Showing posts with label Entertainment. Show all posts
Showing posts with label Entertainment. Show all posts

Thursday, May 22, 2025

বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ ধনী গায়ক

0 comments

বাংলাদেশের সংগীত জগতে এমন কিছু গায়ক রয়েছেন, যাঁরা শুধু জনপ্রিয়তাই অর্জন করেননি, বরং তাঁদের প্রতিভা আর খ্যাতি তাদের এনে দিয়েছে বিপুল সম্পদও। আজ জানব এমন পাঁচজন গায়কের কথা, যারা কণ্ঠের মাধ্যমে গড়েছেন অর্থ ও সম্মানের সাম্রাজ্য।

5 Bangladeshi male and female singers ayub bachchu, Momotaz Begum, Kumar Biswajit, Symon Chowshury, Tahsan Khan

১. আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর সম্মাননায়)

  • নেট ওয়ার্থ (মৃত্যুর আগ পর্যন্ত): আনুমানিক ২০ কোটি টাকা+

  • উল্লেখযোগ্য সূত্র: এলআরবি ব্যান্ড, একক অ্যালবাম, লাইভ কনসার্ট, এন্ডোর্সমেন্ট।

  • বিশেষত্ব: গিটার এবং রক মিউজিকে বিপ্লব এনেছেন।

📝 তাঁর কনসার্ট, অ্যালবাম বিক্রি এবং স্পন্সরশিপ থেকে বিপুল আয় হতো। তাঁর রেখে যাওয়া নাম  (এবি কিচেন)ও ব্র্যান্ড (এল. আর. বি) আজও মূল্যবান।


২. মোমতাজ বেগম

  • নেট ওয়ার্থ: আনুমানিক ১৫-১৮ কোটি টাকা+

  • উল্লেখযোগ্য সূত্র: লোকগান, চলচ্চিত্র গান, কনসার্ট, রাজনীতি।

  • বিশেষত্ব: ‘ফোক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত। ৭০০০+ গান গেয়েছেন।

📝 লোকগানের শেকড়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন এবং ব্যবসায়ও সক্রিয়।


৩. কুমার বিশ্বজিৎ

  • নেট ওয়ার্থ: আনুমানিক ১২-১৫ কোটি টাকা

  • উল্লেখযোগ্য সূত্র: গান, মিউজিক ডিরেকশন, চলচ্চিত্র প্রযোজনা।

  • বিশেষত্ব: তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতের শীর্ষে।

📝 গানের পাশাপাশি প্লেব্যাক ও সংগীত পরিচালনায়ও আয় করেছেন প্রচুর।


৪. সায়মন চৌধুরী

  • নেট ওয়ার্থ: আনুমানিক ৮-১০ কোটি টাকা

  • উল্লেখযোগ্য সূত্র: ইসলামি গান, ইউটিউব, লাইভ শো।

  • বিশেষত্ব: আধুনিক ইসলামি গানের জনপ্রিয় কণ্ঠ।

📝 ডিজিটাল মাধ্যমে আয় এবং ইউটিউব মনিটাইজেশন তাকে ধনী গায়কদের কাতারে এনেছে।


৫. তাহসান খান

  • নেট ওয়ার্থ: আনুমানিক ৮-৯ কোটি টাকা

  • উল্লেখযোগ্য সূত্র: গান, টিভি, সিনেমা, বিজ্ঞাপন।

  • বিশেষত্ব: গায়ক, অভিনেতা ও শিক্ষক — তিন রূপেই পরিচিত।

📝 কর্পোরেট ব্র্যান্ডে অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ও নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে বৈচিত্র্যপূর্ণ আয় করেন।

📊এক নজরে:

গায়কের নাম নেট ওয়ার্থ (আনুমানিক) আয়ের উৎস বিশেষত্ব
আয়ুব বাচ্চু ২০+ কোটি অ্যালবাম, কনসার্ট, ব্র্যান্ড রক মিউজিক লিজেন্ড
মোমতাজ বেগম ১৫-১৮ কোটি লোকগান, রাজনীতি ফোক সম্রাজ্ঞী
কুমার বিশ্বজিৎ ১২-১৫ কোটি প্লেব্যাক, পরিচালনা দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা
সায়মন চৌধুরী ৮-১০ কোটি ইসলামি গান, ইউটিউব ডিজিটাল ফোকাস
তাহসান খান ৮-৯ কোটি গান, অভিনয়, বিজ্ঞাপন বহুমাত্রিক প্রতিভা

Wednesday, May 21, 2025

ঐশ্বরিয়া রাই বনাম দীপিকা পাড়ুকোন: কার গ্লোবাল প্রভাব বেশি?

0 comments

বলিউডে বিশ্ব দরবারে নারীর প্রতিনিধিত্বের কথা বললে প্রথমেই যাঁদের নাম আসে, তাঁরা হলেন ঐশ্বরিয়া রাই এবং দীপিকা পাড়ুকোন। দুজনেই শুধু রূপে নয়, দক্ষতায়, কেরিয়ারে ও গ্লোবাল উপস্থিতিতে শীর্ষস্থানীয়। তবে প্রশ্ন উঠতেই পারে — কে বেশি প্রভাব রাখছেন বিশ্বে? চলুন কিছু দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।

two iconic Indian actresses, Aishwarya Rai and Deepika Padukone

🎬 চলচ্চিত্র ও আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট

ঐশ্বরিয়া রাই:

  • ২০০৪ সালে "Bride and Prejudice" দিয়ে হলিউডে প্রবেশ।

  • "The Pink Panther 2", "Provoked", "Mistress of Spices" এর মতো আন্তর্জাতিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

  • কান ফিল্ম ফেস্টিভালের নিয়মিত মুখ বহু বছর।

দীপিকা পাড়ুকোন:

  • ২০১৭ সালে "xXx: Return of Xander Cage" দিয়ে হলিউডে অভিষেক।

  • মার্কিন টক শো, রেড কার্পেটে সক্রিয় উপস্থিতি।

  • সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট ও প্রোডাকশন হাউজ চালু করেছেন।

🔍 বিশ্লেষণ: দীপিকার হলিউড অংশগ্রহণ নতুন হলেও বর্তমানে আরও সক্রিয়। তবে ঐশ্বরিয়া ছিলেন প্রথম দিকের বলিউড গ্লোবাল মুখ।


🧴 ব্র্যান্ড ও গ্লোবাল ফ্যাশন

ঐশ্বরিয়া রাই:

  • L'Oréal-এর গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর প্রায় দুই দশক।

  • বহু আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন কাভারে এসেছেন।

  • বিশ্ব সুন্দরীর (Miss World 1994) খেতাবই তাঁকে গ্লোবালি পরিচিত করে তোলে।

দীপিকা পাড়ুকোন:

  • Louis Vuitton, Cartier-এর গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর।

  • মেট গালা ও কানে অভিনব উপস্থিতি।

  • Vogue, TIME, Vanity Fair-এর কভার।

🔍 বিশ্লেষণ: ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং ফ্যাশন দুনিয়ায় দীপিকা এখন তুলনামূলক বেশি আলোচিত।


🧠 সচেতনতা ও সামাজিক প্রভাব

ঐশ্বরিয়া রাই:

  • ইউনাইটেড নেশনস AIDS goodwill অ্যাম্বাসেডর ছিলেন।

  • নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন।

দীপিকা পাড়ুকোন:

  • মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শক্তিশালী প্রচারণা চালিয়েছেন (LiveLoveLaugh Foundation)।

  • গণমাধ্যমে বিষণ্নতা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বহু মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

🔍 বিশ্লেষণ: দীপিকার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্যোগ গ্লোবালি অনেক প্রশংসিত হয়েছে।


📊 উপসংহার

মানদণ্ড ঐশ্বরিয়া রাই দীপিকা পাড়ুকোন
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র হলিউডে অভিজ্ঞতা বেশি, Cannes নিয়মিত বর্তমানে বেশি সক্রিয়
গ্লোবাল ব্র্যান্ড L’Oréal (দীর্ঘমেয়াদি) Louis Vuitton, Cartier
সামাজিক উদ্যোগ UN AIDS অ্যাম্বাসেডর মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা
ফ্যাশন ও মিডিয়া কান, Vogue Met Gala, TIME

🔚 চূড়ান্ত বিশ্লেষণ

ঐশ্বরিয়া ছিলেন পথিকৃৎ — বলিউড তারকাদের আন্তর্জাতিক পরিচিতি গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। অন্যদিকে, দীপিকা বর্তমানে গ্লোবাল মিডিয়া, ফ্যাশন, ও সামাজিক উদ্যোগে অনেক বেশি সক্রিয়। গ্লোবাল প্রভাবের ক্ষেত্রে দীপিকা ভবিষ্যতের নেতৃত্বে আছেন, তবে ঐশ্বরিয়ার প্রভাব ইতিহাসে অমলিন।

two iconic Indian actresses, Aishwarya Rai and Deepika Padukone

Tuesday, May 20, 2025

বিশ্বের ৫ জন সবচেয়ে ধনী গায়ক (২০২৫ আপডেট)

0 comments

সংগীত শুধু শিল্প নয়, এটি একটি বিশাল শিল্প খাত যা প্রতি বছর বিলিয়ন ডলার আয় করে। কিছু গায়ক তাঁদের প্রতিভা, ব্যবসা বুদ্ধি, ও ব্র্যান্ড ভ্যালু দিয়ে কেবল সংগীতে নয়, ধনসম্পদেও শীর্ষে পৌঁছেছেন। ২০২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, নিচে তুলে ধরা হলো বিশ্বের পাঁচজন সবচেয়ে ধনী গায়কের তালিকা।

five richest singers in the world in 2025 – Rihanna, Taylor Swift, Jay-Z, Madonna, and Paul McCartney

