Showing posts with label Finance. Show all posts
Showing posts with label Finance. Show all posts

Sunday, November 17, 2013

ইসলামী ব্যাংক এর “এম ক্যাশ” এর সুবিধা সমূহ

0 comments

এম ক্যাশ-এর সুবিধা সমুহ

দিনে ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন ও ৩৬৫ দিন ব্যাংকিং সুবিধা শাখাবিহীন ব্যাংকিং সুবিধা দেশের যেকোন স্থান হতে ব্যাংকিং সেবা গ্রহন সম্ভব। বিদেশ হতে অল্প সময়ে সরাসরি মোবাইল একাউন্টে অর্থ প্রেরণ ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহনের ব্যবস্থা সর্বাধিক ও অধিকতর নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রায় সকল কার্যক্রমে ব্যাংক লেনদেনের সুযোগ সৃস্টি করা

এম ক্যাশ-এর সেবা সমুহ
স্বল্প সময়ে গ্রাহকের একাউন্ট খোলা
বিদেশ হতে অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ
নগদ টাকা জমা
নগদ টাকা উত্তোলন
এক একাউন্ট হতে অন্য একাউন্টে অর্থ স্থানান্তর
একাউন্টের ব্যালান্স জানা
বেতন/ভাতা প্রেরণ ও গ্রহণ
মোবাইল টপ-আপ (রিচার্জ)
পণ্য ক্রয়-বিক্রয়
যেকোন মোবাইল ফোন ও সিম ব্যবহার করে এই সুবিধা গ্রহণ
শুধুমাত্র ২০ টাকা জমা দিয়েই একাউন্ট খোলা যায়
ব্যাংকের অন্যান্য একাউন্টের সাথে লেনদেনের (জমা, উত্তোলণ, হস্তান্তর) ব্যবস্থা

এম ক্যাশ-এর একাউন্ট খোলা ও লেনদেন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ মনোনীত যেকোন এজেন্ট, ব্যাংকের যেকোন শাখা এবং এম ক্যাশ চুক্তিবদ্ধ মোবাইল ফোন কোম্পানী কর্তৃক মনোনীত যেকোন এজেন্ট এর কাছে একাউন্ট খোলা ও লেনদেন করা যাবে। এজেন্টের কাছে খোলার ফরম পাওয়া যাবে।
এই একাউন্ট খোলার ফরম পূরণ করে ২০ টাকা জমা দিয়ে একাউন্ট খোলা যাবে।

এম ক্যাশ-এ একাউন্ট খোলার জন্য যা লাগবে
১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
জাতীয় পরিচয় পত্র/ নাগরিক সনদ পত্র/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ পাসপোর্ট এর ফটোকপি
এজেন্ট/ কর্মকর্তা গ্রাহকের তথ্যাবলীর মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইল একাউন্ট খুলবেন এবং গ্রাহকের মোবাইলে সাথে সাথে একটি SMS যাবে।
গ্রাহকের মোবাইল নাম্বারটির সাথে একটি Cheek ডিজিট যুক্ত হয়ে মোট ১২ সংখ্যার একটি মোবাইল একাউন্ট হবে।
এরপর গ্রাহকের মোবাইল ফোনে একটি ফোন আসবে এবং গ্রাহককে গোপন ৪ ডিজিটের PIN দিতে বলবে। গ্রাহক তার নিজসব চার ডিজিটের
PIN দিবেন এবং এই PIN ই পরবর্তীতে তার লেনদেনের জন্য গোপন PIN হিসেবে কাজ করবে। এই অবস্থায় গ্রাহক তার মোবাইল
একাউন্টে টাকা জমা দিতে পারবে।

এম ক্যাশ-এ মোবাইল একাউন্টে লেনদেনের সীমা
দৈনিক জমা : সর্ব্বোচ্চ ৫ বার
দৈনিক উত্তোলন : সর্ব্বোচ্চ ৫ বার
দৈনিক অর্থ স্থানান্তর : সর্ব্বোচ্চ ১০ বার
দৈনিক জমার পরিমাণ : ৫০-২৫,০০০ টাকা
দৈনিক উত্তোলণের পরিমাণ : ৫০-২৫,০০০ টাকা
দৈনিক স্থানান্তরের পরিমাণ : ১০-৫,০০০ টাকা
মাসিক মোট জমা : সর্ব্বোচ্চ ৩০ বার
মাসিক মোট উত্তোলন : সর্ব্বোচ্চ ১৫ বার
মাসিক মোট অর্থ স্থানান্তর : সর্ব্বোচ্চ ১০০ বার
মাসিক জমার পরিমাণ : ৩,০০,০০০ টাকা
মাসিক উত্তোলণের পরিমাণ : ১,৫০,০০০ টাকা
মাসিক স্থানান্তরের পরিমাণ : ১,০০,০০০ টাকা

