Showing posts with label Indian Cinema. Show all posts
Showing posts with label Indian Cinema. Show all posts

Sunday, July 19, 2026

অভিনেত্রী মীনাক্ষী থাপার নির্মম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনী

0 comments

মীনাক্ষী থাপার

রুপালি পর্দার গ্ল্যামার, খ্যাতি আর লাইমলাইটের হাতছানি প্রতি বছর হাজার হাজার তরুণ-তরুণীকে টেনে আনে মায়ানগরী মুম্বাইয়ে। এক বুক স্বপ্ন আর চোখে তারকা হওয়ার আকুলতা নিয়ে ভারতের উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি শহর দেরাদুন থেকে বাণিজ্য নগরীতে পাড়ি জমিয়েছিলেন তরুণ ও উদীয়মান মডেল-অভিনেত্রী মীনাক্ষী থাপা। কিন্তু বলিউডের সেই ঝলমলে আলোর নিচে যে কতটা অন্ধকার আর নির্মমতার ফাঁদ পাতা থাকে, তার সবচেয়ে করুণ ও বীভৎস উদাহরণ হয়ে রইলেন এই অভাগী তরুণী। ২০১২ সালের মার্চ মাসে ঘটে যাওয়া মীনাক্ষী থাপা হত্যাকাণ্ড কেবল বলিউডের ইতিহাসেই নয়, বরং বৈশ্বিক বিনোদন জগতের অন্যতম নৃশংস ও হাড়হিম করা অপরাধের একটি হিসেবে আজও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে আলোচিত হয়। সিনেমার ভুয়া শুটিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যেভাবে এক সম্ভাবনাময় অভিনেত্রীর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তার তদন্তের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে লালসা, বিশ্বাসঘাতকতা আর চূড়ান্ত বর্বরতার এক নারকীয় উপাখ্যান।

মীনাক্ষী থাপা ছিলেন মূলত একজন ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী। দেরাদুনে নিজের একটি ড্যান্স একাডেমি থাকার পরও রুপালি পর্দার মোহ তাকে তাড়া করে বেড়াত। অভিনয়ের সুনির্দিষ্ট সুযোগের অপেক্ষায় থাকা মীনাক্ষী মুম্বাইয়ের তীব্র প্রতিযোগিতার মাঠে নিজের অবস্থান তৈরি করতে ছোটখাটো চরিত্রে কাজ শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় তিনি পরিচালক প্রবাল রাহার মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ছবি ‘৪০৪’ এ একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। পরবর্তীতে বিখ্যাত পরিচালক মধুর ভান্ডারকরের বিগ বাজেট সিনেমা ‘হিরোইন’ এর একটি দৃশ্যে জুনিয়র আর্টিস্ট বা সহ-শিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় তার পরিচয় হয় অমিত জয়সওয়াল এবং প্রীতি সুরিন নামের এক যুগলের সঙ্গে। অমিত ও প্রীতিও মীনাক্ষীর মতোই বলিউডে ভাগ্য অন্বেষণ করতে এসেছিলেন এবং তারা নিজেদের অবিবাহিত দাবি করলেও বাস্তবে তারা ছিলেন বিবাহিত এবং তাদের দুটি সন্তানও ছিল, যা তারা মুম্বাইয়ের স্ট্রাগলিং লাইফে গোপন রেখেছিলেন।