১. রিহানা (Rihanna)

  • নেট ওয়ার্থ: প্রায় $1.7 বিলিয়ন

  • দেশ: বার্বাডোস

  • মূল আয়: সংগীত, ফেন্টি বিউটি (Fenty Beauty), স্যাভেজ এক্স ফেন্টি

  • বিশেষত্ব: যদিও রিহানা অনেকদিন ধরে নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেননি, তবুও তাঁর কসমেটিক্স ব্র্যান্ড তাঁকে বিশ্বের অন্যতম ধনী গায়ক বানিয়েছে।

সংগীতের বাইরেও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে রিহানার পরিচিতি তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।


২. টেলর সুইফট (Taylor Swift)

  • নেট ওয়ার্থ: প্রায় $1.3 বিলিয়ন (2025 সালের শুরুতে বিলিয়নে পৌঁছেছেন)

  • দেশ: যুক্তরাষ্ট্র

  • মূল আয়: অ্যালবাম বিক্রি, লাইভ ট্যুর, মিউজিক রাইটস

  • বিশেষত্ব: তাঁর "Eras Tour" ইতিহাসের সবচেয়ে লাভজনক কনসার্ট ট্যুরের একটি।

সঙ্গীতে নিয়ন্ত্রিত কপিরাইট এবং নিজের কন্টেন্টের মালিকানা ফিরিয়ে নিয়ে তিনি শিল্পীদের অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়েছেন।


৩. জে-জেড (Jay-Z)

  • নেট ওয়ার্থ: প্রায় $1.2 বিলিয়ন

  • দেশ: যুক্তরাষ্ট্র

  • মূল আয়: সংগীত, রেকর্ড লেবেল (Roc Nation), আর্মান্যাক ব্র্যান্ড, ইনভেস্টমেন্ট

  • বিশেষত্ব: হিপ-হপ তারকা থেকে বিলিয়নে পৌঁছানো এই র‍্যাপার শুধু গায়কই নন, একজন সফল উদ্যোক্তাও।

সংগীতের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও ব্র্যান্ড অধিগ্রহণ তাঁকে ধনীদের কাতারে রেখেছে।


৪. ম্যাডোনা (Madonna)

  • নেট ওয়ার্থ: প্রায় $850 মিলিয়ন

  • দেশ: যুক্তরাষ্ট্র

  • মূল আয়: অ্যালবাম, ট্যুর, ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ

  • বিশেষত্ব: পপ মিউজিকের ‘কুইন’ হিসেবে পরিচিত ম্যাডোনা ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে শীর্ষে রয়েছেন।

মহিলা শিল্পীদের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।


৫. পল ম্যাককার্টনি (Paul McCartney)

  • নেট ওয়ার্থ: প্রায় $850 মিলিয়ন

  • দেশ: যুক্তরাজ্য

  • মূল আয়: বিটলস থেকে শুরু করে একক ক্যারিয়ার, লাইভ শো, মিউজিক রাইটস

  • বিশেষত্ব: তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সফল ব্যান্ড ‘The Beatles’-এর একজন সদস্য।

মিউজিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামগুলোর একটি।


📊 এক নজরে: ধনী গায়ক তালিকা

নাম দেশ নেট ওয়ার্থ (২০২৫) প্রধান আয়ের উৎস
রিহানা বার্বাডোস $1.7 বিলিয়ন ফেন্টি বিউটি, সংগীত
টেলর সুইফট যুক্তরাষ্ট্র $1.3 বিলিয়ন সংগীত, ট্যুর, রাইটস
জে-জেড যুক্তরাষ্ট্র $1.2 বিলিয়ন সংগীত, ইনভেস্টমেন্ট
ম্যাডোনা যুক্তরাষ্ট্র $850 মিলিয়ন সংগীত, পারফরম্যান্স
পল ম্যাককার্টনি যুক্তরাজ্য $850 মিলিয়ন বিটলস, রাইটস

Monday, May 19, 2025

২০২৫ সালের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত হলিউড সিনেমা

0 comments

 হলিউড প্রতি বছরই দর্শকদের জন্য চমক নিয়ে আসে। তবে ২০২৫ সাল যেন আগাম চমকের বছর। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সিনেমাপ্রেমী অপেক্ষায় আছেন একের পর এক ব্লকবাস্টার রিলিজের। কিছু নতুন গল্প, কিছু সিক্যুয়েল, কিছু সুপারহিরো অ্যাকশন, আবার কিছু বিজ্ঞান কল্পকাহিনি—সব মিলিয়ে ২০২৫ হতে চলেছে সিনেমাপ্রেমীদের জন্য স্বর্ণযুগ।

Top-5-Movie-for-the-year-of-2025

চলুন দেখে নিই, ২০২৫ সালের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ৫টি হলিউড সিনেমা এবং কেন এগুলো এত আলোচিত।


🎞️ ১. Avatar 3

  • 🎥 পরিচালক: James Cameron

  • 📅 মুক্তি: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫ (প্রত্যাশিত)

  • 🎯 হাইলাইট:

    • পান্ডোরার নতুন অঞ্চল "Ash People"-এর পরিচয়

    • আরও গভীরভাবে পরিবেশ ও মানব সভ্যতার দ্বন্দ্ব

    • ভিজ্যুয়াল ইফেক্টে প্রযুক্তির চূড়ান্ত প্রয়োগ

কেন প্রতীক্ষিত:
Avatar 2 এর পর দর্শকরা আবারও জাদুকরী পান্ডোরায় ফিরতে চাইছেন। James Cameron-এর নির্মাণ মানেই ভিজ্যুয়াল বিপ্লব।

Avatar 3


🦇 ২. The Batman: Part II

  • 🎥 পরিচালক: Matt Reeves

  • 📅 মুক্তি: ৩ অক্টোবর, ২০২৫

  • 🎭 অভিনয়ে: Robert Pattinson

  • 🎯 হাইলাইট:

    • Gotham শহরের অন্ধকার আরও ঘন

    • নতুন ভিলেনদের আগমন (সম্ভাব্য Mr. Freeze বা Hush)

কেন প্রতীক্ষিত:
প্রথম পর্বের noir স্টাইল ও gritty ব্যাটম্যান রূপ দেখে দর্শক অভিভূত। দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ডার্ক এবং ডিটেকটিভ ঘরানার থ্রিল প্রত্যাশিত।

The Batman: Part II


🌌 ৩. Avengers: Secret Wars

  • 🎥 পরিচালক: (প্রত্যাশিত) Destin Daniel Cretton

  • 📅 মুক্তি: ২০২৫ (সম্ভাব্য স্থগিত হতে পারে ২০২৬ পর্যন্ত)

  • 🎯 হাইলাইট:

    • Multiverse এর সমাপ্তি অধ্যায়

    • পুরনো Avengers এবং X-Men, Fantastic Four—সব মিলে এক মহাযুদ্ধ

    • Kang অথবা Dr. Doom এর মতো চরিত্রদের উত্থান

কেন প্রতীক্ষিত:
এই সিনেমা MCU-এর (Marvel Cinematic Universe) সবচেয়ে বড় ক্রসওভার হতে যাচ্ছে। কমিক ভক্তদের জন্য এটি স্বপ্নপূরণ।

Avengers: Secret Wars


🤖 ৪. TRON: Ares

  • 🎥 অভিনয়ে: Jared Leto

  • 📅 মুক্তি: ২০২৫

  • 🎯 হাইলাইট:

    • নতুন চরিত্র Ares-এর রাইজ

    • AI ও ভার্চুয়াল জগতের গভীর দার্শনিক প্রশ্ন

কেন প্রতীক্ষিত:
TRON সিরিজ সবসময়ই প্রযুক্তি-ভিত্তিক দর্শকদের জন্য একটা ফ্যান্টাসি। বিশেষ করে যাঁরা ভিজ্যুয়াল এফেক্ট ও সাইবার থিম ভালোবাসেন।

TRON: Ares _ Movie Poster


👨‍🚀 ৫. Mission: Impossible – Dead Reckoning Part Two

  • 🎥 অভিনেতা: Tom Cruise

  • 📅 মুক্তি: ২০২৫ (প্রত্যাশিত)

  • 🎯 হাইলাইট:

    • অসমাপ্ত মিশনের চূড়ান্ত সমাপ্তি

    • অ্যাকশন, ধ্বংস, এবং গুপ্তচর কাহিনির পারফেক্ট সংমিশ্রণ

কেন প্রতীক্ষিত:
Tom Cruise নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যান। এটাই সম্ভবত তার শেষ Ethan Hunt মিশন। বাস্তব স্টান্টের কারণে সব সময়ই আলাদা আকর্ষণ।

Mission: Impossible – Dead Reckoning Part Two


🧠 উপসংহার

২০২৫ সালের হলিউড সিনেমাগুলো শুধু বিনোদন নয়, প্রযুক্তি, সমাজ, এবং কল্পনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ হতে চলেছে। আপনি যদি সত্যিই সিনেমার ভক্ত হন, তবে এ বছর আপনার ক্যালেন্ডারে ডেটগুলো বুকমার্ক করে রাখতে ভুলবেন না।

Tuesday, May 6, 2025

সিয়াম আহমেদ বনাম শরিফুল রাজ: কে হচ্ছে ঢালিউডের পরবর্তী সুপারস্টার?

