আকাশ সংস্কৃতির জোয়ার আর মারদাঙ্গা মুভি ও মিউজিকের ভিড়ে আমাদের বই পড়ার অভ্যাসটি যতোই কমুক না কেন; একটি ভালো বইয়ের কদর সবসময়ই আলাদা। আর তাই নানা সময়ে সাহিত্য আর কল্পনার মিশেলে বহু গল্প-উপন্যাস যেমন ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, তেমনি এইসব সৃষ্টি উৎসাহিত করেছে সংস্কৃতির অপরাপর ধারাকেও। ২০০৩-এ প্রকাশিত আলোচিত উপন্যাস ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ সম্পর্কেও এ কথাটি প্রযোজ্য। ড্যান ব্রাউনের লেখা এই উপন্যাসটি অবলম্বনে ইতিমধ্যেই নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রÑযা বিশ্বের নানা দেশের চলচ্চিত্রমোদীদের যেমন মুগ্ধ করেছে, তেমনি যুগিয়েছে আলোচনার খোরাকও। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাস অবলম্বনে ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০৬ সালে। আর এটি পরিচালনা করেন রন হাওয়ার্ড। চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে দেখা মেলেÑটম হ্যাংকস্, অড্রে টোটু, ইয়ান ম্যাককেলেন, আলফ্রেড মোলিনার মতো তারকাদের। রন হওয়ার্ড তার চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে দু-একটি জায়গায় ব্যাখ্যামূলক প্লট যোগ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনুসরণ করেছেন মূল উপন্যাসের গল্পকে। এ কারণে ধর্মীয় পটভূমিকে মাথায় রেখে ড্যান ব্রাউন তার উপন্যাসে যে রহস্য, রোমাঞ্চ, কল্পনা আর অপরাধচিত্রের মিশেল ঘটিয়েছিলেন তার দেখা মেলে রন হাওয়ার্ডেও চলচ্চিত্রায়নেও। মূলত প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে চলে আসা রোমান ক্যাথলিক চার্চের একটি বিতর্কের পটভূমি থেকেই এগিয়ে যায় ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’-এর কাহিনী। হলি গ্রেইল লিজেন্ড এবং ক্রিশ্চিয়ানিটির ইতিহাসে ম্যারি ম্যাগডালেন-এর ভূমিকা খুঁজতে গিয়েই এই চলচ্চিত্রে দর্শকদেও পরিচয় ঘটে ভিন্ন এক ঘটনা প্রবাহের সাথে। তবে উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের এই প্রচেষ্টা পাঠক-দর্শকদের কাছে সমাদৃত হলেও ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়, বিশেষত ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ, ইউরোপিয়ান আর্ট ক্রিটিক্স এবং ঐতিহাসিকদের কাছে।
বিষয় সমূহ
- Animal (67)
- Artical (30)
- Education (82)
- Fitness (19)
- Food (45)
- Game (12)
- Hijra(হিজড়া) (7)
- Journalism (23)
- Law (19)
- Liberation War(মুক্তিযুদ্ধ) (34)
- Love Effect (26)
- Mosque (43)
- Music (17)
- Nobel Prize (5)
- Organization (30)
- Others (56)
- Plants(গাছ-পালা) (29)
- Politics(রাজণীতি) (24)
- Scandal Religion (1)
- Tribe (8)
- Violence (16)
- Wikileaks (3)
Like for Update
64 Districts
- Bagerhat (4)
- Bandarban (3)
- Barisal (3)
- Bhola (3)
- Bogra (11)
- Brahmanbaria (2)
- Chandpur (4)
- Chapai Nawabganj (2)
- Chittagong (6)
- Comilla (2)
- Cox's Bazar (14)
- Dhaka (65)
- Dinajpur (6)
- Faridpur (1)
- Feni (1)
- Gaibandha (1)
- Gazipur (3)
- Gopalgonj (2)
- Habiganj (2)