পরিচয়ের পর খুব দ্রুতই মীনাক্ষীর সাথে তাদের গভীর সখ্য গড়ে ওঠে। মীনাক্ষী খোশগল্পের ছলে নিজের পরিবার, দেরাদুনের ড্যান্স একাডেমি এবং পারিবারিক জীবন নিয়ে নানা কথা তাদের সাথে শেয়ার করতেন। মীনাক্ষীর মার্জিত পোশাক, রাজকীয় চালচলন এবং কথা বলার ধরন দেখে অমিত ও প্রীতির মনে এক চরম ভুল ধারণার জন্ম নেয়। তারা ধরে নেন যে মীনাক্ষী কোনো অতি সাধারণ পরিবারের মেয়ে নন, বরং তার পরিবার অত্যন্ত বিত্তশালী এবং তাদের অঢেল সম্পদ রয়েছে। আসলে অমিত ও প্রীতি মুম্বাইয়ে এসে প্রচুর ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং সেই ধারের টাকা দ্রুত শোধ করার জন্য তারা একটি শর্টকাট বা সহজ উপায়ের খোঁজ করছিলেন। মীনাক্ষীর তথাকথিত বিত্তশালী পারিবারিক অবস্থার কথা চিন্তা করে তাদের মাথায় এক নারকীয় পরিকল্পনা আসে। তারা সিদ্ধান্ত নেন যে মীনাক্ষীকে কোনো নির্জন স্থানে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ আদায় করবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অমিত ও প্রীতি মীনাক্ষীকে একটি বড় বাজেটের ভোজপুরি সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের লোভনীয় প্রস্তাব দেন। তারা মীনাক্ষীকে বিশ্বাস করান যে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে (তৎকালীন এলাহাবাদ) ছবিটির শুটিং হবে এবং সেখানে বড় বড় প্রযোজক ও পরিচালকেরা উপস্থিত থাকবেন। ক্যারিয়ারের এই বিশাল ও সম্ভাব্য টার্নিং পয়েন্টের কথা ভেবে মীনাক্ষী বিন্দুমাত্র সন্দেহ না করে অত্যন্ত আনন্দের সাথে রাজি হয়ে যান। ২০১২ সালের ১৩ই মার্চ তিনি অভিযুক্ত অমিত ও প্রীতির সাথে প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্যে মুম্বাই ত্যাগ করেন। ট্রেন যাত্রার সময়ও মীনাক্ষী জানতেন না যে তিনি আসলে নিজের অবধারিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। প্রয়াগরাজে পৌঁছানোর পর প্রীতি সুরিনের আদি বাড়ি জৌনপুরের এক প্রত্যন্ত এলাকায় মীনাক্ষীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরপরই তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং তাকে একটি ঘরের ভেতর সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়।

এর পর থেকেই দেরাদুনে থাকা মীনাক্ষীর পরিবারের সাথে তার সমস্ত যোগাযোগ হঠাৎ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর, ১৭ই মার্চ মীনাক্ষীর মায়ের মোবাইল ফোনে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে একটি ভীতিপ্রদ টেক্সট মেসেজ আসে। সেখানে জানানো হয় যে মীনাক্ষী তাদের হেফাজতে আছেন এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে অবিলম্বে ১৫ লাখ রুপি মুক্তিপণ দিতে হবে। একই সাথে মেসেজে চরম হুমকি দিয়ে বলা হয় যে যদি পুলিশকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয় অথবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না দেওয়া হয়, তবে মীনাক্ষীকে জোরপূর্বক পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্রে বা নীল ছবিতে কাজ করতে বাধ্য করা হবে এবং সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এই আকস্মিক ও ভয়ংকর বার্তায় মীনাক্ষীর মধ্যবিত্ত পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যায়। একজন সাধারণ সেনাকর্মীর পরিবারের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা সম্পূর্ণ অসম্ভব ছিল। অসহায় মা ও ভাই কোনো উপায় না পেয়ে মীনাক্ষীর নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাদের সাধ্যমতো প্রায় ৬০ হাজার রুপি জমা দেন এবং বাকি টাকা জোগাড় করার জন্য আরও কিছুটা সময় ভিক্ষা চান।

কিন্তু নিষ্ঠুর লোন উলফ বা অপরাধী জুটি অমিত ও প্রীতির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছিল। তারা বুঝতে পারেন যে মীনাক্ষীর পরিবার আসলে তাদের ধারণার মতো অঢেল সম্পদের মালিক নয় এবং ১৫ লাখ রুপি পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। একই সাথে তাদের মনে ভয় ঢুকে যায় যে মীনাক্ষীকে ছেড়ে দিলে সে মুম্বাইয়ে ফিরে পুলিশের কাছে তাদের আসল পরিচয় ফাঁস করে দেবে। এই চাক্ষুষ প্রমাণ ও নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে তারা মীনাক্ষীকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জৌনপুরের সেই নির্জন ঘরের ভেতরেই প্রথমে মীনাক্ষীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তবে তাদের বর্বরতা এখানেই শেষ হয়নি। হত্যার পর মীনাক্ষীর মৃতদেহ যাতে কেউ সহজে শনাক্ত করতে না পারে, সেজন্য তারা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে মীনাক্ষীর গলা কেটে তার মাথাটি শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর মাথাবিহীন ধড় বা শরীরের বাকি অংশটি প্রীতির জৌনপুরের বাড়ির একটি পুরনো ও পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ফেলে ইট-পাথর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। আর বিচ্ছিন্ন মাথাটি একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে তারা লখনৌগামী একটি চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে গভীর রাতে রাস্তার পাশের ঝোপে ফেলে দেয়, যা পুলিশ পরবর্তীতে শত চেষ্টা করেও আর কখনো উদ্ধার করতে পারেনি।

