন আর ক্লান্তিও আপনার ধারে কাছে আসতে পারবেনা। কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হলে সঠিক নিয়মে বসতে জানাটা খুব জরুরী। আপনি যখন ঘরে বসে কাজ করবেন তখন আরামের সাথে বসতে ছোট ছোট কুশন বা বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।

-রুমানা রহমান
লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি।পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।