0 comments

 ঢাকাই সিনেমার গতি অনেকটাই বদলে গেছে। শাকিব খানের দীর্ঘ রাজত্বের পর এখন আলোচনায় উঠেছে দুই নতুন মুখ — সিয়াম আহমেদ এবং শরিফুল রাজ

তাদের অভিনয়, জনপ্রিয়তা, চরিত্র নির্বাচনের বৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন:

কে হচ্ছেন ঢালিউডের নতুন ‘রাজা’?

Siam_Ahmed-Shariful_Raj

🌟 সিয়াম আহমেদ: স্মার্ট হিরোর আধুনিক রূপ

✅ পরিচয় ও উত্থান

সিয়াম আহমেদ মূলত টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন।
২০১৮ সালে "পোড়ামন ২" সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক।
তৎকালীন তরুণদের মধ্যে সুদর্শন, স্মার্ট এবং মার্জিত লুকে বাজিমাত করেন।

🎥 উল্লেখযোগ্য সিনেমা

  • পোড়ামন ২

  • দহন

  • শান

  • মৃধা বনাম মৃধা

  • অপারেশন সুন্দরবন

⭐ পজিটিভ দিক

  • ক্লিন ইমেজ

  • পরিবার-ফ্রেন্ডলি চরিত্র

  • নায়কোচিত রোমান্টিক গ্ল্যামার

  • বিজ্ঞাপন ও মিডিয়ায় জনপ্রিয়

❌ সীমাবদ্ধতা

  • চরিত্রের বৈচিত্র্য কিছুটা কম

  • মূলত মেইনস্ট্রিম দর্শকের মধ্যে জনপ্রিয়


🔥 শরিফুল রাজ: বাস্তববাদী চরিত্রের বিদ্রোহী অভিনেতা

✅ পরিচয় ও উত্থান

মডেলিং থেকে আসা শরিফুল রাজ হঠাৎ করেই আলোচনায় আসেন ২০২১ সালের "নেটওয়ার্কের বাইরে" এবং "পরাণ" সিনেমায়।

🎥 উল্লেখযোগ্য সিনেমা

  • পরাণ

  • হাওয়া

  • গুণিন

  • ঢাকা ড্রিম

  • অজ্ঞাতনামা (সহ-ভূমিকা)

⭐ পজিটিভ দিক

  • শক্তিশালী অভিনয়

  • রাফ-অ্যান্ড-র’ লুক

  • বাস্তবভিত্তিক গল্পে পারদর্শিতা

  • তরুণ নির্মাতাদের পছন্দের পাত্র

❌ সীমাবদ্ধতা

  • ব্যক্তিগত বিতর্কে আলোচিত

  • সব বয়সী দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা কম


🎯 কে এগিয়ে?



মাপকাঠি সিয়াম আহমেদ শরিফুল রাজ
লুক মার্জিত, হিরো টাইপ রাফ, বাস্তব
জনপ্রিয়তা মেইনস্ট্রিম তরুণ ও বুদ্ধিজীবী দর্শক
চরিত্র নির্বাচন নিরাপদ, রোমান্টিক চ্যালেঞ্জিং, বিতর্কিত
মিডিয়া প্রেজেন্স অধিক তুলনামূলক কম
আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা আছে বেশি

🧭 উপসংহার

ঢালিউড এখন রূপান্তরের পথে।

সিয়াম ঢালিউডের ‘সেফ হিরো’,
আর রাজ হলেন নতুন ঢংয়ের ‘রিয়েল হিরো’।

কেউ শাকিব খানের উত্তরসূরি হতে চান, কেউ বদলে দিতে চান পুরো হিরো ধারনাই।

Siam_Ahmed-Shariful_Raj

তবে সুপারস্টার হওয়ার জন্য শুধু জনপ্রিয়তা নয়, দরকার ধারাবাহিকতা, নতুনত্ব আর দর্শকের ভালোবাসা।
সময়ই বলে দেবে — কে হচ্ছেন ঢালিউডের আসল ‘নেক্সট সুপারস্টার’।

Friday, May 2, 2025

শাকিব খান: ঢালিউডের রাজা নাকি সময়ের স্রোতে হারানো নায়ক?

0 comments

বাংলা চলচ্চিত্র বলতেই একসময় মাথায় ভেসে উঠত একটি নাম — শাকিব খান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢালিউডে রাজত্ব করা এই সুপারস্টার আজও আলোচনার কেন্দ্রে।

শাকিব_খান-Shakib_Khan
কিন্তু প্রশ্ন হলো — ২০২৫ সালে এসে তিনি কি এখনও আগের মতোই প্রাসঙ্গিক? নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধূসর হয়ে যাচ্ছেন ‘সিনেমার রাজা’?


👑 সাফল্যের শুরুঃ ২০০০ থেকে ২০১৫

শাকিব খান ১৯৯৯ সালে ‘অনন্ত ভালোবাসা’ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, ২০০৬ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত সময় ছিল তার ক্যারিয়ারের ‘গোল্ডেন পিরিয়ড’।

  • হিট সিনেমা: কিং খান, আম্মাজান, প্রেমিক নাম্বার ওয়ান, ভাইজান এলো রে

  • অভিনয় দক্ষতা ও লুক তাকে আলাদা করে পরিচিতি দেয়

  • বাণিজ্যিক ছবির নতুন ভাষা তৈরি হয় তার মাধ্যমে


💔 সমালোচনার ঝড় ও পরিবর্তনের চাপ

তবে সময় বদলেছে। দর্শকের পছন্দ পাল্টেছে।

  • একই ধাঁচের গল্প

  • অতিরঞ্জিত অ্যাকশন

  • দুর্বল চিত্রনাট্য
    এসব কারণে অনেকেই বলতে শুরু করেন — “শাকিব খান এখন রিপিটেড, নতুন কিছু নেই”


🌍 টলিউড যাত্রা ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা

২০১৮ সালে শাকিব খান কলকাতায় কাজ শুরু করেন। ‘ভাইজান এলো রে’ ও ‘নাকাব’-এর মতো সিনেমা তাকে ভারতের দর্শকদের মাঝেও পরিচিত করে তোলে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারে সে সফলতা স্থায়ী হয়নি।


🎥 ২০২১-২০২4: নতুন প্রজন্ম বনাম কিং খান

এদিকে সিয়াম, শরিফুল রাজ, অনন্ত জলিলদের মতো নতুন মুখেরা ঢালিউডে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে।

  • ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উত্থান

  • গল্পভিত্তিক সিনেমার চাহিদা

  • তরুণ নির্মাতাদের নতুন ধারা
    এসব কিছু শাকিবের স্টারডমে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।


🔄 ২০২৫: কামব্যাক নাকি কেবল উপস্থিতি?

বর্তমানে শাকিব খান কিছু নতুন ছবিতে কাজ করছেন, যেমন:

  • “প্রিয়তমা” (২০২৩): দর্শকপ্রিয়তা পেলেও সমালোচকরা মিশ্র মত দেন

  • “রাজকুমার” ও “মাসুদ রানা” প্রজেক্ট: অপেক্ষায় দর্শক

প্রশ্ন হলো — এই প্রজেক্টগুলো কি আবারো তাকে রাজা বানাতে পারবে?


🧠 দর্শকের মতামত

পক্ষে:

  • “যতই সময় যাক, শাকিবের স্টারডম অমলিন”

  • “তিনি ইন্ডাস্ট্রির একটা ইতিহাস”

বিপক্ষে:

  • “উনি নিজেকে আপডেট করেননি”

  • “নতুনদের জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত”


🧭 উপসংহার

শাকিব খান শুধু একজন নায়ক নন, ঢালিউডের একটি সময়ের প্রতিচ্ছবি। তিনি কি আবারো ফিরবেন তার রাজাসনে, নাকি নিজেই ইতিহাস হয়ে থাকবেন — তা নির্ভর করছে তার পরবর্তী পদক্ষেপে।


শাকিব খান এখন একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন — উত্তর দেবে সময়।

Wednesday, April 3, 2013

Picture or Video Ratings

0 comments

A G rated gravatar is suitable for display on all websites with any audience type.



PG rated gravatars may contain rude gestures, provocatively dressed individuals, the lesser swear words, or mild violence.



R rated gravatars may contain such things as harsh profanity, intense violence, nudity, or hard drug use.



X rated gravatars may contain hardcore sexual imagery or extremely disturbing violence.

Tuesday, January 25, 2011

বিশ্বকাপ ক্রিকেট

0 comments
ক্রিকেট ইতিহাসের শুরুর দিকটা একটু ঘেটে দেখলেই মনে হবে এটি বুঝি ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ার খেলা। তবে ধীরে ধীরে এটি এখন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি খেলায় পরিণত হয়েছে। ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যখন প্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলা হলো তখন থেকেই দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ক্রিকেট।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৯০৯ সালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আর সাউথ আফ্রিকা মিলে গঠন করে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কনফারেন্স’। যা আজকের ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)’।

আইসিসি গঠন হওয়ার পর থেকে এর পরিচালনা পরিষদ ক্রিকেটের উন্নয়নে ও সবার মাঝে ক্রিকেটের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে দেশে দেশে ক্রিকেট খেলার আয়োজন করে।

১৯৭৩ সালের ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি আইসিসির এক সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট দল নিয়ে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। যা আজকের ‘বিশ্বকাপ ক্রিকেট’।

১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়। এই বিশ্বকাপের আয়োজন করে ইংল্যান্ড। অংশ নেয় মাত্র ৮টি দল। প্রথম এই বিশ্বকাপে খেলা হয়েছে ৮টি। আর বিজয়ী হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সে থেকে শুরু। আজ ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১০ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট। তাও আবার বাংলাদেশের মাটিতে।