- Jamalpur (4)
- Jessore (3)
- Jhenidah (2)
- Khagrachari (1)
- Khulna (3)
- Kishorgonj (2)
- Kurigram (1)
- Kushtia (3)
- Lalmonirhat (2)
- Madaripur (3)
- Magura (1)
- Manikgonj (1)
- Meherpur (2)
- Moulvibazar (14)
- Munsiganj (3)
- Mymensingh (5)
- Naogaon (8)
- Narayanganj (2)
- Natore (10)
- Netrokona (1)
- Nilphamari (2)
- Noakhali (1)
- Pabna (3)
- Panchagarh (2)
- Patuakhali (7)
- Pirojpur (1)
- Rajbari (1)
- Rajshahi (8)
- Rangamati (3)
- Rangpur (5)
- Satkhira (4)
- Sherpur (2)
- Sirajganj (5)
- Sunamganj (4)
- Sylhet (11)
- Tangail (1)
Showing posts with label Review. Show all posts
Showing posts with label Review. Show all posts
Thursday, September 16, 2010
Wednesday, September 15, 2010
অপরিচিত
আলম ও নীলা, এক অদ্ভূত দম্পতি। আলম ভীষণ নিরীহ গোছের। স্ত্রীকে প্রচন্ড ভালোবাসে। কিন্তু নিলা আলমকে সন্দেহ করে। নিলা প্রায়ই স্বপ্ন দেখে আলম তাকে খুন করে ফেলছে। নিলার স্বপ্নগুলো হয়তোবা শুধুই স্বপ্ন। কিন্তু সে বাস্তব জীবনে সে সব স্বপ্নের মিল খুঁজে পায়। একটা সময় আলম-নিলা দুজনই স্বপ্ন এবং বাস্তবের মাঝামাঝি এক অদৃশ্য জায়গায় আটকে যায়। আলম কোনভাবেই নিলাকে শান্ত করতে পারে না। এভাবেই চলতে থাকে নাটকটির কাহিনী।
নাটকটির রচনা ও পরিচালনায় অনিমেষ আইচ। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অপি করিম, ফারজানা চুমকী, পার্থ প্রমুখ।
নাটকটির রচনা ও পরিচালনায় অনিমেষ আইচ। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অপি করিম, ফারজানা চুমকী, পার্থ প্রমুখ।
দ্য টাওন
চেহারা দেখে অনেক কিছুই বোঝা যায় না। কেউ দেখতে খুব সহজ-সরল, কিন্তু সত্যিই কি সে সহজ-সরল? আমাদের চারপাশে মুখোশ পরা হাজারো মানুষের বসবাস। সুযোগ পেলেই সর্বনাশ করে ছাড়বে। ছবির মেয়েটি তেমনই একজন। দেখতে সাদাসিধে; কিন্তু আসলে সে তা নয়। একটি অপরাধ চক্রের সঙ্গে মেয়েটি জড়িত। ভালো মানুষ রূপ নিয়ে সে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এভাবেই একসময় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই'র ভিতরও সে ঢুকে পড়ে। নীরব ঘাতক হয়ে কাজ করে। তারপর? জানা যাবে 'দ্য টাওন' চলচ্চিত্রটিতে। এতে নীরব ঘাতক চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেবেকা হল। আরো আছেন বেন অ্যাফ্লেক, জন হ্যাম, জেরেমি রেনার, ব্ল্যাক লাইভলি প্রমুখ। রোমান্স, রহস্য এবং নাটকীয় স্বাদের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বেন অ্যাফ্লেক।
Tuesday, September 14, 2010
কাঁটা
একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি হয় । স্বপন এবং তার স্ত্রী সবিতা ভুতের গলির আজিজ মোল্লার বাড়ীতে ঘর ভাড়া নেয়। ঘর ভাড়া নেয়ার সময় মহল্লাবাসীরা স্বপন এবং সবিতাকে এই বাড়ীতে থাকতে মানা করে। কারণ এই বাড়ীতে একটা কুয়া আছে এবং এর আগেও আজিজ মোল্লার বাড়ীতে স্বপন সবিতা নামে এক দম্পতি থাকতে এসেছিলো এবং তারা কুয়ায় পড়ে মারা যায়। তাদের আরো মনে পড়ে ১৯৭১ সালে এই আজিজ মোল্লার বাড়ীতে স্বপন সবিতা নামে আর এক দম্পতি ছিলো, তারা ও এই কুয়ায় পড়ে যায় কিংবা রাজাকারদের হাত থেকে বাঁচার জন্য মহল্লাবাসীরা স্বপন সবিতাকে কুয়ায় ফেলে দেয়। বার বার স্বপন সবিতারা কেন আজিজ মোল্লার বাড়ীতে ঘর ভাড়া নিতে আসে আর কেনই বা তারা কুয়ায় পড়ে যায়, ব্যাপারটা নিয়ে ভুতেরগলি নারিন্দার লোকেদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
