Sunday, March 31, 2013

অ্যাডাম পিক, শ্রীলঙ্কা

1 comments
লাখ লাখ বছর ধরে যে চূড়াটি মানুষের কাছে রহস্যময়তার স্বাক্ষর বহন করে চলেছে তার নাম অ্যাডাম পিক্ বা আদম চূড়া। শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের শ্রীপাডা নামক প্রদেশে এই চূড়াটি অবস্থিত ।
খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলিম_ এই চার ধর্মের অনুসারীদের কাছে অতি পবিত্র এই চূড়াটি ।এই চূড়াতেই মানুষের আদি পিতা হজরত আদম (আ.) বেহেশত থেকে সরাসরি পতিত হয়েছিলেন।সেই থেকে শুরু আজ অবধি শ্রীলংকার,‘অ্যাডাম পিক’ তথা ‘আদমচূড়া’ মানুষের কাছে এক বিস্ময়! গভীর রহস্যময়!

এই চূড়ায় একটি পায়ের ছাপ আছে।বৌদ্ধ দের ধারনা পায়ের ছাপ টি বুদ্ধের। বৌদ্ধদের কাছে এই চূড়াটি তাদের অস্তিত্তের প্রতীক। হিন্দুদের ধারনা ছাপ টি শিবের। আর মুসলিম এবং খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী রা একে আদম (আঃ) এর পায়ের ছাপ বলে মনে করেন। আর সেই কারনেই এর নাম অ্যাডাম পিক।চূড়াটিতে যে পায়ের ছাপ আছে তার দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ২ ফুট ৬ ইঞ্চি।

লাখ লাখ বছর ধরে চলে আসা যে রহস্য ভেদ আজও মানুষ জানতে পারেনি তা হলো_ চূড়ার যে স্থানে আদম (আ.) এর পায়ের চিহ্ন সেই স্থানে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সূর্যের আলো, আর মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মেঘের ঘনঘটা বা বৃষ্টি পড়ে না। এমন আরও অনেক রহস্য আছে এই চূড়াটিকে কেন্দ্র করে।সে রহস্যে মানুষ আজও বিস্মিত!
চূড়াটির চারদিকে সবুজের বিপুল সমারোহ, মাঝেমধ্যে পাহাড়ি উঁচু-নিচু টিলা। পাহাড়ি চূড়ার আশপাশে রয়েছে অসংখ্য ছো্ট নদী ও পাহাড়ি ঝরনা।
যুগ যুগ ধরে শত শত পর্যটক পরিভ্রমণ করেছে চূড়াটিতে।
তবে এই চূড়াতে যাওয়া সহজ নয়। প্রথমে নৌকায়, এরপর উঁচু নিচু পাহাড় বেয়ে উঠা।
সেখান থেকে অনেক কষ্টের মাধ্যমে চূড়ায় উঠতে হয়। তবে এরই মধ্যে ঘটতে পারে নানা ধরনের বিপত্তি। সাপ, বিষাক্ত পোকা-মাকড়ের কামড়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে অনেকের। অতি চমৎকার এই চূড়াটি বছরের পর বছর অবিকল রয়ে গেছে। এর সৌন্দর্য এতটুকু হ্রাস পায়নি। এ কারণে চূড়াটি বিশ্বের মানুষের কাছে পবিত্র বলে পরিচিত।



More Image in Wiki Media

Tuesday, March 26, 2013

স্ক্রাবিং

2 comments
নিয়মিত ত্বকের যত্নের একটা অংশ হলো ঘষা-মাজা, অর্থাৎ স্ক্রাবিং। ত্বক পরিষ্কারের অন্যতম পদ্ধতি হলো স্ক্রাবিং করা। এর মাধ্যমে ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা বেড়ে যায় ত্বকের। তবে ত্বকের ধরন বুঝে স্ক্রাবিং করতে হবে। তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