টেস্ট ক্রিকেট শুরুর প্রায় ১০০ বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটের প্রথম আন্তর্জাতিক আসর বিশ্বকাপ শুরু হয়। ১৯৭৫ সালে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সবার আগে ইংলিশ কাউন্টি দলগুলো ওয়ানডে ক্রিকেটের ধারণা নিয়ে আসে। ১৯৬২ সালের ২ মে মিডল্যান্ডস নকআউট কাপ টুর্নামেন্টে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত দুটি ওয়ানডে ম্যাচে জয় পায় লিস্টারশায়ার ও নর্দাম্পটনশায়ার।

১৯৬৩ সালে সবগুলো কাউন্টি দল নিয়ে পুরোদমে শুরু হয়ে যায় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে। বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় একদিনের ম্যাচে।

এর ৪ বছর পর ১৯৭৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে ৬০ ওভারের প্রুডেন্সিয়াল কাপ নামে শুরু হয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ।

সে সময়ের ৬টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে বিশ্বকাপে অংশ নেয় শ্রীলঙ্কা ও পূর্ব আফ্রিকা। শেষ ৪ জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

লিডসে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে অসি পেসার গ্যারি গিলমোরের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৯৩ রানে লুটিয়ে পড়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ৪ উইকেটের জয় পেয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালের টিকেট পায় অস্ট্রেলিয়া।

ওভালে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে সহজেই ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্লাইভ লয়েডের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৯১ রান সংগ্রহ করেন তারা।
বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নামে ইয়ান চ্যাপেলের দল। ২৩৩ রানে ৯ উইকেট হারালে অসিদের পরাজয়টা সময়ের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৭৪ রানে খেলা শেষ হয়। আর ১৭ রানে জয়ী হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

উৎসঃ বাংলা নিউজদেশ নিউজ

Saturday, November 27, 2010

Reality Show THE AMAZING RACE in Dhaka, Bangladesh

0 comments
Reality Show Shooting in Dhaka, Bangladesh. The upcoming episode of THE AMAZING RACE Season 17 Episode 9 “There’s a lot of Nuts and Bullets” (Dhaka, Bangladesh) which aired last night. Episode Synopsis: THE AMAZING RACE Season 17 Episode 9 “There’s a lot of Nuts and Bullets” (Dhaka, Bangladesh) – Tension among the teams runs high when, for the first time ever, two teams are U-turned and have to complete an extra task, jeopardizing their chances of making it to the final four.












THE AMAZING RACE, Sunday, Nov. 21 (8:00-9:00 PM, ET/PT) on the CBS Television Network. Photo: Best Possible Screen Grab/CBS

Thursday, November 11, 2010

রবিন হুড ক্রুসেড ও জাতীয়তাবাদ

0 comments
লোকগাথার আদি নিদর্শনে রবিন হুড অপরাধী কিন্তু ভালো লোক_এ পর্যন্তই পাওয়া যায়। কয়েক শ বছর ধরে লিখিত সাহিত্যে রবিন হুডের এই ক্রমবিবর্তন যেমন লক্ষ করার মতো, তেমনি চলচ্চিত্রে সেই একই চরিত্রের বিভিন্ন ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। রিডলি স্কট পরিচালিত ও রাসেল ক্রো অভিনীত সাম্প্রতিক চলচ্চিত্রে রবিন হুডকে দেখা হয়েছে ব্রিটিশ সিম্বল হিসেবে। ন্যাটো জোটভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যখন ইরাক ও আফগানিস্তানে স্বার্থসিদ্ধির জন্য মুসলমান হত্যা করছে, তখন তাদেরই যৌথ প্রযোজনার ছবিতে রবিন হুড বলছে, সে আর মুসলমান হত্যা করবে না

মাত্র সতের জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে এখতেয়ার উদ্দীন মুহম্মদ ইবনে বখতিয়ার খিলজি যখন বঙ্গদেশ দখল করেন তখন, ১১৯৯ সালে, ইংল্যান্ডের রাজা সিংহ-হূদয় রিচার্ড নর্ম্যান্ডি প্রদেশের লড়াইয়ে তীরবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ দুটি যুদ্ধের মধ্যে যে ঐক্য পাই, তা সন্দেহাতীতভাবে কাকতালীয় এবং আমাদের আলোচ্য বিষয় ইংল্যান্ডের যুদ্ধ। ইংল্যান্ডের ওই যুদ্ধক্ষেত্রেই আমরা দেখি রবিন হুড নামের এক ঝানু তীরন্দাজ রাজার হয়ে লড়াই করছেন। ২০১০ সালে এসে ব্রিটিশ লোকগাথার চরিত্র রবিন হুডকে এভাবেই হাজির করা হয় রিডলি স্কট নির্মিত চলচ্চিত্রে, যে চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন রাসেল ক্রো।

সাম্প্রতিককালে নির্মিত এ চলচ্চিত্রে পরিচালক রিডলি স্কট আমাদের দেখান, রাজার মৃতু্যর আগের রাতে সৎ সাহস দেখিয়ে বিপদে পড়ে রবিন হুড। সে রাজার সঙ্গে চতুর্থ ক্রুসেডে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ তৃতীয় ধর্মযুদ্ধে (১১৮৭ থেকে ১১৯২) মুসলমানদের কতল করার সময় নারী ও শিশুরা করুণভাবে প্রাণ ভিক্ষা চায় রবিন হুডের কাছে। যা দেখে ক্রুসেডে আর অংশ না নেয়ার অঙ্গীকার করে হুড। ফলে রাজ আক্রোশের শিকার হয় সে। কিন্তু সিংহ-হূদয়ের মৃতু্যর পর সে নটিংহ্যামে ফেরে। রাজাহীন রাজ্যে বাধ্য হয়ে তখন রাজা করা হয় রিচার্ডের দুষ্টু প্রকৃতির ভাই প্রিন্স জনকে। এরই মধ্যে দেখা মেলে ঘরের শত্রু বিভীষণের, তার নাম গডফ্রে। গোপনে সে সাহায্য করে ফরাসি রাজা ফিলিপকে। এই বিশ্বাসঘাতকতায় হুমকির মুখে পড়ে ইংল্যান্ডের স্বাধীনতা। কিন্তু প্রিন্স জনের প্রিয়পাত্র বেঈমান গডফ্রে হওয়ায় সৎ রাজকর্মীরা ছিটকে পড়ে দূরে। ইংল্যান্ডের মাটিতে সুকৌশলে ফরাসি সেনাদের নিয়ে খাজনা আদায়ের নামে লুটতরাজ শুরু করে গডফ্রে। শুধু তাই নয়, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপকেও ডেকে পাঠায় ইংল্যান্ড দখলের জন্য। ঘটনার এক পর্যায়ে রবিন হুডই নেতৃত্ব দেয় ইংল্যান্ডকে পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে। সে এবার যুদ্ধ করে প্রিন্স জনের হয়ে। যদিও শেষ পর্যায়ে প্রিন্স জন অহমের কারণে হুডকে আউট ল বা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে এবং হুলিয়া জারি করে তার নামে। তখন থেকেই হুডের জায়গা হয় গভীর জঙ্গলে, নাম শেরউড বা গ্রিনউড।

এই কাহিনি ২০১০ সালের। আদি লোকগাথা থেকে শুরু করে যতগুলো সিনেমা হয়েছে সবগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যাবে রবিন হুড একেক জায়গায় আবির্ভূত হয়েছে একেক ভূমিকায়। যেমন রবিন হুডকে নিয়ে সবচেয়ে পুরনো যে লোকগাথাটি পাওয়া যায়, ১৪৫০ সালে, নাম 'রবিন হুড এন্ড মঙ্ক' সেখানে হুড একজন অপরাধী মাত্র। নটিংহ্যামের শেরিফ ও তার দলবল হুডের শত্রু। প্রধান বন্ধু লিটিল জন। এরপরের শতাব্দীর নমুনাতেও একই রকম চিত্র পাওয়া যায় রবিন হুডের। তবে ষোড়শ শতাব্দীতে এসে দেখা যায় রবিন হুড বনে গেছে রাজা রিচার্ডের অনুগামী। এই শতাব্দীর লোকগীতিতে উলেস্নখ আছে, দ্বাদশ শতাব্দীতে রিচার্ডের অবর্তমানে প্রিন্স জনের স্বৈরশাসনের ফলে রাজ আইনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে হুড। ফলে আউট ল ঘোষণা করা হয় তাকে। মনে রাখা বাহুল্য নয় তখনো আমরা অধুনা বিনির্মিত রবিন হুডকে পাইনি। অর্থাৎ যে রবিন হুড ধনীর শত্রু, গরীবের বন্ধু। বড়লোককে যে লুট করে, যে দান করে দরিদ্রকে। ভিক্টোরীয় যুগে (১৮৩৭-১৯০১) রবিন হুড এই দাতা চরিত্রে আবির্ভূত হন। ১৮৮৩ সালে লেখা হাওয়ার্ড পাইলের উপন্যাস 'দ্য মেরি অ্যাডভেঞ্চারস অব রবিন হুড'-ই মূলত 'দাতা' সিলমোহরটি লাগায় রবিনের পিঠে। তবে সপ্তদশ শতকের কয়েকটি মঞ্চনাটকে রবিনের ওই রূপ দেখা যায়। কিন্তু তা পাইলের উপন্যাসের মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যা হোক উপন্যাস প্রকাশের পর বিংশ শতাব্দী জুড়ে যতবার রবিন হুডকে নিয়ে লেখা হয়েছে তার বেশির ভাগেই রবিনকে দেখা গেছে গরীবের ত্রাতা হিসেবে। ফলে সাধারণ একজন অপরাধী থেকে ভিক্টোরীয় যুগে রবিন হুড বনে যায় 'দাতা হাতিম তাই'। লোকগাথার আদি নিদর্শনে রবিন হুড অপরাধী কিন্তু ভালো লোক, ঐ পর্যন্তই পাওয়া যায়। কয়েকশ বছর ধরে লিখিত সাহিত্যে রবিন হুডের এই ক্রম বিবর্তন যেমন লক্ষ্য করার মতো তেমনি চলচ্চিত্রে সেই একই চরিত্রের বিভিন্ন ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