শহীদুল জহিরের রচনায় পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। অভিনয় করেছেন- এ টি এম শামসুজ্জামান, শহিদুজ্জামান সেলিম, দ্বীপান্বিতা প্রমুখ।
শহীদুল জহিরের রচনায় পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। অভিনয় করেছেন- এ টি এম শামসুজ্জামান, শহিদুজ্জামান সেলিম, দ্বীপান্বিতা প্রমুখ।
অদৃশ্য রমনী
৩৫ বছর বয়সী চা বাগানের মালিক সাহেদ ও ৩২ বছর বয়সী সাহেদের স্ত্রী গৃহবধূ তানিয়া বাস করে চা বাগানের সুন্দর একটি বাংলোয়। ৮ বছর দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর সন্তান ধারনে অপারগ তানিয়ার প্রতি সাহেদের আকর্ষণ প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে।
তানিয়া সাহেদের আচরনে স্পষ্ট টের পায় তার প্রতি অবজ্ঞা। তানিয়াদের বাংলোয় আমেরিকা থেকে বেড়াতে আসে তার খালাতো বোন অসম্ভব সুন্দরী ২০ বছরের তরুনী সোহানা। সাহেদ সোহানার প্রতি আকৃষ্ট হয়। সাহেদ ও সোহানার প্রেম যখন স্রোতের মতো বয়ে চলে তানিয়া তখন আবিষ্কার করে সাহেদের কাছে সে অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চিত্রনাট্য করেছেন আকরাম খান ও সূবর্ণা সেঁজুতি টুশি এবং পরিচালনা করেছেন আকরাম খান। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, জয়া আহসান, সারিকা প্রমুখ।
তানিয়া সাহেদের আচরনে স্পষ্ট টের পায় তার প্রতি অবজ্ঞা। তানিয়াদের বাংলোয় আমেরিকা থেকে বেড়াতে আসে তার খালাতো বোন অসম্ভব সুন্দরী ২০ বছরের তরুনী সোহানা। সাহেদ সোহানার প্রতি আকৃষ্ট হয়। সাহেদ ও সোহানার প্রেম যখন স্রোতের মতো বয়ে চলে তানিয়া তখন আবিষ্কার করে সাহেদের কাছে সে অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চিত্রনাট্য করেছেন আকরাম খান ও সূবর্ণা সেঁজুতি টুশি এবং পরিচালনা করেছেন আকরাম খান। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, জয়া আহসান, সারিকা প্রমুখ।
শূণ্য মানব
অল্প বয়সে প্রেম করে বিয়ে করেছিল আকমলের মেয়ে রূপা। তারপর আর কোন দিন বাবার বাড়িতে পা দিতে পারেনি। স্বামী তাকে ছেড়ে যাবার পরও, যখন রূপার যাবার আর কোন বিন্দু মাত্র যায়গা ছিলনা তখনও আকমল তার বাড়ির দরজা খোলেনি । মেয়ের প্রতি ভালবাসা বা পুত্রের প্রতি ভালবাসা কোন দিন প্রকাশ করেননি। এমনকি তার স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা ও প্রকাশ করেনি কোন দিন। ইদানিং প্রায়ই রূপার জন্য তার মন খারাপ থাকে। মাঝে মাঝে মেয়েকে দেখার জন্য পাগল হয়ে যায়। কত খোঁজ করেছে। কেউ কিছু বলতে পারে না।
বিপাশা হায়াতের রচনা ও তৌকির আহমেদের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ওয়াহিদা মলিক জলি, তৌকির, সুইটি প্রমূখ।
বিপাশা হায়াতের রচনা ও তৌকির আহমেদের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ওয়াহিদা মলিক জলি, তৌকির, সুইটি প্রমূখ।
