Saturday, March 9, 2013

অনুষ্ঠান ধারণা (Program Concept)

0 comments
অনুষ্ঠান ধারণা (Program Concept)
FIR অনুষ্ঠানটি ধারণাগতভাবে জনগণের সমস্যা ও অভিযোগ জানানোর প্লাটফর্ম বা অভিযোগ দায়ের করার অডিও-ভিজ্যুয়াল ফোরাম। এখানে অভিযোগকারী, আভিযোগ সংশ্লিষ্ট অথরিটি, বিষয় বিশেষজ্ঞ, আইনজীবি সরাসরি বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম দ্বারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। দর্শক যেসব অভিযোগ এখানে জানাবেন, তার ভিত্তিতে অনুষ্ঠান চলাকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অথরিটির কাছে FIR টিম বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করবেন এবং অভিযোগকারীকে পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা এবং কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন।
ধরন (Format)


  • এটা একটি Interactive Live Show

  • দেশব্যাপী সাধারণ মানুষদের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক অনুষ্ঠান

  • স্থিতি : ৪৫ মিনিট (৬ মিনিটের বিজ্ঞাপন বিরতিসহ)

  • প্রচারের সময়: প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:১৫ থেকে ৭:০০টা

উদ্দেশ্য (Objective)
বাংলাদেশের দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত প্রান্তিক মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যা, ভোগান্তির সঠিক সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দায়িত্বশীলদের ওপর সামগ্রীক চাপ সৃষ্টি করা, সেই সাথে আইন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকারকে সহযোগীতা করা। এক কথায় বলতে গেলে অনুষ্ঠানটি প্রচারের উদ্দেশ্য হলো

  • প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত করা

  • জনগণের ভোগান্তির অবসান করা

  • সেবাদানকারী বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জণগনের মধ্যে যোগাযোগ ঘটানো

অভীষ্ট দর্শক (Target Audience)
বাংলাদেশের দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত প্রন্তিক মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্তদের ও দেশের বাইরের সব শ্রেণীর দর্শক। 

উৎস: ৭১ টিভি'র ওয়েব সাইট

সাংবাদিকের একমাত্র নিয়ন্ত্রক তার মূল্যবোধ --ইশতিয়াক রেজা

0 comments
সাংবাদিকতা দ্রুত বদলাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে পৃথিবী। কিন্তু বদলেছে কি আমাদের আমলারা?
অনেকেই হয়তো বলবেন, না, বদলায়নি আমাদের আমলারা। আমি বলি কি-বদলেছে, তারা হাঁটছে, তবে সামনের দিকে নয়, পেছনের দিকে। তারা আরো পেছনে নিতে চায় বাংলাদেশকে। নীতিমালার নামে একবার বেসরকারী টিভি’র অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়, সেখানে ব্যর্থ হয়ে এবার লেগেছে অনলাইন মাধ্যমের পেছনে। নীতিমালায় কি আছে তা আর বিস্তারিত বলছিনা।
বলছি কতটা খবর রাখেন তারা পৃথিবীর? যুগের পরিবর্তনের? এই বদলে যাওয়া গত দুটি দশকে অভূতপূর্ব গতি আর মাত্রা পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকরা নিরন্তর সেই পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে সতর্ক।
সাংবাদিকতার ভাষা, নীতি, আদর্শ, প্রযুক্তি এসব বিষয়ে সময়ের সাথে থাকার এক নিরলস সংগ্রামে লিপ্ত সাংবাদিকরা। সময়েরই দাবী অনলাইন সংবাদ মাধ্যমগুলো। অনলাইন কেন? উত্তর খুব সহজ – সমাজ থেকে এগিয়ে থাকার সংকল্প। এটাই এই মাধ্যমের ধর্ম, এখানকার কর্মীদের সংকল্প।
দ্রুত-পরিবর্তনশীল নতুন ধরনের এই সাংবাদিকতায় তরুণদের পদচারণাকে যারা ভয়ের চোখে দেখে তারাই এর কন্ঠ চেপে ধরতে চায়। কিন্তু তারা কি জানেন এই মাধ্যমে যারা আছেন, যারা আসছেন, তাঁরা অকম্প, অদম্য, অবিচল?
এসময়ের সাংবাদিকরা তাঁদের চারপাশকে দেখে, বুঝে, বিচার করেন তাদের মতো করে। কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের পরামর্শে বা নিয়ন্ত্রণে থেকে নয়। আর এই স্বাধীন, স্বতন্ত্র চিন্তা-চেতনার মধ্য দিয়েই অনলাইন লেখক, সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করেন- আদর্শ আর মূল্যবোধের।
সাংবাদিকতাকে সরকারী কোন নীতিমালা দিয়ে পরিচলনা করা যায় না। সাংবাদিকদের যদি সত্যি কোন নিয়ন্ত্রক থাকেন তবে তা তার মূল্যবোধ। আর এই মূল্যবোধ গড়ে উঠে মুক্ত, অবাধ, স্বাধীন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। তাই অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের জন্য কোন নীতিমালার প্রয়োজন নেই।
আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ আজ অনেকদিন ধরেই সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তার রাষ্ট্রকাঠমোয় সত্যিকারের গণতান্ত্রিক শাসনের সংকট। অন্যদিকে এই সমাজের কিছু গোষ্ঠী আছে যারা পালাক্রমে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকে, কিন্তু তাদের নতুন চিন্তার সাহসের বড় ঘাটতি।
যারা প্রযুক্তিকে নিয়ে মানুষের কন্ঠস্বর হতে চায় তারা আর যাই হোক আপন ঐতিহ্যে আস্থা হারায়নি। এই কন্ঠস্বর একদিকে যেমন সৎ ও দেশপ্রেমিক, অন্যদিকে তেমনি আন্তর্জাতিকতায় উদ্বুদ্ধ, উদার, শিক্ষাদীপ্ত। নীতিমালা করে এই কন্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে না আবার সমাজের প্রগতিকেই আটকে দেয়া হচ্ছে, তা ভাববেন আশা করি নীতিনির্ধারকরা।