সিরিয়া ও মিশর যখন সুলতান সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে একজোট তখন ১১৮৭ সালে সুলতানের জিহাদে জেরুজালেম পুনর্দখল হয়। জার্মান সম্রাট ফ্রেডরিক বারবারোসা, ফরাসি রাজা ফিলিপ অগাসটাস ও ইংলিশ রাজা রিচার্ড সিংহ-হূদয়ের সমন্বয়হীন প্রতিরোধ প্রকৃত কোনো বাধাই তৈরি করতে পারে নি সুলতানের সামনে। ফলে পবিত্র স্থান হাতছাড়া হয় খ্রিস্টানদের। সেটি ফিরিয়ে নিতে শুরু হয় চতুর্থ ধর্মযুদ্ধের তোড়জোড় দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে এসে। এই সময়টা রবিন হুডকে নিয়ে লেখা সাহিত্য ও নির্মিত চলচ্চিত্রে ধরা পড়েছে বিভিন্ন ভাবে। এসব সৃষ্টিতে রবিন হুডের কর্মকাণ্ড এক রকম নয়। বিভিন্ন সাহিত্যে যেমন ভিন্ন, আমরা চলচ্চিত্রেও দেখি আলাদা আলাদা রবিন হুডকে। হুডকে নিয়ে প্রথম ছবিটি তৈরি হয় ১৯২২ সালে, নাম 'রবিন হুড'। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় ৯০ বছর; কিন্তু এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে কম করে হলেও ১৩টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এগুলোর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য মূলত তিনটি। একটি হলো ১৯৩৮ সালে এরল ফ্লিন ও অলিভিয়া দো হাভিলান্ড অভিনীত 'এ্যাডভেঞ্চার অব রবিন হুড', এর পরিচালক ছিলেন মাইকেল কার্টিজ ও উইলিয়াম কিইলি। দ্বিতীয়টি হলো শ্যন কনেরি ও অড্রে হেপবার্ন অভিনীত 'রবিন এন্ড ম্যারিয়েন' (১৯৭৬)। এর পরিচালক ছিলেন রিচার্ড লেস্টার। তৃতীয়টির কথা শুরুতেই বলেছি, ২০১০ সালে রাসেল ক্রোর রবিন হুড। চলচ্চিত্রে ত্রিশের দশকে আমরা দেখি রবিন হুড স্যাক্সন ও নর্ম্যানদের সমস্যা নিয়ে ভাবিত। সেখানে সে নিজে স্যাক্সন আর প্রিন্স জনসহ ম্যারিয়েন নর্ম্যান। এই দুই জাতিকে ইংলিশ জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে যেন ক্যানভাসার হিসেবেই হাজির হয় রবিন হুড। বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যে অবশ্য দেখা যায় রবিন হুড নিপীড়িত স্যাক্সনদের পক্ষে ও নমর্্যান লর্ডদের বিরুদ্ধে। রবিন যে স্যাক্সন ছিলো তাও হলফ করে বলতে পারবে না কেউ। কিন্তু তারপরও স্যাক্সন ও নর্ম্যান প্রসঙ্গ নিয়ে ছবি বানানো হয়। ১৯৩৮ সালে 'এ্যাডভেঞ্চার অব রবিন হুড' ছবিটি যখন মুক্তি পায় তখন ইউরোপ জুড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা। হিটলারের জাতীয়তাবাদ তখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ওই অবস্থায় রবিন হুড কেন ইংলিশ জাতীয়তাবাদকে উস্কে দিচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়।

এর পরে নির্মিত ছবি দুটিতে রবিন হুড ক্রুসেডে অংশ নিয়েছে শ্যন কনেরি ও রাসেল ক্রো উভয়েই। শ্যন কনেরি যেখানে সাধারণ নারী ও শিশুকে হত্যা করে একটি মূর্তি আদায় করতে অস্বীকৃতি জানায় সেখানে রাসেল ক্রো আর ক্রুসেডে যাবে না বলে অনড় অবস্থান নেয়। দুটো ঘটনাই রাজ আদেশকে অমান্য করা। শ্যন কনেরির রবিন হুড এরপর নটিংহ্যামের শেরিফ ও ম্যারিয়েনকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বোঝাই যায় মূলত ব্যবসা করার জন্যই দুই তারকাকে আনা হয় এই রবিন হুড ছবিতে। রাসেল ক্রোর ছবিতে কিন্তু ক্রুসেডের প্রসঙ্গ এসেছে খোলামেলা ভাবেই। হোক একটি ছোট দৃশ্যে কয়েকটি লাইন, তার গুরুত্ব কিন্তু ছোট নয়। ন্যাটো জোটভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যখন ইরাক ও আফগানিস্তানে স্বার্থ সিদ্ধির জন্য মুসলমান হত্যা করছে তখন তাদেরই যৌথ প্রযোজনার ছবিতে রবিন হুড বলছে সে আর মুসলমান হত্যা করবে না। সমঝদারদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। ১৯৯১ সালে কেভিন কস্টনার অভিনীত 'রবিন হুড : প্রিন্স অব থিভস' ছবিতেও আমরা দেখি রবিন হুড মুসলমানদের বিপক্ষে নয়। বরং আজিম নামের এক মুসলমান বন্ধু রয়েছে তার। উলেস্নখ করা দরকার, তখন মার্কিন বাহিনী ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। যাহোক রাসেল ক্রো অভিনীত ছবিতে মুসলমানদের নিয়ে ছোট ওই ইঙ্গিত ছাড়া যেটি আছে সেটি হলো আবারো সেই জাতীয়তাবাদ। যে রবিন হুড সত্যি সত্যি ছিলো বলে কেউ বলতে পারেনি, যে রবিন হুড লোকগাথার বিখ্যাত চরিত্র, যে রবিন হুডকে দেখা হয় ব্রিটিশ সিম্বল হিসেবে, সে ২০১০ সালে আবারো অবতীর্ণ হয় জাতীয়তাবাদের ঝাণ্ডা হাতে। যে রবিন হুডকে এর আগে সাহিত্যে ও চলচ্চিত্রে প্রিন্স জনের শত্রু হিসেবেই দেখানো হয়েছে, সেখানে নতুন এই ছবিতে আমরা দেখি ইংরেজ জাতিকে রক্ষায় প্রিন্স জনের সঙ্গে লড়াইয়ের ময়দানে নামে রবিন হুড। প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। ইংলিশ চ্যানেলের এপার আর ওপারের দীর্ঘ রেষারেষির খবর কমবেশি সকলেরই জানা। কিন্তু অত্যাচারী রাজার শত্রু আর শোষিত মানুষের বন্ধু রবিন হুড এখানে কেন ব্রিটিশ জাতীয়তাবাদের কাণ্ডারী? ধনী-গরীবের দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক থেকে মুক্তি দিয়ে জাতীয়তাবাদের ক্যানভাসার কেন বানানো হলো তাকে? কোন জ্ঞান উৎপাদন করতে চায় তারা? উত্তরে বলা যায়, ইংরেজ জাতির শৌর্য-বীর্য জনপ্রিয় চরিত্র রবিন হুডকে দিয়ে শক্তিশালী গণমাধ্যম চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপনের মর্মার্থ উদ্ধার করতে রকেট প্রকৌশলী হওয়ার প্রয়োজন নেই।

সূত্র: ইত্তেফাক

Thursday, October 14, 2010

দ্যা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

0 comments
'সোশ্যাল নেটওয়ার্ক' সিনেমাটি পুরোপুরি ফেসবুককে কেন্দ্র করে তৈরি কিনা এমন প্রশ্নের ঠিকঠাক কোনো উত্তর নিমর্াতাদের কাছে পাওয়া যায়নি। সিনেমাটি বেন মেজরিচের 'দ্যা অ্যাকসিডেন্টাল বিলিয়নিয়ার' বইটি অবলম্বনে নির্মান করেছেন এরন সরকিন। তবে ছবিটি দেখলে আপনারা বুঝতে পারবেন যে সেটা আসলে মার্ক জুকারবার্গ এবং তার দুই বন্ধু ইডুরাডো সেভেরিন ও উইংলিভনস টুইনের জীবনীর আদলে তৈরি করা।
                                    Photo by Merrick Morton – © 2010 Columbia Tristar Marketing Group, Inc. All rights reservedহার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত মার্কের জীবনটা খুব সুখের ছিলো না। শুধুমাত্র প্রোগ্রামিংয়ে ছিলো তার দৰতা। বাকিটা না বললেও চলে। এক অনুষ্ঠানের রাতে মদ্যপানরত অবস্থায় তার বান্ধবী এরিকার সাথে সম্পর্ক ভেঙে যায়। কারণটা এরকম যে তার মতো ছেলের সাথে নাকি কোন মেয়ের পৰে থাকা সম্ভব না। ব্যাপারটা মেনে নেয়া মোটেও সহজ ছিলো না। মার্কের মনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলতে থাকে। সে তার ঘরে ফিরে চিনত্দা করতে থাকে কিভাবে প্রতিশোধ নেবে। একপযর্ায়ে সে বস্নগে এরিকাকে নিয়ে আজেবাজে কথা লেখা শুরম্ন করে। পরবর্তীতে সে জেদের বশে 'ফেসমাস্ক' নামে একটা ওয়েব সাইট খোলে এবং ইউনিভর্াসিটির সার্ভারে ঢুকে হার্ভার্ডের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট মেয়েদের ছবি দিয়ে রেটিংয়ের ব্যবস্থা করে। মজার ব্যাপার হলো, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা এতো জনপ্রিয়তা পায় যে গ্রাহক চাপ সামলাতে না পেরে সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। কমিটি থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সে শাসত্দি থেকে নিজেকে বাঁচাতে সৰম হয়। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে সে টুইন ও ডিভইয়ার নজরে আসে। তারা তাকে অনুরোধ করে একটা ডেটিং সাইট খোলার জন্য। সে তাতে রাজি হয়। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য সহজ উপায় খুঁজতে থাকে। আর সেখান থেকেই মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কের যাত্রা শুরম্ন। এসবের মধ্যে দিয়েই ছবি শুরম্ন হয় এবং কাহিনি ত্রগিয়ে চলে।