সপ্তাহে অন্তত এক দিন মুখসহ সারা শরীর স্ক্রাবিং করা উচিত। এতে একদিকে ত্বক পরিষ্কার হয়, অন্যদিকে শরীর-মন ঝরঝরে থাকে। রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। ভালো কোনো রূপচর্চা কেন্দ্রে গিয়েও স্ক্রাবিং করাতে পারেন। তখন ১৫ দিনে একবার করা যেতে পারে। কিউবেলার রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা আরমান বলেন, তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের প্রবণতা থাকে। তাই ব্রণ থাকলে স্ক্রাবিং করা যাবে না। এতে ব্রণের প্রকটতা বেড়ে যাবে। নাক-কপালে ব্রণ না থাকলে শুধু সেই অংশটুকু স্ক্রাবিং করলেই হবে। তাতেও কাজ হবে।
বাজারে ত্বকের ধরন অনুযায়ী নানা ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। কোনোটা শুধু মুখের জন্য, কোনোটা হাত-পা আবার কিছু আছে পুরো শরীর স্ক্রাবিংয়ের জন্য। তবে ভালো মানের স্ক্রাব ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহারের পর ত্বকে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে ব্যবহার না করাই ভালো। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
হাতের কাছে যেসব উপাদান পাওয়া যায় সেসব দিয়েও স্ক্রাবিং করা যেতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন আলস্য দূর করে একটুখানি ইচ্ছা-আগ্রহ।
হারমনি স্পা ও ক্লিওপেট্রার রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা ঘরে বসে স্ক্রাব করার বিভিন্ন প্যাক নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাভাবিক ত্বকের জন্য
কাঁচা হলুদের পেস্টের সঙ্গে চালের গুঁড়া, দুধ, মধু ও জলপাই তেল মিশিয়ে নিতে হবে। এটি সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া বেসনের সঙ্গে গ্লিসারিন, গোলাপজল, জলপাই তেল মিশিয়েও প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ডিমের কুসুম (হলুদ অংশ), ১ টেবিল চামচ বেসন ও দুধের প্যাক বেশ কার্যকর।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য
বেসন, শসার রস ও গাজরের রস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। তৈলাক্ত ত্বকে নাকে ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডসের প্রবণতা দেখা যায়। এসব দূর করতে ডিমের সাদা অংশ নাকে ম্যাসাজ করে এর ওপর টিস্যু চেপে ২০ মিনিট রাখতে হবে। এরপর এক টানে তুলে ফেলতে হবে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য
সয়াবিন পাউডার, দুধের সর, কাঁচা হলুদ, গাজরের রস ও চালের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি শুষ্ক ত্বকের মৃত কোষ যেমন পরিষ্কার করে, তেমনি উজ্জ্বলতাও বাড়ায়।

মিশ্র ত্বকের জন্য
মিশ্র ত্বকে শুধু টি-জোন অর্থাৎ নাক-কপালই তৈলাক্ত হয়। ডিমের সাদা অংশ, মধু, দুই-তিন ফোঁটা লেবুর রস, দুধের সর এবং ওটমিল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে হবে।

সংবেদনশীল ত্বকের জন্য
সয়াবিন গুঁড়া, দুধ ও মধু এই ধরনের ত্বকের জন্য ভালো।

এসব প্যাক পুরো শরীরেও ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে, স্ক্রাব ব্যবহারের পর আলতোভাবে ত্বক মালিশ করতে হবে। ত্বক পরিষ্কারের পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

ব্যায়াম করুন বাড়িতেই

0 comments

সুইস বল প্রোন লেগ

শরীরের ভারসাম্য রেখে সুইস বলের ওপর এমনভাবে উপুড় হতে হবে, যেন দুই হাত এবং দুই পা মাটির স্পর্শে থাকে। এবার দুই পা মাটি থেকে তুলে সোজা করে শরীরের ভর দুই হাতের ওপর রাখতে হবে। এভাবে তিন সেকেন্ড থেকে শুরুর অবস্থায় ফিরতে হবে।



সিঙ্গল লেগ ডেডলিফটস

বাঁ হাতে ডামবেল নিয়ে বাঁ পায়ে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে সামনের দিকে ঝুঁকতে হবে, যতক্ষণ না শরীর মেঝের সমান্তরালে আসে। শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে ডান পা পেছনের দিকে সোজা করে রাখতে হবে।