মোবাইল একাউন্টে লেনদেনের সার্ভিস চার্জ
একাউন্ট খোলাঃ ফ্রি
বৈদেশিক অর্থ জমাঃ ফ্রি
বেতন ভাতা গ্রহনঃ ফ্রি
মোবাইল টপ-আপ (রিচার্জ)- ফ্রি
একাউন্ট ব্যালান্স চেকঃ ফ্রি
অর্থ জমাঃ ফ্রি
অর্থ উত্তোলনঃ ১০-১০০০ টাকা পর্যন্ত ১০ টাকা ১০০১-২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ১% হারে
মার্চেন্ট পেমেন্টঃ ফ্রি

-মিজানুর রহমান সোহেল

Thursday, March 14, 2013

মূল্যায়িত বীমা চুক্তি

0 comments
হিজবুল বাহার নামক জাহাজটি পণ্য রপ্তানির কাজে নিয়োজিত। যাত্রাপথে জাহাজটি বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ায় এর মালিক নাভানা সাধারণ বীমা লিমিটেডের সঙ্গে এক বছর মেয়াদি একটি বীমাচুক্তিতে আবদ্ধ হন। ইতিপূর্বে জাহাজটি যে বীমাচুক্তিগুলো সম্পাদন করেছিল তাতে যাত্রার সময় উল্লেখ করেছিল। কিন্তু এই চুক্তিতে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না।

প্রশ্ন: ক. মূল্যায়িত বীমা পত্র কী?
প্রশ্ন: খ. পণ্য নিক্ষেপণ বলতে কী বোঝ?
প্রশ্ন: গ. হিজবুল বাহারের মালিক কোন ধরনের নৌবীমা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন? বর্ণনা করো।
প্রশ্ন: ঘ. নাভানা সাধারণ বীমা লিমিটেডের সঙ্গে হিজবুল বাহারের মালিক যে বীমাচুক্তি করেছে তার বৈধতা নিরূপণ করো।

উত্তর: ক. মূল্যায়িত বীমাপত্র: যে বীমাপত্রে বীমাকৃত বিষয়বস্তুর মূল্য উল্লেখ করা থাকে এবং দুর্ঘটনার কারণে উক্ত বিষয়বস্তু ক্ষতিগ্রস্ত হলে চুক্তি অনুযায়ী তার ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে, তাকে মূল্যায়িত বীমাপত্র বলে।

উত্তর: খ. পণ্য নিক্ষেপণ: পণ্য নিক্ষেপণ বলতে জাহাজের নিরাপত্তার জন্য জাহাজকে হালকা বা বিপদমুক্ত করার লক্ষ্যে স্বেচ্ছায় পণ্য বা জাহাজের কোনো যন্ত্রাংশ ছুড়ে ফেলাকে বোঝায়। পণ্য নিক্ষেপণের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি বীমাকারী ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য থাকে।

উত্তর: গ. হিজবুল বাহারের মালিক জাহাজ বীমা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন। সমুদ্রে চলাচলের সময় জাহাজ বিভিন্ন বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। এসব বিপদের কারণে সম্ভাব্য ক্ষতির বিরুদ্ধে জাহাজের মালিক বীমাকারীর সঙ্গে যে বীমাপত্র গ্রহণ করা হয় তাকে জাহাজ বীমা বলে।
উদ্দীপকে হিজবুল বাহার নামক জাহাজটির মালিক জাহাজটি ঝুঁকিজনিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নাভানা সাধারণ বীমা লিমিটেডের সঙ্গে বীমা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন। এ ধরনের বীমাকে নৌবীমার আলোকে জাহাজ বীমা বলা যায়। সুতরাং হিজবুল বাহারের মালিক বাহার বীমাচুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন।