ধীরে ধীরে নেটওয়ার্কটির জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে সেই সাথে বাড়তে থাকে তিন বন্ধুর মধ্যকার দূরত্ব। নেটওয়ার্কটির নির্মাণ ধারণা কার ছিলো সেটা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। কারণ সামান্য হলেও তাদের সেটা অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়।

২০০৯-এর আগস্টের শুরূর দিকে 'দ্যা সেশ্যাল নেটওয়ার্ক' ছবির প্রি-প্রোডাকশন কাজ শুরম্ন হয়। ছবির শুটিং হয় কেমব্রিজ ও ম্যসাচুসেটসে। তবে 'ফেইসবুক' উদ্ভাবনের কাহিনীর সেই হার্ভার্ড এর শুটিং করা সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনীয় দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয় জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে।

ডেভিড ফিনচারের পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিটিতে ভারতীয় বান্দ্রা গান রাখা হয়েছে, যার গায়িকা কৃষ্টি।

ছবিতে যারা অভিনয় করেছেন মার্ক জুকারবার্গের ভূমিকায় জেসি ইসেনবার্গ, ইডুরাডো সেভেরিনের ভূমিকায় ত্রন্ড্র- গারফিল্ড, ডাসটিন মসকোভিচের ভূমিকায় জোসেফ মাজেলেস্না, সিয়েন পার্কারের ভূমিকায় জাসটিন টিমবারলেক, ক্যামেরম্নন ও টেইলারের ভূমিকায় আরমি হ্যামার, ডিভইয়ার ভূমিকায় ম্যাক্স, উইংলিভনসের ভূমিকায় জস পেনস ও এরিকার ভূমিকায় রোনি মারা।

প্রথম সপ্তাহে ছবিটি বক্স অফিসে ২৩ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করেছে।
০০ প্রাঞ্জল সেলিম ০০

Saturday, September 18, 2010

অস্কার

0 comments
অস্কার পুরস্কার নিয়ে চলচ্চিত্র অনুরাগীদের মধ্যে উৎসাহের শেষ নেই। কোন বছর কোন ছবিটি অস্কার পাবে, কে সেরা অভিনেতা, অভিনেত্রী হবেন তা নিয়ে সারাবিশ্বেই চলচ্চিত্র মহলে অনেক জল্পনাকল্পনা চলে। কিন্তু অস্কার পুরস্কারের নাম 'অস্কার' কেন সে ইতিহাস অনেকেই জানেন না। ৩৪ সে. মি. লম্বা গোল্ড প্লেটেড পুরুষ মূর্তিটির নাম 'অস্কার' কীভাবে হলো তার রয়েছে এক মজার কাহিনী। ১৯২৭ সালের ৪ মে প্রতিষ্ঠিত হয় দ্য অ্যাকাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সাইন্সেস। চলচ্চিত্রশিল্পের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবার জন্য এই অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য একটি ক্রেস্ট বা মূর্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোনায় মোড়ানো একটা পুরুষ মূর্তি, হাতে একটি তলোয়ার, মূর্তিটি দাঁড়িয়ে আছে একটি ফিল্ম রোলের উপর। তখন অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড হিসেবেই এটি পরিচিতি ছিল। ১৯৩১ সালে অ্যাকাডেমির লাইব্রেরিয়ান মার্গারেট হেরিক একদিন মূর্তিটি দেখে বলে ওঠেন, 'আরে, এটা দেখতে তো একদম আমার চাচা অস্কারের মত!' অস্কার নামটি ভীষণ ভালো লেগে যায় অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষের। তখন থেকেই স্ট্যাচুটির নাম হয়ে যায় 'অস্কার'। প্রথম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড প্রদানের অনুষ্ঠান হয় ১৬ মে ১৯২৯ সালে হলিউডের রুজভেল্ট হোটেলে। ১৯২৭-২৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিকে পুরস্কৃত করা হয় এ অনুষ্ঠানে। ১৯২৯ সালের ৩১ অক্টোবর আরেকটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় অ্যামবাসেডর হোটেলে। এই অনুষ্ঠানে ১৯২৮-২৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিকে পুরস্কৃত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সেরা ছবির পুরস্কার পায় মেট্টো গোল্ডউইন মেয়ারের 'ব্রডওয়ে মেলোডি' ছবিটি। এটিই পুরস্কারপ্রাপ্ত, প্রথম 'ট্রফি'।

Thursday, September 16, 2010

দ্য ডা ভিঞ্চি কোড

0 comments
আকাশ সংস্কৃতির জোয়ার আর মারদাঙ্গা মুভি ও মিউজিকের ভিড়ে আমাদের বই পড়ার অভ্যাসটি যতোই কমুক না কেন; একটি ভালো বইয়ের কদর সবসময়ই আলাদা। আর তাই নানা সময়ে সাহিত্য আর কল্পনার মিশেলে বহু গল্প-উপন্যাস যেমন ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, তেমনি এইসব সৃষ্টি উৎসাহিত করেছে সংস্কৃতির অপরাপর ধারাকেও। ২০০৩-এ প্রকাশিত আলোচিত উপন্যাস ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ সম্পর্কেও এ কথাটি প্রযোজ্য। ড্যান ব্রাউনের লেখা এই উপন্যাসটি অবলম্বনে ইতিমধ্যেই নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রÑযা বিশ্বের নানা দেশের চলচ্চিত্রমোদীদের যেমন মুগ্ধ করেছে, তেমনি যুগিয়েছে আলোচনার খোরাকও। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাস অবলম্বনে ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০৬ সালে। আর এটি পরিচালনা করেন রন হাওয়ার্ড। চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে দেখা মেলেÑটম হ্যাংকস্, অড্রে টোটু, ইয়ান ম্যাককেলেন, আলফ্রেড মোলিনার মতো তারকাদের। রন হওয়ার্ড তার চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে দু-একটি জায়গায় ব্যাখ্যামূলক প্লট যোগ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনুসরণ করেছেন মূল উপন্যাসের গল্পকে। এ কারণে ধর্মীয় পটভূমিকে মাথায় রেখে ড্যান ব্রাউন তার উপন্যাসে যে রহস্য, রোমাঞ্চ, কল্পনা আর অপরাধচিত্রের মিশেল ঘটিয়েছিলেন তার দেখা মেলে রন হাওয়ার্ডেও চলচ্চিত্রায়নেও। মূলত প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে চলে আসা রোমান ক্যাথলিক চার্চের একটি বিতর্কের পটভূমি থেকেই এগিয়ে যায় ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’-এর কাহিনী। হলি গ্রেইল লিজেন্ড এবং ক্রিশ্চিয়ানিটির ইতিহাসে ম্যারি ম্যাগডালেন-এর ভূমিকা খুঁজতে গিয়েই এই চলচ্চিত্রে দর্শকদেও পরিচয় ঘটে ভিন্ন এক ঘটনা প্রবাহের সাথে। তবে উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের এই প্রচেষ্টা পাঠক-দর্শকদের কাছে সমাদৃত হলেও ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়, বিশেষত ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ, ইউরোপিয়ান আর্ট ক্রিটিক্স এবং ঐতিহাসিকদের কাছে।

Wednesday, September 15, 2010

অপরিচিত

0 comments
আলম ও নীলা, এক অদ্ভূত দম্পতি। আলম ভীষণ নিরীহ গোছের। স্ত্রীকে প্রচন্ড ভালোবাসে। কিন্তু নিলা আলমকে সন্দেহ করে। নিলা প্রায়ই স্বপ্ন দেখে আলম তাকে খুন করে ফেলছে। নিলার স্বপ্নগুলো হয়তোবা শুধুই স্বপ্ন। কিন্তু সে বাস্তব জীবনে সে সব স্বপ্নের মিল খুঁজে পায়। একটা সময় আলম-নিলা দুজনই স্বপ্ন এবং বাস্তবের মাঝামাঝি এক অদৃশ্য জায়গায় আটকে যায়। আলম কোনভাবেই নিলাকে শান্ত করতে পারে না। এভাবেই চলতে থাকে নাটকটির কাহিনী।
নাটকটির রচনা ও পরিচালনায় অনিমেষ আইচ। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অপি করিম, ফারজানা চুমকী, পার্থ প্রমুখ।