কার্ল টু প্রেস কম্বো

এক হাতে ডামবেল নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার ধীরে ধীরে ডামবেল ধরা হাত বাইসেপ কার্ল করে ওপরে ওঠাতে হবে, যেন ডামবেলটি কাঁধের কাছে আসে। এরপর হাত সোজা ওপরে ওঠাতে হবে। এই অনুশীলনের সময় তাড়াহুড়া করে ডামবেলের ওজন বাড়ানো যাবে না। বরং যতটা ওজন ওপরে ওঠানো যায় তার চেয়ে কম ওজন নিয়ে অনুশীলন করা ভালো।

ফুল রেঞ্জ স্কোয়াট

এই ব্যায়ামটি করার জন্য একটি চেয়ার বা চেয়ারে সমান উচ্চতার একটি বাক্স হলে ভালো হয়। দুই পায়ের ওপর শরীরের পুরো ভর রেখে চেয়ারে বসে আবার ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াতে হবে। যখনই ওঠা-বসা অনুশীলনটা একটু সহজ মনে হবে, তখন চেয়ার সরিয়ে রাখতে হবে। অর্থাৎ কোনো কিছুর সহযোগিতা ছাড়াই অনুশীলন করতে হবে।

সূত্র: কালের কন্ঠ

মারিয়ানা ট্রেঞ্চ

0 comments
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম খাত। শুধু প্রশান্ত মহাসাগরই নয়, এটা বিশ্বের গভীরতম সমুদ্রখাত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় দুই হাজার ৫৫০ কি.মি এবং প্রস্থ প্রায় ৬৯ কি.মি। মারিয়ানা ট্রেঞ্চের সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১১ কি.মি। খাতটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত। মারিয়ানা খাত একটি বৃত্তচাপের আকারে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে বিস্তৃত। মারিয়ানা ট্রেঞ্চ গঠিত হয়েছে অধগমন নামক এক ভৌগোলিক প্রক্রিয়ায়। এ খাতে পানির চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক চাপের তুলনায় প্রায় ১০০০ গুণ বেশি। এ কারণেই এখানে স্বাভাবিকের চেয়ে পানির ঘনত্ব প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। সাধারণত সমুদ্রতলের গভীরে মৃত প্রাণীর কঙ্কাল, খোলস জমা পড়তে থাকে। আর এ কারণেই মারিয়ানার পানির রং খানিকটা হলদে। মারিয়ানা ট্রেঞ্চের দক্ষিণ প্রান্তসীমায় গুয়াম দ্বীপের ৩৪০ কি.মি দক্ষিণ-পশ্চিমে পৃথিবীপৃষ্ঠের গভীরতম বিন্দুটি অবস্থিত। ১৯৪৮ সালে এইচএমএস চ্যালেঞ্জার-২-এর নাবিকেরা এ বিন্দুটি আবিষ্কার করেন। এ জাহাজের নামানুসারেই এই বিন্দুটির নামকরণ করা হয় চ্যালেঞ্জার ডিপ। এ খাতটিতেই দেওয়া হয় ইতিহাসের সবচেয়ে গভীরতম ডুব। ১৯৬০ সালের জানুয়ারি মাসে সুইস মহাসাগর প্রকৌশলী জ্যাক পিকার ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ডোনাল্ড ওয়ালশ চ্যালেঞ্জার ডিপে অবতরণ করেন। জ্যাক এবং ডোনাল্ড ১০ হাজার ৯১৫ মিটার গভীরতায় যেতে সক্ষম হন। তবে এ ডিপের গভীরতা প্রায় ১১ হাজার ৩৩ মিটার। ২০১০ সালে মারিয়ানায় অনুসন্ধানী যন্ত্র পাঠিয়ে সাগর তলের পলি সংগ্রহ করা হয়। সেই পলি বিশ্লেষণ করে অক্সিজেনের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়।