উত্তর: ঘ. নাভানা সাধারণ বীমা লিমিটেডের সঙ্গে হিজবুল বাহারের মালিক যে বীমা চুক্তি করেছে আমার মতে, বীমা চুক্তি হিসেবে এটি বৈধতা হারিয়েছে। কারণ, এতে নৌবীমার অন্যতম ব্যক্ত শর্ত যাত্রার সময় উল্লেখ না থাকা।
নৌবীমাচুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্ত শর্ত হচ্ছে সমুদ্র যাত্রার সময় বীমাপত্রে উল্লেখ করা। কোন দিন বা কোন সময়ে সংশ্লিষ্ট জাহাজটি পণ্যসামগ্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করবে তা চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হয়। এ শর্তটি যদি বীমাপত্রে উল্লেখ না থাকে তাহলে নৌবীমাচুক্তি বাতিল বলে গণ্য হয়।
উদ্দীপকে এক বছর মেয়াদি জাহাজ বীমা চুক্তি যা হিজবুল বাহারের মালিক নাভানা সাধারণ বীমা লিমিটেডের সঙ্গে আবদ্ধ হয়, তাতে যাত্রার সময় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এটি একটি ব্যক্ত শর্ত, যা না থাকলে বীমাপত্র বাতিল বলে গণ্য হয়।
সুতরাং হিজবুল বাহারের মালিকের সঙ্গে বীমাকারীর যে চুক্তি তাতে নৌবীমায় ব্যক্ত শর্তের অনুপস্থিতি থাকায় এটি বৈধতা হারিয়েছে বলে আমি মনে করি।


ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ

মাসুদা আক্তার |  প্রভাষক, শহীদ বীরউত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা

Tuesday, August 28, 2012

খুচরা ব্যবসায়

0 comments
প্রশ্ন-১।খুচরা ব্যবসায়ী কাকে বলে? 
উত্তর : পাইকার বা উত্পাদনকারীর নিকট থেকে পণ্য সংগ্রহ করে ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে বা প্রতিষ্ঠানকে খুচরা ব্যবসায়ী বলে।

প্রশ্ন-২। খুচরা ব্যবসায় কী? 
উত্তর : যে ব্যবসায়ের মাধ্যমে উত্পাদনকারী, পাইকার বা অন্য কোনো উত্স হতে পণ্য সংগ্রহ করে তা চূড়ান্ত ভোক্তাদের নিকট সরবরাহ করা হয় সেটি হলো খুচরা ব্যবসায়। মুদি দোকান, মাছ, তরকারি ইত্যাদি বিক্রয়ের ব্যবসায় খুচরা ব্যবসায়ের উদাহরণ।

প্রশ্ন-৩। খুচরা ব্যবসায়ের প্রধান কাজ কোনটি?
উত্তর : খুচরা ব্যবসায়ের প্রধান কাজ হলো পণ্য ক্রয় বা সংগ্রহ করা। ভোক্তাদের রুচি, পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী উত্পাদক, আমদানিকারক, পাইকার ইত্যাদি বিভিন্ন উত্স হতে পণ্য ক্রয় বা সংগ্রহ করা হয়।

প্রশ্ন-৪। আদর্শ বিক্রয়কর্মী কাকে বলে?
উত্তর : আদর্শ বিক্রয়কর্মী বলতে এমন একজন বিক্রয়কর্মীকে বোঝায় যিনি তার অমায়িক ব্যবহার ও মোহনীয় ব্যক্তিত্বের দ্বারা ক্রেতাদের পণ্য ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদেরকে নিয়মিত ও স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত করেন।

প্রশ্ন-৫। পণ্য বিভাগকরণ কাকে বলে?
উত্তর : বিক্রয়ের সুবিধার্থে পণ্যকে এর গুণ, মান, রং বৈশিষ্ট্য, ব্যবহার ইত্যাদির ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস করাকে পণ্য বিভাগকরণ বলে।

প্রশ্ন-৬। ভোক্তার সংজ্ঞা দাও। 
উত্তর : ভোক্তা হলেন সেই ব্যক্তি যিনি দ্রব্য ভোগ বা ব্যবহার করেন।

প্রশ্ন-৭। খুচরা ব্যবসায়ের তথ্য সরবরাহ কী?
উত্তর : খুচরা ব্যবসায়ের তথ্য সরবরাহ বলতে বোঝায় খুচরা ব্যবসায়ী ভোক্তাদের নিকট হতে তাদের অভিরুচি, পছন্দ-অপছন্দ ও চাহিদা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে পাইকারের মাধ্যমে উত্পাদকের নিকট তথ্য পৌছানোর ব্যবস্থা।

প্রশ্ন-৮।খুচরা ব্যবসায়ের স্থান নির্বাচন কাকে বলে?
উত্তর : খুচরা ব্যবসায়ের স্থান নির্বাচন বলতে বোঝায় যেখানে সেখানে দোকান স্থাপন না করে, চিন্ত-ভাবনার ভিত্তিতে যে পণ্যের জন্যে যে স্থানটি উপযুক্ত সে স্থানটিতে দোকান স্থাপনের জন্যে নির্বাচন করা।

প্রশ্ন-৯। খুচরা বিপণি প্রতিষ্ঠায় কোন বিষয় প্রথমে বিবেচনা করতে হবে?
উত্তর : খুচরা বিপণি প্রতিষ্ঠায় প্রথমে স্থান নির্বাচনের বিষয়টি বিবেচনা করতে হয়।