এবং হুমায়রা বেগম
পুরনো ঢাকার একটি কট্টর রক্ষণশীল পরিবারকে কেন্দ্র করে নাটকের কাহিনী গড়ে উঠেছে । মূলত পরিবারটির কর্তাব্যাক্তি কট্টর রক্ষণশীল। তিনি তার স্ত্রী-কন্যাদেরকে কখনও বাড়ির বাইরে যেতে দেন না। পরপুরুষের চেহারা দেখা হারাম বলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এরইমধ্যে সৌদি প্রবিিস এক পাত্রের সাথে বড় মেয়ের বিয়ে ঠিক করেন। কিন্তু কন্যার মা বা কন্যা নিজেও পাত্রকে দেখার সুযোগ পায় না। বিয়ের রাতে কনে বরের চেহারা দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এমন আকস্মিকতায় বর ভরকে যায়। সে শ্বশুর বাড়ির কট্টর গোড়ামি প্রথা ভাঙতে চায়।
রচনা ও পরিচালনা করেছেন ইদ্রিস হায়দার। অভিনয়ে হাসান মাসুদ, বিন্দু, দিতি, আইরিন, মিশু, কাজী রাজু প্রমুখ।
রচনা ও পরিচালনা করেছেন ইদ্রিস হায়দার। অভিনয়ে হাসান মাসুদ, বিন্দু, দিতি, আইরিন, মিশু, কাজী রাজু প্রমুখ।
লাঞ্চ দেন সাফার
মেজবাউদ্দীন সুমনের রচনা ও সাজ্জাদ সুমনের পরিচালনায় বিশেষ নাটক লাঞ্চ দেন সাফার। শামীমের অফিসের সবাই জানে শামিমের বউ রুচির রান্না তুলনাহীন। সুযোগমত লাঞ্চে শামীমের খাবারে ভাগ বসায় কেউ কেউ। একদিন শামীমের বšু রিয়াজ অফিসের এসে রুচির খাবার খেয়ে মুগ হয়ে যায়। এরপর প্রায় প্রতিদিনই দুপুরে লাঞ্চে এসে হাজির হয় রিয়াজ। একপর্যায়ে বাসায়ও যাওয়া শুরু করে সে। রিয়াজের অত্যাচারের মাত্রা বা তে থাকে। মাঝে মাঝে রাতের খাবার কিংবা সকালের নাস্তায়ও চলে আসে সে। শামীমের বাজার খরচ বাড়তে থাকে। বšুর জন্য রুচির সাথে মনমালিন্য শুরু হয়ে যায় রিয়াজের। রিয়াজের জালাতন থেকে বাচার জন্য শামিম ও রুচি রিয়াজকে বিয়ে করিয়ে দেয় রুচির বাšবী কণার সাথে। ঘটে নতুন বিপত্তি। কনা পিটিএ ট্রেনিংয়ের জন্য রাজশাহী যাবার সময় স্বামীর খাবার দায়িত্ব দিয়ে যায় বাšবী রুচীকে। এ নাটকে অভিনয় করেছেন সজল, বাঁধন, ইন্তেখাব দিনার প্রমূখ।
অটোসাজেশন
‘রাগই হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। রাগ মানুষের জীবনের সব আনন্দ মাটি করে দেয়। দেহ মনকে করে তোলে অশান্ত, অস্থির। ফলে স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পারস্পারিক ভুল বুঝাবুঝি তৈরী হয়। একটি ভালো কথাও তখন নিকটজনেরা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনা। এর প্রভাব পড়ে নিজের কর্মস্থলে। সহকর্মী, অফিসের বস, সবার কাছে আপনি হয়ে ওঠেন অপ্রিয় একজন মানুষ। ফলে হতাশা দিনদিন বাড়তে থাকে। এক সময় নিজেকে একজন চরম ব্যর্থ মানুষ মনেহয়। এতে জীবনের অফুরন্ত সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যায়। জীবনকে সত্য, সুন্দর আর সাফল্যময় করে তুলতে তাই প্রয়োজন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি। বিজ্ঞানীদের মতে দৃষ্টিভঙ্গি দু'ধরনের। এক. রি-এ্যাকটিভ, দুই. প্রো-এ্যাকটিভ। যে মানুষ যত প্রো-এ্যাকটিভ অর্থাৎ রাগ-ক্ষোভ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে, সবদিক দিয়ে সেই হয় সফল মানুষ। তেমনই এক গল্পের নাটক অটোসাজেশন’।
শামীম আহমেদের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন কায়সার আহমেদ। অভিনয় করেছেন- তৌকির আহমেদ, ঈশিতা, আবুল হায়াত, ডলি জহুর, সায়েম সামাদ প্রমূখ।