মারিয়ানা ট্রেঞ্চে বিপুলসংখ্যক অণুজীবের বিচরণ রয়েছে। এসব আদি ও এককোষী প্রাণী অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসকারী অণুজীবের তুলনায় বিস্ময়করভাবে বেশি সক্রিয়। ব্যারোফিলিক জাতীয় এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রধান খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ বিভিন্ন খানিজসমৃদ্ধ গরম পানি। যে গরম পানি বের হয় চ্যালেঞ্জার ডিপের ছিদ্রপথ দিয়ে। এসব ব্যাকটেরিয়াকে আবার খায় অতি ক্ষুদ্র কিছু ছোট ছোট জীব। আবার এ ছোট ছোট জীবকে খায় মাছেরা। সম্প্রতি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১ কিলোমিটার গভীরের এ গিরিখাতে গবেষণা চালান বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল। সেখানে তারা আনুবিক্ষণীক প্রানীদের উচ্চমাত্রার চলাফেরা লক্ষ্য করেছেন। তারা বলছেন, এই প্রানীরা প্রায় শুন্য ডিগ্রি তাপমাত্রা, মারাত্মক চাপ কিংবা সম্পূর্ণ অন্ধকারেও বেঁচে থাকতে পারে।

Monday, March 25, 2013

র‌্যাব

0 comments
২০০৪ সালের ২৬ মার্চ তারিখে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের একমাত্র এলিট ফোর্স হিসেবে র‌্যাব আত্মপ্রকাশ করে।


বর্তমানে র‌্যাবের ১২টি ব্যাটালিয়ন ও গোয়েন্দা শাখা কাজ করছে। নতুন করে আরও ২টি ব্যাটালিয়ন গঠন প্রক্রিয়াধীন।


র‌্যাব মনোগ্রাম এর বিভিন্ন প্রতীকের তাৎপর্য

১। জাতীয় ফুল (শাপলা) র‌্যাবের মনোগ্রামের শীর্ষভাগে অবস্থিত জাতীয় ফুল শাপলা। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক।
২। মনোগ্রামের সবুজ রংয়ের জমিনে লাল সূর্য। অনন্ত সবুজের দেশ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সাথে মিল রেখে র‌্যাবের মনোগ্রামের সবুজ ও লাল রংয়ের জমিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এলিট ফোর্স র‌্যাব এর প্রতিটি সদস্যের হৃদয়ে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকার গৌরব সমুন্নত রাখার ‍বজ্র কঠিন প্রতিজ্ঞা।
৩। জাতীয় স্মৃতিসৌধ। মনোগ্রামের কেন্দ্রে অবস্থিত স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য শহীদের আত্মত্যাগের প্রতীক। জাতীয় স্মৃতিসৌধ শহীদের লালিত স্বপ্নের সুখী বাংলাদেশ গড়ার অংগীকার র‌্যাব সদস্যদের স্মরণ করিয়ে দেয়।
৪। ধানের শীষ । র‌্যাবের মনোগ্রামের স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতির দুইপার্শ্বের ধানের শীষ কৃষি প্রধান বাংলাদেশের ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি এবং সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতীক।
৫। অগ্রগতির চাকা। র‌্যাবের মনোগ্রামের স্মৃতি উৎকীর্ণ স্মৃতিসৌধ এর নিচে অবস্থিত ধাতব চাকা সময়ের সাথে দ্রুত উন্নয়নশীল বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতীক । যে কোন মূল্যে সন্ত্রাস নির্মূল করে হৃদয়ের দেশ বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতির চাকা অব্যাহত রাখতে র‌্যাব প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
৬। র‌্যাবের মূলমন্ত্র। মনোগ্রামের সর্বনিম্নে উৎকীর্ণ বাংলাদেশ আমার অহংকার র‌্যাবের মূলমন্ত্র। এ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য সন্ত্রাসমুক্ত সুখী এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য সর্বদা বজ্র কঠিন সংকল্পবদ্ধ।



সূত্র: র‌্যাব'র ওয়েব সাইট

বিশ্ব চড়ুই দিবস

0 comments
গত ২০ মার্চ অনেকটা নীরবেই পালিত হয়ে গেল বিশ্ব চড়ুই দিবস বা World Sparrow Day। সারা পৃথিবী জুড়ে সব সময় মানুষের পাশে এর সহ অবস্থান ছিল সব সময়। কিন্তু আশংঙ্খাজনকভাবে কয়েক দশক জুড়ে এর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তাই কিছু পাখি প্রেমিক এই দিনটি পালনে মোনযোগী হয়। কিন্তু লোকবল আর প্রচারণার সীমাবদ্ধতার কারণে তা তেমন সচেতন প্রভাব ফেলতে পারে নাই।