হত্যাকাণ্ডটি সম্পন্ন করার পরও সাইকোপ্যাথ বা বিকৃত মানসিকতার এই খুনি জুটি মীনাক্ষীর পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য ক্রমাগত মুক্তিপণের মেসেজ পাঠাতে থাকে। কিন্তু এই অতি চালাকির কারণেই তারা নিজেদের অজান্তে পুলিশের জালে ধরা পড়ার মোক্ষম সূত্রটি রেখে যায়। মীনাক্ষীর ভাই দেরাদুন ও মুম্বাই পুলিশের যৌথ সাইবার ক্রাইম সেলের শরণাপন্ন হন। পুলিশ তদন্তে নেমে দেখতে পায় যে মীনাক্ষীর মোবাইল ফোনের সিম কার্ড এবং তার ডেবিট কার্ডটি উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন এটিএম বুথ এবং লখনৌ ও কানপুর এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) এবং আইএমইআই নম্বর ট্র্যাক করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে নিখোঁজ মীনাক্ষীর ফোনের সিম কার্ডটি আসলে অন্য একটি হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করে অমিত জয়সওয়াল অনবরত কল ও মেসেজ করছে।

দীর্ঘ এক মাস ধরে নিখুঁত ট্র্যাকিং ও ইলেকট্রনিক তথ্য বিশ্লেষণের পর, ২০১২ সালের ১৪ই এপ্রিল মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকার একটি গোপন আস্তানা থেকে পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে অমিত জয়সওয়াল ও প্রীতি সুরিনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও, সিডিআর-এর অকাট্য প্রমাণের সামনে তারা ভেঙে পড়ে এবং নিজেদের হাড়হিম করা অপরাধের কথা স্বীকার করে। তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি ও দেখানো পথ অনুযায়ী পুলিশ উত্তর প্রদেশের জৌনপুরের সেই বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মীনাক্ষী থাপার পচনশীল ও মাথাবিহীন খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনার নৃশংসতা সে সময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম যেমন বিবিসি এবং এনডিটিভিতে প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রচারিত হয়েছিল এবং রুপালি পর্দার ভেতরের এই ভয়ংকর অন্ধকার দিকটি দেখে গোটা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল।

মুম্বাইয়ের সেশন কোর্টে এই মামলার দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ ছয় বছর ধরে চলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এই হত্যাকাণ্ডকে সমাজের জন্য এক চরম হুমকি এবং ঠান্ডা মাথায় করা ‘বিরলতম অপরাধ’ বা রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেস হিসেবে উল্লেখ করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ডের জোর আবেদন জানান। আদালতের বিচারক সায়না পাতিল মামলার সমস্ত নথিপত্র, বৈজ্ঞানিক ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ২০১৮ সালের ৯ই মে এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। আদালত অমিত জয়সওয়াল এবং প্রীতি সুরিনকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) এবং ৩৬৪-এ (মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণ) ধারায় এককভাবে দোষী সাব্যস্ত করে আজীবন বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। মীনাক্ষী থাপার এই মর্মান্তিক ও অকাল পরিণতি আজীবন বিনোদন জগতে আসা নতুন ও অনভিজ্ঞ শিল্পীদের স্বপ্ন, সংগ্রাম এবং রুপালি জগতের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা প্রতারণার এক নির্মম ও জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে থেকে যাবে। যে সিনেমার প্রস্তাবটি এই তরুণীর কাছে ছিল এক নতুন জীবনের সোনালী সম্ভাবনা, সেটিই শেষ পর্যন্ত তার জন্য হয়ে উঠেছিল এক অন্ধকার ও বীভৎস মৃত্যুর ফাঁদ।

Thursday, May 4, 2023

ai analysis on Pathaan Movie

0 comments



"Pathaan" is an Bollywood action thriller film directed by Siddharth Anand and produced by Yash Raj Films. The film features Shah Rukh Khan in the lead role, marking his comeback to the big screen after a hiatus of nearly three years.

The film's plot has been kept under wraps, but it is reported to be an intense action thriller that will showcase Shah Rukh Khan in a never-before-seen avatar. The movie also stars Deepika Padukone and John Abraham in pivotal roles.