দ্য টাওন

0 comments
চেহারা দেখে অনেক কিছুই বোঝা যায় না। কেউ দেখতে খুব সহজ-সরল, কিন্তু সত্যিই কি সে সহজ-সরল? আমাদের চারপাশে মুখোশ পরা হাজারো মানুষের বসবাস। সুযোগ পেলেই সর্বনাশ করে ছাড়বে। ছবির মেয়েটি তেমনই একজন। দেখতে সাদাসিধে; কিন্তু আসলে সে তা নয়। একটি অপরাধ চক্রের সঙ্গে মেয়েটি জড়িত। ভালো মানুষ রূপ নিয়ে সে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এভাবেই একসময় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই'র ভিতরও সে ঢুকে পড়ে। নীরব ঘাতক হয়ে কাজ করে। তারপর? জানা যাবে 'দ্য টাওন' চলচ্চিত্রটিতে। এতে নীরব ঘাতক চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেবেকা হল। আরো আছেন বেন অ্যাফ্লেক, জন হ্যাম, জেরেমি রেনার, ব্ল্যাক লাইভলি প্রমুখ। রোমান্স, রহস্য এবং নাটকীয় স্বাদের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বেন অ্যাফ্লেক।

সেরা ১০ প্রেমের ছবি

1 comments
ভালোবাসার আবেদন চিরন্তন এবং বিশ্বব্যাপী। সময়ের বিবর্তনে সেলুলয়েডে প্রেমের ধারায় পালাবদল এসেছে। রুপালি পর্দায় প্রেমিক-প্রেমিকার রোমান্টিকতায়ও অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজও প্রেমের ধারা বহমান হিন্দি সিনেমায়। তবে পরিবেশ ও প্রেক্ষাপটের সাথে তাল মিলিয়ে প্রেমের গল্পে নতুন নতুন চমক আসছে। যুগে যুগে নির্মিত হয়েছে অগণিত প্রেমের ছবি। তেমনি সেরা ১০ প্রেমের ছবির কথা তুলে ধরেছেন রেজাউল করিম খোকন



মুঘল এ আজম

১৯৬০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মুঘল এ আজম’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সর্বকালের সর্বসেরা একটি চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কে আসিফ পরিচালিত এ ছবির বিভিন্ন দৃশ্য এবং ঘটনাবলী নিয়ে দর্শক এখনও নষ্টালজিক আলোচনায় মুখর হলেও একটি অলটাইম ক্ল্যাসিক লাভস্টোরি হিসেবে অতীতের মতো আগামীতেও দর্শক হƒদয়ে মুগ্ধতার পরশ বুলিয়ে যাবে বিখ্যাত এই ছবিটি। আর এ ছবির গানগুলো আজও সবাইকে আবিষ্ট করে তোলে। দিলীপ কুমার, মধুবালা, পৃথ্বিরাজ কাপুর অভিনীত ‘মুঘল এ আজম’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে সেরা প্রেমের ছবি হিসেবে, কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে পরিগণিত হবে আজীবন।



দেবদাস

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এবং বহুল পঠিত উপন্যাস ‘দেবদাস’ অবলম্বনে বাংলার পাশাপাশি হিন্দিতেও চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিমল রায় পরিচালিত ‘দেবদাস’ ছবিটি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অবস্থানে রয়েছে। দেবদাস চরিত্রে দিলীপ কুমারের অপূর্ব অভিনয়ের কথা দর্শক সবসময়ে বিশেষভাবে স্মরণ করবে। তার অসাধারণ পারফরমেন্সের মাধ্যমে সেলুলয়েডে ‘দেবদাস’ চরিত্রটি পারফেক্টভাবে ফুটে উঠেছিল। পরবর্তীতে ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ ছবিটি দর্শকমনে সাড়া জাগালেও এ ছবিতে দেবদাস চরিত্রে শাহরুখ খানের গেট আপ এবং আচরণ নিয়ে নানা বিতর্ক এবং সমালোচনা হয়েছে।



ববি

টিনএজার রোমান্সের ছবি ‘ববি’ হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে নতুন এক ধারার সূচনা করেছিল। ঋষি কাপুর-ডিম্পল কাপাডিয়া অভিনীত এ ছবিটি হিন্দি সিনেমার আধুনিক প্রেম কাহিনীর সার্থক উপস্থাপনা ছিল। সবাই যখন পুরোনো ঢং-এর ম্যাড়ম্যাড়ে প্রেম কাহিনীর ছবিগুলো দেখতে দেখতে এক ঘেয়ে বোধ করছিল, ঠিক তখনই নতুন সঞ্জীবনী সুরার মাদকতা ছড়িয়ে দিয়েছিল এ ছবিটি। তরুণ বয়সী দর্শক তো বটেই, পরিণত বয়সের দর্শকরাও ‘ববি’র প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন। বক্স অফিসে রানওয়ে হিট মুভি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছিল ‘ববি’।



কেয়ামত সে কেয়ামত তক

হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে মাঝে-মধ্যে হঠাৎ প্রচন্ড আলোর ঝলকানি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে বেশ কিছু সুপার ডুপার হিট লাভ স্টোরি মুভি। ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ তেমন একটি ব্লক বাস্টার হিট প্রেমের ছবি। যা দর্শকদের ভীষণভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল। মনসুর খান পরিচালিত এ ছবিতে সেই সময়ের জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত কোনো নায়ক-নায়িকা ছিল না। সম্পূর্ণ নতুন মুখের নায়ক নায়িকা আমির খান ও জুহি চাওলা তাদের ফ্রেশলুক এবং চমৎকার সাবলীল রোমান্টিক অভিনয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবেই সবার হƒদয়ে ঠাঁই করে নিতে পেরেছিলেন। রোমিও জুলিয়েটের প্রেম কাহিনীর আদলে এ ছবির কাহিনী গড়ে উঠলেও দর্শক ভিন্ন ট্রিটমেন্টের কারণে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবিকে আশাতীতভাবে গ্রহণ করেছিল।



ম্যায়নে পেয়ার কিয়া

রোমান্টিক ছবির ধারায় কাহিনীতে তেমন নতুনত্ব না থাকলেও সুরুজ বারজাতিয়া পরিচালিত ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ ছবিটি বলিউডি সিনেমায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। এ ছবির মাধ্যমেই রাতারাতি সুপারস্টার-এ পরিণত হয়েছিলেন নতুন নায়ক সালমান খান এবং নায়িকা ভাগ্যশ্রী। ধনী-গরীবের সামাজিক বৈষম্য ও প্রেম ভালোবাসা নিয়ে এর আগে প্রচুর হিন্দি ছবি নির্মিত হলেও ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’র নির্মাণ, শিল্পীদের অভিনয়, পর্দা উপস্থিতি, গান, নাচ সবকিছুতেই ভালোলাগার মতো বেশকিছু নতুনত্বের ছোঁয়া ছিলÑযা দর্শকদের আবিষ্ট করেছিল প্রচণ্ডভাবে।



দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে

আদিত্য চোপড়া পরিচালিত প্রথম ছবি ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে। বলিউডি সুপার ডুপার হিট মুভির ইতিহাসে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে এ ছবিটি। শাহরুখ খান-কাজল জুটির আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা সৃষ্টির পেছনে এ ছবিটি বিরাট ভূমিকা রেখেছে। তাদের দুজনের অভিনয়ে এক ধরনের স্বাভাবিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ততা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছিল। শাহরুখ-কাজলের মধ্যকার পারস্পরিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং কেমিস্ট্রি দর্শক প্রাণভরে উপভোগ করেছেন। ১৯৯৬ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবিটি ১০টি ক্যাটাগরিতে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়।



কুচ কুচ হোতা হ্যায়

রোমান্টিক হিন্দি সিনেমার ধারায় শাহরুখ খান, কাজল ও রানী মুখার্জি অভিনীত ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ ছবিটি সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছিল। অল্প বয়সী নির্মাতা করন জোহর প্রথম ছবিতেই সাফল্যের চমক দেখিয়ে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিগ শট পরিচালক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। কলেজ ক্যাম্পাসে তরুণ-তরুণীর বন্ধুত্ব, মেলামেশা এবং প্রেমকে দারুণ স্মার্টলি তুলে ধরা হয়। সেই সম্পর্ক এক সময় অন্যদিকে গড়ায়। প্রেম-বিরহকে গতানুগতিকতার বাইরে নতুন আমেজে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অদ্ভুত মুন্সিয়ানা লক্ষ্য করা গেছে এ ছবিতে। শাহরুখ খান- কাজল জুটির রোমান্টিসিজম রুপালি পর্দায় আবারও ম্যাজিক সৃষ্টি করেছিল ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র পর। ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ ছবির রোমান্টিক মেলোডিয়াস গানগুলোও দর্শকদের আবিষ্ট করেছে।



কহো না পেয়ার হ্যায়

রোমান্টিক হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে আরেকটি নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবিটি। রাকেশ রোশন পরিচালিত এ ছবিটি অভূতপূর্ব সাফল্যের চমক দেখানোর পাশাপাশি নতুন শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দারুণ উজ্জ্বল সম্ভাবনার এক নতুন সুপারস্টার অভিনেতা ঋত্বিক রোশনকে উপহার দিয়েছে। এ ছবিটি কাহিনীতে তেমন নতুনত্ব না থাকলেও ছবিটি পরিচালনায় অতিমাত্রায় যতেœর প্রকাশ, নয়ন জুড়ানো লোকেশনে শুটিং, নতুন মুখ ঋত্বিক রোশন ও আমিশা প্যাটেলের প্রাণবন্ত অভিনয়, ঋত্বিকের নতুন স্টাইলের কোরিওগ্রাফি, অনেকগুলো শ্রুতিমধুর গান ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’কে বক্স অফিসে সুপার ডুপার হিট করেছিল। আর এ ছবির বিরাট সাফল্য সাধারণ মানের একজন চিত্রনির্মাতা রাকেশ রোশনকে আপগ্রেডেড স্ট্যাটাসে প্রতিষ্ঠিত করেছে।