এক সময় ঘরের কোনে, উঠান, বারান্দায় এদের উপস্থিতি ছিল সরব। সারাক্ষন কিচির মিচির করে বাড়ী মাতিয়ে রাখতো। কিন্তু এই আধুনিক শহূরে এলাকায় এরকম বাড়ী কোথায় বলুন? যাও বা ঘরের ভেন্টিলেটারে বাসা বেধে থাকতো এখন তাও থাকে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন এর পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে_
তার একটি বাধা হল মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারগুলো। ওগুলো যেখান দিয়ে তরঙ্গ প্রবাহিত করে সেই জায়গাগুলোই চড়ুইদের উড়ার জন্য প্রকৃত উচ্চতা। ফলে তারা বেশীর ভাগ সময়ই সাবলীলায় উড়তে পারে না, পথ হারায়।
আবার ইদানিং জলাধারগুলো ভরাট করে চলে কল-কারখানা ও বাড়ী নির্মান। ফলে তেষ্টা মেটানোর জলটুকুও তারা পাচ্ছে না। ফসলের জমিও বিলিন হয়ে যাচ্ছে। পাচ্ছে না খাদ্য। এ রকম আরো নানা কারনে মানুষের চির প্রতিবেশী এই পাখিটি চলে যাচ্ছে দূরে। হয়ত কোনদিন হারিয়েও যাবে এরা।
তবে আমরা চাইলেই এদেরকে আমাদের মাঝে রেখে দিতে পারি। এজন্য বেশী কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিন বেঁচে যাওয়া কিছু ভাত বারান্দায় রেখে দিই আর একটা বাসনে কিছু পানি রেখে দিই যেন গোসল আর তৃষ্ণাটুকু মেটাতে পারে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী এ প্রণীকুলকে আমাদের প্রয়োজনেই যে বাচিয়েঁ রাখতে হবে।

Tuesday, March 19, 2013

আয়না না গোপন ক্যামেরা

0 comments
শপিংমলের ড্রেসিং/ -ট্রায়াল রুমে সতর্ক থাকবেন সেখানে যে আয়না থাকে সেটা আসল নাও হতে পারে, এটিও গোপন ক্যামেরার মতই মারাত্মক !

প্রযুক্তির অপব্যবহারে আসল আয়নার মাঝে এখন যুক্ত হয়েছে নকল আয়না, যাকে বলা হয় দ্বিমুখী আয়না । এই আয়নায় আপনি আপনার চেহারা দেখতে পারবেন, কিন্তু ভুলেও বুঝতে পারবেন না যে অন্যপাশ হতে কেউ আপনাকে দেখছে! অথবা আয়নার অন্য পাশে লাগানো আছে অত্যাধুনিক কোন ক্যামেরা ।

আপনার আঙ্গুল আয়নার উপর রাখুন।যদি আপনার আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্ব আঙ্গুলের মাথার সাথে না লাগে (মাঝে যদি ফাঁকা থাকে) তাহলে আয়না আসল। আর যদি আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্বের মাথার সাথে লেগে যায়, তার মানে আয়না নকল! এটা আসল আয়না না, একটা দ্বিমুখী আয়না ! যার অন্যপাশে থেকে আপনাকে দেখা যাবে, কিন্তু আপনি তাকে দেখতে পাবেন না। মানে অন্যপাশে থেকে কেউ আপনাকে দেখছে বা ভিডিও করছে! কারন আসল আয়নার সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার পিছনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুল ও প্রতিবিম্বের মাঝে ফাঁকা থাকবে আয়নার পুরুত্বের জন্য।আর নকল আয়নার (দ্বিমুখী) সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার সামনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুলের ছাপ আপনার আঙ্গুলের প্রতিবিম্বের সাথে লেগে যাবে কারন মাঝে কোনো বাধা নেই।