"Pathaan" is expected to be a high-budget film, with advanced VFX and special effects used to create some of the action sequences. The movie is also said to have an international setting, with portions of the film shot in foreign locations.

The release date for "Pathaan" has not been announced yet, but it is expected to hit theaters in 2022. The film has already generated a lot of buzz among fans, who are eagerly anticipating Shah Rukh Khan's return to the big screen.

Wednesday, September 15, 2010

সেরা ১০ প্রেমের ছবি

1 comments
ভালোবাসার আবেদন চিরন্তন এবং বিশ্বব্যাপী। সময়ের বিবর্তনে সেলুলয়েডে প্রেমের ধারায় পালাবদল এসেছে। রুপালি পর্দায় প্রেমিক-প্রেমিকার রোমান্টিকতায়ও অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজও প্রেমের ধারা বহমান হিন্দি সিনেমায়। তবে পরিবেশ ও প্রেক্ষাপটের সাথে তাল মিলিয়ে প্রেমের গল্পে নতুন নতুন চমক আসছে। যুগে যুগে নির্মিত হয়েছে অগণিত প্রেমের ছবি। তেমনি সেরা ১০ প্রেমের ছবির কথা তুলে ধরেছেন রেজাউল করিম খোকন



মুঘল এ আজম

১৯৬০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মুঘল এ আজম’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সর্বকালের সর্বসেরা একটি চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কে আসিফ পরিচালিত এ ছবির বিভিন্ন দৃশ্য এবং ঘটনাবলী নিয়ে দর্শক এখনও নষ্টালজিক আলোচনায় মুখর হলেও একটি অলটাইম ক্ল্যাসিক লাভস্টোরি হিসেবে অতীতের মতো আগামীতেও দর্শক হƒদয়ে মুগ্ধতার পরশ বুলিয়ে যাবে বিখ্যাত এই ছবিটি। আর এ ছবির গানগুলো আজও সবাইকে আবিষ্ট করে তোলে। দিলীপ কুমার, মধুবালা, পৃথ্বিরাজ কাপুর অভিনীত ‘মুঘল এ আজম’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সেরা প্রেমের ছবি হিসেবে, কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে পরিগণিত হবে আজীবন।



দেবদাস

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এবং বহুল পঠিত উপন্যাস ‘দেবদাস’ অবলম্বনে বাংলার পাশাপাশি হিন্দিতেও চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিমল রায় পরিচালিত ‘দেবদাস’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অবস্থানে রয়েছে। দেবদাস চরিত্রে দিলীপ কুমারের অপূর্ব অভিনয়ের কথা দর্শক সবসময়ে বিশেষভাবে স্মরণ করবে। তার অসাধারণ পারফরমেন্সের মাধ্যমে সেলুলয়েডে ‘দেবদাস’ চরিত্রটি পারফেক্টভাবে ফুটে উঠেছিল। পরবর্তীতে ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ ছবিটি দর্শকমনে সাড়া জাগালেও এ ছবিতে দেবদাস চরিত্রে শাহরুখ খানের গেট আপ এবং আচরণ নিয়ে নানা বিতর্ক এবং সমালোচনা হয়েছে।



ববি

টিনএজার রোমান্সের ছবি ‘ববি’ হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে নতুন এক ধারার সূচনা করেছিল। ঋষি কাপুর-ডিম্পল কাপাডিয়া অভিনীত এ ছবিটি হিন্দি সিনেমার আধুনিক প্রেম কাহিনীর সার্থক উপস্থাপনা ছিল। সবাই যখন পুরোনো ঢং-এর ম্যাড়ম্যাড়ে প্রেম কাহিনীর ছবিগুলো দেখতে দেখতে এক ঘেয়ে বোধ করছিল, ঠিক তখনই নতুন সঞ্জীবনী সুরার মাদকতা ছড়িয়ে দিয়েছিল এ ছবিটি। তরুণ বয়সী দর্শক তো বটেই, পরিণত বয়সের দর্শকরাও ‘ববি’র প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন। বক্স অফিসে রানওয়ে হিট মুভি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছিল ‘ববি’।



কেয়ামত সে কেয়ামত তক

হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে মাঝে-মধ্যে হঠাৎ প্রচন্ড আলোর ঝলকানি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে বেশ কিছু সুপার ডুপার হিট লাভ স্টোরি মুভি। ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ তেমন একটি ব্লক বাস্টার হিট প্রেমের ছবি। যা দর্শকদের ভীষণভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল। মনসুর খান পরিচালিত এ ছবিতে সেই সময়ের জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত কোনো নায়ক-নায়িকা ছিল না। সম্পূর্ণ নতুন মুখের নায়ক নায়িকা আমির খান ও জুহি চাওলা তাদের ফ্রেশলুক এবং চমৎকার সাবলীল রোমান্টিক অভিনয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবেই সবার হƒদয়ে ঠাঁই করে নিতে পেরেছিলেন। রোমিও জুলিয়েটের প্রেম কাহিনীর আদলে এ ছবির কাহিনী গড়ে উঠলেও দর্শক ভিন্ন ট্রিটমেন্টের কারণে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবিকে আশাতীতভাবে গ্রহণ করেছিল।



ম্যায়নে পেয়ার কিয়া

রোমান্টিক ছবির ধারায় কাহিনীতে তেমন নতুনত্ব না থাকলেও সুরুজ বারজাতিয়া পরিচালিত ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ ছবিটি বলিউডি সিনেমায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। এ ছবির মাধ্যমেই রাতারাতি সুপারস্টার-এ পরিণত হয়েছিলেন নতুন নায়ক সালমান খান এবং নায়িকা ভাগ্যশ্রী। ধনী-গরীবের সামাজিক বৈষম্য ও প্রেম ভালোবাসা নিয়ে এর আগে প্রচুর হিন্দি ছবি নির্মিত হলেও ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’র নির্মাণ, শিল্পীদের অভিনয়, পর্দা উপস্থিতি, গান, নাচ সবকিছুতেই ভালোলাগার মতো বেশকিছু নতুনত্বের ছোঁয়া ছিলÑযা দর্শকদের আবিষ্ট করেছিল প্রচণ্ডভাবে।



দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে

আদিত্য চোপড়া পরিচালিত প্রথম ছবি ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে। বলিউডি সুপার ডুপার হিট মুভির ইতিহাসে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে এ ছবিটি। শাহরুখ খান-কাজল জুটির আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা সৃষ্টির পেছনে এ ছবিটি বিরাট ভূমিকা রেখেছে। তাদের দুজনের অভিনয়ে এক ধরনের স্বাভাবিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছিল। শাহরুখ-কাজলের মধ্যকার পারস্পরিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং কেমিস্ট্রি দর্শক প্রাণভরে উপভোগ করেছেন। ১৯৯৬ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবিটি ১০টি ক্যাটাগরিতে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়।



কুচ কুচ হোতা হ্যায়

রোমান্টিক হিন্দি সিনেমার ধারায় শাহরুখ খান, কাজল ও রানী মুখার্জি অভিনীত ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ ছবিটি সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছিল। অল্প বয়সী নির্মাতা করন জোহর প্রথম ছবিতেই সাফল্যের চমক দেখিয়ে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিগ শট পরিচালক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। কলেজ ক্যাম্পাসে তরুণ-তরুণীর বন্ধুত্ব, মেলামেশা এবং প্রেমকে দারুণ স্মার্টলি তুলে ধরা হয়। সেই সম্পর্ক এক সময় অন্যদিকে গড়ায়। প্রেম-বিরহকে গতানুগতিকতার বাইরে নতুন আমেজে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অদ্ভুত মুন্সিয়ানা লক্ষ্য করা গেছে এ ছবিতে। শাহরুখ খান- কাজল জুটির রোমান্টিসিজম রুপালি পর্দায় আবারও ম্যাজিক সৃষ্টি করেছিল ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র পর। ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ ছবির রোমান্টিক মেলোডিয়াস গানগুলোও দর্শকদের আবিষ্ট করেছে।



কহো না পেয়ার হ্যায়

রোমান্টিক হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে আরেকটি নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবিটি। রাকেশ রোশন পরিচালিত এ ছবিটি অভূতপূর্ব সাফল্যের চমক দেখানোর পাশাপাশি নতুন শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দারুণ উজ্জ্বল সম্ভাবনার এক নতুন সুপারস্টার অভিনেতা ঋত্বিক রোশনকে উপহার দিয়েছে। এ ছবিটি কাহিনীতে তেমন নতুনত্ব না থাকলেও ছবিটি পরিচালনায় অতিমাত্রায় যতেœর প্রকাশ, নয়ন জুড়ানো লোকেশনে শুটিং, নতুন মুখ ঋত্বিক রোশন ও আমিশা প্যাটেলের প্রাণবন্ত অভিনয়, ঋত্বিকের নতুন স্টাইলের কোরিওগ্রাফি, অনেকগুলো শ্রুতিমধুর গান ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’কে বক্স অফিসে সুপার ডুপার হিট করেছিল। আর এ ছবির বিরাট সাফল্য সাধারণ মানের একজন চিত্রনির্মাতা রাকেশ রোশনকে আপগ্রেডেড স্ট্যাটাসে প্রতিষ্ঠিত করেছে।