শামীম আহমেদের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন কায়সার আহমেদ। অভিনয় করেছেন- তৌকির আহমেদ, ঈশিতা, আবুল হায়াত, ডলি জহুর, সায়েম সামাদ প্রমূখ।
Monday, January 25, 2010
এ্যাভাটার
ছবির কাহিনীর প্রতিটা অঙ্গে অঙ্গে জড়িয়ে আছে রূপকথা। এ্যাভাটারে প্রয়োগ করা হয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের এনিমেশন বিভাগের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি।
মুভিটিতে সাইন্স ফিকশনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এক ভিন্ন মাত্রায়। মানুষও যে এলিয়ন হতে পারে তা দেখানো হয়েছে এই মুভিটিতে।
তৎকালীন বৃটিশরা যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল, সেখানকার অধিবাসীদের উপর অত্যাচার করেছিল, সেভাবেই এবার প্যান্ডোরায় উপনিবেশ করতে যায় মানুষ। প্যান্ডোরা হচ্ছে পৃথিবী থেকে ৪.৩ আলোকবর্ষ দূরে, পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তি নক্ষত্র আলফা সেন্টুরাইয়ের কক্ষপথে অবস্থান করা পলিফেমাস গ্রহের জঙ্গলে পরিপূর্ণ তিনটা উপগ্রহের একটা। প্যান্ডোরাতে এমন একটা মৌল আছে যা পৃথিবীতে এনে বিক্রি করতে পারলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে। আর সে লালসার কারনেই মানুষ সেখানে যায় অত্যাধুনিক সামরিক বহর নিয়ে যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ তীর ধনুক হাতে স্থানীয় না'ভি জাতি।
যে মৌলের লোভে মানুষ সেখানে গিয়েছিল সে মৌল ছিল না'ভিদের গ্রামের ঠিক নিচে। ফলে তাদের উচ্ছেদ করাটা জরুরী ছিল। আর উচ্ছেদ করতে গিয়ে মানুষ একটা সমাধান বের করে। মানুষ এবং না'ভি জাতির জিনের সমন্বয়ে এক ধরনের এ্যাভাটার তৈরি করে যা একেকজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ইয়াহুতে যে এ্যাভাটার ব্যবহার হয় তার এর ধারনাটা একই যেখানে পিছন থেকে একজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ধীরে ধীরে যখন একটা সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয় তখন মারা যায় একজন বিজ্ঞানী যারা এ্যাভাটার তৈরি হচ্ছিল প্যান্ডোরাতে। মূলত জেনিটিক কোডিং এ মিল থাকার কারনে তার জায়গায় পাঠানো হয় তার পঙ্গু জমজ ভাই মেরিন অফিসারকে।
তার যখন এ্যাভাটার তৈরি হয় তখন তাকে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য নেওয়া হয় প্যান্ডোরাতে একপর্যায়ে সেখানে সে হারিয়ে যায়। শুরু হয় তার নতুন যুদ্ধ একসময় তার দেখা সেখানকার রাজকন্যার সাথে। রাজকন্যার সাহায্যেই সে না'ভিদের দলে স্থান পায়। গল্পটা এখানেই শুরু। জ্যাককে দিয়ে মানুষ জয় করতে চায় প্যান্ডোরা কিন্তু সেই জ্যাকই শুরু করে মানুষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। শুরু হয় দুই অসম প্রতিপক্ষের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে কে জয়ী হবে।
মূলত এ্যাভাটার মুভিতে জেমস্ ক্যামেরুন মানবতাকে জয় করেছেন। কল্পবিজ্ঞান দিয়ে ভালোবাসা এবং সর্বশেষে মানবতা। এই মুভিতে প্রতিটি মূহুর্ত ছিল থ্রিল যেন এক মহাকাব্য। অসম্ভব ভালোলাগার একটি মুভি দেখলাম অনেকদিন পর। মুক্তি পাওয়ার গত ৩৮ দিনের মধ্যে মুভিটা ইউ.এস.এ তে আয়ের পরিমান ৫৫,২৭,৯৭,৪১৮ ডলার আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড আয়ের পরিমান ১,৬৬৭,৭৯৭,৪১৮ ডলার। এই কয়েকদিনেই এটা সর্বকালীন মুনাফা অর্জনকারী মুভি টাইটানিককে ছাড়িয়ে নতুনভাবে নাম লিখিয়েছে। তাতেই বুঝা যায় মুভিটার সাফল্য। জয় হউক মানবতার।
তৎকালীন বৃটিশরা যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল, সেখানকার অধিবাসীদের উপর অত্যাচার করেছিল, সেভাবেই এবার প্যান্ডোরায় উপনিবেশ করতে যায় মানুষ। প্যান্ডোরা হচ্ছে পৃথিবী থেকে ৪.৩ আলোকবর্ষ দূরে, পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তি নক্ষত্র আলফা সেন্টুরাইয়ের কক্ষপথে অবস্থান করা পলিফেমাস গ্রহের জঙ্গলে পরিপূর্ণ তিনটা উপগ্রহের একটা। প্যান্ডোরাতে এমন একটা মৌল আছে যা পৃথিবীতে এনে বিক্রি করতে পারলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে। আর সে লালসার কারনেই মানুষ সেখানে যায় অত্যাধুনিক সামরিক বহর নিয়ে যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ তীর ধনুক হাতে স্থানীয় না'ভি জাতি।
যে মৌলের লোভে মানুষ সেখানে গিয়েছিল সে মৌল ছিল না'ভিদের গ্রামের ঠিক নিচে। ফলে তাদের উচ্ছেদ করাটা জরুরী ছিল। আর উচ্ছেদ করতে গিয়ে মানুষ একটা সমাধান বের করে। মানুষ এবং না'ভি জাতির জিনের সমন্বয়ে এক ধরনের এ্যাভাটার তৈরি করে যা একেকজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ইয়াহুতে যে এ্যাভাটার ব্যবহার হয় তার এর ধারনাটা একই যেখানে পিছন থেকে একজন মানুষ নিয়ন্ত্রন করে। ধীরে ধীরে যখন একটা সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয় তখন মারা যায় একজন বিজ্ঞানী যারা এ্যাভাটার তৈরি হচ্ছিল প্যান্ডোরাতে। মূলত জেনিটিক কোডিং এ মিল থাকার কারনে তার জায়গায় পাঠানো হয় তার পঙ্গু জমজ ভাই মেরিন অফিসারকে।
তার যখন এ্যাভাটার তৈরি হয় তখন তাকে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য নেওয়া হয় প্যান্ডোরাতে একপর্যায়ে সেখানে সে হারিয়ে যায়। শুরু হয় তার নতুন যুদ্ধ একসময় তার দেখা সেখানকার রাজকন্যার সাথে। রাজকন্যার সাহায্যেই সে না'ভিদের দলে স্থান পায়। গল্পটা এখানেই শুরু। জ্যাককে দিয়ে মানুষ জয় করতে চায় প্যান্ডোরা কিন্তু সেই জ্যাকই শুরু করে মানুষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। শুরু হয় দুই অসম প্রতিপক্ষের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে কে জয়ী হবে।
মূলত এ্যাভাটার মুভিতে জেমস্ ক্যামেরুন মানবতাকে জয় করেছেন। কল্পবিজ্ঞান দিয়ে ভালোবাসা এবং সর্বশেষে মানবতা। এই মুভিতে প্রতিটি মূহুর্ত ছিল থ্রিল যেন এক মহাকাব্য। অসম্ভব ভালোলাগার একটি মুভি দেখলাম অনেকদিন পর। মুক্তি পাওয়ার গত ৩৮ দিনের মধ্যে মুভিটা ইউ.এস.এ তে আয়ের পরিমান ৫৫,২৭,৯৭,৪১৮ ডলার আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড আয়ের পরিমান ১,৬৬৭,৭৯৭,৪১৮ ডলার। এই কয়েকদিনেই এটা সর্বকালীন মুনাফা অর্জনকারী মুভি টাইটানিককে ছাড়িয়ে নতুনভাবে নাম লিখিয়েছে। তাতেই বুঝা যায় মুভিটার সাফল্য। জয় হউক মানবতার।
Subscribe to:
Posts (Atom)