প্রশ্ন-১০। বহুশাখা বিপণি কী? 
উত্তর : যখন কোনো উত্পাদনকারী দেশে বা বিদেশের বিভিন্ন শহর বা অঞ্চলে একই ধরনের বহুসংখ্যক খুচরা দোকান প্রতিষ্ঠা করে নিজস্ব উত্পাদিত দ্রব্য সরাসরি ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করে তখন তাকে বহুশাখা বিপণি বলে।

প্রশ্ন-১১। খুচরা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করো।
উত্তর : খুচরা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রগুলো হলো-কাঁচাবাজার, মুদির দোকান, পান, বিড়ি, সিগারেট, পাউরুটি, বিস্কুট, দুধ, ডিম ইত্যাদি।

প্রশ্ন-১২। বিপণিভিত্তিক খুচরা ব্যবসায়ের নাম লেখো।
উত্তর : বিপণিভিত্তিক খুচরা ব্যবসায় বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। প্রধান দুটির নাম হলো- বহুশাখা বিপণি, বিভাগীয় বিপণি।

প্রশ্ন-১৩। বিক্রয় পূর্বাভাস কী?
উত্তর : কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট অবস্থায় ক্রেতাগণের ভোগ ও ক্রয় সম্পর্কিত আচরণ কী রকম হতে পারে সে সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করাকে বিক্রয় পূর্বাভাস বলে।

Monday, March 14, 2011

ফিন্যান্স ও একাউন্টিং-এ ক্যারিয়ার

0 comments
বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী চাকরি বাজারে ফিন্যান্স/একাউন্টিং প্রফেশনালদের বিপুল চাহিদা রয়েছে। ফলে একজন দক্ষ ফিন্যান্স/একাউন্টিং প্রফেশনাল যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন । বৈশ্বিক চাকরি বাজারে ফিন্যান্স/একাউন্টিং প্রফেশনালদের এ চাহিদার কারণে বর্তমান সময়ে সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঝুঁকছেন ফিন্যান্স/একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশনের প্রতি। ফিন্যান্স/একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশনের ক্ষেএ বিশ্বব্যাপী যুক্তরাজ্যর অ্যাওয়াডির্ বডি এসিসিএ এবং সিআইএমএ আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক স্বীকৃত প্রফেশনাল বডি। যে কেউ চাইলেই ফাউন্ডেশন ইন একাউন্টেন্সিতে (এফআইএ) ভর্তি হতে পারবে। শিক্ষাথীদের সরাসরি সিএটি ভর্তির পরিবর্তে এফআইএ বা এসিসিএ তে ভর্তি হবে। এফআইএ এর ভর্তির যোগ্যতা এফআইএ ভর্তি সবার জন্য উন্মুক্ত। উল্লেখ্য এফআইএ তে সাতটি কোর্স এবং সবগুলো পরীক্ষা কম্পিউটার বেইজড। এসিসিএ-এ ভর্তির ১৬ বছর বয়স হলে যে কেউ সিবিএ-তে ভর্তি হতে পারবে। অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস গ্রাজুয়েটরা সিআইএমএ রেজিষ্ট্রেশন স্বাপেক্ষে সিবিএ-এর পাঁচটি বিষয় ওয়েভার পেতে পারেন।। এমবিএ ডিগ্রি হোল্ডারগণ সিএমজিএ (সিমা মাস্টার্স গেটওয়ে এসেসমেন্ট) পরীক্ষা দিয়ে সিমা এর ১১টা বিষয় ওয়েভার পেতে পারেন। প্রফেশনাল ফিন্যান্স/একাউন্টিং এ ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য সুখবর হলো বাংলাদেশেই এখন বিশ্বমানের এসিসিএ/এফআইএ এবং সিআইএমএ/সিবিএ শিক্ষা পাওয়া সম্ভব। বিশ্বমানের শিক্ষার জন্য আর দেশের বাইরে যাবার প্রয়োজন নাই। এলসিবিএস থেকে ফিন্যান্স/একাউন্টিং শিক্ষা গ্রহণ করে যে কেউ গড়তে পারে স্মার্ট ক্যারিয়ার। গতানুগতিক চাকরির আশায় বসে না থেকে ফিন্যান্স ও একাউন্টিং-এ স্বশিক্ষিত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব। এলসিবিএস, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোনঃ ৮১৯১৩৯৩, ০১৭৪৬-৩৮৮৬৪৪ www.lcbsdhaka.ie *
-ক্যারিয়ার ডেস্ক