হাম দিল দে চুকে সানাম

সঞ্জয়লীলা বানসালির সুপারহিট মুভি ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ রোমান্টিক গল্পের অপূর্ব এক চলচ্চিত্র রূপ হিসেবে দর্শকনন্দিত হয়েছে। সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই ও অজয় দেবগন অভিনীত এ ছবির কাহিনীতে তেমন অসাধারণত্ব না থাকলেও এর নির্মাণে ছিল অপূর্ব চমক। এ ছবিতে সালমান-ঐশ্বরিয়া জুটির কেমিস্ট্রিটা ছিল অসাধারণ। অভিনীত চরিত্রে তারা মন-প্রাণ ঢেলে অভিনয় করেছিলেন। সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেম বিরহের পাশাপাশি অজয় দেবগনের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য সংকট ইত্যাদি দর্শকদের আবিষ্ট করে রেখেছে। ফলে একটি উল্লেখযোগ্য উপভোগ্য রোমান্টিক ছবি হিসেবে দর্শক নন্দিত হয়েছে ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’।



সিলসিলা

অমিতাভ বচ্চন-জয়া ভাদুড়ি-রেখা-সঞ্জীব কুমারকে নিয়ে ‘সিলসিলা’ ছবিটি নির্মাণ করে হিন্দি সিনেমার জগতে রীতিমতো আলোড়ন তুলেছিলেন প্রযোজক পরিচালক যশ চোপড়া। প্রেম এবং পরকীয়ার বিষয়গুলো ‘সিলসিলা’ ছবিতে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। অমিতাভ-রেখার প্রেমময় সম্পর্ক নিয়ে তখন বাস্তবেই বেশ হৈ চৈ চলছিল। বিবাহিত অমিতাভ ঘরে সুন্দরী অভিনেত্রী বউ জয়াকে রেখে বাইরে সুন্দরী আবেদনময়ী অভিনেত্রী রেখার প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন। রেখার কারণে অমিতাভ-জয়ার দাম্পত্য জীবনে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। পরিচালক প্রযোজক যশ চোপড়া ঠিক সেই সময়ে ত্রিভুজ সম্পর্কের অদ্ভূত এক প্রেমের গল্প নিয়ে ‘সিলসিলা’ ছবিটি নির্মাণ করেন। যা তখন দর্শকদের ভীষণভাবে আলোড়িত করেছিল। এখনও বলিউডি উল্লেখযোগ্য সেরা রোমান্টিক ছবিগুলোর অন্যতম একটি হিসেবে বিবেচিত হয় ‘সিলসিলা’।



জানে তু ইয়া জানে না

এ ছবির গল্প শুনলে খুব কম দর্শকই প্রথম দফায় আকৃষ্ট হবেন ছবিটি দেখতে। সদ্য কলেজ জীবন শেষ করে বেরিয়েছে ইমরান খান, জেনেলিয়া আর তার বন্ধুরা। ইমরান ও জেনেলিয়া মানে পর্দার জয় ও অদিতি পরস্পরের খুব ভালো বন্ধু। সারাক্ষণ একজন আরেকজনের সঙ্গে খুনসুটি করে বেড়ায়। একজন আরেকজনের সঙ্গে ঝগড়া করে সামান্য বিষয় নিয়ে। এ জন্য সবাই ভাবে, এই জুটির মিলন জীবনে কোনোদিনই হবে না। বন্ধুরা দুজনের জন্য পছন্দসই মানুষ খুঁজতে শুরু করে। এক সময় তারা পেয়েও যায়। তখনই জয় ও অদিতি অনুভব করতে থাকে ‘দে আর মেড ফর ইচ আদার’। বহুশ্রুত এই গল্পকেই পরিচালক আব্বাস টায়ারওয়ালা তার পরিচালনার মুন্সিয়ানায় প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। ২০০৮ সালের অন্যতম সেরা ব্যবসাসফল ছবি হিসেবে গণ্য হয়েছে ‘জানে তু ইয়া জানে না’। আর এই ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে হালের তরুণ-তরুণীদের হার্টথ্রবে পরিণত হয়েছেন ইমরান খান। যেমনটা হয়েছিলেন বিশ বছর আগে ইমরানের মামা আমির খান ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবির মাধ্যমে। একুশ শতকের একটি তরতাজা তারুণ্যদীপ্ত প্রেমের ছবি হিসেবে ‘জানে তু ইয়া জানে না’ বলিউডে দারুণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এভাবেই ছবিটি উল্লেখযোগ্য প্রেমের ছবির তালিকায় সহজেই ঠাঁই করে নিতে পেরেছে।