হাম দিল দে চুকে সানাম

সঞ্জয়লীলা বানসালির সুপারহিট মুভি ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ রোমান্টিক গল্পের অপূর্ব এক চলচ্চিত্র রূপ হিসেবে দর্শকনন্দিত হয়েছে। সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই ও অজয় দেবগন অভিনীত এ ছবির কাহিনীতে তেমন অসাধারণত্ব না থাকলেও এর নির্মাণে ছিল অপূর্ব চমক। এ ছবিতে সালমান-ঐশ্বরিয়া জুটির কেমিস্ট্রিটা ছিল অসাধারণ। অভিনীত চরিত্রে তারা মন-প্রাণ ঢেলে অভিনয় করেছিলেন। সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেম বিরহের পাশাপাশি অজয় দেবগনের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য সংকট ইত্যাদি দর্শকদের আবিষ্ট করে রেখেছে। ফলে একটি উল্লেখযোগ্য উপভোগ্য রোমান্টিক ছবি হিসেবে দর্শক নন্দিত হয়েছে ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’।



সিলসিলা

অমিতাভ বচ্চন-জয়া ভাদুড়ি-রেখা-সঞ্জীব কুমারকে নিয়ে ‘সিলসিলা’ ছবিটি নির্মাণ করে হিন্দি সিনেমার জগতে রীতিমতো আলোড়ন তুলেছিলেন প্রযোজক পরিচালক যশ চোপড়া। প্রেম এবং পরকীয়ার বিষয়গুলো ‘সিলসিলা’ ছবিতে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। অমিতাভ-রেখার প্রেমময় সম্পর্ক নিয়ে তখন বাস্তবেই বেশ হৈ চৈ চলছিল। বিবাহিত অমিতাভ ঘরে সুন্দরী অভিনেত্রী বউ জয়াকে রেখে বাইরে সুন্দরী আবেদনময়ী অভিনেত্রী রেখার প্রেমে জড়িয়ে পড়েছিলেন। রেখার কারণে অমিতাভ-জয়ার দাম্পত্য জীবনে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। পরিচালক প্রযোজক যশ চোপড়া ঠিক সেই সময়ে ত্রিভুজ সম্পর্কের অদ্ভূত এক প্রেমের গল্প নিয়ে ‘সিলসিলা’ ছবিটি নির্মাণ করেন। যা তখন দর্শকদের ভীষণভাবে আলোড়িত করেছিল। এখনও বলিউডি উল্লেখযোগ্য সেরা রোমান্টিক ছবিগুলোর অন্যতম একটি হিসেবে বিবেচিত হয় ‘সিলসিলা’।



জানে তু ইয়া জানে না

এ ছবির গল্প শুনলে খুব কম দর্শকই প্রথম দফায় আকৃষ্ট হবেন ছবিটি দেখতে। সদ্য কলেজ জীবন শেষ করে বেরিয়েছে ইমরান খান, জেনেলিয়া আর তার বন্ধুরা। ইমরান ও জেনেলিয়া মানে পর্দার জয় ও অদিতি পরস্পরের খুব ভালো বন্ধু। সারাক্ষণ একজন আরেকজনের সঙ্গে খুনসুটি করে বেড়ায়। একজন আরেকজনের সঙ্গে ঝগড়া করে সামান্য বিষয় নিয়ে। এ জন্য সবাই ভাবে, এই জুটির মিলন জীবনে কোনোদিনই হবে না। বন্ধুরা দুজনের জন্য পছন্দসই মানুষ খুঁজতে শুরু করে। এক সময় তারা পেয়েও যায়। তখনই জয় ও অদিতি অনুভব করতে থাকে ‘দে আর মেড ফর ইচ আদার’। বহুশ্রুত এই গল্পকেই পরিচালক আব্বাস টায়ারওয়ালা তার পরিচালনার মুন্সিয়ানায় প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। ২০০৮ সালের অন্যতম সেরা ব্যবসাসফল ছবি হিসেবে গণ্য হয়েছে ‘জানে তু ইয়া জানে না’। আর এই ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে হালের তরুণ-তরুণীদের হার্টথ্রবে পরিণত হয়েছেন ইমরান খান। যেমনটা হয়েছিলেন বিশ বছর আগে ইমরানের মামা আমির খান ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবির মাধ্যমে। একুশ শতকের একটি তরতাজা তারুণ্যদীপ্ত প্রেমের ছবি হিসেবে ‘জানে তু ইয়া জানে না’ বলিউডে দারুণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এভাবেই ছবিটি উল্লেখযোগ্য প্রেমের ছবির তালিকায় সহজেই ঠাঁই করে নিতে পেরেছে।

Tuesday, September 14, 2010

কাঁটা

0 comments
একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি হয় । স্বপন এবং তার স্ত্রী সবিতা ভুতের গলির আজিজ মোল্লার বাড়ীতে ঘর ভাড়া নেয়। ঘর ভাড়া নেয়ার সময় মহল্লাবাসীরা স্বপন এবং সবিতাকে এই বাড়ীতে থাকতে মানা করে। কারণ এই বাড়ীতে একটা কুয়া আছে এবং এর আগেও আজিজ মোল্লার বাড়ীতে স্বপন সবিতা নামে এক দম্পতি থাকতে এসেছিলো এবং তারা কুয়ায় পড়ে মারা যায়। তাদের আরো মনে পড়ে ১৯৭১ সালে এই আজিজ মোল্লার বাড়ীতে স্বপন সবিতা নামে আর এক দম্পতি ছিলো, তারা ও এই কুয়ায় পড়ে যায় কিংবা রাজাকারদের হাত থেকে বাঁচার জন্য মহল্লাবাসীরা স্বপন সবিতাকে কুয়ায় ফেলে দেয়। বার বার স্বপন সবিতারা কেন আজিজ মোল্লার বাড়ীতে ঘর ভাড়া নিতে আসে আর কেনই বা তারা কুয়ায় পড়ে যায়, ব্যাপারটা নিয়ে ভুতেরগলি নারিন্দার লোকেদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
শহীদুল জহিরের রচনায় পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। অভিনয় করেছেন- এ টি এম শামসুজ্জামান, শহিদুজ্জামান সেলিম, দ্বীপান্বিতা প্রমুখ।

অদৃশ্য রমনী

0 comments
৩৫ বছর বয়সী চা বাগানের মালিক সাহেদ ও ৩২ বছর বয়সী সাহেদের স্ত্রী গৃহবধূ তানিয়া বাস করে চা বাগানের সুন্দর একটি বাংলোয়। ৮ বছর দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর সন্তান ধারনে অপারগ তানিয়ার প্রতি সাহেদের আকর্ষণ প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে।

তানিয়া সাহেদের আচরনে স্পষ্ট টের পায় তার প্রতি অবজ্ঞা। তানিয়াদের বাংলোয় আমেরিকা থেকে বেড়াতে আসে তার খালাতো বোন অসম্ভব সুন্দরী ২০ বছরের তরুনী সোহানা। সাহেদ সোহানার প্রতি আকৃষ্ট হয়। সাহেদ ও সোহানার প্রেম যখন স্রোতের মতো বয়ে চলে তানিয়া তখন আবিষ্কার করে সাহেদের কাছে সে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

চিত্রনাট্য করেছেন আকরাম খান ও সূবর্ণা সেঁজুতি টুশি এবং পরিচালনা করেছেন আকরাম খান। অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, জয়া আহসান, সারিকা প্রমুখ।

শূণ্য মানব

0 comments
অল্প বয়সে প্রেম করে বিয়ে করেছিল আকমলের মেয়ে রূপা। তারপর আর কোন দিন বাবার বাড়িতে পা দিতে পারেনি। স্বামী তাকে ছেড়ে যাবার পরও, যখন রূপার যাবার আর কোন বিন্দু মাত্র যায়গা ছিলনা তখনও আকমল তার বাড়ির দরজা খোলেনি । মেয়ের প্রতি ভালবাসা বা পুত্রের প্রতি ভালবাসা কোন দিন প্রকাশ করেননি। এমনকি তার স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা ও প্রকাশ করেনি কোন দিন। ইদানিং প্রায়ই রূপার জন্য তার মন খারাপ থাকে। মাঝে মাঝে মেয়েকে দেখার জন্য পাগল হয়ে যায়। কত খোঁজ করেছে। কেউ কিছু বলতে পারে না।

বিপাশা হায়াতের রচনা ও তৌকির আহমেদের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ওয়াহিদা মলিক জলি, তৌকির, সুইটি প্রমূখ।

এবং হুমায়রা বেগম

0 comments
পুরনো ঢাকার একটি কট্টর রক্ষণশীল পরিবারকে কেন্দ্র করে নাটকের কাহিনী গড়ে উঠেছে । মূলত পরিবারটির কর্তাব্যাক্তি কট্টর রক্ষণশীল। তিনি তার স্ত্রী-কন্যাদেরকে কখনও বাড়ির বাইরে যেতে দেন না। পরপুরুষের চেহারা দেখা হারাম বলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এরইমধ্যে সৌদি প্রবিিস এক পাত্রের সাথে বড় মেয়ের বিয়ে ঠিক করেন। কিন্তু কন্যার মা বা কন্যা নিজেও পাত্রকে দেখার সুযোগ পায় না। বিয়ের রাতে কনে বরের চেহারা দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এমন আকস্মিকতায় বর ভরকে যায়। সে শ্বশুর বাড়ির কট্টর গোড়ামি প্রথা ভাঙতে চায়।
রচনা ও পরিচালনা করেছেন ইদ্রিস হায়দার। অভিনয়ে হাসান মাসুদ, বিন্দু, দিতি, আইরিন, মিশু, কাজী রাজু প্রমুখ।