 
সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা
বার্তা পরিচালক, একাত্তর টেলিভিশন

রিপোর্টিংএ অত্যাবশ্যকীয়

0 comments
গণমাধ্যম : সাধারন ধারণা
মানুষের ধারণা সাংবাদিকরা মূলত অহংকারী, অসংবেদনশীল এবং পক্ষপাতদুষ্ট। তারা অসত্য বলে বা লিখে এবং চাঞ্চল্যসৃষ্টিতে পারদর্শী।
এই নেতিবাচক মনোভাবের পরও মানুষ সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমকে বিশ্বাস করতে চায়। মানুষ আর সাংবাদিকদদেরও চেষ্টা "ভালো সাংবাদিকতা" বেঁচে থাকুক।
প্রত্যাশা:

মানুষ চায় মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম। সাহসী সাংবাদিকতা।

কিন্তু এর জন্য শুধু সাংবাদিকদের চেষ্টাই বড় নয়, চাই সমাজের সব মানুষের, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সরকারী প্রশাসন, ও সুশীল সমাজের সহযোগিতা।
সাংবাদিকদের কাছে প্রত্যাশা - সত্য তুলে ধরবেন তারা। তারা সংবাদের প্রতি, মানুষের প্রতি ন্যায্য আচরণ করবেন, সংবাদে ভারসাম্য বজায় রাখবেন। তারা পক্ষপাত করবেননা ইত্যাদি। আর এসবই হলো তার জন্য বড় নীতিমালা। 


খবরের সুত্র:

সবমসময় খবরে বেনামী কোন সূত্র নয়, চাই সূত্রের নাম, পরিচয়। তা হলে খবরের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এই খবর যারা দেন, সেসব সূত্রের সাথে সাংবাদিকের আচরণ হতে হবে ভদ্র, সুরুচিসম্পন্ন এবং ন্যায্য। তার সাথে কতটুকু ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে, কতটুকু দূরত্ব রাখতে হবে তা নিজেকেই বিচার করে চলতে হবে।
কখন সূত্রের কাছে যেতে হবে:
প্রতিটি সংবাদেই সূত্র উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলো সমাজে সাধারণভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্য, যেগুলা মানুষ এর মধ্যেই জেনে গেছে সেসব ক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ প্রয়োজন নেই।
সংবাদে সূত্রের ব্যবহার:

সাধারণত: প্রথম দুই অনুচ্ছেদেই সূত্র উল্লেখ করা দরকার। আর অতি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের ক্ষেত্রে প্রথম অনুচ্ছেদেই করতে হয়। যদি চলমান ঘটনা হয়, তাহলে প্রতিটি নতুন তথ্য দিতে গেলে সূত্র উল্লেখ জরুরী। "অভিযোগ রয়েছে" এমন কথা লিখে কোন ধরনের মানহানির মামলা থেকে নিজেকে রক্ষ করা সহজ হবেনা।
সূত্রের সাথে সাংবাদিকের আচরণ:

সরাসরি উপস্থিত হয়ে, কিংবা ফোনে, ফ্যাক্সে বা ই-মেইলে, যেভাবেই হোকনা কেন, কোন খবর জানতে কারো সাথে কথা বলতে হলে অবশ্যই নিজের পরিচয়, প্রতিষ্ঠানের পরিচয় দিতে হবে। কিসের ভিত্তিতে কি জানতে চাওয়া সেটা পরিষ্কার করতে হবে। অনেকেই আছে on-the-record বা off- the-record সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত নন। তাকে তা বুঝিয়ে দেয়া সাংবাদিকের দায়িত্ব। যিনি খবর জানাচ্ছেন তিনিও জানেন কেন তিনি কথা বলছেন। যে তথ্য তিনি দিচ্ছেন তা দিতে তিনি কোন ধরনের ঝামেলায় পড়ছেননা, তাও তাকে নিশ্চিত হতে হবে। সবসময় চেষ্টা করতে হবে যতটা সম্ভব তার উদ্ধৃতি ব্যবহারে তার সম্মতি আদায় করা।
তথ্য রেকর্ড করা:

সাংবাদিক তথ্য রেকর্ড করবেন এটাই স্বাভাবিক। তা নোট নিয়ে হোক বা টেপ এ রেকর্ড করে হোক। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে,তথ্যের ন্যায্যতা বজায় রাখতে এটা জরুরী । তবে না জানিয়ে টেপ-এ বা মোবাইলে কারো কথা রেকর্ড করা বেআইনী।
সবচেয়ে ভালো সূত্র:

কোন খবরে কার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেলো তা যদি উল্লেখ থাকে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারেনা। কিন্তু তার পরও মনে রাখতে হবে যার উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে তার দায় দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককেই নিতে হয়। যতটা সম্ভব সুত্রের নাম আর অবস্থান উল্লেখ থাকতে হবে। এতে পাঠক, শ্রোতা বা দর্শক থবরের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। আবার নাম উল্লেখ করলেও তথ্য যাচাই করতে পুরোপুরি, নিশ্চিত হতে হবে তথ্যের ভারসাম্য বজায় আছে কিনা। বিশেষ করে কোন দ্বন্দ্ব বা মধ্যস্ততার বিষয় যদি থাকে।
সবচেয়ে দূর্বল সূত্র হলো যার নাম দেয়া যায়না। বেনামী সূত্রের বরাতে তথ্য ব্যবহার করা যায় যখন রিপোর্টার নিশ্চিত যে তার দেয়া তথ্য সঠিক, বিশ্বাসযোগ্য এবং এই তথ্যটি তিনি ছাড়া আর কারো কাছ থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। একটি তথ্য যা এমনিতেই পাওয়া সম্ভব সে ক্ষেত্রে বেনামী সূত্রের ব্যবহার কাম্য নয়।
‘একটি সূত্র’, ‘সুত্রসমুহ’, ‘পর্যবেক্ষক’, ‘মহল’ এ ধরনের সংবাদ সূত্র আসলে অস্পষ্ট, অগ্রহণযোগ্য। তেমনিভাবে ‘ওয়াকিবহাল মহল’, ‘নির্ভরযোগ্য সূত্র’ জানায় বলে কোন তথ্য দেয়া হলে তা সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করেনা।
কোন রাষ্ট্রীয় বা কর্পোরেট চুক্তি নিয়ে রিপোর্ট করতে হলে যতটা সম্ভব সূত্রকে সুনির্দিষ্ট করতে হবে। যদি বলা হয় ‘একজন কর্মকর্তা জানান’, ‘উচ্চপর্যায়ের নির্বাহী’ জানান।। তা হলে নিশ্চিত হতে হবে এই চুক্তির সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা আছে যদি ঐ ব্যাক্তি নিজের পরিচয গোপন রাখতে চান।
বেনামী সূত্রের খবরে অতি সাবধানতা, অতি মাত্রায় যাচাই বাছাই প্রয়োজন।
একক সূত্র:

কোন একক সূত্রের ভিত্তিতে খবর সাধারনভাবে কাম্য নয়। যদি খবরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়, যদি এই সূত্র ছাড়া আর কোথাও তথ্য পাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে একক সূত্রের খবর প্রকাশ করা যায় যদি প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যাক্তিরা রাজি থাকেন। নিশ্চিত হতে হবে যে তিনি সত্যিকার অর্থেই কর্তৃপৰীয় অবস্থানে আছেন। তা ছাড়া এসব ক্ষেত্রে রিপোর্টারের নিজস্ব track record যাচাই করা জরুরী। শুধুমাত্র নীতিনির্ধারক হলে একক সূত্র ব্যবহার করা যায়, তবে খুবই সতর্কতার সাথে।
সূত্রের সাথে সততা:

যার কাছ থেকে তথ্য নেয়া হয় তার সাথে সততা বজায রাখতে হয়। তার নাম পরিচয় ব্যবহারে, তার উদ্ধৃতি ব্যবহারে। কোন উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে বহুবচন ব্যবহার কাম্য নয়। সব ক্ষেত্রে সংবাদের ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি খবরে সব পক্ষের সাথে কথা বলতে হবে। আবার বুঝতে হবে কোন পথে হাটছেন তিনি? কিংবা সূত্র নিজেও সাংবাদিককে ভূল পথে নিচ্ছেন কিনা? কিংবা নিজের কোন অযাচিত স্বার্থ হাসিল করছেনসাতো?। রিপোর্টারের এই সন্দেহই তা তথ্য নিশ্চিত করকে বড় ভূমিকা রাখে। তার কাছে বড় ‘সঠিক তথ্য’, ‘ভারসাম্য’ আর ‘ন্যায্যতা’। 

সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা

: বার্তা পরিচালক,একাত্তর টেলিভিশন

কোর মাসল আকর্ষণীয় করতে

0 comments
আকর্ষণীয় শরীর গঠনের জন্য শক্তিশালী কোর মাসল (কোমরের নিচের কিছু অংশ এবং ওপরের অনেকটা অংশ) প্রয়োজন। এই অংশটা শরীরের ওপরের ও নিচের অংশের সংযোগস্থল। যেকোনো খেলাধুলার জন্য এ অংশের গুরুত্ব অপরিসীম। বেশ কিছু ব্যায়ামে শরীরের এই অংশকে শক্তিশালী করা যায়। সেই ব্যায়ামগুলো নিয়ে এই আয়োজন।

 সুপার গ্লুটস
* মেঝেতে দুই হাতের তালু রেখে (বুক ডনের মতো) ব্যায়ামের প্রস্তুতি নিতে হবে।
* দুই হাতের ওপর চাপ দিয়ে শরীরকে ওপরের দিকে ঠেলে দিতে হবে। এবার ধীরে ধীরে সামনের দিকে ২০ সেন্টিমিটার এগিয়ে গিয়ে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসতে হবে।
* হাতকে স্থির রেখে ধীরে ধীরে এক পা ওপরে তুলতে হবে। ওপরে তোলা পা নিচে নামিয়ে অন্য পা তুলতে হবে।

ডামবেল রোল-আউট
* উপুড় হয়ে দুটি ডামবেল দুই হাতে রেখে এমন অবস্থায় ধরতে হবে, যেন তা ঠিক কাঁধ বরাবর থাকে। এ সময় হাত দুটি সোজা থাকবে।
* পিঠ সোজা এবং কাঁধ স্থির রেখে ধীরে ধীরে ডামবেল দুটি গড়িয়ে সামনের দিকে নিতে হবে। এ সময় শরীরের কোর (কোমরের ওপরের ও নিচ) অংশ ব্যবহার করে শরীরকে মেঝের স্পর্শ থেকে রক্ষা করতে হবে।
* ধীরে ধীরে আবার ডামবেল আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল

0 comments
পুরান ঢাকার ১৫ নম্বর মিউনিসিপ্যাল স্ট্রিটের লক্ষ্মীবাজারে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল। সার্বিক শিক্ষার মধ্য দিয়ে অবহেলিত নারীসমাজকে আলোকিত করে প্রকৃত মানুষ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঢাকার তৎকালীন মন্ত্রী ফকির আবদুল মান্নান শাহ নিজ উদ্যোগে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম অবস্থায় এটি ছিল একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। তখন এ স্কুলটির নাম ছিল প্রিপারেটরি স্কুল। পরে এ স্কুলটিতে বাংলা মিডিয়াম করা হয় এবং নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ফকির আবদুল মান্নান গার্লস হাই স্কুল। পরবর্তী সময়ে স্কুলটি নিম্ন-মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়। তখনকার স্কুলের সঙ্গে এখনকার স্কুলের কোনো মিলই খুঁজে পাওয়া যাবে না। স্কুলের গেট ছিল কাঠের নির্মিত একটি দরজা বিশেষ। গেট দিয়ে ঢুকতেই হাতের ডানে ছিল একটি শিউলি ফুলের গাছ এবং বাঁয়ে ছিল একটি কামিনী ফুল গাছ। সামনেই ছিল একটি আঙিনা, তারপর পুরনো আমলের একটি একতলা ইমারত, যেটাকে মেইন বিল্ডিং বলা যেতে পারে। এখানেই ছিল অফিস কক্ষ, প্রধান শিক্ষিকার অফিস, টিচার্স কমন রুম এবং নামাজের ঘর। এরই মধ্যে ছিল দু-তিনটা শ্রেণীকক্ষ। মেইন বিল্ডিংয়ের দক্ষিণ পাশে ছিল পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা চার-পাঁচটি বেড়ার ঘর। উত্তর পাশে ছিল পূর্ব-পশ্চিমে লম্বালম্বি চার-পাঁচ রুমের একটি পাকা বিল্ডিং। ১৯৭০ সালেই স্কুলটি পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলের রূপ লাভ করে এবং নতুন নামকরণ করা হয় 'ঢাকা সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল'। প্রথম পর্যায়ে স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি ছিল না। তবে আশির দশকে ছাত্রী সংখ্যা বেড়ে হয় প্রায় ২৩০০। ধীরে ধীরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অক্লান্ত এবং নিরলস প্রচেষ্টায় স্কুলটি বর্তমান পর্যায়ে উঠে এসেছে। বর্তমানে স্কুলটি সুনামের সঙ্গে স্বমহিমায় অধিষ্ঠিত।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিদা খানম বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলীর নিঃস্বার্থ সহযোগিতায় অসংখ্য শিক্ষার্থী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক ও সামাজিক গুণাবলির বিকাশ ঘটানোর ক্ষেত্রে শিক্ষকরা অপরিসীম ভূমিকা রেখে চলেছেন। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে শিক্ষকমণ্ডলী নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পনেরো শ। ৩২ জন অভিজ্ঞ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আলো দিয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ে পাসের হার শতভাগ। দোতলাবিশিষ্ট দুটি ভবনে ১৮টি কক্ষ রয়েছে। রয়েছে অফিস রুম, একটি টিচার্স রুম ও একটি প্রশাসন ভবন। ছাত্রীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষার লক্ষ্যে ১১টি কম্পিউটার-সংবলিত একটি কম্পিউটার রুম, একটি উপাসনালয় রয়েছে। বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে একটি জেনারেটর।
খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও স্কুলের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে নেই। টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায়ও তারা অংশগ্রহণ করে। ২০১২ সালে জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করে। একই বছরে সেন্ট গ্রেগরি স্কুল আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় ৩৬টি স্কুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করে। ২০১০ সালে বার্ষিক সমাপনী পরীক্ষায় সূত্রাপুর থানার মধ্যে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করে। ২০০৮ সালে ঢাকা বোর্ডের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় দশম স্থান লাভ করে। এসব সম্ভব হয়েছে শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে। বর্তমানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে স্কুলটি একদিন মেধার শীর্ষে অবস্থান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান শিক্ষিক শাহিদা খানম।

Tuesday, March 5, 2013

চোখের নিচের কালো দাগ ঘুচাতে

0 comments
চোখের নিচে কালো দাগ? আয়নার সামনে দাঁড়ালেই মন খারাপ হয়ে যায় এটি দেখে? ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে যাবার কথা ভাবছেন? তার আগে কয়েকটি টিপস মেনে দেখুন না আপনার চোখের নিচের কালো দাগ আপনাআপনি চলে যায় কি-না।

টিপসগুলো হলো এমন :

১) এখন বাজারে কিছু কিছু আন্ডার আই ডিগিগুমেন্টেশন ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়৷ এ ধরনের ক্রিম এক থেকে দু’মাস ব্যবহার করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে৷ তবে ভেজাল এড়াবার জন্য ব্রান্ডের অয়েনমেন্টগুলো বেছে নিন এক্ষেত্রে।

২) পাশাপশি অনেক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্ট বা স্কিন বিশেষজ্ঞগণ চোখের নীচের কালো দাগ দুর করতে এক ধরনের স্পেশালাইজড কেমিক্যাল ব্যবহার করেন৷ এ ধরনের কেমিক্যাল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়৷ তা না হলে চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে৷

৩) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। খাদ্য তালিকায় সবুজ শাকসবজি রাখুন।

৪) বাসায় অবসর সময়ে কচি শশা পেস্ট করে চোখের নিচে দিয়ে মাত্র ১০ মিনিট চিৎ হয়ে শুয়ে থাকুন।