Monday, August 16, 2010

জীবনযুদ্ধ এবং কিছু স্বপ্ন

0 comments
ছবিটি দেখলে একটু অবাকই লাগে। গ্রামের কিছু মানুষ বসে আছে। তাদের জীবন যেন থমকে গেছে। কোনো এক হতাশা থামিয়ে দিয়েছে জীবনচাকা। আর সামনে একটি টিউবওয়েল এবং একটি টেলিভিশন। সবাই এ দুটো জিনিসের দিকে এমনভাবে তাকিয়ে আছে, যেন আজব কিছু দেখছে। হ্যাঁ, জিনিস দুটি তাদের কাছে সত্যিই আজব। যাদের বেঁচে থাকার জন্য যুদ্ধ করে যেতে হচ্ছে অবিরাম, তাদের কাছে পুকুরের জলই তৃষ্ণা মেটানোর জন্য শ্রেষ্ঠ পানীয়; টিউবওয়েল স্বপ্ন। আর টেলিভিশন স্বপ্নের চেয়েও বড় কিছু। একজন কৃষক এবং তার জীবনযুদ্ধ নিয়ে এটি নির্মাণ করেছেন আনুশা রিজভী। প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা আমির খান। মুক্তি পেয়েছে ১৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটি এরই মাঝে দর্শকনন্দিত হয়েছে, প্রশংসাও কুড়িয়েছে। আমির খান আবারো প্রমাণ করলেন, তিনি হাত দিলেই সব 'সোনা' হয়ে যায়।
ছবির নাম ‘পিপলি লাইভ’। তবে মুক্তির পরপরই ছবিটি নিয়ে একদিকে যেমন ভালো ছবি বলে প্রচারণা এবং ধন্যবাদ শুনতে হচ্ছে আমিরদের, সঙ্গে ভৎসনা আর প্রতিবাদের মুখোমুখিও হচ্ছেন তাঁরা৷
মহারাষ্ট্রের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা এই কাহিনীর প্রতিবাদ করেছেন৷ তাঁরা বলছেন, এই ছবির কাহিনীতে তাঁদের সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে কৃষকদের অপমান এবং অসন্মানও করা হয়েছে৷ ভারতে অনেক কৃষক আত্মহুতি দিয়েছেন, প্রতিবাদে, দুঃখে৷ সরকারের কাছ থেকে অর্থ পাবার জন্য নয়৷
প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রাজনীতিবিদরাও৷ আর সব মিলিয়ে একে বড় ধরণের একটি আন্দোলন হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন তাঁরা৷ প্রতিবাদকারীরা তাঁদের দাবির কথাটি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন৷ আর তা হলো, এই ছবি প্রদর্শন দেশে এবং বিদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে৷ সেই সঙ্গে ভারতীয় ফিল্ম সেন্সর বোর্ড এই ছবির মুক্তির জন্য ছাড়পত্র দেয়ায়, তাদেরকেও ক্ষমা চাইতে বলেছেন এই প্রতিবাদীরা৷ অবশ্য বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি আমির খান, ছবিটির পরিচালক অথবা আমিরের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান৷ দেখা যাক কোথাকার জল কোথায় গড়ায়৷
এদিকে, ভারতীয় পত্র-পত্রিকাগুলো জানাচ্ছে, গত শুক্রবার মুক্তির পর এ পর্যন্ত আমিরের নতুন ছবি ‘পিপলি লাইভ’ প্রায় ১৬ কোটি ভারতীয় টাকা আয় করেছে৷ অথচ এই ছবিটি তৈরি করতে নাকি মোট পাঁচ কোটি টাকার বেশি খরচই হয়নি আমির খানের৷