৫) রোদে চলাফেরা করার সময় রোদচশমা ব্যবহার করুন।

৬) রাতের ঘুমটি হওয়া চাই একটানা। তাই আটঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুমের আগে রিলাক্স মুডে চলে যান।

৭) যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা কখনোই কোল্ড ক্রিম ব্যবহার করবেন না।

৮) যাদের শুষ্ক ত্বক তারা ক্লিনজিং ক্রিম এভয়েড করবেন।

৯) মানসিক স্ট্রেস এড়িয়ে চলুন। মনকে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করুন সবসময়।

১০) প্রতিদিন দিনের একফাঁকে ১০ মিনিট চোখ বুজে শবাসন করুন।

মনে রাখবেন, চোখের নীচে কালোদাগ দুর করতে লেজার কোন ভাবেই ব্যবহার করা উচিৎ হবে না।

এরপরও যদি চোখের নিচের কালো দাগ না যায় তবে ত্বকবিশেষজ্ঞ বা বিউটিসিয়ানের কাছে যেতে পারেন।

Monday, March 4, 2013

কুতুব শাহী মসজিদ

0 comments
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কালের নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী কুতুব শাহী মসজিদ।

ধীরগতিতে বয়ে চলা ধলেশ্বরী নদের কুলঘেষে গড়ে ওঠা এ জনপদে মোগল আমলের ঐতিহ্যের নিদর্শন পাঁচ গম্ভুজ বিশিষ্ট এ মসজিদ কালের সাক্ষী হয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে।

হাওরাঞ্চল ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা ঐতিহ্যের টানে এখানে ঢু মারতে আসেন। এই মসজিদে নামাজ আদায় করেন। নান্দনিক কারুকার্য খচিত এ মসজিদকে ঘিরে রয়েছে নানা কিংবদন্তি।

স্থানীয়রা জানান, ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নেওয়া অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর কুতুব শাহী মসজিদ ঘুরে ফিরে দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। এই মসজিদের পাশেই রয়েছে কুতুব শাহের ৯ সহচরের মাজার।

সরকার ১৯০৯ সালে মসজিদটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকেই এর দেখভাল করা হচ্ছে।

তবে স্থানীয়রা জানান, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকে এখনো পর্যন্ত মসজিদের কোনো লোক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাই সেখান থেকে নিয়মিত কোনো লোকই আসে না। স্থানীয়রাই নিজেদের উদ্যোগে এ মসজিদের দেখভাল করছেন।

অষ্টগ্রামের মসজিদ জাম এলাকায় গড়ে ওঠা এ মসজিদের ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে একটি নাম ফলক। সেই ফলকে খোদাই করে লেখা রয়েছে মসজিদের ইতিহাস ও আদ্যোপান্ত।

জানা গেছে, বিখ্যাত দরবেশ কুতুব শাহের নামানুসারে এ মসজিদটি নির্মিত হয়। তবে মজসিদটির নির্মাণকাল নিয়ে ইতিহাসবিদদের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে।

কেউ কেউ বলেন, এ মসজিদ ১৬শ’ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে। আবার অনেকেই মনে করেন, এটি নির্মিত হয়েছে ১৭শ’ শতাব্দীতে।

১৭শ’ শতাব্দীর প্রথম দিকে নির্মিত বলেই এ মসজিদে সুলতানী ও মোগল স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এ মসজিদটির আয়তন উত্তর দক্ষিণে ৪৬’-১১’’ এবং পূর্ব-পশ্চিমে ২৭’-১১’’। এ মসজিদের ৪ কোণে ৮ কোণ বিশিষ্ট ৪টি মিনার বা কর্নার রয়েছে।

এ মসজিদের পূর্ব দেয়ালে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ২টি করে ৪টিসহ মোট ৭টি সুলতানী খিলানযুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালের প্রবেশ পথের বিপরীতে পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মেহরাব রয়েছে।

অষ্টগ্রামের মসজিদ জাম এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলী ফকির বলেন, ‘আমরা ৭ ভাই মিলে এ মসজিদটি দেখাশুনা করি। মাস তিনেক পরপর প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকে লোকজন এখানে আসেন।’

অষ্টগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ কমল বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী কুতুব শাহী মসজিদে মোগল আমলের ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘৪শ’ বছরের প্রাচীন এ মসজিদ দেখতে যারাই আসেন তারা অভিভূত হন। এখানে নামাজ আদায় করেন।’ 




Courtesy: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম